নবীকে আল্লাহ বললেনঃ ‘তুমি অন্তরে যা গোপন করছিলে আল্লাহ তা প্রকাশ করে দিলেন (৩৩ঃ৩৭)” নবী কি এমন মনে মনে গোপন করছিলেন যা আল্লাহ প্রকাশ করে দিলেন ? তৎকালীন আরবের লোকেরা পালিত পুত্রদের কে আপন পুত্রদের মতো মনে করতো এবং তাদের নামে পালিত পুত্রদের কে ডাকা হতো এমকি তারা
Category: My text
রাসুল সাঃ কে কটুক্তি
রাসুলের অপমানে দিল্লী মার্চ শয়তানের ইন্দনঃ
শেষ নবীর জীবদ্দশায় নবীকে বহুভাবে আক্রমন করা হয়েছে, সমালোচনা ও কটুক্তি করা হয়েছে – কুরআন কোথাও বলে না এজন্যে রাসূলকে কোন প্রতিশোধ নিতে ।
বরং বলা হয়েছে, তোমাকে যেমন মিথ্যা প্রতিপন্ন করা হচ্ছে, একই ভাবে পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণকেও মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করা
হাদীসের সালাত
কোরানে ৮২ বার সালাতে কথা বলে গুরুত্ত আরোপ করা হয়েছে।কিন্তু প্রচলিত আনুষ্ঠানিক সালাতকে নয়। বরং প্রচলিত আনুষ্ঠানিক নামাজ কোরানে বর্ণিত সালাতকে নিন্মোক্ত ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে। যাচাই করে একটু দেখে নেই কি সেগুলি।
১. যদি প্রচলিত হাদিস ভিত্তিক নামাজ কুরআনের সালাতের মত হতো, তবে কেন
আসমান ও জমিনের সবাই সালাত করে
মানুষ কি মনে করে শুধু তারাই সালাত করে। না, বরং কুকুর, বিড়াল, কাক, শকুন অর্থাৎ আসমান ও জমিনে যত প্রাণী আছে সবাই সালাত করে।
“তুমি কি দেখনা, আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করেছে যারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আছে তারা সবাই এবং যে পাখির ডানা বিস্তার করে
আরবী গ্রামার -১
দরস -০১
আরবী গ্রামার আর কোরানিক গ্রামার এক নয়। কোরান বুঝার জন্য যে গ্রামার জানা প্রয়োজন তা খুব সহজ, আরবী গ্রামারের মত অতটা জটিল নয়। সমগ্র কোরানে পুনারাবৃত্তি সহ মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার। তন্মধ্যে মুল শব্দ মাত্র ১৮ হাজারের মত। ফলে ২০০ /২৫০ শব্দের
রোমান বা ইটালী বাসীর পুর্ব পরিচয়। —————————————– রোমকরা পরাজিত হয়েছে। (সূরা রুম)
রোমকরা ইসহাক নবীর বংশোদ্ভোত, তারকা পুজারী। এরা সাতটি তারকার উপসনা করত। উত্তর দিক হয়ে সালাত পরতো। এদের দ্বারাই দামেস্ক শহরের পত্তন হয়েছিল। ঈসা আঃ এর নবুয়্যতের পর তিনশত বছর পর্যন্ত রোমকরা তাদের পুর্ব মতবাদের
কোরআনকে কেন বিজ্ঞানময় বলেঃ
পৃথিবী স্থির না কি সূর্য স্থির? কোরানের সাথে বিজ্ঞানের সাংঘর্ষিক বক্তব্যের সমালোচনাঃ
★আকাশে ও পৃথিবীতে এমন কোন গোপন ভেদ নেই, যা সুস্পষ্ট কিতাবে না আছে। [২৭:৭৫]
★(১) পৃথিবীর কিছু জায়গা আছে যেখানে বছরে ৬ মাস দিন এবং ৬
নষ্ট সালাত
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। (১৯:৫৯)
১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য? ২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই চলছিল। সে সময় কালটি কখন? ৩) তাদের
দায়েমি সালাতঃ
আল্লাহ কেমন সালাতের নির্দেশ দেনঃ
সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই। فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল। وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের, فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ যাহারা তাহাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন, الَّذِيْنَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُوْنَۙ (
হিকমাহ বা প্রজ্ঞাঃ
হিকমাত অর্থাৎ গভীর অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে সত্য উপলব্ধি ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করার জ্ঞান, আল্লাহ্ শুধু যে নবী রাসূলগন কে দিয়ে থাকেন তা নয় বরং তাঁর প্রিয় সাধারণ বান্দাদেরকেও দিয়ে থাকেন।
