সার্ভার প্রোবলেমের জন্য সাময়িক বিরক্তি কর পরিস্থিতির জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
Category: My text
কবরের আযাব
কবরে শাস্তি আছে কি নাই তা কেউ দেখে না, জানেও না, তাই তা আমাদের জানার বিষয়ও না। এ বিষয় আল্লাহ আমাদেরকে প্রশ্নও করবেন না। এ বিষয় আলোচনা করারও প্রয়োজন হয় না। কারণ, আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন পরীক্ষার জন্য- ৬৭:২। এবং পৃথিবীতে
ইয়াজিদী – হিন্দু ও দ্রুজ ধর্মের কথা
আহলে কোরান – ইয়াজিদী – দ্রুজ ও হিন্দু ধর্মঃ
মানব সভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম এমন একটা গুরুত্তপুর্ণ বিষয় যা মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। এটি হলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে সংযোগ সৃষ্টিকারী পথ নির্দেশনা। ধর্ম মানুষের জন্য বয়ে আনে কল্যান এবং
জীন নিয়ে কথা
জ্বিন সম্পর্কে কিছু পয়েন্ট:
* মানুষের মত জ্বিন সৃষ্টির উদ্দেশ্যও আল্লাহর দাসত্ব করা। (৫১:৫৬)
* মানুষের সাথে জ্বিনরাও রাসূল পেয়েছে (৬:১৩০)। জ্বিনরা কুরআনের বার্তাও পেয়েছে এবং তাদের জাতিকে সতর্কও করেছে (৩৭:১৫৮; ৪৬:২৯-৩১; ৭২:১)।
* ভাল জ্বিনেরা মনে করেছিল মানুষ ও জ্বিন
বিজ্ঞানের দাবী সূর্য স্থীর কোরানের দাবী পৃথিবী স্থীর। যুক্তি উপস্থাপন করে প্রমাণ করব কোরানে বর্ননা সত্য বিজ্ঞানই মিথ্যে।
কোরান বলছে “সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ। [সুরা ইয়া-সীন – ৩৬:৩৮
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন
সিয়ামের মাস কোনটি
নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন হইতেই আল্লাহ্র বিধানে আল্লাহ্র নিকট মাস গণনায় মাস বারটি; তন্মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস, ইহাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। (9:36)
পৃথিবী সৃষ্টির শুরু হতে যদি আল্লাহর বিধানে মাস বারটি হয় তবে কোন নবী কোন মাসে সিয়াম সাধনা করতেন?
“সিয়ামের মাস কোনটি”
__________ কদর রাত্রিঃ
কদর রাত্রিতে ফিরেস্তাগন, রুহ অর্থাৎ আল্লাহর বিভিন্ন আদেশ নিয়ে অবতীর্ণ হন।
সুরা কদরে ” তানাজজালু মালাইকাতুহু ওয়া রুহ — এর অনুবাদ দাড়ায় ” আমরা অবতীর্ণ করি ফেরেস্তাগনকে এবং রুহকে অর্থাৎ আদেশকে ।
উক্ত সূরার ভিতরে কোরান বলে কোন আরবী শব্দই নেই। আছে মালাইকা
ঈদ আনন্দের ইতিকথাঃ
জাহেলিয়াত যুগেও জিলকত, জিলহজ্জ, রজব, মহররম এই চারটি মাসে যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ থাকত। কোরানে বর্ণিত আয়াত দৃষ্টিতে অন্ধকার যুগের পুর্বে ঈসা বা পুর্ববর্তী নবীদের সময় হতেই এ চারটি মাসকে সবাই অনুসরন করত। যেমন সুরা তওবায় বর্নিত:
কোরআন বুঝতে হলে
কুরআন বুঝতে হলে..
অন্যান্য সকল ভাষার মতো, আরবি ভাষা হল একটি জীবন্ত ভাষা , যা সময়ের সাথে সাথে বিকশিত এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদি কুরআন না থাকত, তাহলে আরবি ভাষাটি সম্ভবত আরামাইক, সিরিয়াক বা ল্যাটিন ভাষার মতো একইভাবে মারা যেত বা অদৃশ্য
ইসলামের বিবর্তন
ইসলামের বিবর্তন
মুসলমানদের সবচেয়ে হাস্যকর আচরণ হলো, তারা দাবী করে যে কোর’আন-ই একমাত্র ধর্ম গ্রহন্থ যা বিশুদ্ধভাবে রক্ষিত আছে, এবং যা সরাসরি আল্লাহ’র পক্ষ থেকে সমগ্র মানব জাতির জন্য পথ নির্দেশনা রূপে এসেছে। কিন্তু মানে হাদীস নামক
Zakat in Islam
What does Allah mean by Zakat, and what do we mean by it?
