অপরাধীর আইনজীবির মৃত্যুদন্ড
মৃত্যদন্ড প্রাপ্ত আসামীর অনুপস্থিতে তার আইনজীবিকে মৃত্যদন্ড কার্যকর করার বিধান প্রচলিত আইনে না থাকলেও শরীয়া আইনে আছে। কারন অপরাধ যে করে এবং অপরাধীকে যে প্রশ্রয় দেয় বা তার পক্ষে সাফাই গায় উভয়ের সমান দন্ড।
কোরআনের আলোকে
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
অপরাধীর আইনজীবির মৃত্যুদন্ড
মৃত্যদন্ড প্রাপ্ত আসামীর অনুপস্থিতে তার আইনজীবিকে মৃত্যদন্ড কার্যকর করার বিধান প্রচলিত আইনে না থাকলেও শরীয়া আইনে আছে। কারন অপরাধ যে করে এবং অপরাধীকে যে প্রশ্রয় দেয় বা তার পক্ষে সাফাই গায় উভয়ের সমান দন্ড।
কোরআনের আলোকে
আল্লাহর ভাষা — বাণীর অতীন্দ্রিয় উৎস।
ভাষা (اللّغة) হচ্ছে সৃষ্ট জগতে যোগাযোগের মাধ্যম, যা ধ্বনি, অক্ষর ও চিহ্ন দ্বারা গঠিত। অতএব, এটি সৃষ্টি (مخلوق) — যেমন মানুষ, ফেরেশতা বা জিনদের মধ্যকার যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু আল্লাহ সৃষ্ট নন — তিনি সময়, স্থান, রূপ,
সত্য অনুসন্ধানের প্রেরণা এবং আত্মসমালোচনাঃ
যেদিন থেকে সালাত আর লেবাসকে ইসলামের মান্দন্ড বানিয়েছে সেদিন থেকে ইসলাম যৌনতা, আর হুর প্রাপ্তীর বিনোদনের প্লাটফর্মে রুপ নিয়েছে। অথচ ইসলাম ছিল ন্যায় প্রর্তিষ্ঠার প্রতিযোগিতার টিকে থাকার লড়াইয়ের এক অনন্য জীবন ব্যবস্থা।
এখন ইসলাম হয়ে গেছে জান্নাত আর হুর প্রাপ্তীর সূচক। আজগুবি গল্প বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন আর জান্নাত প্রাপ্তীর শর্টকাট রাস্তা। ধর্মের সাইন বোর্ডে জীবিকার কর্ম সংস্থান।
যাই কর নামাজ পড়, সর্বক্ষন মাথায় টুপি রাখ।
সালাতের উদেশ্য, লক্ষ্যকে বিকৃত করে নিল। অথচ সালাত শুধু অঙ্গচালনা নয়; বরং এটি অন্তরের বিশুদ্ধতা ও ন্যায়নিষ্ঠ।
আল্লাহর আইন নাকি বুখারীর আইন — কুরআনের আলোকে ইসলামি রাজনীতির মুখোশ।
আজকের পৃথিবীতে অনেক দল ও সংগঠন নিজেদের মুখে ঘোষণা করে — “আমরা আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”
তারা রাজনীতিতে আসে, ক্ষমতার দাবি তোলে, পতাকায় ‘কালেমা’ লিখে, জনতাকে ধর্মীয় আবেগে
আশারে মোবাশ্বারার তালিকা একটি চমকপ্রদ আষাঢ়ে গল্প। যেখানে বিল্লাল,খাদিজা,ফাতেমা কারো নাম নাই। ভুয়া মুক্তি যোদ্ধার লিস্টের মত।
ইসলামী ইতিহাস ও হাদীস সূত্র অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ সাঃ এই দশজন সাহাবীকে “আশারায় মোবাসসারার” বা দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত সাহাবী” ঘোষণা করেছিলেন। (সহীহ বুখারী,
ফরজ- সুন্নত- ওয়াজিব-নফল
