আবেগ যখন কাজ করে বিবেক তখন ঘুমিয়ে থাকেঃ
১) হযরত ওমর (রাঃ) কে শহীদ করেছে মুসলমানরা,আমেরিকা-রাশিয়া, ইসরাঈলীরা নয়।
২। হযরত ওসমান রাঃকে যারা শহীদ করেছে, ৪০ দিন তাঁর বাড়ির সামনে আযান দিয়ে জামাত করে নামাজ পড়েছে এরাও ছিল মুসলমান,ইসরাইলের ইহুদী না।
৩।
আবেগ যখন কাজ করে বিবেক তখন ঘুমিয়ে থাকেঃ
১) হযরত ওমর (রাঃ) কে শহীদ করেছে মুসলমানরা,আমেরিকা-রাশিয়া, ইসরাঈলীরা নয়।
২। হযরত ওসমান রাঃকে যারা শহীদ করেছে, ৪০ দিন তাঁর বাড়ির সামনে আযান দিয়ে জামাত করে নামাজ পড়েছে এরাও ছিল মুসলমান,ইসরাইলের ইহুদী না।
৩।
এদেশের আলেমগন নিজেকে আকাবির দাবী করতে গর্ববোধ করে। কিন্তু কোরানে আকাবির শব্দটা এসেছে সূরা আনআমের ১২৩ আয়াতে। এখানে অপরাধীদের প্রধানকে আকাবির হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে।
আমাদের আলেমগন প্রকৃতই অপরাধীদের প্রধান বলেই নিজের অজান্তেই এ লকব বেছে নিয়েছে। দেখা যাক আয়াতটি।
এইরূপে
প্রথমে পুরো আয়াতটি পড়ুন: কুরআনের আয়াত তার প্রসঙ্গ সহকারে পড়ুন , প্রসঙ্গ ছাড়া নয়। বোঝার চেষ্টা করুন আয়াতটি নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠির জন্য নাকি সমগ্র মানব জাতির জন্য , নির্দেশ বা উপদেশ মূলক নাকি শিক্ষামুলক কাহিনি বা বর্ননা ইত্যাদি।
২) অধিকাংশ মুসলমান কুরআনের
ইরান ইরাক অঞ্চলে প্রচলিত সালাত তিন ওয়াক্ত।
নামাজকে কেন্দ্র করেই মুসলমানদের মধ্যে এত এত মাযহাব উপমাযহাব। কারন কোরানে তো নামাজের স্ট্রাকচারাল গাইড লাইন নাই ই, বরং সাথে হাদীসকে যুক্ত করালেও নামাজের সর্বসম্মত স্ট্রাকচার দাড় করানো সম্ভব নয়।
পরিচিত নামাজের ধারাবিবরন অতটা জটিল নয় যে কোরানে এ
কত ভাগ্যের ফলে না জানি মন রে পেয়েছ এ মানব তরনী….
প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে না!’(৩৭:৫৯) ইহা তো মহা সাফল্য। (৩৭:৬০) এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,( ৩৭:৬১)
মানুষ জন্মগত ভাবে কেন অন্ধ, আতুর, পুঙ্গু হয়? কেন অপরিণত বয়সে
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে
আহলে কোরান – ইয়াজিদী – দ্রুজ ও হিন্দু ধর্মঃ
মানব সভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম এমন একটা হুরুত্তপুর্ণ বিষয় যা মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জরিত।এটি হলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে সংযোগ সৃষ্টিকারী পথ নির্দেশনা। ধর্ম মানুষের জন্য বয়ে আনে কল্যান এবং শান্তি। এটি মানুষকে শিক্ষা দেয় তার
বর্তমানের অধিকাংশ মানুষ প্রায়শই দাবি করেন যে শুধুমাত্র মুসলমানরাই জান্নাতে যাবে, আর অন্যরা জাহান্নামে। কিন্তু এই দাবির প্রেক্ষিতে আমার কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে:
1. একটি শিশু যদি অমুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে—যেমন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা অন্য কোনো ধর্মের পরিবারে—তাহলে সেই শিশুটির অপরাধ কী? আল্লাহ কেন তাকে একটি
কোর’আনে প্রচুর সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে।
সর্বনাম যখন ব্যবহৃত হয় তখন বাক্যের মূল বক্তব্য অনুধাবন করার জন্য কোন সর্বনামটি কার দিকে ইশারা দিলো, তা নির্ধারণ করার উপর নির্ভর করে বাক্যের অর্থ বুঝতে হয়।
ওহী হচ্ছে মানুষের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত নির্দেশ যা লৌহমাফুজে সংরক্ষিত মূল কিতাবের অংশ বিশেষ।ওহী জিব্রাইল ফিরিস্তার মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনার পরিপেক্ষিতে অল্প অল্প করে নাযিল করা হয়েছে যাতে মানুষ আল্লাহর নির্দেশ ভাল ভাবে আত্মস্থ করতে পারে। আর কুরআন আমি নাযিল করেছি কিছু কিছু করে, যেন তুমি তা
