Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
নিজ নিজ স্বভাব
قُلْ كُلٌّ يَعْمَلُ عَلَىٰ شَاكِلَتِهِ فَرَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَنْ هُوَ أَهْدَىٰ سَبِيلًا (১৭:৮৪)
( কুল কুল্লুন ইয়া’মালু ‘আলা শাকিলাতিহি, ফা-রাব্বুকুম আ’লামু বিমান হুয়া আহদা সাবীলা।)
১) قُلْ (কুল) – বল
২) كُلٌّ (কুল্লুন) – প্রত্যেকেই / সবাই
৩) يَعْمَلُ (ইয়া’মালু) – কাজ করে, আমল করে
৪) عَلَىٰ (আলা) – উপর / অনুযায়ী
৫) شَاكِلَتِهِ (শাকিলাতিহি) – তার স্বভাব, প্রকৃতি, পদ্ধতি, মানসিক গঠন, নিজস্ব ধারা
৬) فَ (ফা) – অতঃপর / সুতরাং
৭)
বিকৃত সালাত
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। ১৯:৫৯
فَخَلَفَ مِنْۢ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوٰتِ
( ফাখালাফা মিম বাআ’দিহিম খালফুন আ’দাউস সালাতা ওততাবাউ – শ – শাহাওয়াতি।) সুরা মরিয়ম আয়াত ৫৯
১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য?
২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই
সালাতের লক্ষ্য উদ্দেশ্য
সালাত কোন বডি ল্যাংগুয়েজে সীমাবদ্ধ নয়।
১) সালাত প্রতিষ্ঠা করতে হয়।
২) সালাত সংরক্ষণ করতে হয়।
৩) সালাত নির্ধারিত সময়ে হয়।
৪) সালাতে কিয়াম, রুকু, সিজদা আছে।
৫) সালাতে কুরআন পাঠ আছে।
৬) সালাতে উচ্চারণের নিয়ম আছে।
৭) সালাতের উদ্দেশ্য আল্লাহর স্মরণ।
৮) সালাতের ফল নৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন।
কোরআন থেকে তার প্রমানঃ
১) সালাত প্রতিষ্ঠা করতে হয় (أَقِيمُوا الصَّلَاةَ / أَقِمِ الصَّلَاةَ) উদাহরন সুরা ও আয়াতঃ
সালাতুল দা-ইয়েমুন
আরবী دَائِمُونَ দাইয়িমুন শব্দের অর্থ সর্বক্ষণ না নিয়মিত?
সালাত সর্বক্ষণ অর্থাৎ দায়েমী সালাত বিষয়ে গুরত্তপুর্ণ একটি আয়াত
সুরা মারিজে:الَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَائِمُونَ
আল্লাযীনা হুম ‘আলা সালাতিহিম দা-ইমূন।(৭০:২৩)
অর্থ: তারা তাদের সালাতের উপর অবিচল। অথবা যারা তাদের সালাতে নিয়মিত ও অবিচল থাকে।
প্রশ্ন জাগে دَائِمُونَ শব্দ “সর্বক্ষণ” না কি “নিয়মিত” বুঝায়?
এখানে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। دائم
সালাত শব্দের বাংলা
কুরআনে সালাত শব্দটির মুল ধাতু — ص ل و (সোয়াদ–লাম–ওয়াও) থেকে গঠিত শব্দগুলো বিভিন্ন রূপে এসেছে। যার অর্থ সাধারন ভাবে নিন্মরুপ।
১) সংযুক্ত হওয়া বা সম্পর্ক স্থাপন করা।
২) অনুসরণ করা বা নিকটবর্তী হওয়া।
৩) মনোযোগ ও নিবিষ্টতা প্রদর্শন করা।
৪) দোয়া বা কল্যাণ কামনা করা (প্রসঙ্গভেদে)।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কুরআনে এই ধাতুর সব রূপের অর্থ এক নয়। যেমন:
ক) মানুষ يُصَلِّي করলে অর্থ এক ধরনের।
খ) আল্লাহ নবীর উপর يُصَلِّي করলে অর্থ ভিন্ন প্রসঙ্গে বোঝা হয়।
গ)
আল্লাহর সালাত
কোরানে বর্নিত সালাতঃ
১) মানুষের জন্য সালাত (২০:১৪)
২) পাখির জন্য সালাত (২৪:৪১)
৩) আল্লাহর জন্য সালাত (৩৩:৪৩)
৪) ফেরেশতাদের জন্য সালাত (৩৩:৫৬)
কুরআনে সালাতকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিক ইবাদত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি; বরং এটি মানুষের চরিত্র, নৈতিকতা এবং সামাজিক আচরণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। এই অধ্যায়ে আমরা পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত বিশ্লেষণ করব, যেখানে সালাতের প্রকৃত মূল্যায়ন বাহ্যিক আচারের পরিবর্তে মানুষের নৈতিক জীবনে তার
সালাতের স্ট্রাকচার কেমন
কোরান থেকে সালাতের স্ট্রাকচারঃ
সালাত الصلاة এর বাংলা কি?
