৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী হোসেনের ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হয়। হুসাইন আব্বাস কে পাঠালেন ইবনে সা’দকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে, যাতে তারা বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। ইবনে সা’দ এই অবকাশ দিতে রাজি হলেন।
হুসেন রাঃ তার লোকদের বলেছিলেন যে, তারা সবাই যেন তার পরিবারের
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
বিকৃত শানে নাযুল
-
- শয়তানের শানে নাযুল বর্ণনাঃ
কতিপয় হাদীস ও শানে- নুযুল শয়তানের পক্ষ থেকে বর্নিত যা তাফসীরেও স্থান করে নিয়েছে। যেমনঃ মদ হারাম হওয়ার বিষয়ে হযরত ওমর, হযরত মায়াজ ও অন্যান্য সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম এর আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন পর্যায়ে মদ হারাম হয়েছে।
বনি ইসরাইল
১. বনী ইসরাঈল কে ছিলেন?
“বনী ইসরাঈল” মানে: ইসরাঈলের সন্তানগণ। এখানে “ইসরাঈল” বলতে বোঝানো হচ্ছে নবী ইয়াকুব (আ.)-কে। তার ১২ জন ছেলে ছিল, যাদের বংশধররাই “বনী ইসরাঈল” নামে পরিচিত হয়।
এই জাতিকে আল্লাহ অনেক নবী ও অহি দান করেছিলেন। কুরআনের বহু জায়গায় বনী ইসরাঈলের ইতিহাস ও শিক্ষা
নজরুল সঙ্গীত
নুপুর কাজী
নবীর যুগে সালাত কেমন ছিল?
নবীর যুগে সালাত কেমন ছিল?
এ বিষয় বুঝতে হলে টাইম ট্রাভেলিং এ ১৪০০ বছর আগে যেতে পারি অথবা বর্তমান সময়ে কল্পনার রাজ্যে প্রবেশ করে সুরা নেসার ৮২ নং এবং সুরা মোহম্মদের ২৪ নম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেন তারা কি কোরআন নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে না, গবেষনা
আর যিনার নিকটবর্তী হইও না। ইহা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ। (১৭:৩২)
মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জা স্থানের হিফাযত করে। (২৪:৩০)
যেনা বলতে আমরা সাধারনত বুঝি নারী – পুরুষের যৌন সম্পর্ক । কিন্তু কোরানের ভাষায় যেনা বলতে শুধু নারী-পুরুষের যৌন
হাদীস মানার সীমা
হাদীস মানার সীমারেখাঃ
বেশিরভাগ মানুষ হাদিস বলতে বুঝেন নবীজির (সঃ) বাণী। একারণেই হাদিস মানাকে নবীজির অনুসরণের সমার্থক মনে করেন। হাদিস মানে না মানে নবী মানে না, কত বড় কথা !! হাদিস শব্দের অর্থ কথা বা বর্ণনা। কোরআন হচ্ছে আল্লাহর হাদিস মানে আল্লাহর বাণী। নবীজির
হাদীস কেন
আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীন পূর্ণাংগ করিলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন মনোনীত করিলাম। (৫:৩)
আল্লাহর এ উক্তি কে যারা অস্বীকার করে তারা আল্লাহর সাথে শুধু কুফরী করে না, পাশাপাশি রেসালতের সাথেও কুফরী করে। তারা নবীর দায়িত্ব পরিপালনের প্রতি মিথ্যাচার
হাদীস সৃষ্টির পেছনের কথা
হাদীস সৃষ্টির পেছনের কারনঃ *-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-
আল্লাহ ইখতিলাফ নিষিদ্ধ করেছেন ইখতিলাফের কারণ ঘটলেই থামতে বলেছেন। তারপর সত্যের প্রতি মনের নমনীয়তা আসার জন্য আল্লাহর অভিমুখী হতে বলেছেন।
রাসূলের পরপরই মুসলমানরা সেই ইখতিলাফ চর্চাই করতে থাকে। গোত্র প্রথার বিলুপ্তি হলেও বংশ প্রথার গৌরব আর ব্যক্তি স্বার্থের প্রতিযোগিতা
সার্ভার প্রোবলেমের জন্য সাময়িক বিরক্তি কর পরিস্থিতির জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
We are sorry for troubles for maintenance work of site.