মানুষকে বুঝানোর জন্যে আল কোর’আনে অনেক গুলো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। যেমনঃ
বাশার [الْبَشَر ] নাস [النَّاس ], এবং ইনসান [ الْإِنْسَان ] খলিফা –[-خَليفَةً]
উপরের এ চারটি শব্দের অর্থই মানুষ। কিন্তু তিনটি শব্দ দ্বারা একই চরিত্রের মনুষকে বোঝানো হয় না। অর্থৎ, প্রত্যেকটি শব্দ-ই
নবীকে আল্লাহ বললেনঃ ‘তুমি অন্তরে যা গোপন করছিলে আল্লাহ তা প্রকাশ করে দিলেন (৩৩ঃ৩৭)” নবী কি এমন মনে মনে গোপন করছিলেন যা আল্লাহ প্রকাশ করে দিলেন ? তৎকালীন আরবের লোকেরা পালিত পুত্রদের কে আপন পুত্রদের মতো মনে করতো এবং তাদের নামে পালিত পুত্রদের কে ডাকা হতো এমকি তারা
রাসুলের অপমানে দিল্লী মার্চ শয়তানের ইন্দনঃ
শেষ নবীর জীবদ্দশায় নবীকে বহুভাবে আক্রমন করা হয়েছে, সমালোচনা ও কটুক্তি করা হয়েছে – কুরআন কোথাও বলে না এজন্যে রাসূলকে কোন প্রতিশোধ নিতে ।
বরং বলা হয়েছে, তোমাকে যেমন মিথ্যা প্রতিপন্ন করা হচ্ছে, একই ভাবে পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণকেও মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করা
কোরানে ৮২ বার সালাতে কথা বলে গুরুত্ত আরোপ করা হয়েছে।কিন্তু প্রচলিত আনুষ্ঠানিক সালাতকে নয়। বরং প্রচলিত আনুষ্ঠানিক নামাজ কোরানে বর্ণিত সালাতকে নিন্মোক্ত ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে। যাচাই করে একটু দেখে নেই কি সেগুলি।
১. যদি প্রচলিত হাদিস ভিত্তিক নামাজ কুরআনের সালাতের মত হতো, তবে কেন
মানুষ কি মনে করে শুধু তারাই সালাত করে। না, বরং কুকুর, বিড়াল, কাক, শকুন অর্থাৎ আসমান ও জমিনে যত প্রাণী আছে সবাই সালাত করে।
“তুমি কি দেখনা, আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করেছে যারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আছে তারা সবাই এবং যে পাখির ডানা বিস্তার করে
দরস -০১
আরবী গ্রামার আর কোরানিক গ্রামার এক নয়। কোরান বুঝার জন্য যে গ্রামার জানা প্রয়োজন তা খুব সহজ, আরবী গ্রামারের মত অতটা জটিল নয়। সমগ্র কোরানে পুনারাবৃত্তি সহ মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার। তন্মধ্যে মুল শব্দ মাত্র ১৮ হাজারের মত। ফলে ২০০ /২৫০ শব্দের
রোমান বা ইটালী বাসীর পুর্ব পরিচয়। —————————————– রোমকরা পরাজিত হয়েছে। (সূরা রুম)
রোমকরা ইসহাক নবীর বংশোদ্ভোত, তারকা পুজারী। এরা সাতটি তারকার উপসনা করত। উত্তর দিক হয়ে সালাত পরতো। এদের দ্বারাই দামেস্ক শহরের পত্তন হয়েছিল। ঈসা আঃ এর নবুয়্যতের পর তিনশত বছর পর্যন্ত রোমকরা তাদের পুর্ব মতবাদের
কোরআনকে কেন বিজ্ঞানময় বলেঃ
পৃথিবী স্থির না কি সূর্য স্থির? কোরানের সাথে বিজ্ঞানের সাংঘর্ষিক বক্তব্যের সমালোচনাঃ
★আকাশে ও পৃথিবীতে এমন কোন গোপন ভেদ নেই, যা সুস্পষ্ট কিতাবে না আছে। [২৭:৭৫]
★(১) পৃথিবীর কিছু জায়গা আছে যেখানে বছরে ৬ মাস দিন এবং ৬
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। (১৯:৫৯)
১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য? ২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই চলছিল। সে সময় কালটি কখন? ৩) তাদের
আল্লাহ কেমন সালাতের নির্দেশ দেনঃ
সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই। فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল। وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের, فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ যাহারা তাহাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন, الَّذِيْنَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُوْنَۙ (