দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
নবী কাকে বলে এবং রাসুল কাকে বলে?
নবী কাকে বলে এবং রাসুল কাকে বলে? নিচের আয়াত গুলো থেকে শুধু জ্ঞানীরাই উত্তর খুঁজে পাবেন। হে পরওয়ারদেগার! তাদের মধ্যে থেকেই তাদের নিকট একজন পয়গম্বর প্রেরণ করুণ যিনি তাদের কাছে তোমার আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করবেন, তাদেরকে কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দিবেন। এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয় তুমিই পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা। সূরা আল
নবী ও রাসুলের মধ্যে পার্থক্য:
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্ (সালামুন আলাল মুরছালিন) ছিলেন আল্লাহর রাসূল অর্থাৎ আল্লাহর বার্তাবাহক। আল্লাহর বার্তা আছে কুরআনে। রাসূল আল্লাহর বার্তা পৌঁছানোর জন্য আদিষ্ট ছিলেন,এমনকি যার কাছে এই বানী পৌঁছাবে তার দায়িত্ব হচ্ছে কুরআনের বানী মানুষের কাছে পৌঁছানো। বর্তমানে যেসমস্ত মুমিন নারী-পুরুষ শুধু কুরআনের বানী মানুষের কাছে পৌঁছাবেন তারা প্রত্যেকেই আল্লাহর রাসূল।
নবী ও রাসুল কাকে বলে?
নাবা শব্দের অর্থ সংবাদ, নাবিয়্যীন শব্দের অর্থ সংবাদ বহনকারী। সত্য ওহী প্রাপ্ত কোনো রছূল এর আবির্ভাব ঘটার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত, কোন জাতির ধ্বংসের চুড়ান্ত ফয়াসালা হয় না, আর ঐ ফয়সালার সংবাদটাই (নাবা) বহন করে নিয়ে আসে ওহী প্রাপ্ত রাছূলের কাছে, সংবাদ বহনকারী (নাবিয়্যীন) কোন ফেরেস্তা। ফেরেস্তারা ওহী বহন করে না,
নফসের মৃত্যু হয়, রুহের না
প্রত্যেক নফসকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে।
নাফ্স কি?
একজন মানুষের স্বভাবে নির্ধারিত তিনটি উৎসের অবস্হান পরিচয়কে নাফ্স বলে।
১ নাফসে আম্মারা – > এর বৈশিষ্ট্য হলো মানুষকে মন্দ কাজে টানিয়া নামায়, যা সীমালঙ্ঘন, সকল কাজ,জ্ঞান, রাগ পশুর মতো প্রদর্শন করে। সুরা
ধারাবাহিকতায় ইসলামের পথ
ভুমিকাঃ– ধর্মীয় বিষয়ে মানুষ জন্মগত ভাবে যে বিষয়টি সত্য জেনে আসছে তা অন্য কেউ মিথ্যা বললে সহজে মেনে নিতে পারে না। মানুষ ধর্মীয় বিষয়ে তার জানা গুলো ডাহা মিথ্যা হলেও তার জানা গুলোকেই একমাত্র সত্য মনে করে এবং বাকি সব মিথ্যা মনে করে। একজন ব্যক্তি যখন হঠাৎ জানতে পারে তার
ধর্মে কপি পেস্ট
………….. সনাতন ধর্মের রাসলীলা
কার্তিক মাসের পুর্ণিমা তিথীতে গোপিনীবৃন্দ আপনাপন কর্তব্যকর্ম সংসার জগত সকল মোহ পরিত্যাগ করে বৃন্দাবনে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং স্রষ্টার চরণে নিজেদের সমর্পন করেছিলেন। এটা ছিল তাদের জন্য জুম্মার আহব্বান।
কি পুরুষ, কি নারী, সকলেরই হৃদয় বিহারী। তাঁর এই লীলা আত্মার সঙ্গে আত্মার বিহার।
ধর্মীয় অতি আবেগ অজ্ঞদের জন্য
ধর্মীয় বিদ্বেষনা জাগ্রত করে তুলা প্রাচীন এক রাজনৈতিক কৌশল। কোন জনপদের উপর শাসন কর্তৃত্ত করতে সে জনপদের অধিবাসীদের উপর ধর্মের আবেগ ছড়িয়ে দেয়া প্রাচীন রুমানীয় শাসকদের একটি কৌশল। যা আজো চলমান। আর এর প্রভাব এশিয়া মহাদেশেই প্রকট। শুধু অজ্ঞরাই না অনেক জ্ঞানী সুধীও এর
ধর্ম পেশাজীবিদের প্রতি কঠোর নির্দেশঃ
ধর্মের কাজে টাকা নেয়া হারাম দুনিয়াতেই দ্বীনের কাজের বিনিময় গ্রহনকারী আলেম, তাদের জন্য পরকালে কোন নেকই অবশিষ্ট থাকবেনা বিধায় তারা জাহান্নামী হবে। দেখুন– [সূরা শূরা- আয়াত-২০, ১৮০, সূরা সাবা-আয়াত ৪৭, সূরা আনআম-আয়াত ৯০, ইমরান- আয়াত ১৪৫ সূরা ইয়াসিন-আয়াত ২১, সূরা-ছোয়াদ-আয়াত-৮৬, সূরা হুদ- আয়াত ১৫, সূরা ইউসুফ-আয়াত ১০৪, সূরা ফুরকান-আয়াত ৫৭
ধর্ম থেকে নৈতিকতা পৃথক হয়ে গেছে
ধর্ম থেকে নৈতিকতা পৃথক হয়ে গেছে; কিন্তু আচার-অনুষ্ঠান ধর্মের সঙ্গে যুক্ত আছে। ধর্ম শিক্ষার সিলেবাসে সততা, সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততা ও বিনত হওয়ার শিক্ষা নাই কিন্তু আচার-অনুষ্ঠান পালন এবং শাস্ত্র মুখস্থ করার শিক্ষা আছে। শাস্ত্র ও শাস্ত্রজ্ঞরা শিখিয়েছেন- “তারাই ধার্মিক- যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস করে, শাস্ত্র সম্মত আচার-অনুষ্ঠান পালন করে, স্বর্গ-নরক, দেবদূত, অবতার
ধর্ম কি? কেন মানুষ ধর্ম খুঁজে?
