Categories
Blog

হজ্জ

 

হজ্জ = আল্লাহর উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ইবাদতের মাধ্যমে একটি আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়া, যেখানে বিশ্ব মুসলিম একত্র হয়ে মহাসম্মেলনে যোগ দিয়ে তাকওয়া, ত্যাগ ও ঐক্যের বাস্তব অনুশীলন করে।

হজ কিভাবে করতে হয় কোরানের আলোকে আলোচনা করা হলোঃ

৩ ফরজ + ৬ ওয়াজিব + সুন্নত = পূর্ণ হজ

হজে ফরজ তিনটি। ১) ইহরাম (নিয়ত) ২) আরাফাতে অবস্থান ৩) তাওয়াফে ইফাদা।

হজের  ওয়াজিব ছয়টি। ১) সাঈ (সাফা–মারওয়া) ২) মিনা থাকা ৩) রমি (শয়তানকে পাথর মারা) ৪) কুরবানী (হাদী) ৫)

``` }
Categories
Blog

মাথা মুন্ডন

হজ্জব্রত পালনে মাথা মুন্ডন করতে হয় কেন? এমনকি অন্য সব ধর্মেও তীর্থ গমন কারীদের মাথা মুন্ডন করতে হয় ধর্মীয় বিধান মতে। কিন্তু কেন?  এর পেছনে বিধির কি রহস্য বিদ্যমান?

১) হজে মাথা ন্যাড়া করা — ফরজ?

কুরআনে সরাসরি এসেছে: “তোমরা অবশ্যই প্রবেশ করবে মসজিদুল হারামে… মাথা মুন্ডনকারী (محلقين) ও চুল ছোটকারী (مقصرين) অবস্থায়…”— (48:27)

আরবি শব্দ বিশ্লেষণ:

مُحَلِّقِينَ (মুহাল্লিকীন) → মাথা পুরো ন্যাড়া করা

مُقَصِّرِينَ (মুকাসসিরীন) → চুল ছোট করা

এখানে দুটো অপশনই দেওয়া হয়েছে। বিঃদ্র- চুল ছোট

``` }
Categories
Blog

গাট্টিওয়ালা

তোমরা কি দেখনি সেই গাট্টিওয়ালাদের যারা নিজেদের উপর নিজেরাই কঠোরতা আরোপ করে, সংসার বৈরাগী হয়, অসভ্যতাকে সভ্যতা মনে করে, যাদের ঈমান কুফরীর উপর এমন দৃঢ় যেন তমাল বৃক্ষের ন্যায়, যার উপরের কান্ডের  চেয়ে মাটির নীচের শিখর ঢের গভীর। তারা নিজেদের রচিত ইবাদত কাঠামোতে উৎফুল্ল। অথচ আল্লাহর নিকট  এসব পন্ডু সার।  আল্লাহ তাদের লক্ষ্য করে বলেনঃ

উহারাই তাহারা, ‘পার্থিব জীবনে যাহাদের প্রচেষ্টা পণ্ড হয়, যদিও তাহারা মনে করে যে, তাহারা সৎকর্মই করিতেছে। ( ১৮:

``` }
Categories
Blog

বিনোদনের ইসলাম

কোন একটা হাদিস না মানলে আপনি অবশ্যই কাফের।  কোন সন্দেহ নাই।

الولد للفراش وللعاهر الحجر”

সহীহ বুখারী (৬৭৪৯), সহীহ মুসলিম (১৪৫৭)

স্বামীর মৃত্যুর ২ বছর পরও যদি সন্তান হয় তবে সে সন্তান মৃত স্বামীর। সব মাযহাব এ হাদীস স্বীকার করে তবে বিভিন্ন মাযহাবের সময় সীমা শুধু বিভিন্ন। 

১) হানাফি — ২ বছর। কিতাব আল-হিদায়া, আল-মাবসুম। মৃত্যুর ২ বছরের মধ্যে হলে সন্তান ঐ স্বামীর।

২) মালিকি — ৪

``` }
Categories
Blog

কর্মই ইবাদত

 

পরকালে বিচার হবে ধর্মের নাকি কর্মের ভিত্তিতে?

“যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।” (সুরা মুলক ৬৭:২)

পরকালে আল্লাহ আমাদের জিজ্ঞেস করবেন না— “তুমি কোন ধর্মের অনুসারী ছিলে? বরং কুরআন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়- বিচার হবে আমাদের কর্ম, নৈতিকতা ও সত্যের প্রতি অবস্থান অনুযায়ী।

“আজ প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কৃতকর্ম অনুযায়ী প্রতিফল দেওয়া হবে। আজ কোনো যুলুম করা হবে না।” (সূরা গাফির ৪০:১৭)

``` }
Categories
Blog

দৃষ্টি সংযত

 

মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে;(২৪:৩০)

এ আয়াতে যেনার পুর্ব শর্ত দৃষ্টিকে সংযত করা। এই দৃষ্টি কি চোখের দৃষ্টি?  না কখনোই না।  দৃষ্টি একটি উপমা।

এই দৃষ্টিটা চর্ম চক্ষু নয়। দৃষ্টিটা হচ্ছে অন্তর। অন্তর যেখানে নেই সেখানে আমাদের দৃষ্টি থাকে না। আমরা দেখে থাকি আমাদের অন্তর দিয়ে। আল্লাহ এ জন্যই বলেছেনঃ কান দিয়েছি শোনার জন্য, চোখ দিয়েছি দেখার জন্য এবং অন্তর দিয়েছি অনুধাবন

``` }
Categories
Blog

ইসলাম Vs সনাতন

ইসলাম ধর্ম vs সনাতন ধর্ম  যে শব্দ গুলি চলমান

কোরআন = বেদ
হাদিস = গীতা
আয়াত = শ্লোক
নবী = অবতার
ফেরেস্তা = দেবতা
আলেম = ব্রাম্মণ
হুজুর = পুরোহিত
মসজিদ = মন্দির
নামাজ = পূজা
তবারক =প্রসাদ
রোজা = উপবাস
হজ্জ = তীর্থযাত্রা
জমজম = গঙ্গাজল
জান্নাত = স্বর্গ
জাহান্নাম = নরক
টুপি = তিলক
আরবী = সংস্কৃত
তসবিহ = জপমালা
আজরাইল = জমদূত
কেয়ামত = মহাপ্রলয়
জুম্মাহ বার = লক্ষীবার

``` }
Categories
Blog

পরিস্কার Vs পবিত্রতা

পরিস্কার এবং পবিত্র কি?

হাত-পা ধুয়ে অযু করা কি কুরআনের দৃষ্টিতে “পবিত্রতা” (طهارة) ?

সাধারন ভাবে আমাদের ধারনা অযু – গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করতে হয়। অযু -গোসল করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া যায়, পবিত্র নয়। হাত-পা ধুয়ে অযু করা কুরআনের দৃষ্টিতে পবিত্রতার একটি অংশ। এটি শরীরের পবিত্রতা।

কিন্তু কুরআন আরও বড় পবিত্রতার কথা বলে: আত্মা ও চরিত্রের পবিত্রতা।

কুরআনে “পবিত্রতা” বোঝাতে প্রধানত দুটি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে: ১) طهارة (তাহারা) —

``` }
Categories
Blog

প্রকাশ্য শয়তান

 

কেমন ধোকায় ফেলে রেখেছে মানুষকে দীর্ঘদিন যাবৎ ~

সাধারন ভাবে আমাদের ধারনা শয়তান আল্লাহর আলাদা সৃষ্টি কিছু। যে আমাদের রগে রগে মিশে থাকে, সকল পাপ কর্ম করায় এবং আমাদের পথভ্রষ্ট করে। তাই শয়তানকে পরাভুত করার জন্য আল্লাহর সাহায্য চেয়ে থাকি। না জানি কেমন দেখতে সেই শয়তান।৷ ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ আল্লাহ বলেনঃ “নিশ্চয় শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।”

হে মু’মিনগণ! তোমরা সর্বাত্মক ভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করিও না। নিশ্চয় সে তোমাদের

``` }
Categories
Blog

নাত

১)  مَوْلَايَ صَلِّ وَسَلِّمْ دَائِمًا أَبَدًا

মাওলাইয়া সাল্লি ওয়া সাল্লিম দা-ইমান আবাদান

عَلَى حَبِيبِكَ خَيْرِ الْخَلْقِ كُلِّهِمِ

আলা হাবীবিকা খাইরিল খালকি কুল্লিহিম

২)  مُحَمَّدٌ سَيِّدُ الْكَوْنَيْنِ وَالثَّقَلَيْنِ

মুহাম্মাদুন সাইয়্যিদুল কাওনাইনি ওয়াস্-সাকালাইনি

وَالْفَرِيقَيْنِ مِنْ عُرْبٍ وَمِنْ عَجَمِ

ওয়াল ফারীকাইনি মিন উরবিন ওয়া মিন আজামি

৩) هُوَ الْحَبِيبُ الَّذِي تُرْجَى شَفَاعَتُهُ

হুয়াল হাবীবুল্লাযী তুরজা শাফা‘আতুহু

لِكُلِّ هَوْلٍ مِنَ الْأَهْوَالِ مُقْتَحِمِ

লিকুল্লি হাওলিন মিনাল আহওয়ালি মুক্তাহিমি

৪)  مَوْلَايَ صَلِّ دَائِمًا أَبَدًا

মাওলাইয়া সাল্লি দা-ইমান আবাদান

عَلَى حَبِيبِي خَيْرِ خَلْقِهِ

আলা হাবীবি খাইরি

