Categories
Blog

ক্ষমা ও সুপারিশ

 

ক্ষমা করা আর শাফায়েত কর কি একই বুঝায়?

ক্ষমা করা (مَغْفِرَة / يَغْفِرُ) এবং শাফায়াত করা (شَفَاعَة) একই বিষয় নয়।

সাফায়াত شَفَاعَة = কারও পক্ষে কথা বলা/সুপারিশ করা। মাগফেরাত مَغْفِرَة = অপরাধ ক্ষমা করা।

শাফায়াত شَفَاعَة — এর ধারণা হলো কারও পক্ষে মধ্যস্থতা বা সুপারিশ করা।

যেমন: مَن يَشْفَعْ شَفَاعَةً حَسَنَةً “যে ভালো শাফায়াত করে…” ৪:৮৫

এখানে শাফায়াতকারী অন্য কারও পক্ষে

``` }
Categories
Blog

বিচারক VS রাসুলগণ

 

বিচার দিবসের মাঠে বিচারক Vs রাসুলগণ

সাধারণভাবে আমরা বহুদিন ধরে একটি ধারণা শুনে ও জেনে এসেছি—কিয়ামতের ময়দানে রাসূল মুহাম্মদ সা; তাঁর উম্মতের জন্য সুপারিশ করতে থাকবেন, যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর উম্মতের সবাইকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—কুরআন কি সত্যিই এমন কোনো চিত্র আমাদের সামনে উপস্থাপন করে?

আসুন, প্রচলিত ধারণাকে কিছুক্ষণের জন্য পাশে রেখে সরাসরি কুরআনের আয়াতগুলোর দিকে তাকাই। কোনো পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত নয়; বরং আয়াত গুলোকে পাশাপাশি রেখে দেখি—বিচার

``` }
Categories
Blog

রাসুলের সুপারিশ করবেন না

 

বিচার দিবসে রাসুল সাঃ ভুমিকা  কি হবে কোরান সে বিষয়ে  স্পষ্ট বার্তা জানায়।

“আমি তাদেরকে তা-ই বলেছি যা আপনি আমাকে আদেশ করেছিলেন—‘আল্লাহর ইবাদত করো, যিনি আমার রব এবং তোমাদের রব।’ আর যতদিন আমি তাদের মধ্যে ছিলাম, ততদিন আমি তাদের ওপর সাক্ষী ছিলাম। অতঃপর যখন আপনি আমাকে গ্রহণ করলেন, তখন আপনি নিজেই তাদের ওপর পর্যবেক্ষক ছিলেন। আর আপনি সবকিছুর ওপর সাক্ষী।” (৫:১১৭)

এখানে দুটি বিষয় একেবারে স্পষ্ট: যতদিন আমি

``` }
Categories
Blog

সুপারিশকারী বা মাধ্যম

 

আল্লাহর কাছে পৌঁছতে সুপারিশকারী বা মাধ্যম—পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের বিশ্বাস?

আল্লাহর কাছে পৌঁছতে কি কোনো সুপারিশকারী, মধ্যস্থতাকারী কিংবা বিশেষ কোনো মাধ্যম অপরিহার্য—এমন ধারণা কি পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের মধ্যেও ছিল?

কুরআনের বক্তব্য গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এমন একটি বিশ্বাসের সুস্পষ্ট চিত্র কুরআনে উপস্থাপিত হয়েছে। সেখানে আল্লাহকে অস্বীকার করাই মূল বিষয় ছিল না; বরং আল্লাহর সঙ্গে অন্য সত্তাকে এমন এক ধর্মীয় ভূমিকা দেওয়া হয়েছিল, যাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার মাধ্যম অথবা সুপারিশকারী হিসেবে গ্রহণ

``` }
Categories
Blog

Chat GPT (আঃ)

 

Chat GPT কে যারা আঃ এর মত মনে করেন —

মানব দেহে প্রাণ থাকা অবস্থায় জান্নাত জাহান্নামের ফয়সালা হয়ে যায় অতঃপর ফেরেস্তা আদিষ্ট হয় প্রাণ হরন করার জন্য এং সংবাদটি মাউয়াতাকে জানিয়ে দেয়।

এ বিষয় লিখে Chst Gpt এর সাথে আমার  ৫টি প্রশ্ন- উত্তরের মাধ্যমে আলোচনা তুলে ধরা হল সে কি উত্তর দেয় দেখা যাক।

১) প্রশ্নকারী আমিঃ –মানব দেহে প্রাণ থাকা অবস্থায় জান্নাত জাহান্নামের ফয়সালা হয়ে

``` }
Categories
Blog

পিঁপড়ার নাফস কোন প্রকৃতির

 

পিঁপড়ার নাফস কেমন? 

সকল প্রাণে রুহ থাকে কিন্তু সকল রুহের সাথে নাফস থাকে না।  এ বিষয় নিয়েই আলোচনা আজ।

নাফসের তিন অবস্থান রুহের এক। নাফসের  মৃত্যু হবে, বিচার হবে।  রুহের তা হবে না। নাফসের বিপরীতেই খান্নাস। পবিত্র নাফস যুক্তে  মানব সত্তা ইনসান।  অপবিত্র নাফস যুক্ত মানব সত্তা খান্নাস।  আর খান্নাস রুপকেই  ইবলিশ বলে ।  জীন ও নাস উভয়ের মাঝ থেকে তা হতে পারে খান্নাস। 

নফস

``` }
Categories
সরদার বংশের ইতি কথা

তিনি আদি তিনি অন্ত

 

তিনিই প্রথম এবং তিনিই শেষ; তিনিই প্রকাশ্য এবং তিনিই অপ্রকাশ্য। ৫৭:৩ – এ আয়াত কি বার্তা দেয়?

এই আয়াত আমাদের সামনে এক গভীর অস্তিত্বগত প্রশ্ন উপস্থিত করে—“প্রথম” বলতে কী বোঝায়? “শেষ” বলতে কী বোঝায়? আর “প্রকাশ্য” ও “অপ্রকাশ্য” বলতে কী নির্দেশ করা হচ্ছে?

যদি আল্লাহই একক পরম অস্তিত্ব হন এবং তাঁর বাইরে কোনো স্বাধীন চূড়ান্ত অস্তিত্ব না থাকে, তাহলে মহাবিশ্ব, গ্রহ নক্ষত্র,বায়ূ, পানি ইত্যাদি সকল জীব ও জড় পদার্ঘ, এমন কি প্রাণের অস্তিত্ব

``` }
Categories
Blog

স্রষ্টা ও সৃষ্টি রহস্য

 

যদি আল্লাহই একক পরম অস্তিত্ব হন এবং তাঁর বাইরে কোনো স্বাধীন চূড়ান্ত অস্তিত্ব না থাকে, তাহলে সৃষ্টির চূড়ান্ত উৎসও তাঁর বাইরে খোঁজা যায় না।

আল্লাহ যখন একক ছিলেন এবং তাঁর বাইরে কোনো স্বাধীন অস্তিত্ব ছিল না, তখন পরবর্তীতে যে মহাবিশ্ব, পদার্থ, শক্তি ও প্রাণের অস্তিত্ব হলো—সেগুলোর চূড়ান্ত উৎস কী?

যদি আল্লাহই পরম একক ও সর্বময় উৎস হন, তবে সৃষ্টির জন্য তাঁর বাইরে আর কোনো স্বাধীন চূড়ান্ত উপাদান বা উৎস থাকা

``` }