ঈদ আনন্দের ইতিকথাঃ
জাহেলিয়াত যুগেও জিলকত, জিলহজ্জ, রজব, মহররম এই চারটি মাসে যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ থাকত। কোরানে বর্ণিত আয়াত দৃষ্টিতে অন্ধকার যুগের পুর্বে ঈসা বা পুর্ববর্তী নবীদের সময় হতেই এ চারটি মাসকে সবাই অনুসরন করত। যেমন সুরা তওবায় বর্নিত:
ঈদ আনন্দের ইতিকথাঃ
জাহেলিয়াত যুগেও জিলকত, জিলহজ্জ, রজব, মহররম এই চারটি মাসে যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ থাকত। কোরানে বর্ণিত আয়াত দৃষ্টিতে অন্ধকার যুগের পুর্বে ঈসা বা পুর্ববর্তী নবীদের সময় হতেই এ চারটি মাসকে সবাই অনুসরন করত। যেমন সুরা তওবায় বর্নিত:
ফেইসবুকে প্রেম
একাদশ শ্রেনির ছাত্র অমিত! যেমন দুড়ন্তন তার মধ্যে সব দিকে ভালো। পড়ালেখা আর খেলাধুলা করেই সারাদিন কেটে যায়। . ফেইসবুকে তার একটি আইডি আছে – মাঝে মাঝে ফেইসবুকে আসে একটু আকটু লেখা লেখি করে এরপর আবার ফেবু থেকে বের হয়ে যায়।
অমিত
বিশ্বাস ভাঙার আগ পর্যন্ত কঠিন মিথ্যাও সত্য লাগে। আর লালিত বিশ্বাসে স্থির থাকলে সত্যটাও মিথ্যে মনে হয়।
দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি নষ্ট করার জন্য। যাতে করে একটি অজুহাত দিয়ে তারা আমাদের এই দেশের উপর অন্যকোন পক্ষ অনুপ্রবেশ করতে পারে। তাই আমাদেরকে সতর্ক এবং সাবধান হতে হবে। এমন কোন কর্মকান্ড করা যাবে না যাতেকরে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়!
সরকার পদত্যাগ
____ কোরান উপলব্ধির সহজ উপায়ঃ
কোরআনে পুনারাবৃত্তি সহ মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ৭৮,০০০ টি। এর মধ্যে ১০ টি অব্যয় পদ সূচক শব্দ জানা হলে ২৩,০০০ শব্দ জানা হয়ে যায় এবং ১১ টি হা/না বাচক শব্দ জানতে পারলে ৫৭০০ টি কোরানের শব্দ আয়ত্ত হয়ে যায়। তার মানে ৫০℅ কোরআনের
প্রাথমিক আরবী গ্রামার পর্ব-১০
জমির (সর্বনাম)ঃ ইসিম এর পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার হয় তাকেই জমির বলে। জমির তিন প্রকার।
১) মারফু ২) মানছুব ৩) মাজরুর।
১) মারফু (কর্তৃবাচ্য) কর্তার পরিবর্তে যেখানে বসে সেটা মারফু। পেশ থাকলে হয়। মারফুকে
রব ( رب ) শব্দ থেকে রব্বুকা (ربك ) — তোমার রব। পেশ দিয়ে। রব্বাকা (زبك ) – – তোমার রবকে। যবর দিয়ে রব্বিকা (ربك ) – – তোমার রবের।যের দিয়ে। রাব্বুকা ربك এর তারকিব
মুল শব্দ رب রব, ك – তোমার। ربك — তোমার রব। ১। ক্বলা
সূরা মায়েদা আয়াত নং ৬ এর অনুবাদ।
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا قُمْتُمْ اِلَى الصَّلٰوةِ فَاغْسِلُوْا وُجُوْهَكُمْ وَ اَیْدِیَكُمْ اِلَى الْمَرَافِقِ وَ امْسَحُوْا بِرُءُوْسِكُمْ وَ اَرْجُلَكُمْ اِلَى الْكَعْبَیْنِ١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ مَّرْضٰۤى اَوْ عَلٰى سَفَرٍ اَوْ جَآءَ اَحَدٌ مِّنْكُمْ مِّنَ الْغَآئِطِ اَوْ لٰمَسْتُمُ النِّسَآءَ
