যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহ্র স্মরণে বিমুখ হয় আমি তাহার জন্য নিয়োজিত করি এক শয়তান, অতঃপর সে-ই হয় তাহার সহচর। (৪৩:৩৬)
শয়তানেরাই মানুষকে সৎপথ হইতে বিরত রাখে, অথচ মানুষ মনে করে তাহারা সৎপথে পরিচালিত হইতেছে। (৪৩: ৩৭)
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহ্র স্মরণে বিমুখ হয় আমি তাহার জন্য নিয়োজিত করি এক শয়তান, অতঃপর সে-ই হয় তাহার সহচর। (৪৩:৩৬)
শয়তানেরাই মানুষকে সৎপথ হইতে বিরত রাখে, অথচ মানুষ মনে করে তাহারা সৎপথে পরিচালিত হইতেছে। (৪৩: ৩৭)
অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত। (ইয়াসিনঃ২১)
এর পর সুরা ইমরানে আল্লাহ বলেনঃ আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো
তাফসীর গ্রন্থঃ গত হাজার বছরে ইসলামের ইতিহাসের নামে অসংখ্য বই লেখা হয়েছে। ঈমাম তাবারি সর্বপ্রথম এইরকম ইসলামের ইতিহাস লিখেছিলেন উচ্চপ্রশংসিত রসূল ও নবী মুহম্মদের মৃত্যুর ২৮০ বছর পরে জনশ্রুতি এবং গুজবের উপরে ভিত্তি করে। তার পরবর্তী সকল ঐতিহাসিকগণ তাকে অন্ধভাবে অনুসরন ও পুনরাবৃত্তি করেছেন কোনরকম বাছ বিচার ছাড়াই। শিক্ষীত মুসলমানদের
ইসলাম ধর্মকে মোল্লাতন্রের মন্ত্ররে দুই ভাগে ভাগ করেছে। একটা আল্লাহর হুকুম আর একটা রাসুলের হুকুৃম। কিন্তু মোল্লারা তাদের ব্যবসায় উন্নত ও সফলতার জন্য আল্লাহকে বাদ দিয়ে রাসুলকে উপাস্য হিসেবে গ্রহন তার নামে হাদিস বানিয়ে নতুন বিধিবিধান তৈরি করে মুসলমানদের মাঝে সাপ্লাই দিয়েছে। ফলে আল্লাহর বিধান কুরআন চাপা বা ঢাকা পড়ে
” হে কিতাবীগণ! ইব্রাহীম সম্বন্ধে কেন তোমরা তর্ক কর, অথচ তাওরাত ও ইন্জীল তো তাহার পরেই অবতীর্ণ হইয়াছিল ? তোমরা কি বুঝ না ? ( ৩ঃ ৬৫) (আমরা জানি তাওরাত মুসা আঃ এবং ইঞ্জিল ঈসা আঃ এর উপর প্রথম নাযিল হয়েছিল। কিন্তু কোরান স্বাক্ষী দেয় ইতিপুর্বে ইব্রাহীম আঃ এর উপরও
তওবা কবুল হওয়ার শর্তঃ আল্লাহ্ অবশ্যই সেইসব লোকের তওবা কবূল করিবেন যাহারা ভুল বশত মন্দ কাজ করে এবং সত্বর তওবা করে, ইহারাই তাহারা, যাহাদের তওবা আল্লাহ্ কবূল করেন। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।(সূরা নম্বরঃ ৪,আয়াতঃ ১৭) তওবা তাহাদের জন্য নহে যাহারা আজীবন মন্দ কাজ করে, অবশেষে তাহাদের কাহারও মৃত্যু উপস্থিত
আমরা মনে করি কোরআনের আয়াত নিয়ে আমাদের আলেম সমাজে তর্ক বিতর্ক। কিন্তু না। নবী মুহাম্মদ জীবিত থাকা কালিন সময়েও তর্ক বিতর্ক হয়েছে এবং সাহাবাদের মধ্যেও বিভিন্য দল তৈরী হয়েছিলো। একেক জনের কাছে একেক ভাবে প্রকাশিত হয়। অনেক পথ, অনেক মত। কোনটা সঠিক একমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভাল জানেন। আমরা
১] তোমাদের কিছু লোক নিরক্ষর। তারা মিথ্যা আকাঙ্খা ছাড়া আল্লাহর গ্রন্থের কিছুই জানে না। তাদের কাছে কল্পনা ছাড়া কিছুই নেই। ২ঃ৭৮ ২] তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কার ও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না
তাহাদের মধ্যে এমন কিছু নিরক্ষর লোক আছে যাহাদের মিথ্যা আশা ব্যতীত কিতাব সম্বন্ধে কোন জ্ঞান নাই, তাহারা শুধু অমূলক ধারণা পোষণ করে।(২ঃ৭৮)
এরা বিচার দিবসে বলবে……
আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
فَاَغْوَيْنٰكُمْ اِنَّا كُنَّا غٰوِيْنَ ( ৩৭ঃ৩২)
বরং এ আয়াতটি র
১) হে মু’মিনগণ! জুমু’আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহ্র স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ কর, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা উপলব্ধি কর।(৬২ঃ৯) يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا نُوْدِىَ لِلصَّلٰوةِ مِنْ يَّوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا اِلٰى ذِكْرِ اللّٰهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ؕ ذٰ لِكُمْ خَيْرٌ
