اِنَّ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَ الَّذِیْنَ هَادُوْا وَ النَّصٰرٰى وَ الصّٰبِئِیْنَ مَنْ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَ الْیَوْمِ الْاٰخِرِ وَ عَمِلَ صَالِحًا فَلَهُمْ اَجْرُهُمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ١۪ۚ وَ لَا خَوْفٌ عَلَیْهِمْ وَ لَا هُمْ یَحْزَنُوْنَ ইন্নাল্লাযিনা আমানু — ওয়াল্লাযিনা হাদু—ওয়া ন্নাসারা — — ওয়া ছ্ছাবিঈনা — আমানা বিল্লাহী — ওয়াল ইয়াওমিল আখেরী — ওয়া আমিলা সালিহান- ফালাহুম আজরুহুম — ইনদা রাব্বিহীম — ওয়া লা খাওফুন আলাইহীম — —- —– ——————— ওয়ালাহুম ইয়াহঝানুন। (সূরা বাকারা:৬২) ইন্নাল্লাযিনা আমানু — নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে ওয়াল্লাযিনা হাদূউ
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
কুরআনে পুনর্জন্ম (Reincarnation)—অর্থাৎ মৃত্যুর পর আবার পৃথিবীতে ফিরে এসে নতুন দেহে জীবন শুরু—এ ধারণা সরাসরি স্বীকৃত নয়। তবে কিছু আয়াতে এমন ভাষা আছে যা কেউ কেউ “ফিরে আসা” বা “পুনরায় সৃষ্টি” হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন।
رَبَّنَا أَمَتَّنَا اثْنَتَيْنِ وَأَحْيَيْتَنَا اثْنَتَيْنِ (৪০:১১)
১) أَمَتَّنَا = তুমি আমাদের মৃত্যু দিয়েছ
২) اثْنَتَيْنِ = দুইবার
৩) أَحْيَيْتَنَا = তুমি জীবন দিয়েছ
৪) اثْنَتَيْنِ = দুইবার
এখানে “দুই মৃত্যু ও দুই জীবন” উল্লেখ আছে।
فَخَلَفَ مِنْۢ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوٰتِ فَسَوْفَ يَلْقَوْنَ غَيًّا ۙ
উহাদের পরে স্থলাভিষিক্ত হল পরবর্তীরা, তাহারা নামাজ নষ্ট করিল ও লালসা-পরবশ হইল । সুতরাং উহারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, (১৯:৫৯)
নামাজ নষ্ট করিল — اَضَاعُوا الصَّلٰوةَ
লালসা পরবশ হইল — وَاتَّبَعُوا الشَّهَوٰتِ
এর পরের আয়াত (১৯:৬০) এ বর্নিতঃ কিন্তু উহারা নহে-যাহারা তওবা করিয়াছে, ঈমান আনিয়াছে ও সৎকর্ম করিয়াছে।
প্রশ্ন জাগে পরবর্তীরা কাহারা? তারা নামাজ নষ্টই বা করল কি ভাবে? সেই নামাজ পড়ে কি ঠিক করছে? না
পরকালে বিচার হবে ধর্মের নাকি কর্মের ভিত্তিতে?
“যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।” (সুরা মুলক ৬৭:২)
পরকালে আল্লাহ আমাদের জিজ্ঞেস করবেন না— “তুমি কোন ধর্মের অনুসারী ছিলে? বরং কুরআন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়- বিচার হবে আমাদের কর্ম, নৈতিকতা ও সত্যের প্রতি অবস্থান অনুযায়ী। “আজ প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কৃতকর্ম অনুযায়ী প্রতিফল দেওয়া হবে। আজ কোনো যুলুম করা হবে না।” (সূরা গাফির ৪০:১৭) “যে কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করবে, সে তা দেখতে
ইবাদত মানে কী?