কুরআনের দৃষ্টিতে সালাত একটিই। এটি আল্লাহর জন্য নির্ধারিত একক ইবাদত; এর ভেতর কোনো প্রকার শ্রেণীবিভাগ— সুন্নত, নফল, ওয়াজিব, ফরজ — কুরআনে নেই। এই শ্রেণীবিভাগ এসেছে পরবর্তী যুগের ফিকহি কাঠামো থেকে, যেখানে মানুষের ব্যাখ্যা ধীরে ধীরে আল্লাহর বিধানের বিকল্প রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আল্লাহর ৯৯ নামের তালিকা শয়তানের তৈরী
আল্লাহর ৯৯ নামের তালিকা কোথা থেকে এলো? যেখানে আল্লাহর মুল নাম “رَبّ” (রব) শব্দটি কুরআনে ৯০০ শতবার এসেছে — অথচ এ নামটি নাই তালিকায়। এটি আল্লাহর অন্যতম মূল নাম, যার অর্থ: “প্রভু”, “লালনকারী”, “সংরক্ষক”, “পরিচালক”।
আবার কিছু
রবের কুরআনের কথা বললেই হয়ে যাবেন ধর্মের জ্ঞানীদের নিকট অজ্ঞ, মূর্খ,উম্মাদ। ঐ জ্ঞানীরা যে জ্ঞানের কথা বলে তা স্রষ্টার কথার সাথে মিলে না।কবরবাসীকে যেমন কোন কিছু শুনানো যায় না,ঠিক ধর্মের মাদরাসা থেকে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও কুরআনের আয়াত দিয়ে কোন কিছু শুনানো যাবে না।
আল্লাহ কুরানে একাধিকবার বলেছেন—
আসমান সাতটি।
আমার আরশ ধারণ করে আটজন ফেরেস্তা।
আমার ফেরেস্তাগণ দুই দুই, তিন, চার পাখা বিশিষ্ট।
আমি আসমান-জমিন সৃষ্টি করেছি ছয় দিনে।
পৃথিবী সৃষ্টি করেছি দুই দিনে,
পৃথিবীর গাছপালা, জীব-জন্তু (রিজিক) সৃষ্টি করেছি দুই দিনে।
অতঃপর দুই দিনে আসমানকে
কখনো কি মনে প্রশ্ন জাগে না?
আল্লাহ কুরানে একাধিকবার বলেছেন-:
★ আসমান সাতটি।
★ আমার আরশ ধারণ করে আছে আটজন ফেরেস্তা।
★ আমার ফেরেস্তাগণ দুই দুই, তিনি তিন, চার চার পাখা বিশিষ্ট।
★ আমি আসমান জমিন সৃষ্টি করেছি ছয় দিনে।
★ পৃথিবী সৃষ্টি করেছি দুই দিনে,
নবীর সব কিছু অনুসরন করার বৈধিতা নেই।
হে নবী! আমি তোমার জন্য বৈধ করেছি — তোমার সেই স্ত্রীদের, যাদের মহর তুমি প্রদান করেছ; আর (বৈধ করেছি) তোমার ডান হাত যাদের অধিকারী হয়েছে (অর্থাৎ বন্দিনী নারীগণ), যাদের আল্লাহ তোমার জন্য অর্জিত করেছেন; আর তোমার পিতৃকুলের কন্যাগণ, তোমার পিতৃকুলের ফুফুদের
কালেমা তৈয়বা কোন বাক্যটি
তাওহীদ ও রিসালাতের স্বীকৃতি একত্রে দিতে,
কালিমা “لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ”–তে যদি বিরতি (وقف) সঠিকভাবে না দেওয়া হয়, তাহলে এর অর্থ বিকৃতি বা পরিবর্তন ঘটে যায়।
সঠিক পাঠ (বিরতি সহ) لَا إِلٰهَ إِلَّا
ইসকন ভার্সাস তৌহিদী জনতাঃ
মূর্খের দেশে ধর্মের আবেগ ছিটিয়ে দাও অজ্ঞ মানুষের হৃদয়ে — তুমি রাতারাতি ধর্মীয় নেতা হয়ে যাবে! এইভাবেই যুগে যুগে জন্ম নেয় তথাকথিত ধর্মীয় গুরুরা।
