এজিদের তাবু
রাত জাগে সব জংলী হায়েনা শিক্ষার আলো দেখতে চায় না মানুষের মত দেখতে হলেও সবাই কিন্তু মানুষ হয় না।।
থামলে কেন? চলতে হবে মারবে যত মারবি তত পথে আবার নামতে হবে লড়াই করেই বাচতে হবে। ধর্মটাকে সামনে রেখে নে কেড়ে নে আবেগটাকে
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
এজিদের তাবু
রাত জাগে সব জংলী হায়েনা শিক্ষার আলো দেখতে চায় না মানুষের মত দেখতে হলেও সবাই কিন্তু মানুষ হয় না।।
থামলে কেন? চলতে হবে মারবে যত মারবি তত পথে আবার নামতে হবে লড়াই করেই বাচতে হবে। ধর্মটাকে সামনে রেখে নে কেড়ে নে আবেগটাকে
প্রতিবাদ কন্ঠ
কেমন আছে পাকিস্তানে বাঙালীরা
পাকিস্তানে প্রায় ত্রিশ লাখ বাঙালীর বসবাস। তার মধ্যে রাজধানী করচীতেই প্রায় ২০ লাখ। যাদের প্রতিনিয়তই সেখানকার অধিবাসীরা লাঞ্চনা গঞ্জনা দিয়ে থাকে। তাদের বিশ্বাস ঘাতক, জালীম বলেও শুনতে হয় অপমান।
বৃটিশ আমলে বাঙালীরা প্রথম করাচীতে পা রাখে। উরাঙ্গী
ইসলামে ধর্মের নামে রাজনীতি সৃষ্টির সূতিকা ঘর এজিদ। আর সে রাস্তাটা প্রশস্ত করে দিয়েছিল পিতা মুয়াবিয়া।
এজিদই প্রথম হোসেনকে প্রতিপক্ষ করে ধর্মীয় আবেগের রাজনৈতিক প্রথা চালু করে। সে সময়ে এজিদের সমর্থনে কোন হিন্দু খৃষ্টান বা কাফের সপ্রদায় ছিল না। তৎসময়ের শ্রেষ্ট আলেমগনই এজিদের তাবুতে ছিল। আর
কোটা আন্দোলন
এক যুগ ধরে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার স্বৈর সরকারের হাতে দেশ -জনতা যখন মুক্তির আশায় আর্তনাত করছিল, চারিদিক থেকে সকল পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক সে সময় মুক্তির আহ্বানে কিছু তরুন কোটা আন্দোলনের ডাক দেয়। এ আন্দোলনের প্রতি স্বৈরশাসকের দমন পিড়ন প্রয়োগে আন্দোলনকে আরো বেগবান
অখন্ড বাংলা
বৃটিশ শাসন আমলে কলকাতা ছিল ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের রাজধানী। এক কথায় বৃটিস সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কলকাতা। কলকাতা থেকে বৃটিশরা ঢাকা টু দিল্লী শাসন করতো। বৃটিশ শাসন আমলে কলকাতা ছিল সবচেয়ে ধনী ও সমৃদ্ধ একটি শহর এবং শিক্ষা, অর্থনীতির কেন্দ্র বিন্দু।
সেভেন সিস্টার আতংক
সেভেন সিস্টার নামকরন প্রথম করেন ত্রিপুরার বিখ্যাত সাংবাদিক জ্যোতী প্রসাদ সাইকিয়া ১৯৭২ সনে।
১) মেঘালয়
২) ত্রিপুরা
৩) আসাম
৪) মিজোরাম
৫) মনিপুর
৬) নাগাল্যান্ড ও
৭) অরুনাচল।
১) বল, ‘আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। ২) বল, আমি কি তোমাদের সকলের মত মানুষ?