জীবন যেন এমন একটা বইয়ের মাঝ খানের কয়েকটা পৃষ্ঠা, যে বইয়ের প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠা গুলো হারিয়ে গেছে, আর মানুষ আত্ম চেতনায় উন্নীত হওয়ার পর হতে সেই পৃষ্ঠাগুলোই যেন খুঁজে বেড়াচ্ছে।
জীবন নামক বইয়ের হারিয়ে যাওয়া প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠা
কোরানের সাথে সংযোগ না থাকলে বেশীর ভাগ আলেমদের ওয়াজ শুনে মানুষ পথভ্রষ্ট হবে। কারন তারা প্রচার করে জাহান্নীদেরকেও একসময় শাস্তি দেয়ার পর জান্নাতে নিবে। ফলে মানুষ এ আশ্বাস পেয়ে অপরাধ কুফরী করার মত কাজ হতে বিরত থাকছে না। অথচ আল্লাহর ঘোষনা কি? দেখুন, আর হুজুর বলে কি? 1) যাহারা

হামিদুর রহমান বড় মিয়ার—– জমি যেভাবে খাস হলোঃ সংগ্রহে : এ,কে,এম,একরামুল হক যে জমিগুলো সাধারণত সরাসরি সরকারের মালিকানাধীন থাকে সেগুলো খাস জমি হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ যে জমিগুলো কালেক্টরের নামে রেকর্ড থাকে সেগুলোই খাস জমি। জেলা প্রশাসক বা ডিসি যখন
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন
নবী কাকে বলে এবং রাসুল কাকে বলে? নিচের আয়াত গুলো থেকে শুধু জ্ঞানীরাই উত্তর খুঁজে পাবেন। হে পরওয়ারদেগার! তাদের মধ্যে থেকেই তাদের নিকট একজন পয়গম্বর প্রেরণ করুণ যিনি তাদের কাছে তোমার আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করবেন, তাদেরকে কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দিবেন। এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয় তুমিই পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা। সূরা আল
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্ (সালামুন আলাল মুরছালিন) ছিলেন আল্লাহর রাসূল অর্থাৎ আল্লাহর বার্তাবাহক। আল্লাহর বার্তা আছে কুরআনে। রাসূল আল্লাহর বার্তা পৌঁছানোর জন্য আদিষ্ট ছিলেন,এমনকি যার কাছে এই বানী পৌঁছাবে তার দায়িত্ব হচ্ছে কুরআনের বানী মানুষের কাছে পৌঁছানো। বর্তমানে যেসমস্ত মুমিন নারী-পুরুষ শুধু কুরআনের বানী মানুষের কাছে পৌঁছাবেন তারা প্রত্যেকেই আল্লাহর রাসূল।
নাবা শব্দের অর্থ সংবাদ, নাবিয়্যীন শব্দের অর্থ সংবাদ বহনকারী। সত্য ওহী প্রাপ্ত কোনো রছূল এর আবির্ভাব ঘটার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত, কোন জাতির ধ্বংসের চুড়ান্ত ফয়াসালা হয় না, আর ঐ ফয়সালার সংবাদটাই (নাবা) বহন করে নিয়ে আসে ওহী প্রাপ্ত রাছূলের কাছে, সংবাদ বহনকারী (নাবিয়্যীন) কোন ফেরেস্তা। ফেরেস্তারা ওহী বহন করে না,
প্রত্যেক নফসকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে।
নাফ্স কি?
একজন মানুষের স্বভাবে নির্ধারিত তিনটি উৎসের অবস্হান পরিচয়কে নাফ্স বলে।
১ নাফসে আম্মারা – > এর বৈশিষ্ট্য হলো মানুষকে মন্দ কাজে টানিয়া নামায়, যা সীমালঙ্ঘন, সকল কাজ,জ্ঞান, রাগ পশুর মতো প্রদর্শন করে। সুরা
ভুমিকাঃ– ধর্মীয় বিষয়ে মানুষ জন্মগত ভাবে যে বিষয়টি সত্য জেনে আসছে তা অন্য কেউ মিথ্যা বললে সহজে মেনে নিতে পারে না। মানুষ ধর্মীয় বিষয়ে তার জানা গুলো ডাহা মিথ্যা হলেও তার জানা গুলোকেই একমাত্র সত্য মনে করে এবং বাকি সব মিথ্যা মনে করে। একজন ব্যক্তি যখন হঠাৎ জানতে পারে তার
………….. সনাতন ধর্মের রাসলীলা
কার্তিক মাসের পুর্ণিমা তিথীতে গোপিনীবৃন্দ আপনাপন কর্তব্যকর্ম সংসার জগত সকল মোহ পরিত্যাগ করে বৃন্দাবনে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং স্রষ্টার চরণে নিজেদের সমর্পন করেছিলেন। এটা ছিল তাদের জন্য জুম্মার আহব্বান।
কি পুরুষ, কি নারী, সকলেরই হৃদয় বিহারী। তাঁর এই লীলা আত্মার সঙ্গে আত্মার বিহার।