রোমান বা ইটালী বাসীর পুর্ব পরিচয় ——————————– (সূরা রুম আয়াত ২)
রোমকরা ইসহাক নবীর বংশোদ্ভোত, তারকা পুজারী। এরা সাতটি তারকার উপসনা করত। উত্তর দিক হয়ে সালাত পরতো। এদের দ্বারাই দামেস্ক শহরের পত্তন হয়েছিল। ঈসা আঃ এর নবুয়্যতের পর তিনশত বছর পর্যন্ত রোমকরা
রোমান বা ইটালী বাসীর পুর্ব পরিচয় ——————————– (সূরা রুম আয়াত ২)
রোমকরা ইসহাক নবীর বংশোদ্ভোত, তারকা পুজারী। এরা সাতটি তারকার উপসনা করত। উত্তর দিক হয়ে সালাত পরতো। এদের দ্বারাই দামেস্ক শহরের পত্তন হয়েছিল। ঈসা আঃ এর নবুয়্যতের পর তিনশত বছর পর্যন্ত রোমকরা
অন্যান্য সকল ভাষার মতো, আরবি ভাষা হল একটি জীবন্ত ভাষা , যা সময়ের সাথে সাথে বিকশিত এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদি কুরআন না থাকত, তাহলে আরবি ভাষাটি সম্ভবত আরামাইক, সিরিয়াক বা ল্যাটিন ভাষার মতো একইভাবে মারা যেত বা অদৃশ্য হয়ে যেত। মিশরীয়
ওয়াক্তিয়া সালাত বনাম কোরানের সালাতঃ
সুরা মরিয়ম, আয়াত ৫৯ এ আল্লাহ বলেন ” অতঃপর তাদের পরে প্রতিনিধি আসলো তারা সালাত বরবাদ করলো এবং লোভলালোসার অনুসরণ করলো, ফলে সত্তর গোমরাহিতে নিক্ষিপ্ত হলো”
এখানে বলা হচ্ছে তাদের পরে প্রতিনিধি আসলো, প্রশ্ন হচ্ছে কাদের
নবী মুহাম্মদ সা: আমাদের এ প্রচলিত সালাত কখনোই পড়েন নাই। পড়ার প্রশ্নই উঠে না। কারন নবীকে সালাত পড়ার জন্য প্রেরণ করা হয় নি বরং সালাত শেখানোর জন্য প্রেরন করা হয়েছ।
সালাত পড়ার মত কোন জিনিস নয় বরং সালাত কায়েম করার জিনিস। সালাত একটি দ্বীনি
নারীদের প্রচলিত হিজাব বা পর্দা প্রথার প্রচলন ভাবিয়ে তুলে —– ————–****—————–
“ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে/সতীত্ব বজায় রাখে। তারা যেন, যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া, তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে”। তারা যেন তাদের বুকগুলি তাদের ‘খিমার’ দিয়ে ঢেকে
ওহী শব্দের অর্থ জ্ঞান, যে জ্ঞান প্রাপ্ত, সে তো ওহী প্রাপ্ত।
আসমানী কিতাব একখানা, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত,কোনো পরিবর্তন নাই, শুধু ভাষার পরিবর্তন হয়েছে মাত্র,
ইহাই আল্লাহ্র বিধান-প্রাচীন কাল হইতে চলিয়া আসিতেছে, তুমি আল্লাহ্র বিধানে কোন পরিবর্তন পাইবে না। (৪৮ঃ২৩)
আর বিভিন্ন
কখনও কখনও মানুষ সত্য শুনতে চায় না কারণ তারা তাদের বিভ্রান্তিগুলি ধ্বংস করতে চায় না।”
ধর্মীয় বিষয়ে মানুষ জন্মগত ভাবে যে আচার অনুষ্ঠান সত্য জেনে আসছে তা অন্য কেউ মিথ্যা বললে সহজে মেনে নিতে পারে না। ধর্মীয় বিষয়ে তার জানা গুলো ডাহা মিথ্যা হলেও তার জানা
–সিংহকে লেজকাটা শিয়াল বানিয়েছে গাট্টি টোপলা ওয়ালাঃ
অশুভ শক্তি অশুর কে বধ করে ধরাকে পাপমুক্ত করার জন্য সনাতন ধর্মে প্রতি বছর না হয় মা দুর্গার আবির্ভাব ঘটে, প্রচলিত ইসলামে সে সুযোগটুকুও নেই।
বরং যে ব্যক্তি এই কুসংস্কার দুর করার চেষ্টা করবে সব অশুর মিলে
কখনও কখনও মানুষ সত্য শুনতে চায় না কারণ তারা তাদের বিভ্রান্তিগুলি ধ্বংস করতে চায় না।”
ধর্মীয় বিষয়ে মানুষ জন্মগত ভাবে যে বিষয়টি সত্য জেনে আসছে তা অন্য কেউ মিথ্যা বললে সহজে মেনে নিতে পারে না।
মানুষ ধর্মীয় বিষয়ে তার জানা গুলো
আবেগ যখন কাজ করে বিবেক তখন ঘুমিয়ে থাকেঃ
১) হযরত ওমর (রাঃ) কে শহীদ করেছে মুসলমানরা,আমেরিকা-রাশিয়া, ইসরাঈলীরা নয়।
২। হযরত ওসমান রাঃকে যারা শহীদ করেছে, ৪০ দিন তাঁর বাড়ির সামনে আযান দিয়ে জামাত করে নামাজ পড়েছে এরাও ছিল মুসলমান,ইসরাইলের ইহুদী না।