``` }
Categories
Blog

উর্দু ভাষা

_________ উর্দু ভাষা

আরবি বর্ণ ≈ ২৮টি উর্দু বর্ণ ≈ ৩৮টি। আরবির চেয়ে প্রায় ১০টি বর্ণ বেশি।

উর্দুর অতিরিক্ত বর্ণগুলো

১️) پ উচ্চারণ: “প” (Arabic-এ “প” ধ্বনি নেই)

২️) چ উচ্চারণ: “চ” (cha)

৩️) ٹ উচ্চারণ: মোটা “ট”

৪️) ڈ উচ্চারণ: মোটা “ড”

৫️) ڑ উচ্চারণ: “ড়”

৬️) ژ উচ্চারণ: “ঝ/জ

৭️) گ উচ্চারণ: “গ”

৮️) ں উচ্চারণ: নাসাল “ন”

৯) ے উচ্চারণ: “এ/য়ে

উর্দুর অতিরিক্ত বর্ণগুলো: پ، چ، ٹ، ڈ، ڑ، ژ، گ، ں، ھ،

কেন এই বর্ণগুলো যোগ

``` }
Categories
Blog

উর্দু নাত

১) مصطفى جانِ رحمت پہ لاکھوں سلام মোস্তফা জানে রহমত পে লাখো সালাম (মুস্তফা—রহমতের প্রাণ—তার উপর লক্ষ লক্ষ সালাম)

২) شمعِ بزمِ ہدایت پہ لاکھوں سلام শম‘এ বজমে হিদায়াত পে লাখো সালাম (হেদায়াতের সভার প্রদীপ—তার উপর লক্ষ লক্ষ সালাম)

৩) شہر یارِ ارم تاجدارِ حرم শাহরিয়ারি আরম তাজদার হারাম (জান্নাতের নগরীর অধিপতি, হারামের সম্রাট,)

৪)  نو بہارِ شفاعت پہ لاکھوں سلام নও বাহারে শাফা‘আত পে লাখো সালাম (শাফা‘আতের নতুন বসন্ত—তার উপর লক্ষ লক্ষ সালাম)

৫)

``` }
Categories
Blog

ধর্মের কপি

;-প্যারালাল

কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন।

বেদ মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেছে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য, শুদ্র। অথচ সেই বেদ পড়ার অধিকার নাই শুদ্রের। শাস্ত্র মতে শূদ্র অস্পৃশ্য জাতি। সেই অস্পৃশ্য জাতীকে একমাত্র ব্রাহ্মন মন্ত্র পড়ে স্বর্গে পাঠাতে পারে ।

ব্রাহ্মন্যবাদ

``` }
Categories
Blog

পবিত্রতা

 

পবিত্র কি?

হাত-পা ধুয়ে অযু করা কি কুরআনের দৃষ্টিতে “পবিত্রতা” (طهارة) ?

সাধারন ভাবে আমাদের ধারনা অযু – গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করতে হয়। অযু -গোসল করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া যায়, পবিত্র নয়।

হাত-পা ধুয়ে অযু করা কুরআনের দৃষ্টিতে পবিত্রতারএকটি অংশ।এটি শরীরের পবিত্রতা। কিন্তু কুরআন আরও বড় পবিত্রতার কথা বলে: আত্মা ও চরিত্রের পবিত্রতা।

কুরআনে “পবিত্রতা” বোঝাতে প্রধানত দুটি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে:

Continue reading “পবিত্রতা”

``` }
Categories
Blog

পুর্ববর্তির সালাত

 

মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জা স্থানের হিফাযত করে;(২৪:৩০)

এ আয়াতে যেনার পুর্ব শর্ত দৃষ্টিকে সংযত করা। এই দৃষ্টি কি চোখের দৃষ্টি?  না কখনোই না।  দৃষ্টি একটি উপমা।