তাদের কথার মোহে অন্ধ জনতা,তাদের ছোঁয়ায় প্রজ্বলিত হয় দাঙ্গা, মতবাদ আর
প্রকৃতির বিধানই স্রষ্টার বিধান
প্রকৃতির প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রতিটি স্পন্দন—একটি অদৃশ্য ছন্দে বাঁধা। সেই ছন্দের নামই স্রষ্টার বিধান। আকাশের বিশালতা, বৃষ্টির স্নিগ্ধতা, নদীর প্রবাহ, কিংবা মৌমাছির পরিশ্রম—সব কিছুই এক মহান পরিকল্পনার অংশ। কুরআনের আয়াতগুলো এই সত্যের এক অনবদ্য রূপকাব্য; সেখানে প্রকৃতি হয়ে ওঠে স্রষ্টার কণ্ঠস্বর।
কাবা সকল মানুষের জন্য শুধু মুসলমানের নয়
নিশ্চয়ই যারা অবিশ্বাস করে, আল্লাহর পথে ও পবিত্র মসজিদুল হারামে যেতে মানুষকে বাধা দেয়—যাকে আমি তথায় বসবাসকারী ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্য সমঅধিকার করেছি। আর যে এতে অন্যায়ভাবে বিকৃতি আনার চেষ্টা করে, আমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করাবো।
__ الَّذِينَ جَعَلُوا الْقُرْآنَ عِضِينَ
যারা কুরআনকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছে।
আপনি এ আয়াতে থেকে কি বুঝলেন আর ইবনে কাসির কি বুঝেছেন? আয়াতে কোন জটিল শব্দ আছে কি? যা বুঝতে কাসিরের স্মরনাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন?
১) الَّذِينَ – (আল্লাযীনা) = যাহারা ২) جَعَلُوا – (জা‘লূ)
রবের বাণী থেকে বিচ্যুত মানুষ আজকের দিনে অধিকাংশ মানুষ মোল্লার কথায় অন্ধ বিশ্বাস রাখে,কিন্তু যখন আল্লাহর কালাম তুলে ধরা হয়, তখন মুখ ফিরিয়ে নেয়। চৌদ্দশ বছর ধরে চলছে এই লড়াই— আল্লাহর প্রকৃত রসূলের
_______ মোল্লা বনাম আল্লাহঃ
বর্তমানে অধিকাংশ লোকই মোল্লার কথা বিশ্বাস করে কিন্তু আল্লাহর কালামের কথা বললে বিশ্বাস করে না। আল্লাহর কুরআনের প্রকৃত রসূলের সাথে আরবের প্রতারক রসূলের মোকাবিলা ১৪০০ বছর থেকে চলে আসছে যার ফলে ৩ শ্রেণীর মুসলমানেরা কুরআন ছেড়ে ১০ টি হাদিসের দিকে বেটে গেছে। #রবের কুরআনের কথা বললেই
রুহ ঢুকলে প্রাণের সঞ্চার ঘটে আবার রুহ বের করে নিলে মৃত্যু ঘঠে। রুহ তাহলে কি? কোথায় তাঁর অবস্থান?
এবিষয়ে বলতে চাইলেই (১৭:৮৫) আয়াতের রেফারেন্স দার করিয়ে থামিয়ে দেয়া হয় এ বলে যে, রুহ সম্বন্ধে খুব অল্প জ্ঞান দিয়েছেন। কেন? তাহলে কোরানের ২১ টি আয়াতে
“আদমকে সিজদার আদেশ হল, কিন্তু হাওয়া কে নয়” — এর মধ্যে যে আপাত বৈষম্য দেীখা যায়, তা আসলে সৃষ্টির উদ্দেশ্য, প্রতীকী প্রতিনিধিত্ব (رمزية) এবং কালানুক্রমিক ধারার বিষয়; লিঙ্গ ভিত্তিক মর্যাদার পার্থক্য নয়।
চলুন ধাপে ধাপে কুরআনের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করি —