উমাইয়াহ বংশ বাস্তবতায় ছিলো রাসুল সাঃএর বংশের জাত শত্রু।প্রকৃত পক্ষে রাসুল সাঃ এর সময় থেকে তাদের শত্রুতা শুরু হয়নি বরং শত্রুতার শুরু আরো কয়েক জেনারেশন পুর্ব থেকে হয়েছিলো।যদিও হাশিমী বংশ এবং উমাইয়াহ বংশ উভয়ই কুরাইশ বংশ উদ্ভুত।
আদম সন্তান হাবিল-কাবিলের মত এই দুইটি বংশের হাশিম বংশ
দাড়ি,টুপি,জোব্বা ইসলামের মান্দন্ড নয় এ সৈনিকের জ্বালাময় খুৎবা তার প্রমাণ করে দেয়। এটাই আরাফার খুৎবা.৷
আরবের কাফেররা তাওরাত-ইঞ্জিল বিশ্বাস করত আল্লাহর ওহীর উপর ঈমান রাখত কিন্তু তার সাথে তারা শিরক করত। আল্লাহ বলেন :
তাদের বেশীর ভাগই আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু তারা শিরক করে। (সুরা : ইউসুফ, আয়াত :১০৬)
আর আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, ‘কে আসমানসমূহ
ধর্ম এবং রাজনীতি হলো কোন রাষ্ট্রের প্রধান দু’টি দর্শনগত অবকাঠামো, যার উপর নির্ভর করে কল্যাণ রাষ্ট্র এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রর ভিত্তি তৈরী হয়।
ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত হয় স্রষ্টার ইচ্ছার কাছে
প্রচলিত আনুষ্ঠানিক নামাজকে কোরানের আলোকে যখন খুঁজে পাওয়া না যায় তখন সূরা জুমুআর ৯ নং আয়াতটি উপস্থাপন করা হলে আতকে উঠে!! সত্যিই তো এ আয়াত প্রচলিত আনুষ্ঠানিক সালাতের স্বীকৃতি দেয়। আলোচনা করা যাক এ নিয়ে। তার আগে জানা দরকার কোরানে সালাত পড়ার কথা বা আদায় করার কথা
১) ভাসান সর্দার ( ১৭৬২-১৮৪৮) – ৮৬ বছর। ২) রুপা সর্দার (১৭৮৩ – ১৮৫৫) – ৭২ বছর। ৩) কেবরাতুল্লাহ (১৮২৮-১৯০৮) – ৮০ বছর। ৪) হামিদুর রহমান ( ১৮৫৫-১৯৩৮)- ৭৮ বছর। ৫) সাইদুর রহমান (১৮৮৮-১৯৬৩)- ৭৫ বছর। ৬) মজিবুর রহমান (১৯১৮-১৯৯৩)- ৭৩ বছর। ৭) একরামুল হক (১৯৬০- )
Test vv

ইয়েমেন অধিবাসী ভাসান সরদারের অধস্থন ৭ম পুরুষ
এ,কে, এম একরামুল হক রুবেল। জন্মঃ

ইয়েমেন অধিবাসী ভাসান সরদারের অধস্থন ৭ম পুরুষ
এ,কে, এম একরামুল হক রুবেল। জন্মঃ
ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ কোন মাসে সিয়াম সাধনা করতেন?
কুরআনে দেখুন,
‘এখন আমি তোমার প্রতি ওহী করলাম, ‘তুমি একনিষ্ঠ ইবরাহীমের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর … (১৬:১২৩)।
তাহলে ইবরাহীমের রমযান মাস পেলেই আমার জন্য যথেষ্ট।
Test Post
কুরআন বুঝতে হলে..(২৫)
অন্যান্য সকল ভাষার মতো, আরবি ভাষা হল একটি জীবন্ত ভাষা , যা সময়ের সাথে সাথে বিকশিত এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদি কুরআন না থাকত, তাহলে আরবি ভাষাটি সম্ভবত আরামাইক, সিরিয়াক বা ল্যাটিন ভাষার মতো একইভাবে মারা যেত বা অদৃশ্য হয়ে যেত। মিশরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশের আরবি উপভাষাগুলির সাথে কুরআনের অনন্য আরবির কোনো সম্পর্ক নেই।
কোরআনের আলোকে জান্নাতের ৮টি শ্রেনী:
১) জান্নাতুল ফিরদাউস: যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের আপ্যায়নের জন্য আছে ফিরদাওসের উদ্যান,
( ৮ঃ ১০৭)