Wherever prayer is mentioned in the Quran, the word Zakat is mentioned along with it. That means that just as prayer is obligatory for everyone, Zakat is also obligatory for everyone.
যাকাত আল্লাহর বিধান বনাম মোল্লার বিধান
আল্লাহ যাকাত বলতে কি বুঝিয়েছেন, আর আমরা কি বুঝি?
কোরানে যেখানেই সালাতের কথা বলা হয়েছে তার সাথেই যাকাত শব্দটি এসেছে। তার মানে সালাত যেমন সবার জন্য ফরজ যাকাতও তেমন সবার জন্য ফরজ।
কিন্তু প্রচলিত ধারনা ধনী ব্যক্তি যাকাত
হাদীস বলতে রাসুলের বাণী নহে:
হাদীস বলতে কি বুঝায় ?
হাদিস” শব্দটা কুরআনে বহুল ব্যবহৃত। এর অর্থ কথা, বাণী, কেচ্ছা, সংবাদ। “আল্লাহু নাযযালা আহসানাল হাদিসা–!” আল্লাহ না্যিল করেছেন উত্তম বাণী।(সুরা যুমার, ২৩)। “হাল আতাকা হাদিসুল গাশিয়াহ?” “তোমার কাছে কি কেয়ামতের সংবাদ এসেছে?(গাশিয়াহ:১)
খুব অল্প লোকেই এই সত্যটা জানে যে
নামাজ বেহেস্তের চাবী নহে:
মোল্লার নামাজ আর আল্লাহর সালাত এক নয়ঃ
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ
জুম্মা মোবারক
সালাত আরবী শব্দের অনুবাদ নামজ নয়। এটি পারস্যদের অনুবাদ।বাংলা অনুবাদ “রবের বিধি নিষেধের সংযোগ সাধন “।
হে মু’মিনগণ! জুম‘আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহ্র স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয় – বিক্রয় ত্যাগ কর, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা
সহজ আরবী গ্রামার
__ সাধারনের জন্য আরবী গ্রামার পর্ব-০৮
সমগ্র কোরাআনে যত শব্দ আছে তা তিনটি শ্রেনীতে বিভক্ত। ১) ইশেম (বিষেশ্য) ২) ফা’আল (ক্রিয়া) এবং ৩) হরফ ( অব্যয়) হরফ এবং ফাল বাদ দিলে বাকি সব ইসিম।
যে শব্দ গুলি দ্বারা কোন কিছুর নাম বুঝায় তাকে এসেম
মিরাজের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ
মিরাজের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ
কাফেররা যখন বিজ্ঞানের জয়যাত্রার পথে নতুন নতুন আবিস্কারের স্বপ্ন দেখছে, বিজ্ঞানময় এই কোরান ভিত্তিক ইংরেজী, গণিত বাদ দিয়ে আমাদের এই আলেমরা তখন সাপ,ব্যাঙের বানোয়াট ব্যঙামা ব্যঙামীর কিচ্ছা শিখিয়ে তৈরী করছেন মসজিদের ইমাম আর মাদ্রাসার শিক্ষক। যাদের
জীবন চক্র রহস্যঃ
প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে না!’( ৩৭:৫৯) ইহা তো মহাসাফল্য। (৩৭:৬০) এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,( ৩৭:৬১)
মানুষ জন্মগত ভাবে কেন অন্ধ, আতুর, পুঙ্গু হয়? কেন অপরিণত বয়সে মৃত্যু হচ্ছে, ভালো মেয়েটির শ্লীলতাহানী হচ্ছে, কেন নিরপরাধ মানুষ জেল খাটছে,?
এ বাঁধ ভাঙ্গতে হবেঃ
ধর্মীয় বিষয়ে মানুষ জন্মগত ভাবে যে বিষয়টি সত্য জেনে আসছে তা অন্য কেউ মিথ্যা বললে সহজে মেনে নিতে পারে না। মানুষ ধর্মীয় বিষয়ে তার জানা গুলো ডাহা মিথ্যা হলেও সেগুলোকেই একমাত্র সত্য মনে করে এবং বাকি সব মিথ্যা মনে করে। একজন ব্যক্তি যখন হঠাৎ জানতে পারে তার ধর্মীয়
রোমান বা ইটালী বাসীর পুর্ব পরিচয়।
রোমান বা ইটালী বাসীর পুর্ব পরিচয় ——————————– (সূরা রুম আয়াত ২)
রোমকরা ইসহাক নবীর বংশোদ্ভোত, তারকা পুজারী। এরা সাতটি তারকার উপসনা করত। উত্তর দিক হয়ে সালাত পরতো। এদের দ্বারাই দামেস্ক শহরের পত্তন হয়েছিল। ঈসা আঃ এর নবুয়্যতের পর তিনশত বছর পর্যন্ত রোমকরা
