কাফের আরবী শব্দ। যার বাংলা অস্বীকার কারী।সর্বপ্রথম কে কি অস্বীকার করেছিল। যার জন্য কাফের শব্দটি আজো বিদ্যমান? ইবলিশ ছিলো আল্লাহর উচ্চতর পরিষদের সদস্য, ফেরেশতারাও তাই ছিলো, এবং সেখানে মানুষের অভিষেক ঘটতে যাচ্ছিলো সুপিরিওর সদস্য হিসেবে। সেসময়ের আল্লাহর একটি মাত্র আদেশ অমান্য করা এবং তার বিপরীতে নিজের বিবেচনায় বুঝতে পারা তথ্যের
Category: My text
মাটিতে মাথা নত করে স্রষ্টার প্রতি ভক্তি করাকে সাধারনভাবে আমরা সিজদা বুঝে থাকি। এটা সিজদার আনুষ্ঠানিকতা রুপ হলেও অনেকে মনে করেন আল্লাহর বিধান মেনে আমল করা কে সিজদা বলে।
কোরানের পরিভাষায় সিজদা অর্থ হচ্ছে সত্যকে স্বীকার করা।
আদম যাহা জানে ইবলিশ সেটা জানে না আল্লাহ
কবরে সোয়াল জবাব
লাশকে দাফন করার পর কবরে ফেরেস্তা এসে সোয়াল জবাব করবেঃ—- ১) মান রাব্বুকা ২) মান দীনুকা ৩) মান নাবিয়ুকা
তিনটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেই পার। এই তিনটা মুখস্ত করলেই তো এনাফ। কি মজার বিষয় না?
আচ্ছা এই সোয়াল গুলির জবাব দিতে হলে লাশের ভিতর আবার রুহ প্রবেশ
মাহেদী-দাজ্জাল-দাব্বাতুল আরদ
১) ইমাম মাহেদীর আগমনঃ
ঈসা আঃ কেই ইমাম মাহেদী বলে দাবী করা হয়।কুরআনের আলোকেঃ কুরআনে সরাসরি “ঈসা আ. আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন” এমনটি স্পষ্ট করে বলা হয়নি। তবে কিছু আয়াত আছে যেগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ঈসা আ. পুনরায় আগমন করবেন। বিশেষ করে: সূরা النساء (৪:১৫৭-১৫৯)
আদম ও ঈশার দৃষ্টান্ত একই
খৃষ্টান সম্প্রদায় প্রশ্ন করে পিতা ছাড়া কোন সন্তান জন্ম নিতে পারে না। যেহেতু ঈশার পিতৃ পরিচয় পাওয়া যায় না তাই ঈশা আল্লাহর পুত্র। আর এ কারনেই তারা শিরককারী এবং কিতাবী হলেও মুসলমান হতে খারিজ। তাদের এ যুক্তির জবাবে আল্লাহ বলেন নিশ্চয় ঈশার দৃষ্টান্ত আদমের ন্যায়। আদমের পিতা কে ছিল? আমি
ইয়াজুজ-মাজুজ
এমনকি যখন ইয়া‘জূজ ও মা‘জূজকে মুক্তি দেওয়া হইবে এবং উহারা প্রতি উচ্চভূমি হইতে ছুটিয়া আসিবে।(21:96)
কেয়ামতের বড় আলামত ইয়াজুজ মাজুজ। সত্যিই কি তারা বের হয়ে গিয়েছে?
যুগ যুগ ধরে ইয়াজুজ-মাজুজ নিয়ে সত্য মিথ্যা মিশ্রিত লেখা ও বক্তব্য চলছে। উম্মাহর অনেকে ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কে সঠিক ধারনা পাচ্ছে না।
ওহী হচ্ছে মানুষের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত নির্দেশ যা লৌহমাফুজে সংরক্ষিত মূল কিতাবের অংশ বিশেষ। ওহী জিব্রাইল ফিরিস্তার মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অল্প অল্প করে নাযিল করা হয়েছে যাতে মানুষ আল্লাহর নির্দেশ ভাল ভাবে আত্মস্থ করতে পারে।
আর কুরআন আমি নাযিল করেছি কিছু কিছু করে, যেন
পবিত্রতা কি?
