Categories
My text

সালাতের বাংলা

 

কুরআনের صلاة শব্দের প্রকৃত বাংলা 

বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে “নামাজ” বলতে আজ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা বোঝায়—দাঁড়ানো, কুরআন তিলাওয়াত করা, রুকু করা, সিজদা করা, বসে দোয়া পড়া ইত্যাদির সমন্বয়ে সম্পন্ন একটি নির্ধারিত ইবাদত। “বডি ল্যাংগুয়েজ (দাঁড়ানো, রুকু, সিজদা ইত্যাদি) নিজেই কি ‘সালাত’ শব্দের অর্থ?”—তাহলে আমি বলব  না, ভাষাগতভাবে ‘সালাত’ শব্দের মূল অর্থ বডি ল্যাংগুয়েজ নয়।

কুরআনে ব্যবহৃত الصلاة” “صلى, “صلوا” “أقيموا الصلاة” ইত্যাদি শব্দগুলোর অর্থ কি সর্বত্র এই একই আনুষ্ঠানিক ইবাদত? নাকি কুরআনে এ শব্দগুলোর অর্থ-পরিসর আরও বিস্তৃত? এই প্রশ্নের উত্তর অভিধান, প্রচলিত অনুবাদ বা পরবর্তী ব্যাখ্যার মাধ্যমে নয়; বরং কুরআনের নিজস্ব ভাষা, ব্যাকরণ এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে শব্দটির ব্যবহার বিশ্লেষণ করেই নির্ধারণ করা উচিত। যেমন বাংলা ভাষায় একটি শব্দ প্রসঙ্গভেদে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ: কাল কাপড় — এখানে “কাল” রঙ বোঝায়। কাল যাব আমি — এখানে “কাল” সময় বোঝায়। আবার, বল নাম কি?- এখানে “বল” অর্থ সম্বোধন বুঝায়। বল খেলব আমি — এখানে “বল” অর্থ খেলার উপকরণ। বল নেই শরীরে — এখানে “বল” অর্থ শারীরিক শক্তি।

