Categories
My text

সূচনা তথ্য

 

পৃথিবী সৃষ্টির বিবরন 

কে বা জানতো এই পৃথিবী বিগব্যাঙে হলো সৃষ্টি? সুরা আম্বিয়ার ত্রিশ আয়াতটি কাড়ে না তোমার দৃষ্টি? কে বা জানতো এই পৃথিবী চ্যাপ্টা নাকি গোল? নাযিয়াতের ত্রিশ আয়াত পড়লে চোখ খোল।

কে জানতো মহাবিশ্ব সদা সম্প্রসারণশীল? যারিয়াতের সাতচল্লিশ আয়াতটি জুড়িয়ে দিলো দিল। কে জানতো চাঁদের আলো তার নিজস্ব নয়? সুরা ফুরকানের একষট্টি আয়াত সেই কথা যে কয়। কে বা জানতো দিবাকরও নিজ অক্ষে ঘুরে? সুরা আম্বিয়া তেত্রিশ আয়াত পড়ে দেখো সুরে। কে বা জানতো ফলের মাঝেও পুং-স্ত্রী থাকে? সুরা রাদের তিন আয়াতটি এই ছবিটাই আঁকে। কে জানতো মিষ্টি-লোনার অদৃশ্য অন্তরাল? সুরা ফুরকানের তিপ্পান্ন আয়াত সাক্ষী চিরকাল। কে জানতো বাষ্প হয়ে পানি উঠে আকাশে? সুরা ত্বরিকের এগার আয়াতে এই তথ্যই ভাসে। কে জানতো পাহাড়গুলো এই পৃথিবীর কীলক? নাবা সুরার আট আয়াতে এই কথাটির ঝলক। কে বা জানতো চামড়ার নিচে পেইন রিসেপ্টর আছে? সুরা নিসার ছাপ্পান্ন আয়াতে এই কথাটিই আছে। কে বা জানতো প্রত্যেক আঙ্গুলের ছাপ ভিন্ন ভিন্ন? সুরা কিয়ামার তিন চার আয়াত এই তথ্যের জন্য। কে জানতো মানব ভ্রুনের শ্রবণ ফোটে আগে? তখন সাজদা সুরার নয় আয়াতটির কথা মনে জাগে। কে জানতো পৃথিবী মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে আছে ঝুলে? নামল সুরার পনের আয়াতটি বলছে খুলে খুলে।

ইতিহাসের কথায় এবার আসি বর্ণনায়, ফেরাউনের নামটি সবাই পাবে যে সেথায়। আল্লাহ বলেন’ও ফেরাউন!তোকে করবো সংরক্ষণ’ তোকে এই পৃথিবীর কোন প্রাণী করবে নাকো ভক্ষণ। সুরা ইউনুসের বিরানব্বই আয়াত সেই ঘোষনার প্রমাণ,এবার বলো এটা কি শুধুই অনুমান?

এই জ্ঞানের উপর আধিপত্যই মুসলমানদের দুনিয়ার নেতৃত্বের আসনে বসিয়েছে। কোন অতিপ্রাকৃতিক দাজ্জাল আর ইমাম মেহেদী তত্ত্ব আজ পর্যন্ত পৃথিবীর নেতৃত্ব ঠিক করেনি|নেতৃত্ব ঠিক হয় যোগ্যতার ভিত্তিতে। হাজার বছর ধরে যুদ্ধ জয়ের যে চিরন্তন নীতিমালা তা অনুসরণ করেই স্বর্ণযুগের মুসলমানরা সব যুদ্ধ জিতেছে। কোন অলৌকিক তত্বের উপর ভিত্তি করে নয়। জয় পরাজয়ের চিরন্তন নিয়ম ভাঙ্গায় আমেরিকা র মত পরাশক্তিও ভিয়েতনাম যুদ্ধে হেরেছে।

যারা ধর্ম,বর্ন,লিঙ্গ,ভাষা ও জাতীয়তার উর্ধে উঠে মনে প্রাণে সমগ্র মানবজাতির কল্যানের কথা ভাবতে অক্ষম তারা কোন বিশেষ গোষ্ঠীর নেতা হতে পারে কিন্তু মানবজাতির নেতা হিসেবে তারা অযোগ্য। আল্লাহ সমগ্র 

গাজওয়ে হিন্দ আর আজওয়া খেজুর তত্ত্বে যাদের বিপুল বিশ্বাস তাদের দুনিয়ার নেতৃত্বে না আসাই উত্তম।

দুনিয়াতে মুসলমানের সংখ‍্যা প্রায় দুইশ কোটি।আর ইহুদিদের সংখ‍্যা মাত্র দেড় কোটি। অর্থাৎ ঢাকা শহরে যতোগুলো মানুষ বাস করে,সারা দুনিয়াতে ইহুদিদের সংখ‍্যা তারচেয়েও কম।

সারা মুসলিমবিশ্বে যে মানের বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণা হয়, তারচেয়ে অনেক উন্নত ও ইমপ‍্যাক্টফুল গবেষণা হয় শুধু মাত্র ইসরাইলে।

দুইশ কোটি মুসলিম জনগোষ্ঠির দেশে দশটা বিশ্বসেরা ইউনিভার্সিটি নাই—ভাবা যায়! মুসলমানরা জ্ঞান-গবেষণা থেকে অনেক দূরে। প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে। এতো দূরে চলে গেছে যে তাদেরকে জাগানো সহজ নয়। মুসলিম দেশগুলোতে জ্ঞানীদেরকে আক্রমন করা হয়। জ্ঞানীদের কদর নাই। প্রফেসর আব্দুস সালাম, যিনি মুসলিমবিশ্বের একমাত্র নোবেল বিজয়ী পদার্থবিদ,তাকে পর্যন্ত বেইজ্জতি করা হয়ছে শুধুমাত্র আহমদিয়া বলে।

নতুন কিছু আসলেই সেটা কোরআনের সাথে,ধর্মের কোনো বাণীর সাথে রিলেট করা গেলেই,’চৌদ্দশ বছর আগে কোরআনে এটা বলা আছে।ইহুদি- নাসারারা এখন বাইর করছে’-বলে ক্রেডিট নিতে আমরা এক সেকেন্ডও দেরি করি না।কিন্তু যে গ্রন্থ চৌদ্দশ বছর যাবত আমরা পড়ছি,তার মর্মার্থ কিংবা ভাবার্থ কেন আমরা বের করতে পারলাম না,তা নিয়ে কোনো চিন্তা মাথায় আসে না আমাদের।

By Ekramul hoq

I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

``` }