কুরআনের صلاة শব্দের প্রকৃত বাংলা অর্থের অনুসন্ধানঃ
বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে “নামাজ” বলতে আজ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা বোঝায়—দাঁড়ানো, কুরআন তিলাওয়াত করা, রুকু করা, সিজদা করা, বসে দোয়া পড়া ইত্যাদির সমন্বয়ে সম্পন্ন একটি নির্ধারিত ইবাদত।
কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন হলো—কুরআনে ব্যবহৃত “الصلاة”, “صلى”, “صلوا”, “أقيموا الصلاة” ইত্যাদি শব্দগুলোর অর্থ কি সর্বত্র এই একই আনুষ্ঠানিক ইবাদত? নাকি কুরআনে এ শব্দগুলোর অর্থ-পরিসর আরও বিস্তৃত? এই প্রশ্নের উত্তর অভিধান,
আরবের কাফের
“আরবের কাফেরদের ধর্ম পালন ও বর্তমান অধিকাংশ মুসলমানের ধর্ম পালনের মধ্যে কুরআনের আলোকে আমি কোনো পার্থক্য দেখি না।”
কুরআনের আলোকে ধর্ম পালনের মানদণ্ড কুরআন জানায়, মক্কার মুশরিকরা আল্লাহকে অস্বীকার করত না। বরং তারা স্বীকার করত যে আসমান ও পৃথিবীর স্রষ্টা আল্লাহ।
“যদি তুমি তাদের জিজ্ঞেস কর, ‘কে আসমান সমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন?’ তারা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ।'” (৩১:২৫, আরও দেখুন ২৯:৬১, ৩৯:৩৮, ৪৩:৮৭)
সালাতের বাংলা
কুরআনের صلاة শব্দের প্রকৃত বাংলা
বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে “নামাজ” বলতে আজ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা বোঝায়—দাঁড়ানো, কুরআন তিলাওয়াত করা, রুকু করা, সিজদা করা, বসে দোয়া পড়া ইত্যাদির সমন্বয়ে সম্পন্ন একটি নির্ধারিত ইবাদত। “বডি ল্যাংগুয়েজ (দাঁড়ানো, রুকু, সিজদা ইত্যাদি) নিজেই কি ‘সালাত’ শব্দের অর্থ?”—তাহলে আমি বলব না, ভাষাগতভাবে ‘সালাত’ শব্দের মূল অর্থ বডি ল্যাংগুয়েজ নয়।
কুরআনে ব্যবহৃত الصلاة” “صلى, “صلوا” “أقيموا الصلاة” ইত্যাদি
সূরা কাউসার
বিজ্ঞানভিত্তিক অনুবাদ
সূরা আল-কাওসার (১০৮ নম্বর সূরা) হলো মহাজাগতিক ইকোসিস্টেমে শক্তি।
(108:1) নিশ্চয়ই আমি তোমাকে অফুরন্ত কসমিক এনার্জি-প্রবাহ, সর্বোচ্চ জ্ঞান এবং সীমাহীন সিস্টেম রিসোর্সের এক ডাইনামিক উৎস (আল-কাওসার) সরবরাহ করেছি;
(108:2) অতএব, তুমি তোমার সিস্টেম আর্কিটেক্ট বা প্রতিপালকের (রাব্ব) সাথে ফ্রিকোয়েন্সি রি-ক্যালিব্রেশন বা ডেটা-কানেকশন (সালাত) বজায় রাখো এবং নিজের সিস্টেমে নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্রহণ করার জন্য নিজের চেতনার অগ্রভাগ, ডাটা রিসিভার এবং অন্তরের চ্যানেলকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত (Open-Channel