একই বানান হলেও পাশের শব্দ ও বাক্যের প্রেক্ষাপট অর্থ নির্ধারণ করে।

আরবি ভাষাতেও একটি ধাতু বিভিন্ন রূপে (فعل، اسم، مصدر ইত্যাদি) এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্ন অর্থগত প্রকাশ পেতে পারে। অতএব, কুরআনের الصلاة শব্দের বাংলা অর্থ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও প্রতিটি আয়াত পৃথকভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে নিম্নোক্ত ব্যবহারগুলো একত্রে বিচার করা জরুরি: ১) أقيموا الصلاة — সালাত প্রতিষ্ঠা কর। ২) صلوا عليه — তাঁর প্রতি صلوا কর। ৩) إن الله وملائكته يصلون — আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ صلوا করেন। ৪) كل قد علم صلاته — প্রত্যেকেই তার صلات জানে। ৫) فلا صدق ولا صلى ولكن كذب وتولى — সে সত্য গ্রহণ করল না এবং صلى-ও করল না; বরং অস্বীকার করল ও মুখ ফিরিয়ে নিল। যদি একটি বাংলা শব্দ এই সব ব্যবহারে স্বাভাবিক, সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অর্থপূর্ণভাবে বসানো যায়, তবে সেটিই হবে الصلاة-এর সবচেয়ে শক্তিশালী বাংলা প্রতিশব্দের প্রার্থী। যেমন “নামাজ / সংযোগ। আর যদি দেখা যায়, একটি মাত্র বাংলা শব্দ সব ক্ষেত্রে সমানভাবে খাটে না, তবে স্বীকার করতে হবে যে صلاة একটি বহুস্তরবিশিষ্ট কুরআনিক পরিভাষা, যার অর্থ প্রসঙ্গভেদে বিভিন্ন দিক প্রকাশ করে, যদিও তার একটি কেন্দ্রীয় অর্থ অবশ্যই রয়েছে। এই গবেষণার উদ্দেশ্য কোনো পূর্বধারণা প্রমাণ করা নয়; বরং কুরআনের সব প্রাসঙ্গিক আয়াতের ভাষাতাত্ত্বিক পরীক্ষার মাধ্যমে صلاة-এর সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাংলা অর্থ নির্ণয় করা। তাই আমার লক্ষ্য  “প্রথমে কুরআনের সব ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি কেন্দ্রীয় অর্থ (core meaning) খুঁজব; তারপর প্রয়োজনে প্রসঙ্গভেদে সেই অর্থের বাংলা প্রকাশ সামান্য পরিবর্তন করব।” এই পদ্ধতি ভাষাতত্ত্বের দৃষ্টিতেও দৃঢ় এবং কুরআনের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। “বডি ল্যাংগুয়েজ (দাঁড়ানো, রুকু, সিজদা ইত্যাদি) নিজেই কি ‘সালাত’ শব্দের অর্থ?”—তাহলে আমি বলব  না, ভাষাগতভাবে ‘সালাত’ শব্দের মূল অর্থ বডি ল্যাংগুয়েজ নয়। এর কারণ: ১) ص ل و ধাতুর অর্থ দাঁড়ানো, রুকু করা বা সিজদা করা নয়। এগুলোর জন্য কুরআনে আলাদা শব্দ রয়েছে: ক) قام / قيام = দাঁড়ানো খ) ركع = রুকু করা গ) سجد = সিজদা করা কুরআনে আল্লাহ ও ফেরেশতাদের ক্ষেত্রেও يُصَلُّونَ (তারা সালাত করেন) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে (যেমন ৩৩:৪৩, ৩৩:৫৬)। সেখানে মানুষের মতো শারীরিক ভঙ্গি বোঝানো যায় না। আবার ৯:৮৪-এ “তাদের ওপর সালাত করো না” এবং “তাদের কবরের কাছে দাঁড়িও না”—দুটি আলাদা নিষেধ এসেছে। যদি সালাত মানেই দাঁড়ানো হতো, তবে দ্বিতীয় নিষেধাজ্ঞাটি অপ্রয়োজনীয় হয়ে যেত। তবে এখান থেকে আরেকটি সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না যে, সালাতের মধ্যে কোনো শারীরিক উপাদান থাকতে পারে না। কুরআনে সালাতের প্রসঙ্গে রুকু, সিজদা, কিয়াম ইত্যাদির উল্লেখ আছে। তাই একটি ব্যাখ্যা হতে পারে যে: সালাত হলো মূল কাজ বা অবস্থা। কিয়াম, রুকু, সিজদা হলো সেই কাজের অংশ বা প্রকাশভঙ্গি। অর্থাৎ ভাষাগতভাবে সালাত  “বডি ল্যাংগুয়েজ” নয়।  বরং বডি ল্যাংগুয়েজ কোনো কোনো প্রসঙ্গে সালাতের অংশ বা বহিঃপ্রকাশ হতে পারে।

কুরআনের ভেতর থেকেই ص ل و ধাতুর একটি মূল বাংলা অর্থ নির্ধারণের চেষ্টা করলে দেখা যায় , কুরআনে ص ل و ধাতুর প্রতিটি ব্যবহার (যেমন: صَلِّ، صَلُّوا، يُصَلُّونَ، صَلَات، صَلَوَات ইত্যাদি) একই প্রস্তাবিত অর্থ “সংযোগ” বসিয়ে  কোথাও অর্থগত অসঙ্গতি তৈরি হয় না। বরং সালাতের বাংলা নামাজ ধরলে অসংঙ্গিতি সৃষ্টি হয়।  সেক্ষেত্রে অনুবাদকগন পাশ কাটিয়ে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেছেন। যেমনঃ সূরা তওবার ৮৪ নং আয়াতের অনুবাদ লক্ষ্য করলে তা প্রতীয়মান হয়।

