কোন একটা হাদিস না মানলে আপনি অবশ্যই কাফের। কোন সন্দেহ নাই।
الولد للفراش وللعاهر الحجر”
সহীহ বুখারী (৬৭৪৯), সহীহ মুসলিম (১৪৫৭)
স্বামীর মৃত্যুর ২ বছর পরও যদি সন্তান হয় তবে সে সন্তান মৃত স্বামীর। সব মাযহাব এ হাদীস স্বীকার করে তবে বিভিন্ন মাযহাবের সময় সীমা শুধু বিভিন্ন।
১) হানাফি — ২ বছর। কিতাব আল-হিদায়া, আল-মাবসুম। মৃত্যুর ২ বছরের মধ্যে হলে সন্তান ঐ স্বামীর।
২) মালিকি — ৪ বছর। কিতাব আল-মুদাওয়ানা। মৃত্যুর ৪ বছরের মধ্যে হলে সন্তান ঐ স্বামীর।
৩) শাফেয়ি — ৪ বছর। কিতাব আল-মাজমু। মৃত্যুর ৪ বছরের মধ্যে হলে সন্তান ঐ স্বামীর। ৪) হাম্বলি — ৪ বছর। কিতাব – আল-মুগনি। মৃত্যুর ৪ বছরের মধ্যে হলে সন্তান ঐ স্বামীর।
فَبِأَيِّ نِعْمَةِ الْحَدِيثِ تُكَذِّبُونَ
ফা-বি-আইয়্যি নি‘মাতিল-হাদীছি তুকায্যিবূন
অর্থঃ “অতএব হাদীসের কোন নেয়ামতকে তোমরা অস্বীকার করবে?”
এসব সুবিধাই হাদীসের জনপ্রিয়তার মুল কারন।

2 replies on “বিনোদনের ইসলাম”
দারুণ দারুণ!
হাদীস না মানলে “কাফের”—!?
ধন্যবাদ রুমী ভাই