ধর্ম নিয়ে পুরো গল্পটা কোন মানুষেরই জানা নাই। মানুষ চেতনাগত ভাবে যে দুই মহা-অজ্ঞতার (মানে জন্ম পূর্ব এবং মৃত্যু পরবর্তী) মাঝে নিজেকে এই জগতে পায়, সেই দুই মহাঅজ্ঞতা হতেই সকল ধর্ম ও জীবন দর্শনের উৎপত্তি। ফার্সি ভাষায় লিখিত কোন এক কবির এমন কয়েকটা লাইন আছে কবিতার, যার মর্মার্থ এমন: জীবন
ধর্ম ও রাষ্ট্রঃ
ধর্ম এবং রাজনীতি হলো কোন রাষ্ট্রের প্রধান দু’টি দর্শনগত অবকাঠামো, যার উপর নির্ভর করে কল্যাণ রাষ্ট্র এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রর ভিত্তি তৈরী হয়।
ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল বিষয় হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত হয় স্রষ্টার ইচ্ছার কাছে নিজের ইচ্ছা
ধর্ম vs রাজনীতি
ধর্ম আর রাজনীতি রেল লাইনের মতই সমান্তরাল। দুটোতেই অবুঝ মানুষকে উপরে উঠার সিড়ি হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। দ্বীন আর ধর্মের মধ্যে পার্থক্যটা যারা বুঝে…..
দ্বীনের ক্ষেত্রে পীর পন্থীরা শেরেকে গণ্য
❤দ্বীনের ক্ষেত্রে তিন পন্থীরা বা তিন পন্থী পীরপন্থীরা শেরেকে গণ্য❤ এখানে উল্লেখ্য যে, আল্লাহ বলেন, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের আনুগত্য কর এবং উলিল আমরগণের আনুগত্য কর (নেসা, ৫৯ আয়াত)। এই আয়াতের মধ্যে দুই ধরনের আনুগত্যের কথা বলা হয়েছে। (১) একটি হচ্ছে দ্বীনের ক্ষেত্রে আনুগত্য করা, (২) অপরটি হচ্ছে দুনিয়াবী
দ্বীন ও ধর্মের মধ্যে পার্থক্যঃ
দ্বীন ও ধর্মের মধ্যে পার্থক্যঃ ইসলাম কোন ধর্ম নয়,ইসলাম আল্লাহর মনোনীত দ্বীন। দ্বীন ও ধর্ম শব্দ এক নয়। মানুষের ক্ষেত্রে দ্বীন শব্দ ব্যবহার হয় । জড় পদার্থের ক্ষেত্রে ধর্ম শব্দ ব্যবহার হয়। ফলে ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আছে। তাই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে আছে প্রধান ধর্ম ৫টি ধর্ম। ইসলাম ধর্ম খ্রিস্টান ধর্ম
দ্বীন VS ধর্মঃ
………………….. দ্বীন ও ধর্মঃ~ ধর্ম হলো অজ্ঞদের জন্য শান্তনার এক আশ্রয় স্থল। যা পরিচালিত হয় অন্যের দ্বারা। দ্বীন হলো জ্ঞানীদের জন্য নির্দেশনা মেনে চলা, যা পরিচালিত হয় কোরান ও সুন্নার নির্দেশনা দ্বারা। ধর্ম আচার-অনুষ্ঠানকে প্রাধান্য দেয়। দ্বীন নীতি-নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেয়। ধর্মের লোক সংখ্যা বেশী। পৃথিবীতে বর্তমানে ধর্ম ৪৩০০ টি চালু
দীর্ঘদিন হলেও কোরআন কেন বুঝে না
হিন্দি ফিল্ম দেখে দেখে বাঙালি হিন্দি বলতে ও বুঝতে সক্ষম হলেও…. দীর্ঘ দিন কুরআন পড়ে এবং শুনেও কুরআনের ভাষা রপ্ত করতে বা বুঝতে সক্ষম হয়নি … তার কারন একটাই…. কোরান তেলোয়াত করে শুধু সোয়াব প্রাপ্তীর লালসা আর নামাজ একমাত্র মুক্তির সনদ
দীর্ঘ সময়ের মিথ্যে
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে গেলে এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হলে, তবে সেই মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সেই প্রাচীর টপকিয়ে আর বের হয়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার সামনে
দীর্ঘ দিনের লালিত রেওয়াজ
দীর্ঘদিন কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে গেলে এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হলে, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন করা
ফরজ – সুন্নত – নফল
ফরজ – সুন্নত – নফল
আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, একটা প্রজন্ম সালাতকে নষ্ট করবে তাই অনেক নবী সালাতে কায়েম থাকার প্রার্থণা জানিয়েছেন। আমরাই সেই প্রজন্ম যারা সালাতকে রাকাত, সময়, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত বা দিন ভিত্তিক ভাগ করে ফেলেছি। আল্লাহর আদেশ জানার মাধ্যম