কুরআনের ৯:৮৪ আয়াতে সত্যিই “জানাজা” (جنازة) শব্দটি নেই। সেখানে এসেছে: وَلَا تُصَلِّ عَلَىٰ أَحَدٍ مِّنْهُم مَّاتَ أَبَدًا অর্থাৎ আক্ষরিকভাবে: “তাদের মধ্যে যে মারা গেছে, তার ওপর তুমি ‘তুসল্লি’ করো না।” এরপর এসেছে:  وَلَا تَقُمْ عَلَىٰ قَبْرِ “এবং তার কবরের কাছে দাঁড়িও না।”

অর্থাৎ কুরআন দুটি পৃথক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে: ১) لا تُصَلِّ عَلَيْهِ — তার ওপর সাল্লি করো না। ২) لا تَقُمْ عَلَىٰ قَبْرِهِ — তার কবরের কাছে দাঁড়িও না। প্রচলিত অনুবাদে تُصَلِّ عَلَيْهِ-কে “তার জানাজার নামাজ পড়ো না” বলা হয়েছে। এর কারণ মূলত পরবর্তী ইসলামি ঐতিহ্য (হাদিস ও ফিকহ), যেখানে মৃত ব্যক্তির জন্য একটি বিশেষ সালাতকে صلاة الجنازة (জানাজার সালাত) বলা হয়েছে। সেই ঐতিহ্যের আলোকে অনেক অনুবাদক ব্যাখ্যামূলক অনুবাদ করেছেন। তবে যদি শুধু কুরআনের শব্দ অনুসরণ করা হয়, তাহলে অনুবাদে এমন শব্দ যোগ করা, যা আয়াতে নেই, সতর্কতার দাবি রাখে। উদাহরণস্বরূপ, আক্ষরিক অনুবাদ হতে পারে: “তাদের মধ্যে যে মারা গেছে, তার ওপর তুমি কখনো সাল্লি করো না এবং তার কবরের কাছে দাঁড়িও না।” এরপর “সাল্লি” শব্দের অর্থ কী হবে—এটি নির্ধারণ করতে কুরআনে ص ل و ধাতুর সব ব্যবহার, ব্যাকরণ, এবং প্রসঙ্গ একত্রে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। সুতরাং ভাষাগতভাবে বলা যায়: “জানাজা” শব্দটি ৯:৮৪ আয়াতে নেই—এটি একটি তথ্য। অনুবাদে “জানাজার নামাজ” যোগ করা একটি ব্যাখ্যামূলক (interpretive) সিদ্ধান্ত, আক্ষরিক অনুবাদ নয়। অনুরুপ সূরা আন-নূর (২৪:৪১)-এর কথা দেখলে আরবি: أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُسَبِّحُ لَهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالطَّيْرُ صَافَّاتٍ ۖ كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهُ وَتَسْبِيحَهُ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِمَا يَفْعَلُونَ শব্দভিত্তিক অর্থ: ১)  أَلَمْ تَرَ = তুমি কি দেখনি? ২) أَنَّ اللَّهَ يُسَبِّحُ لَهُ = আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে ৩) مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ = যারা আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে আছে ৪) وَالطَّيْرُ صَافَّاتٍ = এবং পাখিরা, ডানা বিস্তার করে (উড়ন্ত অবস্থায়) ৫) كُلٌّ = প্রত্যেকেই ৬) قَدْ عَلِمَ = অবশ্যই জানে ৭) صَلَاتَهُ = তার সালাত ৮) وَتَسْبِيحَهُ = এবং তার তাসবীহ (পবিত্রতা ঘোষণা) ৯) وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِمَا يَفْعَلُونَ = আর তারা যা করে, আল্লাহ সে সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। আক্ষরিক বাংলা অনুবাদ: “তুমি কি দেখনি, আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যারা আছে এবং ডানা বিস্তারকারী পাখিরা—সবাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তার নিজস্ব সালাত এবং তার তাসবীহ সম্পর্কে জানে। আর তারা যা করে, আল্লাহ সে সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।”