উপরে উল্লেখিত বাক্য দুটি কখনোই একই মর্ম বা অর্থ প্রকাশ করে না। ২ য় বাক্যে কি প্রশ্নবোধক শব্দ থাকায় অর্য না বোধক দ্বারায়। মানে আমি তোমাদের মত মানুষ
______ সবাইকে জুম্মা মোবারকঃ
জুম্মার নামাজে সানি খোৎবায় ইমাম সাহেব প্রতিদিন বলেনঃ
ওয়াস সুলতানু যিলুল্লাহে ওয়াল আরদ। মান আকরামাহ আকরামাহুল্লাহ, ওয়া মান আহালানাহা আহালানাল্লাহু।
> মনযোগ দিয়ে শুনেন তো? না শুনলে নামাজই হবে না। শুনেন ঠিকই মাগার কি বলে মনে হয় বুঝেন
সালাত মানে কুরআনের নিরবিচ্ছিন্ন অনুসরণ Close Following Quran . তাছাড়া ও সালাতের অনেক অর্থ আছে। যেমন দোয়া, আশীর্বাদ, স্মরণ, ট্রেনিং, কুরআন ইত্যাদি।
তুমি তোমার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব (কুরআন) আবৃত্তি কর এবং নামাজ প্রতিষ্ঠিত কর। নিশ্চয়ই নামাজ বিরত রাখে অশ্লীল ও মন্দ কাজ হতে। (২৯:৪৫)
সিজদা মানে মাটিতে মাথা লাগানো নয়। বরং তার মানে যথাযথ হুকুম বা বিধান মেনে চলে। (22:18)
তুমি কি দেখনা যে, আল্লাহকে সাজদাহ করে যা কিছু আছে আকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে – সূর্য, চাঁদ, নক্ষত্রমন্ডলী, পবর্তরাজি, বৃক্ষলতা, জীব-জন্তু এবং সাজদাহ করে মানুষের মধ্যে অনেকে? (২২:১৮)
কিন্তু আমরা ত
কোরআনকে সংবিধান দাবী
আল-কুরআন ; বিজ্ঞান, কবিতা, সংবিধান বা আইনের কিতাব নয়। এটি একমাত্র হিদায়তের কিতাব। যারা কোরানকে রাষ্ট্রের সংবিধান করার দাবী করে তারা মুলত কোরআনকে নিজ ভাষায় কখনো পড়ে দেখেন নাই। হিদায়াত এতোই গুরুত্বপূর্ণ, পুরো কুরআনটাকেই আল্লাহ হিদায়াতের কিতাব বলছেন।
মানুষ প্রতিদিনই পথভ্রষ্ট
মালতীর হিসেব আজো মিলেনি
স্বৈর শাসন দূরভীত করে নবীনের শপথ বৈষম্য বিহীন রাষ্ট্র উপহার দিবে।। ৩৬ শে জুলাই স্বৈরাচারের প্রাচীর ভেদিয়ে তারা আন্দোলনের বিজয় পতাকা ছিনিয়ে আনে। উল্লাসে সব জনতা মাতে দেশটা আজ নতুন করে স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে বলে। ষড়যন্ত্রকারী সুযোগ বুঝে ঘাড়ে চেপে বসে নবীনের স্বপ্ন ন্যাসাৎ
১) ( ফালা সদ্দাকা ওয়ালা সাল্লু ) فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই।
২) وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ (ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়া তাওয়াল্লু) বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
৩) فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ
কুকুরও নামাজ পড়ে তসবীহ পড়ে।
জমিনে বিচরনকারী সকলে এমন কি কুকুর এবং আকাশে উড্ডিয়মান পক্ষীকুলও নামাজ পড়ে। আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। আসমান ও জমিনে বিচরনকারী সকল প্রানীই নামাজ পড়ে তসবীহ করে। বিশ্বাস হচ্ছে না? দেখে নিন আল্লাহ কি বলেনঃ “তুমি কি দেখনা, আল্লাহর পবিত্রতা
মানুষ কি মনে করে শুধু তারাই সালাত করে। না, বরং কুকুর, বিড়াল, কাক, শকুন অর্থাৎ আসমান ও জমিনে যত প্রাণী আছে সবাই সালাত করে।
“তুমি কি দেখনা, আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করেছে যারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আছে তারা সবাই এবং যে পাখির ডানা বিস্তার করে
আমার যখন মন খারাপ থাকে এই টক শো টি দেখি। ডায়লগ গুলি ছিলঃ
আমার বিচিতে মারবে কেনো ওরা আপনি জানেন? একটা বিচিতে লাথথি মারলে কত ব্যাথা লাগে? * * উত্তেজিত হবেন না!!
আপনে আবার উত্তেজিত হতে না করছেন!! উত্তেজিতের জাগাটাই বন্ধ করে দিছে আমার ** সরি
নিজ জাতির উদ্ধত আচরণে বিরক্ত হয়ে তাদেরকে ত্যাগ করে চলে যাওয়ার কারণে হযরত ইউনুস (আ.) বিপদে পড়ে যান।
যখন পালিয়ে তিনি বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন। অতঃপর লটারী করালে (তাঁর নাম) দোষী সাব্যস্ত হলেন। অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলল, তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন।[
শয়তান কুরআনের সরল পথে বসে, মানবরূপী শয়তানদের মাধ্যমে মুমিনদের কে বিভ্রান্ত করার জন্য কুরআনের যে সকল শব্দ সমূহের বিকৃত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘আনুগত্য’ ( يُطِعِ )।
وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ مَعَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِم مِّنَ ٱلنَّبِيِّۦنَ وَٱلصِّدِّيقِينَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَٱلصَّٰلِحِينَۚ وَحَسُنَ
দরস -০১
আরবী গ্রামার আর কোরানিক গ্রামার এক নয়। কোরান বুঝার জন্য যে গ্রামার জানা প্রয়োজন তা খুব সহজ, আরবী গ্রামারের মত অতটা জটিল নয়। সমগ্র কোরানে পুনারাবৃত্তি সহ মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার। তন্মধ্যে মুল শব্দ মাত্র ১৮ হাজারের মত। ফলে ২০০ /২৫০ শব্দের