এই দৃষ্টিটা চর্ম চক্ষু নয়। দৃষ্টিটা হচ্ছে অন্তর। অন্তর যেখানে নেই সেখানে আমাদের দৃষ্টি থাকে না। আমরা দেখে থাকি আমাদের অন্তর দিয়ে। আল্লাহ এ জন্যই বলেছেনঃ কান দিয়েছি শোনার জন্য, চোখ দিয়েছি দেখার জন্য এবং অন্তর দিয়েছি

``` }
Categories
Blog

যাকাতের পরিমান

কুরআনে বহু জায়গায় الصلاة (সালাত) ও الزكاة (যাকাত) একত্রে এসেছে। যাকাত দেওয়া বাধ্যতামূলক। যাকাতে দরিদ্রদের অধিকার আছে। কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধনীর সম্পদে দরিদ্র ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে। তাদের সম্পদে রয়েছে প্রার্থী ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার। এখানেই স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, ধনী ব্যক্তির সম্পদে দরিদ্রদের জন্য অংশ সংরক্ষিত। (৫১:১৯)

ফসল কাটার দিন তার অধিকার দিয়ে দাও। (6:141) এ থেকে বুঝা যায় যাকাত ধনীর জন্য নির্ধারিত। এটি যাকাতের মূল নীতি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের

``` }
Categories
Blog

জীবনচক্র

প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে না!’( ৩৭:৫৯) ইহা তো মহাসাফল্য। (৩৭:৬০) এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,( ৩৭:৬১)

মানুষ জন্মগত ভাবে কেন অন্ধ, আতুর, পুঙ্গু হয়?  ; কেন অপরিণত বয়সে মৃত্যু হচ্ছে, ভালো মেয়েটির শ্লীলতাহানী হচ্ছে, কেন নিরপরাধ মানুষ জেল খাটছে,?

আল্লাহ বলেনঃ পৃথিবীতে অথবা ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর যে বিপর্যয় আসে আমি উহা সংঘটিত করিবার পূর্বেই উহা লিপিবদ্ধ থাকে ;।( 57:22)

এর প্রত্যেকটির

``` }
Categories
Blog

কর্মফল ও তকদীর

আল্লাহর উপর দোষ চাপানো কর্মফল ও তকদীরের দর্শন

মানুষ জন্মায় ভিন্ন ভিন্ন নিয়তি নিয়ে— কেউ দেখে আলোর পৃথিবী, কেউ জন্মমুহূর্তেই অন্ধকারে বন্দী; কেউ সুস্থ দেহ নিয়ে হাঁটে, আবার কেউ জন্মগত পঙ্গুত্বের ভার বয়ে বেড়ায়। কেউ পূর্ণ আয়ু পায়, কেউ আবার শিশুকালেই পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়।

বজ্রপাত, ভূমিকম্প, সুনামি, টাইফুন—প্রাকৃতিক প্রতিটি দুর্যোগ কোনো না কোনো নিষ্পাপ শিশুর প্রাণকে কেড়ে নেয়।

তখন প্রশ্ন জাগে—এই বৈষম্যের উৎস কোথায়?

এই নৈর্ব্যক্তিক বেদনার পিছনে কি শুধুই অন্ধ ভাগ্যের খেলা? না

``` }
Categories
Blog

কিয়ামত ও হাশর কোরানের উপলব্ধি

 

কিয়ামত – হাশরের প্রচলিত ধারনাঃ

কিয়ামত বলতে সাধারণত আমরা একটি মহাপ্রলয় বা ধ্বংসের দিন বুঝি যেদিন এই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।

#কিন্তু কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী তথাকথিত পৃথিবী ধ্বংসের নামে কিয়ামতের অস্তিত্বই নেই আলামত তো দূরের কথা।

আসলে কিয়ামত শব্দটির অর্থ আমরা সাধারনত মহাপ্রলয় দিবস জানি যা হাশরের আগে সংঘটিত হবে। আসলে  “قيامة” এর সঠিক অর্থ হল এমন একটি ঘটনা যখন বিচার (judgment) সংঘটিত  হয়, যা

``` }
Categories
Blog

ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধ

ইরানের জয় – পরাজয়

ইসলামের আবির্ভাব সময় রোমে ও ইরান দুই বৃহৎ শক্তির মধ্যে চলছিল দীর্ঘদিনের যুদ্ধ ৬১৪ খঃ হতে।শক্তিতে ইরান ছিল প্রবল রোম দুর্বল।

৬১৪ খৃঃ পারস্যের  সম্রাট খসরু পারভেজ বাইজেন্টাইন রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জেরুজালেম দখল করে নেয়। বাইজেন্টাইনরা (রোমান খ্রিস্টানরা) চরমভাবে পরাজিত হয়।

পারস্য বাহিনী বাইবেলের বহু পবিত্র নিদর্শন লুণ্ঠন করে এবং অনেক খ্রিস্টানকে বন্দী করে। আরবের মুশরিকরা পারস্যের বিজয়ে খুশি হয়েছিল কারণ পারস্য ছিল

``` }