কবর আযাব, কোরান কি বলে ? লাকি রংপুর ০২ কবর আযাব একটি মিথ্যে ভয় দেখান অজ্ঞ আলেমগন। ১) যেদিন কিয়ামত হইবে সেদিন অপরাধীরা শপথ করিয়া বলিবে যে, তাহারা মুহূর্তকালের বেশি অবস্থান করে নাই। এইভাবেই তাহারা সত্যভ্রষ্ট হইত। ( ৩০ঃ৫৫) ২) কিন্তু যাহাদেরকে জ্ঞান ও ঈমান দেওয়া হইয়াছে তাহারা বলিবে, ‘তোমরা
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
কোরানের বিমুখ করার চেষ্টা:
আমরা তো দূরে থাক ! স্বয়ং রাসুলকেও কোরান হতে দুরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে শয়তানের অনুসারীরা। আল্লাহ্ ওহীর মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন কিভাবে রাসুল কে কুরআন থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল আমি তোমার প্রতি যা প্রত্যাদেশ করেছি তা হতে উহার পদস্খলন ঘটাবার চেষ্টা প্রায় চূড়ান্ত করেছিল যাতে তুমি আমার
কোরানে সালাতের আয়াত সমুহঃ
পবিত্র কুরআনের আয়াতের আলোকে আনুষ্ঠানিক নামাজ/সালাত কায়েম। ★★★ সালাত সম্পর্কেঃ (1)সূরাঃ আল-বাকারা [2:43] আর নামায/সালাত কায়েম কর, যাকাত দান কর এবং নামাযে অবনত/রুকুকারীদের সাথে অবনত/ রুকু করো। (★★★)সরল অর্থঃ সালাত/নামাজ কায়েম করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো এই ঘোষনাই যথেষ্ঠ। রুকুকারীদের সাথে রুকু করো এই ঘোষনাই প্রমান করে সালাত/নামাজ, যাকাতসহ
কোরানই উত্তম হাদীস আল্লাহ বলেনঃ
কুরআনই হাদিসঃ তুমি কি মানুষকে দেখ না? যাদেরকে আল কিতাবের অংশ দেয়া হয়েছে-যা তাদেরকে আল্লাহর কেতাবটির দিকে আহ্বান জানাচ্ছে-যেন তাদের মধ্যে মীমাংসা করা যায়। কিন্তু তাদের একদল অমান্য করে সবাই তারা অন্য কেতাবের (মিথ্যা হাদিস ও ফেকাহর) দিকে চলে যায়। (৩ঃ২৩) মানুষের মধ্যে একদল মানুষ আলকেতাব সম্পর্কে এমনভাবে কথাবলে, যেন
কোরান হতে সালাতের ওয়াক্ত
কোরান সুস্পষ্ট দলীল
এই কুরআন মানবজাতির জন্য সুস্পষ্ট দলীল এবং নিশ্চিত বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য পথ নির্দেশ ও রহমত। ( ৪৫ঃ ২০)
هٰذَا بَصَاٮِٕرُ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لِّقَوْمٍ يُّوْقِنُوْن
হাযা বাশিঈরুল লিননাসে — এই কোরান মানুষের সুস্পষ্ট দলীল
ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুললি
কোরান রাসুলের বানী
إِنَّهُ لَقَولُ رَسولٍ كَريمٍ ইন্নাহ লা কাওলু রাসুলুন কারীম নিশ্চয়ই এই কুরআন এক সম্মানিত রাসূলের বহনকৃত বার্তা। اِنَّهٗ لَقَوْلُ رَسُوْلٍ كَرِيْمٍۚ ۙ সূরা নম্বরঃ ৬৯, আয়াত নম্বরঃ ৪০ যাহারা আল্লাহ্কে অস্বীকার করে ও তাঁহার রাসূলদেরকেও এবং আল্লাহ্ ও তাঁহার রাসূলের মধ্যে ঈমানের ব্যাপারে তারতম্য করিতে চায় এবং বলে, ‘আমরা কতককে
কোরান বুঝার দায়িত্ত আল্লাহর হাতেইঃ
আল্লাহ কোরান নাজিল করে যেমন একে হেফাজতের দায়িত্ব নিয়েছেন—তেমনি কোরানকে বুঝাও তিনিই সহজ করে দিয়েছেন। কোরানকে আরবী নাহু-ছরফের সাহায্যে বুঝতে গেলে শিক্ষিত লোক ছাড়া বুঝতে পারবে না। তাই মহান আল্লাহ যিনি আলিমুল হাকিম —- তিনি কোরানের মেছাল, আমাদের পারিপার্শ্বিক অগনিত আয়াত-নিদর্শন দিয়ে কোরান বুঝার ব্যবস্থা করেছেন। খলিফা ওমর (রাঃ) এ
কোরান বিমুখ কে?