— সূরা ইউসুফ ১২:৪০-এর আলোকে
“তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে নিছক কতগুলো নামের ইবাদত কর, সেগুলো তোমরা ও তোমাদের বাপ-দাদারা বানিয়ে নিয়েছ। আল্লাহ এদের কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। বিধান দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহরই। তিনি আদেশ দিয়েছেন—তাঁকে ছাড়া আর কারও ইবাদত করবে না। এটাই সরল পথ; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।” (ইউসুফ ১২:৪০)
আমরা সাধারণত ইবাদত বলতে কী বুঝি? নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত—এই আচারগুলোকেই আমরা ইবাদত বুঝি।
হেদায়েত প্রাপ্তীর পর পথভ্রষ্টতা নয়ঃ
ইসলামের মুল জীবন ব্যবস্থাকে কিছু আনুষ্ঠানিক এবাদদ কাঠামোতে রুপ দিয়ে পারসিয়ানরা দ্বীন ব্যবস্থাকে গৃহবন্দী করে রেখেছে এবং মোল্লাতন্ত্রকে ইসলামের মডেল বানিয়ে রেখেছে, এতে কোন সন্দেহ নেই।
আর তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য কোরান নিজ ভাষায় বুঝে সঠিক উপলব্ধির জন্য অবিরত চেষ্টা করে যাচ্ছেন একদল আল্লাহর মনোনীত বান্দা।
ঠিক এ সুযোগই কিছু নাস্তিক কোরানের আয়াত দিয়েই খুব সূক্ষ্ম ভাবে ঈমান হরন করে তাদের দল
আনুগত্য’ ( يُطِعِ )
কুরআনের যে সকল শব্দ সমূহের বিকৃত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘আনুগত্য’ ( يُطِعِ )।
وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ مَعَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِم مِّنَ ٱلنَّبِيِّۦنَ وَٱلصِّدِّيقِينَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَٱلصَّٰلِحِينَۚ وَحَسُنَ أُو۟لَٰٓئِكَ رَفِيقًا
যারা আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য করবে তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ভাজন নবী, সত্যনিষ্ঠ ব্যক্তি, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের সঙ্গী হবে। আর সঙ্গী হিসেবে তারাই উত্তম।( ৪:৬৯)
* এখানে আল্লাহর আনুগত্য বলতে কুরআন কে বুঝানো হয়েছে আর রাসূলের আনুগত্য বলতে বার্তা বাহকের
হুকুম মানা
যে রাসুলের হুকুম মান্য করলো সে আল্লাহর হুকুমই মান্য করলো”। সুরা নিসা, আয়াত ৮০
এই আয়াতের প্রকৃত অর্থ বুঝতে আনেকেই ভুল করেন আবার ইচ্ছে করেই অনেকে ভুল বুঝায়, উদ্দেশ্য প্রচলিত হাদিসকে আল্লাহর হুকুকের সমকক্ষ পর্যায়ে দাড় করাতে এবং মানুষকে দিয়ে পরিপালন করাতে।
এই আয়াত দ্বারা প্রকৃত পক্ষে যা বুঝানো হয়েছে তা হলো- রাসুল একমাত্র এবং শুধুমাত্র আল্লাহর আদেশ পালন করেছেন। আর সে কারণেই বলা হয়েছে রাসুলের হুকুম পালন করা অর্থ আল্লাহর হুকুম পালন করা। যদি আল্লাহ একটা হুকুম দেন
ইবাদত মানে কী? — সূরা ইউসুফ ১২:৪০-এর আলোকে
“তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে নিছক কতগুলো নামের ইবাদত কর, সেগুলো তোমরা ও তোমাদের বাপ-দাদারা বানিয়ে নিয়েছ। আল্লাহ এদের কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। বিধান দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহরই। তিনি আদেশ দিয়েছেন—তাঁকে ছাড়া আর কারও ইবাদত করবে না। এটাই সরল পথ; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।” (ইউসুফ ১২:৪০)
আমরা সাধারণত ইবাদত বলতে কী বুঝি? নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত—এই আচার গুলোকেই আমরা ইবাদত বুঝি।
কিন্তু এই
আবেগের দেশ
আবেগ আর হুজুগের দেশ…………. ধর্ম আর রাজনীতির জন্য উর্বর ভুমি।
তাই এক দিকে যেমন রাজনীতি অন্য দিকে ধর্ম চাষের জন্য এখানে কাংখিত লক্ষ্য অর্জিত হয়।
“বিবেক যখন জ্ঞানের প্রয়োগ হারিয়ে ফেলে তখন —— এ দুটি ফসল দারুন ফলে।
ভারত-পাকিস্তান – বাংলাদেশ এতে শীর্ষে। তাই এখানে দু-চার জন জ্ঞান প্রাপ্ত হলেও তারা পাশ্চাত্যে পাড়ি জমায়।
কোন জনপদকে চির গোলাম করে রাখতে বর্জুয়ারা ধর্ম আর খেলাধুলাকে এডিকটেড ড্রাগ হিসেবে প্রয়োগ করে
বিপ্লবী জনগণের সবচেয়ে বড় ভুল বিপ্লব সরকার গঠন না করে সরকার গঠনের দায়িত্ব ওয়াকার গং দের উপর ছেড়ে দেওয়া। এখন এর খেসারত দিচ্ছে সকল শ্রেনীর জনতা।
আজকের নীরবতা আমাদের বহু দশক কাঁদাবে!
ইন্টেরিমকে টিকিয়ে রেখেছিল ইসলামপন্থী দল ও মানুষরা। কিন্তু এরা তাদের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে।
গণভোট কে হ্যাঁ বলতে বলা হচ্ছে, কিন্তু এর পয়েন্ট গুলো বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না।
হ্যাঁ ভোটের প্রত্যেকটা পয়েন্ট আলাদা করা উচিত। অর্থাৎ প্রত্যেকটা পয়েন্টের জন্য ‘হা’, ‘না’ ভোট থাকা উচিত। হ্যাঁ না গণভোটের ব্যালট পেপারে মাত্র চারটি প্রশ্ন অথচ এর মধ্যে রয়েছে আরও ৮৪ টি শাখা। অনেক গুলো শাখার রয়েছে অনেক উপশাখা। সবগুলো সাধারণ পাবলিক বুঝার ত দূরের কথা
অনুভুতি – ৩
আগে যে কথা গুলি সহজে বলতে পারতাম এখন সেগুলি বুকেই জমে থাকে। Ekram
তোমার জীবনে যে জিনিষ গুলি তোমাকে মানসিক ভাবে কস্ট দেয় আস্তে আস্তে সেগুলোর গুরুত্ত কমিয়ে দাও….।
সালাত সর্বক্ষন
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন করা হোক না কেন। এবং এই বিশ্বাসের ঘরে কেউ আঘাত করলে তা মেনে নিতে পারে না। এমনকি নিজ সন্তানকেও সে ত্যাগ করতে প্রস্তুত। বন্ধু-বান্ধব, পাড়া পড়শি, আত্মীয়- স্বজন
সত্য বনাম গনতন্ত্র
সত্য কখনো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নয়
মানুষ প্রায়ই ভাবে— “অধিকাংশ যদি মানে, তাহলে নিশ্চয়ই সেটাই সত্য।”কিন্তু কুরআন এই ধারণাকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কুরআনের ঘোষণা: “আর যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরণ করো, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করবে।” (আন‘আম ৬:১১৬)
