আগে যে কথা গুলি সহজে বলতে পারতাম এখন সেগুলি বুকেই জমে থাকে। Ekram
Category: Blog
তোমার জীবনে যে জিনিষ গুলি তোমাকে মানসিক ভাবে কস্ট দেয় আস্তে আস্তে সেগুলোর গুরুত্ত কমিয়ে দাও….।
সালাত সর্বক্ষন
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন করা হোক না কেন। এবং এই বিশ্বাসের ঘরে কেউ আঘাত করলে তা মেনে নিতে পারে না। এমনকি নিজ সন্তানকেও সে ত্যাগ করতে প্রস্তুত। বন্ধু-বান্ধব, পাড়া পড়শি, আত্মীয়- স্বজন
সত্য বনাম গনতন্ত্র
সত্য কখনো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নয়
মানুষ প্রায়ই ভাবে— “অধিকাংশ যদি মানে, তাহলে নিশ্চয়ই সেটাই সত্য।”কিন্তু কুরআন এই ধারণাকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কুরআনের ঘোষণা: “আর যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরণ করো, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করবে।” (আন‘আম ৬:১১৬)
আরও স্পষ্টভাবে আল্লাহ বলেন: “তাদের অধিকাংশই কেবল ধারণার অনুসরণ করে। আর ধারণা কখনো সত্যের বিকল্প হতে পারে না।” (সূরা ইউনুস ১০:৩৬)
কুরআনের ঐতিহাসিক বাস্তবতা:
“কিন্তু
ইরানের ইতিহাস
আজকের ইরান
১️) কিসরা কারা ছিলেন? কিসরা = পারস্যের সম্রাটদের উপাধি সময়কাল:
আনুমানিক ২২৪ খ্রি. – ৬৫১ খ্রি. রাজধানী: তিসফুন (Ctesiphon)
২️) রাসূল (সা.)-এর যুগের কিসরা রাসূলুল্লাহ সাঃ–এর সময় পারস্যের সম্রাট ছিলেন— কিসরা খসরু দ্বিতীয় (Khosrow II / خسرو پرويز) রাজত্বকাল: ৫৯০–৬২৮ খ্রি. তিনি ছিলেন পারস্যের সর্বশেষ শক্তিশালী সম্রাট।
৩️) কিসরা ও রাসূল (সা.)-এর ঐতিহাসিক ঘটনাঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ বিশ্বনেতাদের কাছে ইসলামের দাওয়াতপত্র পাঠান। পারস্যের কিসরার কাছে পাঠানো চিঠি— কিসরা চিঠিটি
আল্লাহর অস্তিত্ত
সৃষ্টির শুরুতে আল্লাহ ছাড়া কিছুই ছিল না। কোনো কিছু সৃষ্টি হতে হলে, একমাত্র তিনি মাধ্যম—তাঁর ইচ্ছা, শক্তি ও অস্তিত্ত ছাড়া আর কোনো পথ নেই। কোরান স্মরণ করায়:
“তুমি কি দেখোনি, আল্লাহ আসমান ও ধরিত্রী এবং তাদের মধ্যে যা আছে সৃষ্টি করেছেন?” (ফুসসিলাত 41:9)
অতএব, সমস্ত সৃষ্টির প্রকাশিত রূপই আল্লাহরই অংশ। মানুষও সেই প্রকাশের পরিপূর্ণ রূপ। “নিশ্চয় আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি, এবং আমরা তার অন্তরে আরও নিকটে।(50:16)
প্রকৃতি,
ইসলাম ও ঈমান। কুরআন কী বলে?
সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১৪ আরবরা বলল, “আমরা ঈমান এনেছি।” বলুন, “তোমরা ঈমান আননি; বরং বলো—‘আমরা আত্মসমর্পণ করেছি (أَسْلَمْنَا -ইসলাম গ্রহণ করেছি)’। কারণ এখনও ঈমান তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি।……..”
কুরআন এখানে স্পষ্ট করে দিয়েছে: ইসলাম ও ঈমান এক নয়, আত্মসমর্পণ আগে হতে পারে, কিন্তু ঈমান হলো হৃদয়ের ভেতরের রূপান্তর। তাহলে ইসলাম কী , আর ঈমানই বা কী?
