কালেমা তৈয়বা কোন বাক্যটি
তাওহীদ ও রিসালাতের স্বীকৃতি একত্রে দিতে,
কালিমা “لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ”–তে যদি বিরতি (وقف) সঠিকভাবে না দেওয়া হয়, তাহলে এর অর্থ বিকৃতি বা পরিবর্তন ঘটে যায়।
সঠিক পাঠ (বিরতি সহ) لَا إِلٰهَ إِلَّا
কালেমা তৈয়বা কোন বাক্যটি
তাওহীদ ও রিসালাতের স্বীকৃতি একত্রে দিতে,
কালিমা “لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ”–তে যদি বিরতি (وقف) সঠিকভাবে না দেওয়া হয়, তাহলে এর অর্থ বিকৃতি বা পরিবর্তন ঘটে যায়।
সঠিক পাঠ (বিরতি সহ) لَا إِلٰهَ إِلَّا
ইসকন ভার্সাস তৌহিদী জনতাঃ
মূর্খের দেশে ধর্মের আবেগ ছিটিয়ে দাও অজ্ঞ মানুষের হৃদয়ে — তুমি রাতারাতি ধর্মীয় নেতা হয়ে যাবে! এইভাবেই যুগে যুগে জন্ম নেয় তথাকথিত ধর্মীয় গুরুরা।
তাদের কথার মোহে অন্ধ জনতা,তাদের ছোঁয়ায় প্রজ্বলিত হয় দাঙ্গা, মতবাদ আর
প্রকৃতির বিধানই স্রষ্টার বিধান
প্রকৃতির প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রতিটি স্পন্দন—একটি অদৃশ্য ছন্দে বাঁধা। সেই ছন্দের নামই স্রষ্টার বিধান। আকাশের বিশালতা, বৃষ্টির স্নিগ্ধতা, নদীর প্রবাহ, কিংবা মৌমাছির পরিশ্রম—সব কিছুই এক মহান পরিকল্পনার অংশ। কুরআনের আয়াতগুলো এই সত্যের এক অনবদ্য রূপকাব্য; সেখানে প্রকৃতি হয়ে ওঠে স্রষ্টার কণ্ঠস্বর।
কাবা সকল মানুষের জন্য শুধু মুসলমানের নয়
নিশ্চয়ই যারা অবিশ্বাস করে, আল্লাহর পথে ও পবিত্র মসজিদুল হারামে যেতে মানুষকে বাধা দেয়—যাকে আমি তথায় বসবাসকারী ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্য সমঅধিকার করেছি। আর যে এতে অন্যায়ভাবে বিকৃতি আনার চেষ্টা করে, আমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করাবো।
__ الَّذِينَ جَعَلُوا الْقُرْآنَ عِضِينَ
যারা কুরআনকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছে।
আপনি এ আয়াতে থেকে কি বুঝলেন আর ইবনে কাসির কি বুঝেছেন? আয়াতে কোন জটিল শব্দ আছে কি? যা বুঝতে কাসিরের স্মরনাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন?
১) الَّذِينَ – (আল্লাযীনা) = যাহারা ২) جَعَلُوا – (জা‘লূ)
রবের বাণী থেকে বিচ্যুত মানুষ আজকের দিনে অধিকাংশ মানুষ মোল্লার কথায় অন্ধ বিশ্বাস রাখে,কিন্তু যখন আল্লাহর কালাম তুলে ধরা হয়, তখন মুখ ফিরিয়ে নেয়। চৌদ্দশ বছর ধরে চলছে এই লড়াই— আল্লাহর প্রকৃত রসূলের
_______ মোল্লা বনাম আল্লাহঃ
বর্তমানে অধিকাংশ লোকই মোল্লার কথা বিশ্বাস করে কিন্তু আল্লাহর কালামের কথা বললে বিশ্বাস করে না। আল্লাহর কুরআনের প্রকৃত রসূলের সাথে আরবের প্রতারক রসূলের মোকাবিলা ১৪০০ বছর থেকে চলে আসছে যার ফলে ৩ শ্রেণীর মুসলমানেরা কুরআন ছেড়ে ১০ টি হাদিসের দিকে বেটে গেছে। #রবের কুরআনের কথা বললেই
রুহ ঢুকলে প্রাণের সঞ্চার ঘটে আবার রুহ বের করে নিলে মৃত্যু ঘঠে। রুহ তাহলে কি? কোথায় তাঁর অবস্থান?
এবিষয়ে বলতে চাইলেই (১৭:৮৫) আয়াতের রেফারেন্স দার করিয়ে থামিয়ে দেয়া হয় এ বলে যে, রুহ সম্বন্ধে খুব অল্প জ্ঞান দিয়েছেন। কেন? তাহলে কোরানের ২১ টি আয়াতে
“আদমকে সিজদার আদেশ হল, কিন্তু হাওয়া কে নয়” — এর মধ্যে যে আপাত বৈষম্য দেীখা যায়, তা আসলে সৃষ্টির উদ্দেশ্য, প্রতীকী প্রতিনিধিত্ব (رمزية) এবং কালানুক্রমিক ধারার বিষয়; লিঙ্গ ভিত্তিক মর্যাদার পার্থক্য নয়।
চলুন ধাপে ধাপে কুরআনের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করি —
মহাপ্রলয়
আনাস (রা.) বর্ণনা করেন: এক ব্যক্তি রাসূল সাঃ কে কিয়ামতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন… তারপর নবী সাঃ আনসারদের এক কিশোরের দিকে ইশারা করে বললেন, “যদি এই ছেলেটি বেঁচে থাকে, তবে সে বৃদ্ধ হওয়ার আগেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।” (সহীহ মুসলিম ২৯৫২ এবং বুখারীর
রূহ (ٱلرُّوحُ) আল্লাহ প্রতিদিন নতুন করে সৃষ্টি করেন কি না, নাকি একবারেই সব রূহ সৃষ্টি হয়ে গেছে?
১. রূহের সৃষ্টির মূলনীতি (একবারে সৃষ্টি)
কুরআনে আল্লাহ বলেন:
وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنۢ بَنِيٓ ءَادَمَ مِن ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