তিনি যাকে চান হিকমাত (প্রজ্ঞা) দান করেন। আর যাকে হিকমাত (প্রজ্ঞা)
এজিদের শিবির হতে আযান
এজিদের শিবিরের আযানঃ
সে দিন ছিল শুক্রবার ! আযান তো এজিদের শিবিরেও দিয়েছিল — হোসেনের শিবিরেও দিয়েছিল। দুই আযানের উদ্দেশ্য কি এক ছিল ? এজিদের শিবিরের ২৫০০০ সেনা ক্ষমতা পাকা রাখার জন্য আযান দিয়েছিল আর হোসেনের শিবরের মাত্র ৭২ জন তাদের জীবন উৎসর্গ করে হলেও ইসলামকে
ইংরেজী শিক্ষিতদের জন্য
প্রাথমিক আরবী গ্রামার পর্ব-১০
দমির (সর্বনাম) ইংরেজী Prnoune > ইসিম এর পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার হয় তাকেই দমির বলে। দমির বা সর্বনাম তিন প্রকার। ১) মারফু ২) মানছুব ৩) মাজরুর।
১) মারফু (কর্তৃবাচ্য) কর্তার পরিবর্তে যেখানে বসে সেটা মারফু। পেশ থাকলে
ওহী কি শুধু নবীর উপর
ওহী কি? এটা কি শুধু নবীর উপর আসে?
ওহী হচ্ছে মানুষের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত নির্দেশ যা লৌহমাফুজে সংরক্ষিত মূল কিতাবের অংশ বিশেষ।ওহী জিব্রাইল ফিরিস্তার মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনার পরিপেক্ষিতে অল্প অল্প করে নাযিল করা হয়েছে যাতে মানুষ আল্লাহর নির্দেশ ভাল ভাবে আত্মস্থ করতে পারে। আর কুরআন আমি
সহজ পদ্ধতিতে কোরআন শিখতে চাই পর্ব ০১
জুম্মার সালাত
সালাত আরবী শব্দের অনুবাদ নামজ নয়। এটি পারস্যদের অনুবাদ। বাংলা অনুবাদ “রবের বিধি নিষেধের মনোনিবেশ “।
হে মু’মিনগণ! জুম‘আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহ্র স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয় – বিক্রয় ত্যাগ কর, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা
কুরআন বুঝতে হলে..
এগুলি হল সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত:
কুরআনের আয়াতগুলি একে অপরের উপর আলোকপাত করে এবং ব্যাখ্যা করে: “যারা আমার নাযিলকৃত সুস্পষ্ট বর্ণনা এবং পথনির্দেশ মানুষের জন্য কিতাবে সুস্পষ্ট করার পরও গোপন করে, তাদের উপর আল্লাহর লানত এবং অভিসম্পাত কারীগণের ও অভিসম্পাত।” (২:১৫৯)। কিতাবকে আল্লাহ নিজেই সুস্পষ্ট
সালাত কেন ব্যার্থঃ
فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ (ফালা সাদ্দাকা ওয়া লা সাল্লু)
সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই।
وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ (ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়াতাওয়াল্লু)
বরং সে মিথ্য বলিয়াছিল এবং মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ ( ফাওয়াই
সে বিশ্বাস করে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই। (৭৫:৩১) বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল। (৭৫:৩২) সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের,
فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ
( ফালা সাদদাকা ওয়া লা সাল্লু)
وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّٰىۙ
(ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়া
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। ১৯:৫৯ ১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য? ২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই চলছিল। সে সময় কালটি কখন? ৩) তাদের পরে কাহারা
___সাধারনের জন্য আরবী গ্রামার পর্ব-০৮ সমগ্র কোরাআনে যত শব্দ আছে তা তিনটি শ্রেনীতে বিভক্ত। ১) ইশেম (বিষেশ্য) ২) ফা’আল (ক্রিয়া) এবং ৩) হরফ ( অব্যয়) হরফ এবং ফাল বাদ দিলে বাকি সব ইসিম।
যে শব্দ গুলি দ্বারা কোন কিছুর নাম বুঝায় তাকে এসেম বলে। যে শব্দ গুলি দ্বারা