পবিত্রতা (আরবি: طهارة, তাহারাত) হল ইসলামের একটি অত্যাবশ্যক অংশ। এটি নাজাসাতের বিপরীত, যা হল ধর্মীয়ভাবে অপবিত্র হওয়ার অবস্থা। আরবী মুল শব্দ তাহারাত যার অর্থ পবিত্রতা। তাহরু মুল শব্দটি। * সাধারন ভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাকে আমরা পবিত্রতা বুঝে থাকি। * ইসলামের ভাষায় পবিত্রতা বলতে ওযু করা বুঝে থাকি।
ইয়াহুদীর দালাল বলে গালি দেয় যারা, তারা নিজেরাও কিন্তু জানেনা ইয়াহুদী কাকে বলে। আকিদার দিক থেকে ইয়াহুদী মুসলমান কাছাকাছি। মৌলিক পার্থক্য টা হলো:- ১) ইয়াহুদীরা একটি মাত্র কিতাব তাওরাতকে বিধান মানে। মুসলমান দুইটি কিতাবের বিধান মানে —— ১) কোরান ২) হাদীস। ২) ইয়াহদীরা একটি কিতাব তাওরাত মানে। মুসলমান দুইজন নবীর
ইসরাইল কেন এত মারমুখী। কেন কোন শক্তির কাছে পিছু হটে না। সূরা মায়েদার ২১ নং আয়াত থেকে জেনে নেই।
‘হে আমার সম্প্রদায়! আল্লাহ্ তোমাদের জন্য যে পবিত্র ভূমি নির্দিষ্ট করিয়াছেন তাহাতে তোমরা প্রবেশ কর এবং পশ্চাদপসরণ করিও না; করিলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইয়া পড়িবে।’[ 5:21]
বনী ইসরাঈল” মানে:
৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী হোসেনের ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হয়। হুসাইন আব্বাস কে পাঠালেন ইবনে সা’দকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে, যাতে তারা বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। ইবনে সা’দ এই অবকাশ দিতে রাজি হলেন।
হুসেন রাঃ তার লোকদের বলেছিলেন যে, তারা সবাই যেন তার পরিবারের
বনি ইসরাইল
১. বনী ইসরাঈল কে ছিলেন?
“বনী ইসরাঈল” মানে: ইসরাঈলের সন্তানগণ। এখানে “ইসরাঈল” বলতে বোঝানো হচ্ছে নবী ইয়াকুব (আ.)-কে। তার ১২ জন ছেলে ছিল, যাদের বংশধররাই “বনী ইসরাঈল” নামে পরিচিত হয়।
এই জাতিকে আল্লাহ অনেক নবী ও অহি দান করেছিলেন। কুরআনের বহু জায়গায় বনী ইসরাঈলের ইতিহাস ও শিক্ষা
নবীর যুগে সালাত কেমন ছিল?
নবীর যুগে সালাত কেমন ছিল?
এ বিষয় বুঝতে হলে টাইম ট্রাভেলিং এ ১৪০০ বছর আগে যেতে পারি অথবা বর্তমান সময়ে কল্পনার রাজ্যে প্রবেশ করে সুরা নেসার ৮২ নং এবং সুরা মোহম্মদের ২৪ নম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেন তারা কি কোরআন নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে না, গবেষনা
আর যিনার নিকটবর্তী হইও না। ইহা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ। (১৭:৩২)
মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জা স্থানের হিফাযত করে। (২৪:৩০)
যেনা বলতে আমরা সাধারনত বুঝি নারী – পুরুষের যৌন সম্পর্ক । কিন্তু কোরানের ভাষায় যেনা বলতে শুধু নারী-পুরুষের যৌন
হাদীস মানার সীমা
হাদীস মানার সীমারেখাঃ
বেশিরভাগ মানুষ হাদিস বলতে বুঝেন নবীজির (সঃ) বাণী। একারণেই হাদিস মানাকে নবীজির অনুসরণের সমার্থক মনে করেন। হাদিস মানে না মানে নবী মানে না, কত বড় কথা !! হাদিস শব্দের অর্থ কথা বা বর্ণনা। কোরআন হচ্ছে আল্লাহর হাদিস মানে আল্লাহর বাণী। নবীজির
হাদীস কেন
আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীন পূর্ণাংগ করিলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন মনোনীত করিলাম। (৫:৩)
আল্লাহর এ উক্তি কে যারা অস্বীকার করে তারা আল্লাহর সাথে শুধু কুফরী করে না, পাশাপাশি রেসালতের সাথেও কুফরী করে। তারা নবীর দায়িত্ব পরিপালনের প্রতি মিথ্যাচার
হাদীস সৃষ্টির পেছনের কথা
হাদীস সৃষ্টির পেছনের কারনঃ *-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-
আল্লাহ ইখতিলাফ নিষিদ্ধ করেছেন ইখতিলাফের কারণ ঘটলেই থামতে বলেছেন। তারপর সত্যের প্রতি মনের নমনীয়তা আসার জন্য আল্লাহর অভিমুখী হতে বলেছেন।
রাসূলের পরপরই মুসলমানরা সেই ইখতিলাফ চর্চাই করতে থাকে। গোত্র প্রথার বিলুপ্তি হলেও বংশ প্রথার গৌরব আর ব্যক্তি স্বার্থের প্রতিযোগিতা
সার্ভার প্রোবলেমের জন্য সাময়িক বিরক্তি কর পরিস্থিতির জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
কবরের আযাব
কবরে শাস্তি আছে কি নাই তা কেউ দেখে না, জানেও না, তাই তা আমাদের জানার বিষয়ও না। এ বিষয় আল্লাহ আমাদেরকে প্রশ্নও করবেন না। এ বিষয় আলোচনা করারও প্রয়োজন হয় না। কারণ, আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন পরীক্ষার জন্য- ৬৭:২। এবং পৃথিবীতে
ইয়াজিদী – হিন্দু ও দ্রুজ ধর্মের কথা
আহলে কোরান – ইয়াজিদী – দ্রুজ ও হিন্দু ধর্মঃ
মানব সভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম এমন একটা গুরুত্তপুর্ণ বিষয় যা মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। এটি হলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে সংযোগ সৃষ্টিকারী পথ নির্দেশনা। ধর্ম মানুষের জন্য বয়ে আনে কল্যান এবং