সালাতের কাঠামো
প্রচলিত সালাত কাঠামো বনাম কোরানে বর্নিত সালাতের কাঠামোঃ
কুরআনের আলোকে সালাতে কাঠামো কেমন হতে পারে? প্রথমে প্রচলিত সালাত কাঠামো দেখে নেই ।
১. সালাতের মনোস্থিরে দাঁড়িয়ে দোয়া “আমি আমার মুখমণ্ডল (সমগ্র সত্তা) সেই সত্তার দিকে নিবদ্ধ করেছি যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। আমি একনিষ্ঠভাবে তাঁরই দিকে ঝুঁকেছি। আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।”
এটি মূলত Quran-এর সূরা আল-আন‘আম-এর ভাষা থেকে নেওয়া।
সূচনা তথ্য
পৃথিবী সৃষ্টির বিবরন
কে বা জানতো এই পৃথিবী বিগব্যাঙে হলো সৃষ্টি? সুরা আম্বিয়ার ত্রিশ আয়াতটি কাড়ে না তোমার দৃষ্টি? কে বা জানতো এই পৃথিবী চ্যাপ্টা নাকি গোল? নাযিয়াতের ত্রিশ আয়াত পড়লে চোখ খোল।
কে জানতো মহাবিশ্ব সদা সম্প্রসারণশীল? যারিয়াতের সাতচল্লিশ আয়াতটি জুড়িয়ে দিলো দিল। কে জানতো চাঁদের আলো তার নিজস্ব নয়? সুরা ফুরকানের একষট্টি আয়াত সেই কথা যে কয়। কে বা জানতো দিবাকরও নিজ অক্ষে ঘুরে? সুরা আম্বিয়া তেত্রিশ আয়াত পড়ে দেখো
আহলে কোরান
আহলে কোরান কাদের বলে?
আল্লাহ বলেনঃ বান্দাদের মধ্য হতে যাদের তাঁর কিতাবের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেছেন তারা তিনটি শ্রেনীতে বিভক্তঃ
১) কেউ নিজের প্রতি জুলুমকারী,
২) কেউ মধ্যপন্থী,
৩) আর কেউ আল্লাহর অনুমতিতে কল্যাণকর কাজে অগ্রগামী।
আল্লাহর এ ঘোষণা মোতাবেক আপনিকোনটি?
ثُمَّ اَوْرَثْنَا الْكِتٰبَ الَّذِيْنَ اصْطَفَيْنَا مِنْ عِبَادِنَاۚ فَمِنْهُمْ ظَالِمٌ لِّنَفْسِهٖۚ وَمِنْهُمْ مُّقْتَصِدٌۖ وَمِنْهُمْ
অধিকার ভুক্ত দাসি
পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসিগণ ব্যতীত, নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখার নির্দেশ। (সূরা মুমিনুন আয়াত ৬)
আমাদের অধিকাংশ মনে করেন দাস প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে এটি মন গড়া ফতোয়া বা চ্যাট জিপিটি মামার অনুমান। দাস হিসাবে মানুষের ক্রয় বিক্রয় বা ক্রীত দাস প্রথা সংস্কার হয়েছে মাত্র।
অন্যদিকে ” অধিকার ভুক্ত দাসী ” শব্দটাকে অনেকে বর্তমান কাজের মেয়ের সাথে তুলনা করে বসেন। সমস্যাটা এখানে।
কোন নারীকে যদি আপনার ডান হস্তের অধিকারে
শরীয়াহ আইন
মোল্লারা শরীয়া আইন কেন চায়?

শরীয়া আইন বা ফিকার কিতাবে বালকের সাথে বলৎকার বা পিতা কতৃক কন্যার সহবাস বিষয়ে বর্নিত: ১) বালকের সহবাসের হুকুম: মূল কিতাবে বলা হয়েছে, যে বালক সহবাসের উপযুক্ত বা সক্ষম (মুরেহিক/مراهق), তার স্পর্শ বা সহবাস প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের মতোই হুরমতে মুসাহারা (যেমন: শাশুড়ির সাথে বা নির্দিষ্ট কিছু আত্মীয়ের সাথে বিবাহ হারাম হওয়া) সাব্যস্ত করে। এর জন্য মানদণ্ড হলো— যার সমবয়সী বালকেরা সাধারণত সহবাস করতে পারে এবং যাদের দেখলে নারীরা পর্দা বা লজ্জা পেয়ে থাকে।
প্যারালাল ধর্ম
প্যারালাল অনুষ্ঠানঃ
১) কোরআনের ব্যাখ্যা হাদীস আর সনাতন ধর্মে ঋগবেদের ব্যাখ্যা মহাভারত।
২) কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। হিন্দু ধর্ম মতে। অপরদিকে কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন। ইসলাম ধর্ম মতে।
৩)জমজমের পানি আল্লাহর কুদরতে ইসমাইল আঃ
আমার ধর্ম পালন
ইবরাহীমের মিল্লাত, কোরআনের দৃষ্টিতে ধর্মচর্চা এবং আমার উপলব্ধিঃ
লেখক: একরামুল হক তারিখ: ১৮/০৬/২০২৬
আমি নিজেকে প্রথমত ইবরাহীম (আ.)-এর মিল্লাতের অনুসারী মনে করি। কোরআন তাঁকে একজন সরলপন্থী, একনিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে পরিচয় করিয়েছে। এমনকি নবী মুহাম্মদ (সা.)-কেও ইবরাহীম (আ.)-এর পথ অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমার উপলব্ধি হলো, নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর মাধ্যমে কোরআনের অবতরণে আল্লাহর দ্বীন পূর্ণতা লাভ করেছে; ফলে ধর্মীয় বিধান ও নির্দেশনার চূড়ান্ত মানদণ্ড হলো কোরআন।
আমার
বিকৃত ইসলাম
হুরমতে মুসাহারা’ (বৈবাহিক সম্পর্কজনিত হারাম হওয়া) অনুচ্ছেদের মাসআলা।
ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী হানাফী ফিকহের অনুন্য নির্ভরযোগ্য কিতাব।
আরবী মূল গ্রন্থে এই মাসআলাগুলো যেভাবে বর্ণিত হয়েছে: কামোদ্দীপনার (শাহওয়াত) সময়কাল: স্পর্শ বা তাকানোর সময় কামোদ্দীপনা (কামভাব) থাকা শর্ত। স্পর্শ বা নজর করার পর যদি আলাদাভাবে কামভাব জাগ্রত হয়, তবে তা হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত করবে না।
কামোদ্দীপনার আলামত বা লক্ষণ: একজন সক্ষম বা যুবক পুরুষের ক্ষেত্রে শাহওয়াতের লক্ষণ হলো তার জননেন্দ্রিয় জাগ্রত
মাদ্রাসায় কেন এত বলৎকার ঘটনা দেখা যায়? কারন এগুলি ফিকাহ বা শরীয়া আইনে দন্ডনীয় নয়।
শরীয়া আইন বা ফিকার কিতাবে বালকের সাথে বলৎকার বা পিতা কতৃক কন্যার সহবাস বিষয়ে বর্নিত:
১) বালকের সহবাসের হুকুম: মূল কিতাবে বলা হয়েছে, যে বালক সহবাসের উপযুক্ত বা সক্ষম (মুরেহিক/مراهق), তার স্পর্শ বা সহবাস প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের মতোই হুরমতে মুসাহারা (যেমন: শাশুড়ির সাথে বা নির্দিষ্ট কিছু আত্মীয়ের সাথে বিবাহ হারাম হওয়া) সাব্যস্ত করে। এর জন্য মানদণ্ড হলো— যার সমবয়সী