আরও স্পষ্টভাবে আল্লাহ বলেন: “তাদের অধিকাংশই কেবল ধারণার অনুসরণ করে। আর ধারণা কখনো সত্যের বিকল্প হতে পারে না।” (সূরা ইউনুস ১০:৩৬)
কুরআনের ঐতিহাসিক বাস্তবতা:
“কিন্তু
ইরানের ইতিহাস
আজকের ইরান
১️) কিসরা কারা ছিলেন? কিসরা = পারস্যের সম্রাটদের উপাধি সময়কাল:
আনুমানিক ২২৪ খ্রি. – ৬৫১ খ্রি. রাজধানী: তিসফুন (Ctesiphon)
২️) রাসূল (সা.)-এর যুগের কিসরা রাসূলুল্লাহ সাঃ–এর সময় পারস্যের সম্রাট ছিলেন— কিসরা খসরু দ্বিতীয় (Khosrow II / خسرو پرويز) রাজত্বকাল: ৫৯০–৬২৮ খ্রি. তিনি ছিলেন পারস্যের সর্বশেষ শক্তিশালী সম্রাট।
৩️) কিসরা ও রাসূল (সা.)-এর ঐতিহাসিক ঘটনাঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ বিশ্বনেতাদের কাছে ইসলামের দাওয়াতপত্র পাঠান। পারস্যের কিসরার কাছে পাঠানো চিঠি— কিসরা চিঠিটি
আল্লাহর অস্তিত্ত
সৃষ্টির শুরুতে আল্লাহ ছাড়া কিছুই ছিল না। কোনো কিছু সৃষ্টি হতে হলে, একমাত্র তিনি মাধ্যম—তাঁর ইচ্ছা, শক্তি ও অস্তিত্ত ছাড়া আর কোনো পথ নেই। কোরান স্মরণ করায়:
“তুমি কি দেখোনি, আল্লাহ আসমান ও ধরিত্রী এবং তাদের মধ্যে যা আছে সৃষ্টি করেছেন?” (ফুসসিলাত 41:9)
অতএব, সমস্ত সৃষ্টির প্রকাশিত রূপই আল্লাহরই অংশ। মানুষও সেই প্রকাশের পরিপূর্ণ রূপ। “নিশ্চয় আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি, এবং আমরা তার অন্তরে আরও নিকটে।(50:16)
প্রকৃতি,
ইসলাম ও ঈমান। কুরআন কী বলে?
সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১৪ আরবরা বলল, “আমরা ঈমান এনেছি।” বলুন, “তোমরা ঈমান আননি; বরং বলো—‘আমরা আত্মসমর্পণ করেছি (أَسْلَمْنَا -ইসলাম গ্রহণ করেছি)’। কারণ এখনও ঈমান তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি।……..”
কুরআন এখানে স্পষ্ট করে দিয়েছে: ইসলাম ও ঈমান এক নয়, আত্মসমর্পণ আগে হতে পারে, কিন্তু ঈমান হলো হৃদয়ের ভেতরের রূপান্তর। তাহলে ইসলাম কী , আর ঈমানই বা কী?
ইসলাম (আত্মসমর্পণ) হল আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ বা বিধানদাতা ও পালন
প্রবাসীর দাওয়াত
একটি বিবেক জাগ্রতকারী দাওয়াত
মানুষ যতদিন নিজের বিশ্বাস ভাঙতে রাজি না হয়, ততদিন সবচেয়ে কঠিন মিথ্যাও তার কাছে সত্য বলে মনে হয়। আর যখন কেউ লালিত বিশ্বাসে অনড় থাকে—তখন সুস্পষ্ট সত্যও তার চোখে মিথ্যা হয়ে ওঠে।
এই বাস্তবতাকেই কুরআন এক বাক্যে প্রকাশ করেছে— وَمَا يَسْتَوِى الْاَعْمٰى وَالْبَصِيْرُ “অন্ধ ও চক্ষুষ্মান সমান নয়।” (সূরা ফাতির, ৩৫:১৯) চোখ থাকলেই দেখা যায় না— দেখতে হলে সত্য গ্রহণের সাহস থাকতে হয়। মানুষ নয়, কিতাবের আনুগত্য কুরআন স্পষ্ট করে সতর্ক করেছে— “যদি
