Categories
Blog

শরীয়া আইন

মাদ্রাসায় কেন এত বলৎকার ঘটনা দেখা যায়? কারন এগুলি ফিকাহ বা শরীয়া আইনে দন্ডনীয় নয়। 

শরীয়া আইন বা ফিকার কিতাবে বালকের সাথে বলৎকার বা পিতা কতৃক কন্যার সহবাস বিষয়ে বর্নিত:

১) বালকের সহবাসের হুকুম: মূল কিতাবে বলা হয়েছে, যে বালক সহবাসের উপযুক্ত বা সক্ষম (মুরেহিক/مراهق), তার স্পর্শ বা সহবাস প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের মতোই হুরমতে মুসাহারা (যেমন: শাশুড়ির সাথে বা নির্দিষ্ট কিছু আত্মীয়ের সাথে বিবাহ হারাম হওয়া) সাব্যস্ত করে। এর জন্য মানদণ্ড হলো— যার সমবয়সী বালকেরা সাধারণত সহবাস করতে পারে এবং যাদের দেখলে নারীরা পর্দা বা লজ্জা পেয়ে থাকে। (উৎস: ফাতাওয়া কাযীখান)

২) ​স্ত্রীকে তলব করে না পেয়ে স্বীয় কন্যার উরুদ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে তা প্রবেশ করায় তবে এতে এই কন্যার মা তার জন্য হারাম হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তার জননেন্দ্রীয় আরো বেশি শক্ত হয়। (তাবয়ীন)”

​আরবী وَأَوْلَجَ بَيْنَ فَخِذَيْ ابْنَتِهَا لَا تَحْرَمُ عَلَيْهِ أُمُّهَا مَا لَمْ يَزْدَدْ انْتِشَارًا ، كَذَا فِي التَّبْيِينِ (অর্থ: …এবং তার কন্যার উরুর মাঝে প্রবেশ করাল, এতে তার মা তার জন্য হারাম হবে না যতক্ষণ না লিঙ্গের উত্তেজনা/শক্ত হওয়া আরও বৃদ্ধি পায়; ‘তাবয়ীন’ কিতাবে এমনই রয়েছে)। ​ ​. فَمَنْ انْتَشَرَتْ آلَتُهُ فَطَلَبَ امْرَأَتَهُ وَأَوْلَجَ بَيْنَ فَخِذَيْ ابْنَتِهَا لَا تَحْرَمُ عَلَيْهِ أُمُّهَا مَا لَمْ يَزْدَدْ انْتِشَارًا ، كَذَا فِي التَّبْيِينِ . ثُمَّ هَذَا الْحَدُّ فِي حَقِّ الشَّابِّ ، أَمَّا الشَّيْخُ وَالْعِنِّينُ فَحَدُّهُمَا تَحَرُّكُ قَلْبِهِ أَوْ زِيَادَةُ تَحَرُّكِهِ إنْ كَانَ مُتَحَرِّكًا لَا مُجَرَّدُ مَيَلَانِ النَّفْسِ فِئَهُ يُوجَدُ فِيمَنْ لَا شَهْوَةَ لَهُ أَصْلًا كَالشَّيْخِ الْفَانِي …” (উৎস: আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া/আলমগীরী, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-২৭৫, দারুল ফিকর সংস্করণ)

By Ekramul hoq

I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

``` }