৩।
এদেশের আলেমগন নিজেকে আকাবির দাবী করতে গর্ববোধ করে। কিন্তু কোরানে আকাবির শব্দটা এসেছে সূরা আনআমের ১২৩ আয়াতে। এখানে অপরাধীদের প্রধানকে আকাবির হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে।
আমাদের আলেমগন প্রকৃতই অপরাধীদের প্রধান বলেই নিজের অজান্তেই এ লকব বেছে নিয়েছে। দেখা যাক আয়াতটি।
এইরূপে
প্রথমে পুরো আয়াতটি পড়ুন: কুরআনের আয়াত তার প্রসঙ্গ সহকারে পড়ুন , প্রসঙ্গ ছাড়া নয়। বোঝার চেষ্টা করুন আয়াতটি নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠির জন্য নাকি সমগ্র মানব জাতির জন্য , নির্দেশ বা উপদেশ মূলক নাকি শিক্ষামুলক কাহিনি বা বর্ননা ইত্যাদি।
২) অধিকাংশ মুসলমান কুরআনের
ইরান ইরাক অঞ্চলে প্রচলিত সালাত তিন ওয়াক্ত।
নামাজকে কেন্দ্র করেই মুসলমানদের মধ্যে এত এত মাযহাব উপমাযহাব। কারন কোরানে তো নামাজের স্ট্রাকচারাল গাইড লাইন নাই ই, বরং সাথে হাদীসকে যুক্ত করালেও নামাজের সর্বসম্মত স্ট্রাকচার দাড় করানো সম্ভব নয়।
পরিচিত নামাজের ধারাবিবরন অতটা জটিল নয় যে কোরানে এ
কত ভাগ্যের ফলে না জানি মন রে পেয়েছ এ মানব তরনী….
প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে না!’(৩৭:৫৯) ইহা তো মহা সাফল্য। (৩৭:৬০) এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,( ৩৭:৬১)
মানুষ জন্মগত ভাবে কেন অন্ধ, আতুর, পুঙ্গু হয়? কেন অপরিণত বয়সে
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে
আহলে কোরান – ইয়াজিদী – দ্রুজ ও হিন্দু ধর্মঃ
মানব সভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম এমন একটা হুরুত্তপুর্ণ বিষয় যা মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জরিত।এটি হলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে সংযোগ সৃষ্টিকারী পথ নির্দেশনা। ধর্ম মানুষের জন্য বয়ে আনে কল্যান এবং শান্তি। এটি মানুষকে শিক্ষা দেয় তার
বর্তমানের অধিকাংশ মানুষ প্রায়শই দাবি করেন যে শুধুমাত্র মুসলমানরাই জান্নাতে যাবে, আর অন্যরা জাহান্নামে। কিন্তু এই দাবির প্রেক্ষিতে আমার কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে:
1. একটি শিশু যদি অমুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে—যেমন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা অন্য কোনো ধর্মের পরিবারে—তাহলে সেই শিশুটির অপরাধ কী? আল্লাহ কেন তাকে একটি
কোর’আনে প্রচুর সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে।
সর্বনাম যখন ব্যবহৃত হয় তখন বাক্যের মূল বক্তব্য অনুধাবন করার জন্য কোন সর্বনামটি কার দিকে ইশারা দিলো, তা নির্ধারণ করার উপর নির্ভর করে বাক্যের অর্থ বুঝতে হয়।
ওহী হচ্ছে মানুষের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত নির্দেশ যা লৌহমাফুজে সংরক্ষিত মূল কিতাবের অংশ বিশেষ।ওহী জিব্রাইল ফিরিস্তার মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনার পরিপেক্ষিতে অল্প অল্প করে নাযিল করা হয়েছে যাতে মানুষ আল্লাহর নির্দেশ ভাল ভাবে আত্মস্থ করতে পারে। আর কুরআন আমি নাযিল করেছি কিছু কিছু করে, যেন তুমি তা
মানুষকে বুঝানোর জন্যে আল কোর’আনে অনেক গুলো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। যেমনঃ
বাশার [الْبَشَر ] নাস [النَّاس ], এবং ইনসান [ الْإِنْسَان ] খলিফা –[-خَليفَةً]
উপরের এ চারটি শব্দের অর্থই মানুষ। কিন্তু তিনটি শব্দ দ্বারা একই চরিত্রের মনুষকে বোঝানো হয় না। অর্থৎ, প্রত্যেকটি শব্দ-ই