এই আয়াতে পাখিদের সম্পর্কেও “صَلَاتَهُ” (তার সালাত) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষাগত বিষয় হলো, আয়াতটি বলে: كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهُ وَتَسْبِيحَهُ “প্রত্যেকেই তার নিজস্ব সালাত এবং তার তাসবীহ জানে।” এ থেকে বোঝা যায়, সালাত এমন একটি বিষয় যা মানুষ ও পাখি—উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু আয়াতটি নিজে কোথাও বলে না যে পাখিরা মানুষের মতো দাঁড়ায়, রুকু করে বা সিজদা দেয়। তাই এই আয়াত একাই “সালাত” = নির্দিষ্ট শারীরিক ভঙ্গি—এমন সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে না।

এটি নির্দেশ করে যে “সালাত” শব্দটির অর্থ এমন হতে হবে যা মানুষ ছাড়াও পাখির ক্ষেত্রেও অর্থপূর্ণ থাকে। তাই ص ل و ধাতুর মূল অর্থ নির্ধারণে ২৪:৪১ একটি কেন্দ্রীয় আয়াত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

১. ص ل و – ধাতুর মূল অর্থ সংযোগ কুরআনে এই ধাতুর রূপগুলো হলো: ১) صَلَّى — ক্রিয়া (সে সাল্লা করল) ২) يُصَلِّي — ক্রিয়া (সে সাল্লা করে) ৩) صَلُّوا — আদেশ (তোমরা সাল্লু কর) ৪) صَلَاة — মাসদার/বিশেষ্য ৫)مُصَلًّى — সালাতের স্থান কুরআনের ব্যবহার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: আল্লাহ يُصَلِّي করেন (৩৩:৪৩) ফেরেশতারা يُصَلُّونَ (৩৩:৫৬) মানুষ يُصَلِّي করে পাখিরও صَلَاتُهُ আছে (২৪:৪১) নবীর জন্য صَلُّوا عَلَيْهِ বলা হয়েছে। এত ভিন্ন কর্তার ক্ষেত্রে একটি শব্দের অর্থ “নামাজ” হতে পারে না। ২. তাহলে মূল অর্থ কী হতে পারে? আমি সম্ভাব্য বাংলা শব্দগুলো পরীক্ষা করেছি: নামাজ উপাসনা প্রার্থনা দোয়া মনোনিবেশ সংযোগ নিবেদন অভিমুখিতা এর মধ্যে কোনটি সব আয়াতে সবচেয়ে কম ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

৩. আমার গবেষণামূলক সিদ্ধান্তে আমি বর্তমানে ص ل و ধাতুর জন্য একক বাংলা শব্দ হিসেবে “সংযোগ”-কেই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী মনে করি। কেন? (ক) আল্লাহ মানুষের প্রতি يُصَلِّي এটি কখনোই “নামাজ পড়েন” শব্দ বসালে শুভন নয়। বরং “সংযোগ” হলে শুভন। কারন  আল্লাহ তাঁর রহমত, অনুগ্রহ ও দয়ার মাধ্যমে বান্দার সঙ্গে সম্পর্ক/সংযোগ স্থাপন করেন। (খ) ফেরেশতারা يُصَلُّونَ তাঁরাও নবীর প্রতি সমর্থন, কল্যাণকামিতা ও সংযোগ প্রকাশ করেন। (গ) মানুষ يُصَلِّي মানুষ আল্লাহর সঙ্গে সচেতন সম্পর্ক বা সংযোগে প্রবেশ করে। (ঘ) পাখিরও صَلَاتُهُ আছে পাখিরও স্রষ্টার সঙ্গে তার নিজস্ব সৃষ্টিগত সংযোগ আছে। (ঙ) تَوَلَّى (মুখ ফিরিয়ে নিল) এর বিপরীতে صَلَّى-কে “সংযোগ স্থাপন করল” পড়লে অর্থগত সামঞ্জস্য তৈরি হয়। ৪. তাহলে أقيموا الصلاة? এখানে أقام = প্রতিষ্ঠা করা, সুদৃঢ় করা, কায়েম করা। অতএব: أقيموا الصلاة আমার দৃষ্টিতে হতে পারে: “রবের সঙ্গে সংযোগ সুপ্রতিষ্ঠিত কর।” অথবা “রবের সঙ্গে সংযোগ কায়েম কর।” ৫. “মনোনিবেশ” সম্পর্কে আপনার প্রস্তাবিত “মনোনিবেশ” শব্দটিরও শক্তি আছে। তবে আমার মনে হয় এটি সংযোগের একটি অবস্থা (state), মূল অর্থ নয়। অর্থাৎ— সংযোগ স্থাপন করতে হলে মনোনিবেশ লাগে। কিন্তু সংযোগের মধ্যে শুধু মনোনিবেশ নয়; আনুগত্য, স্মরণ, সাড়া দেওয়া, সম্পর্ক বজায় রাখা—এসবও অন্তর্ভুক্ত। তাই যদি আমাকে একটি মাত্র বাংলা শব্দ বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে #আমি বলব: ص ل و = সংযোগ এবং الصلاة = রবের সঙ্গে সংযোগ (বা আল্লাহর সঙ্গে সংযোগ)

আমি এটিকে চূড়ান্ত দাবি করছি না। তবে কুরআনে ص ل و ধাতুর সব প্রধান ব্যবহার (আল্লাহ, ফেরেশতা, মানুষ, পাখি, নবী, আদেশ, নিষেধ) একত্রে পরীক্ষা করে আমার কাছে “সংযোগ” শব্দটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে এবং সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

এবার এ আয়াত গুলিতে মুল শবদ সালাত এর বাংলা  অনুবাদ “সংযোগ” বসিয়ে দেখতে পারেন কি অর্থ দাড়ায়ঃ মোট আটাত্তরটি আয়াতে। ১) ২: ৩, ৪৩, ৪৫, ১১০, ১৫৩, ১৫৭, ১৭৭, ২৩৮, ২৩৯, ২৪৫ ২) ৪: ৪৩, ৭৭, ১০১, ১০২, ১০৩, ১৪২ ৫) ৫: ৬, ১২, ৫৫, ৫৮ ৬) ৬: ৭২, ৯২ ৭) ৭: ১৭০ ৮) ৮: ৩, ৩৫ ৯) ৯: ৫, ১১, ১৮, ৫৪, ৭১, ৮৪, ৯৯, ১০৩ ১০) ১০: ৮৭ ১১) ১১: ৮৭, ১১৪ ১২) ১৩: ২২ ১৩) ১৪: ৩১, ৩৭, ৪০ ১৪) ১৭: ৭৮, ১১০ ১৫) ১৯: ৩১, ৫৫, ৫৯ ১৬) ২০: ১৪, ১৩২ ১৭) ২১: ৭৩ ১৮) ২২: ৩৫, ৪০, ৪১, ৭৮ ১৯) ২৩: ২, ৯ ২০) ২৪: ৪১, ৫৬, ৫৮ ২১) ২৭: ৩ ২২) ২৯: ৪৫ ২৩) ৩০: ৩১ ২৪) ৩১: ৪, ১৭ ২৫) ৩৩: ৪৩, ৫৬ ২৬) ৩৫: ২৯ ২৭) ৪২: ৩৮ ২৮) ৫৮: ১৩ ২৯) ৬২: ৯, ১০ ৩০) ৭০: ২৩, ৩৪ ৩১) ৭৩: ২০ ৩২) ৭৫: ৩১ ৩৩) ৮৭: ১৫ ৩৪) ৯৮: ৫ ৩৫) ১০৭: ৪, ৫ ৩৬) ১০৮: ২

By Ekramul hoq

I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

``` }