ইসলাম (আত্মসমর্পণ) হল আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ বা বিধানদাতা ও পালন
প্রবাসীর দাওয়াত
একটি বিবেক জাগ্রতকারী দাওয়াত
মানুষ যতদিন নিজের বিশ্বাস ভাঙতে রাজি না হয়, ততদিন সবচেয়ে কঠিন মিথ্যাও তার কাছে সত্য বলে মনে হয়। আর যখন কেউ লালিত বিশ্বাসে অনড় থাকে—তখন সুস্পষ্ট সত্যও তার চোখে মিথ্যা হয়ে ওঠে।
এই বাস্তবতাকেই কুরআন এক বাক্যে প্রকাশ করেছে— وَمَا يَسْتَوِى الْاَعْمٰى وَالْبَصِيْرُ “অন্ধ ও চক্ষুষ্মান সমান নয়।” (সূরা ফাতির, ৩৫:১৯) চোখ থাকলেই দেখা যায় না— দেখতে হলে সত্য গ্রহণের সাহস থাকতে হয়। মানুষ নয়, কিতাবের আনুগত্য কুরআন স্পষ্ট করে সতর্ক করেছে— “যদি
সালাত নামাজ
সালাত: কাঠামো নয়, জীবন।
ইসলামকে যদি এক শব্দে চিহ্নিত করা হয়, তবে সেই শব্দটি নিঃসন্দেহে সালাত। সালাত ছাড়া ইসলাম কেবল পরিচয়—আনুগত্য নয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—আমরা যে প্রচলিত কাঠামো গত নামাজকেই সালাত বলে জেনে এসেছি, আল্লাহ কি কুরআনে সালাত বলতে কেবল এটিকেই বুঝিয়েছেন?
কুরআন আমাদের এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়— সালাত শুধু পরিত্যক্ত হয়নি, নষ্টও করা হয়েছে।
আর এই নষ্টকরণ এসেছে এমন এক উত্তরসূরি প্রজন্মের হাত ধরে, যাদের কুরআন
বাংলাদেশ সংবিধান
বাংলাদেশ সংবিধান Article 123
বাংলাদেশে সাংবিধানিক শূন্যতা (Vacuum of Power)
সংসদ নেই (সব সদস্য পালিয়েছে) প্রধানমন্ত্রী নেই রাষ্ট্রপতি একা রয়েছেন
এ ক্ষেত্রে প্রধান মন্ত্রী- রাষ্ট্রপতি -প্রধান বিচার পতি ও সেনা প্রধানের দায়িত্ত, ভুমিকা ও ক্ষমতা প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা।সংবিধান সম্মত ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাঃ রাষ্ট্রপতি একা দীর্ঘমেয়াদী সরকার পরিচালনা করতে পারবেন না।সংসদ বিলুপ্ত হওয়া বা
অজ্ঞের ধর্ম চর্চা
অজ্ঞের ধর্মচর্চা
অশিক্ষত মানুষ যত ধার্মিক হবে
সমাজের তত ক্ষতি হবে।
লজ্জাস্থান
মহিলারা কেন বোরখা পরে মুখ ঢেকে রাখেন?
কারন মুখ দেখানোটা লজ্জার বিষয় নয় এবং এর পেছনে সামাজিক চাপ ও ‘মগজধোলাই’ কাজ করে, কারণ তিনি মনে করেন মুখ ঢেকে রাখাটা নারীর নিজস্ব পছন্দ না হয়ে পারিপার্শ্বিক ফল ।
আমি মনে করি শালীনতা সবার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু নিজের মুখকে “অশালীন” বা “লজ্জাজনক” ভাবার কোনো কারণ নেই এবং এই অভ্যাসটি মূলত সামাজিক চাপ থেকে আসে ।
মহিলারা যে বোরখা পরেন, তার পেছনে গভীর সামাজিক চাপ
সূরা মুমিন (গাফির) — আয়াত ৬০
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ
আর তোমাদের রব বলেছেন— “তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। নিশ্চয়ই যারা আমার ইবাদত করা থেকে অহংকার করে, তারা লাঞ্ছিত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করবে।”
১️) “ادْعُونِي” — আমাকে ডাকো
ধাতু: د ع و (দা-‘আ-ওয়া) فعل أمر (আদেশবাচক ক্রিয়া) مخاطب جمع (তোমরা সবাই)
দু‘আ শব্দের মৌলিক অর্থ: ডাকা/আহ্বান করা/
জুতা পায়ে সালাত
নবী সা: জুতা পরে সালাত আদায় করেতেন। আপনি কি হাদীসটি অনুসরন করেন না কি অস্বীকার করেন?
১) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বলেন—
নবী সাঃ তাঁর জুতা পরেই সালাত আদায় করতেন। বুখারী ৩৮৬,মুসলিম ৫৫৫।
২) ইহুদিদের বিরোধিতা করো; কারণ তারা জুতা বা মোজা পরে সালাত আদায় করে না। আবু দাউদ, হাদীস ৬৫২, হাদীসটি হাসান।
৩) তোমাদের কেউ মসজিদে এলে সে যেন তার জুতার দিকে তাকায়।যদি তাতে নাপাকি দেখে, তবে মুছে ফেলুক এবং জুতা পরেই সালাত আদায় করুক। দাউদ ৬৫০।
মুসলমান কে
মুসলমানের ঘরে জন্ম নিলেই কেউ মুসলমান হয়ে যায় না…
মুসলমান হতে হলে আল্লাহর কিতাব পড়তে হয়, তা বুঝতে হয়, আর তা অনুসরণ করতে হয়।
নবীর যুগেও তাই ছিল। নাম নয়… বংশ নয়… পরিচয় নয়… বরং আনুগত্যই ছিল ঈমানের মাপকাঠি।
মানুষ যতদিন নিজের বিশ্বাস ভাঙতে রাজি না হয়, ততদিন সবচেয়ে কঠিন মিথ্যাও তার কাছে সত্য বলে মনে হয়। আর যখন কেউ লালিত বিশ্বাসে অটল থাকে— তখন উজ্জ্বল সত্যও তার চোখে মিথ্যা হয়ে ওঠে।
আল্লাহ বলেন— وَمَا
হাদীস অস্বীকার
নবী সা: জুতা পরে সালাত আদায় করেতেন। আপনি কি হাদীসটি অনুসরন করেন না কি অস্বীকার করেন? ১) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বলেন— নবী সাঃ তাঁর জুতা পরেই সালাত আদায় করতেন। বুখারী ৩৮৬,মুসলিম ৫৫৫।
২) ইহুদিদের বিরোধিতা করো; কারণ তারা জুতা বা মোজা পরে সালাত আদায় করে না। আবু দাউদ, হাদীস ৬৫২, হাদীসটি হাসান।
৩) তোমাদের কেউ মসজিদে এলে সে যেন তার জুতার দিকে তাকায়।যদি তাতে নাপাকি দেখে, তবে মুছে ফেলুক এবং
সালাত কায়েম
কোরআনের একটি মৌলিক শব্দযুগল—أَقِيمُوا الصَّلَاةَ — যা প্রায়ই অনুবাদে “নামাজ পড়ো” বলা হয়। কিন্তু কোরআনিক ভাষায় “সালাত কায়েম” এর অর্থ তার চেয়েও অনেক গভীর ও বিস্তৃত।
১️) “أَقِيمُوا” — কায়েম করা মানে কী?
মৌলিক অর্থ قَامَ = দাঁড়ানো। أَقَامَ = দাঁড় করানো, প্রতিষ্ঠা করা, সচল রাখা।কোরআনে أقام কখনোই কেবল “একবার করা” বোঝায় না। এটি বোঝায়—স্থাপন করা,সচল রাখা, টিকিয়ে রাখা, বিকৃত না হতে দেওয়া।
২️) সালাত কায়েম” ≠ “সালাত
কওমে লুত ফেরস্তাদের যেখানে ছাড় দেইনি কওমী আলেম শিশুদের কেন ছাড় দিবে?
ফেরেশ্তারা যখন সুশ্রী মানুষরূপে লূত (আ.)-এর ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তিনি(লুত আঃ) ভীষণ উদ্বিগ্ন হন। সূরা হূদ ১১:৭৭
وَلَمَّا جَاءَتْ رُسُلُنَا لُوطًا سِيءَ بِهِمْ “যখন আমাদের বার্তাবাকগণ লূতের নিকট এল, তখন তাদের আগমনে সে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হলো।”
কারণ—লূত (আ.) জানতেন, তাঁর কওম অতিথির নিরাপত্তা রক্ষা করবে না। বলৎকারে লিপ্ত হবে।
খবর ছড়িয়ে পড়লে কওমের
ইয়াকীনের স্তর
ইয়াকীন অর্জন হলে ইবাদত মুক্ত
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَاْتِيَكَ الْيَـقِيْنُ
তুমি তোমার রবের ইবাদত কর যতক্ষন পর্যন্ত না তোমার ইয়াকীন আসে।
? ঈমান ও ইয়াকীনের মধ্যে পার্থক্য কি
ঈমান (الإيمان) = না দেখে বিশ্বাস ইয়াকীন (اليقين) = নিশ্চিত হয়ে দৃঢ় বিশ্বাস
ঈমান – বিশ্বাসের সূচনা ও মৌলিক স্তর ইয়াকীন – বিশ্বাসের পরিপক্বতা ও পূর্ণতা
ঈমান হলো — ইসলামের মূল
জন্মান্তর দর্শন
মানুষ কেন জন্মগতভাবে অন্ধ, আতুর, পঙ্গু হচ্ছে ; কেন অপরিণত বয়সে মৃত্যু হচ্ছে, বজ্রাঘাতে, সর্পাঘাতে, জলোচ্ছ্বাসে, ভূমিকম্পে, টাইফুনে মৃত্যু হচ্ছে নিষ্পাপ মাসুম শিশুটির। নিশ্চয় এর প্রত্যেকটির পিছনে একটি কারণ এবং রহস্য লুকায়িত রয়েছে । তা না হলে বলতে হয় আল্লাহ পক্ষপাতিত্ব করছেন । কাউকে অন্ধ, খোঁড়া বানাচ্ছেন,