যখন আপনি কুরআন পাঠ করেন, তখন আমরা আপনার এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তাদের মধ্যে একটি অদৃশ্য বাধা স্থাপন করি এবং আমরা তাদের হৃদয়ের উপর আবরণ বেঁধে দিই, যা তাদেরকে এটি বুঝতে বাধা দেয়। এবং তাদের কর্ণকুহরে বোঝা চাপিয়ে দেই এবং যখন আপনি কুরআনে আপনার পালনকর্তার একত্ব স্মরণ করেন,
কোরান প্রথম কখন কার উপর নাযিল
আদম আঃ এর উপর প্রথম কোরানের নির্দেশ নাযিল হয়েছিলঃ ➡️ ‘যখন আমার পক্ষ হতে তোমাদের নিকট সৎপথের কোন নির্দেশ আসবে তখন যারা আমার সৎপথের নির্দেশ অনুসরণ করবে তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না (২:৩৮)। ➡️ ‘হে বনী আদম! যদি তোমাদের মধ্য হতে কোন রাসূল তোমাদের নিকট এসে
কোরান পাঠ একমাত্র মুক্তি শিরক থেকে বাঁচতে হলে একমাত্র কোরআন ব্যতীত দ্বীনের ব্যাপারে নিশ্চয় আর কনো কিতাব গৃহীত হবে না । কোনো নবী-রসুল আর তাঁর সঙ্গী সাথীগণ, কখনই তা গ্রহণ করেন নাই । আর এটাই হলো মুসলিম বনাম মুশরিকদের মাঝে শত্রুতা-দ্বন্দের চীরচারিত প্রধান বিষয় । আর আজও ঠিক তাই হচ্ছে,
‘কুরআন বুঝে পড়ার কঠিন তাগিদ’ ➡️ “তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দিবে এবং নিজেদের কথা ভুলে যাবে, অথচ তোমরা কিতাব পাঠ কর, তবে কি তোমরা বুঝ না?” (QS. Al-Baqarah 2: Verse 44) ➡️ আল্লাহ্ ইচ্ছা করেন তোমাদের নিকট বিশদ ভাবে বিবৃত করিতে, তোমাদের পূর্ববর্তীদের রীতিনীতি তোমাদেরকে অবহিত করিতে এবং তোমাদের
কোরান থেকে বিক্ষিপ্ত আলোচনা
তাহাদের মধ্যে এমন কিছু নিরক্ষর লোক আছে যাহাদের মিথ্যা আশা ব্যতীত কিতাব সম্বন্ধে কোন জ্ঞান নাই, তাহারা শুধু অমূলক ধারণা পোষণ করে।(২ঃ৭৮)
এরা বিচার দিবসে বলবে……
আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
فَاَغْوَيْنٰكُمْ اِنَّا كُنَّا غٰوِيْنَ ( ৩৭ঃ৩২)
বরং এ আয়াতটি র
কোরান থেকে ইসলাম
ভুমিকাঃ– ধর্মীয় বিষয়ে মানুষ জন্মগত ভাবে যে বিষয়টি সত্য জেনে আসছে তা অন্য কেউ মিথ্যা বললে সহজে মেনে নিতে পারে না। মানুষ ধর্মীয় বিষয়ে তার জানা গুলো ডাহা মিথ্যা হলেও সেগুলোকেই একমাত্র সত্য মনে করে এবং বাকি সব মিথ্যা মনে করে। একজন ব্যক্তি যখন হঠাৎ জানতে পারে তার ধর্মীয়
দীনি আলোচনায় কিছু প্রশ্নঃ
সালামুন আলাইকা, মুহতারম তারেক হুমায়ুন পলাশ। বাদ আরজ দ্বীনের জরুরী এবং ফরজ বিষয়ক কিছু আপনার নিকট হতে জানার আগ্রহ, যা দ্বারা নিজেকে ঈমানদার হিসেব শুধরিয়ে নেয়ার প্রয়জোনীয়তা উপলব্ধি করছি। আশা করি উত্তরের মাধ্যমে সহযোগিতা প্রদান করবেন, যার প্রতিদান আল্লাহ দিবেন। আমার সোয়াল সমুহের জবাব ক্রমিক অনুযায়ী ধারাবাহিক ও সংক্ষিপ্ত আকারে
দিন গুলো মোর
” দিন গুলো মোর “...
দিন ছেড়ে দেয় সাঁঝ আটকায় ছোট্ট বিকেল বেলা, মরে যায় মন “দিন গুলো মোর”
ইসলামি শরিয়তে দাড়ি রাখা কি বাধ্যতা মূলক??
দাড়ি রাখা, না রাখা নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক মতো পার্থক্য আছে। কেউ বলছেন দাড়ি রাখা সুন্নাত, কেউ বলছেন ওয়াজিব আবার কেউ বলছেন দাড়ি রাখা একটা ঐচ্ছিক বিষয়। তবে প্রায় ১০০% মাদ্রাসা পড়ুয়া লোকজন মনে করে দাড়ি রাখা ইসলামি শরিয়তের
থাকব না আমি
…… থাকব না শুধু আমি
একটা সময়ে এসে ভাবতে শিখেছি আপন জনের জন্য কিছু করতে না পারলে, কিসের জিন্দেগী!! আমার বলে কিছু নেই, থাকবেও না সব সাময়িক ভাবে আমাকে ভোগ করার সুযোগ দিয়েছে প্রতিপালক। সব কিছু ঠিকঠাক রয়ে যাবে “থাকব না আমি”
তোমার আমার ঈমানের পার্থক্য কি
আমি বিশ্বাস করি কোরআনের সকল নির্দেশনা। পার্থক্য তোমার সাথে এতটকু যে……
তোমার আল্লাহ নির্দিষ্ট একটি ঘরে আসন পেতে শাসন পরিচালনা করে, তুমি সেথায় লাব্বাইক বলে উপস্থিতি জানিয়ে নিবেদন কর —–
আর আমার আল্লাহর আসন গোটা আলমের সর্বত্র নির্দিষ্ট কোন ঘরে নয়।
২ঃ১১৫ দৃষ্টিতে তোমার ঈমানের সাথে আমার ঈমানের পার্থক্য এটুকুই।
“হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ,(৪ঃ৪৩)
يٰأَيُّهَا الَّذينَ ءامَنوا لا تَقرَبُوا الصَّلوٰةَ وَأَنتُم سُكٰرىٰ حَتّىٰ تَعلَموا ما تَقولونَ
ইয়া আইয়ূহাল্লাযিনা আমানু লা তাক্বরাবুউ স সালাওয়াতা