কবরের আযাব
কবরে শাস্তি আছে কি নাই তা কেউ দেখে না, জানেও না, তাই তা আমাদের জানার বিষয়ও না। এ বিষয় আল্লাহ আমাদেরকে প্রশ্নও করবেন না। এ বিষয় আলোচনা করারও প্রয়োজন হয় না। কারণ, আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন পরীক্ষার জন্য- ৬৭:২। এবং পৃথিবীতে
ইয়াজিদী – হিন্দু ও দ্রুজ ধর্মের কথা
আহলে কোরান – ইয়াজিদী – দ্রুজ ও হিন্দু ধর্মঃ
মানব সভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম এমন একটা গুরুত্তপুর্ণ বিষয় যা মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। এটি হলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে সংযোগ সৃষ্টিকারী পথ নির্দেশনা। ধর্ম মানুষের জন্য বয়ে আনে কল্যান এবং
জীন নিয়ে কথা
জ্বিন সম্পর্কে কিছু পয়েন্ট:
* মানুষের মত জ্বিন সৃষ্টির উদ্দেশ্যও আল্লাহর দাসত্ব করা। (৫১:৫৬)
* মানুষের সাথে জ্বিনরাও রাসূল পেয়েছে (৬:১৩০)। জ্বিনরা কুরআনের বার্তাও পেয়েছে এবং তাদের জাতিকে সতর্কও করেছে (৩৭:১৫৮; ৪৬:২৯-৩১; ৭২:১)।
* ভাল জ্বিনেরা মনে করেছিল মানুষ ও জ্বিন
বিজ্ঞানের দাবী সূর্য স্থীর কোরানের দাবী পৃথিবী স্থীর। যুক্তি উপস্থাপন করে প্রমাণ করব কোরানে বর্ননা সত্য বিজ্ঞানই মিথ্যে।
কোরান বলছে “সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ। [সুরা ইয়া-সীন – ৩৬:৩৮
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন
সিয়ামের মাস কোনটি
নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন হইতেই আল্লাহ্র বিধানে আল্লাহ্র নিকট মাস গণনায় মাস বারটি; তন্মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস, ইহাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। (9:36)
পৃথিবী সৃষ্টির শুরু হতে যদি আল্লাহর বিধানে মাস বারটি হয় তবে কোন নবী কোন মাসে সিয়াম সাধনা করতেন?
“সিয়ামের মাস কোনটি”
__________ কদর রাত্রিঃ
কদর রাত্রিতে ফিরেস্তাগন, রুহ অর্থাৎ আল্লাহর বিভিন্ন আদেশ নিয়ে অবতীর্ণ হন।
সুরা কদরে ” তানাজজালু মালাইকাতুহু ওয়া রুহ — এর অনুবাদ দাড়ায় ” আমরা অবতীর্ণ করি ফেরেস্তাগনকে এবং রুহকে অর্থাৎ আদেশকে ।
উক্ত সূরার ভিতরে কোরান বলে কোন আরবী শব্দই নেই। আছে মালাইকা
কেমন ধোকায় ফেলে রেখেছে মানুষকে দীর্ঘদিন যাবৎ ~
সাধারন ভাবে আমাদের ধারনা শয়তান আল্লাহর আলাদা সৃষ্টি কিছু। যে আমাদের রগে রগে মিশে থাকে, সকল পাপ কর্ম করায় এবং আমাদের পথভ্রষ্ট করে। তাই শয়তানকে পরাভুত করার জন্য আল্লাহর সাহায্য চেয়ে থাকি। না জানি কেমন দেখতে
ঈদ আনন্দের ইতিকথাঃ
জাহেলিয়াত যুগেও জিলকত, জিলহজ্জ, রজব, মহররম এই চারটি মাসে যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ থাকত। কোরানে বর্ণিত আয়াত দৃষ্টিতে অন্ধকার যুগের পুর্বে ঈসা বা পুর্ববর্তী নবীদের সময় হতেই এ চারটি মাসকে সবাই অনুসরন করত। যেমন সুরা তওবায় বর্নিত:
লাইলাতুল কদর
কদর রাত্রি
রমজান মাসের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রীকে কদর রাত্রী বলা হয়। যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এবং এই কদর রজনীতে কোরান নাজিল হয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
কিন্তু প্রশ্ন উঠে, হেরা গুহায় কোরানের প্রথম যে আয়াত নাযিল হয়েছিল
