ধর্মীয় বিদ্বেষনা জাগ্রত করে তুলা প্রাচীন এক রাজনৈতিক কৌশল। কোন জনপদের উপর শাসন কর্তৃত্ত করতে সে জনপদের অধিবাসীদের উপর ধর্মের আবেগ ছড়িয়ে দেয়া প্রাচীন রুমানীয় শাসকদের একটি কৌশল। যা আজো চলমান। আর এর প্রভাব এশিয়া মহাদেশেই প্রকট। শুধু অজ্ঞরাই না অনেক জ্ঞানী সুধীও এর
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
ধর্ম পেশাজীবিদের প্রতি কঠোর নির্দেশঃ
ধর্মের কাজে টাকা নেয়া হারাম দুনিয়াতেই দ্বীনের কাজের বিনিময় গ্রহনকারী আলেম, তাদের জন্য পরকালে কোন নেকই অবশিষ্ট থাকবেনা বিধায় তারা জাহান্নামী হবে। দেখুন– [সূরা শূরা- আয়াত-২০, ১৮০, সূরা সাবা-আয়াত ৪৭, সূরা আনআম-আয়াত ৯০, ইমরান- আয়াত ১৪৫ সূরা ইয়াসিন-আয়াত ২১, সূরা-ছোয়াদ-আয়াত-৮৬, সূরা হুদ- আয়াত ১৫, সূরা ইউসুফ-আয়াত ১০৪, সূরা ফুরকান-আয়াত ৫৭
ধর্ম থেকে নৈতিকতা পৃথক হয়ে গেছে
ধর্ম থেকে নৈতিকতা পৃথক হয়ে গেছে; কিন্তু আচার-অনুষ্ঠান ধর্মের সঙ্গে যুক্ত আছে। ধর্ম শিক্ষার সিলেবাসে সততা, সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততা ও বিনত হওয়ার শিক্ষা নাই কিন্তু আচার-অনুষ্ঠান পালন এবং শাস্ত্র মুখস্থ করার শিক্ষা আছে। শাস্ত্র ও শাস্ত্রজ্ঞরা শিখিয়েছেন- “তারাই ধার্মিক- যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস করে, শাস্ত্র সম্মত আচার-অনুষ্ঠান পালন করে, স্বর্গ-নরক, দেবদূত, অবতার
ধর্ম কি? কেন মানুষ ধর্ম খুঁজে?
ধর্ম নিয়ে পুরো গল্পটা কোন মানুষেরই জানা নাই। মানুষ চেতনাগত ভাবে যে দুই মহা-অজ্ঞতার (মানে জন্ম পূর্ব এবং মৃত্যু পরবর্তী) মাঝে নিজেকে এই জগতে পায়, সেই দুই মহাঅজ্ঞতা হতেই সকল ধর্ম ও জীবন দর্শনের উৎপত্তি। ফার্সি ভাষায় লিখিত কোন এক কবির এমন কয়েকটা লাইন আছে কবিতার, যার মর্মার্থ এমন: জীবন
ধর্ম ও রাষ্ট্রঃ
ধর্ম এবং রাজনীতি হলো কোন রাষ্ট্রের প্রধান দু’টি দর্শনগত অবকাঠামো, যার উপর নির্ভর করে কল্যাণ রাষ্ট্র এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রর ভিত্তি তৈরী হয়।
ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল বিষয় হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত হয় স্রষ্টার ইচ্ছার কাছে নিজের ইচ্ছা
ধর্ম vs রাজনীতি
ধর্ম আর রাজনীতি রেল লাইনের মতই সমান্তরাল। দুটোতেই অবুঝ মানুষকে উপরে উঠার সিড়ি হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। দ্বীন আর ধর্মের মধ্যে পার্থক্যটা যারা বুঝে…..
দ্বীনের ক্ষেত্রে পীর পন্থীরা শেরেকে গণ্য
❤দ্বীনের ক্ষেত্রে তিন পন্থীরা বা তিন পন্থী পীরপন্থীরা শেরেকে গণ্য❤ এখানে উল্লেখ্য যে, আল্লাহ বলেন, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের আনুগত্য কর এবং উলিল আমরগণের আনুগত্য কর (নেসা, ৫৯ আয়াত)। এই আয়াতের মধ্যে দুই ধরনের আনুগত্যের কথা বলা হয়েছে। (১) একটি হচ্ছে দ্বীনের ক্ষেত্রে আনুগত্য করা, (২) অপরটি হচ্ছে দুনিয়াবী
দ্বীন ও ধর্মের মধ্যে পার্থক্যঃ
দ্বীন ও ধর্মের মধ্যে পার্থক্যঃ ইসলাম কোন ধর্ম নয়,ইসলাম আল্লাহর মনোনীত দ্বীন। দ্বীন ও ধর্ম শব্দ এক নয়। মানুষের ক্ষেত্রে দ্বীন শব্দ ব্যবহার হয় । জড় পদার্থের ক্ষেত্রে ধর্ম শব্দ ব্যবহার হয়। ফলে ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আছে। তাই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে আছে প্রধান ধর্ম ৫টি ধর্ম। ইসলাম ধর্ম খ্রিস্টান ধর্ম
দ্বীন VS ধর্মঃ
………………….. দ্বীন ও ধর্মঃ~ ধর্ম হলো অজ্ঞদের জন্য শান্তনার এক আশ্রয় স্থল। যা পরিচালিত হয় অন্যের দ্বারা। দ্বীন হলো জ্ঞানীদের জন্য নির্দেশনা মেনে চলা, যা পরিচালিত হয় কোরান ও সুন্নার নির্দেশনা দ্বারা। ধর্ম আচার-অনুষ্ঠানকে প্রাধান্য দেয়। দ্বীন নীতি-নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেয়। ধর্মের লোক সংখ্যা বেশী। পৃথিবীতে বর্তমানে ধর্ম ৪৩০০ টি চালু
দীর্ঘদিন হলেও কোরআন কেন বুঝে না
হিন্দি ফিল্ম দেখে দেখে বাঙালি হিন্দি বলতে ও বুঝতে সক্ষম হলেও…. দীর্ঘ দিন কুরআন পড়ে এবং শুনেও কুরআনের ভাষা রপ্ত করতে বা বুঝতে সক্ষম হয়নি … তার কারন একটাই…. কোরান তেলোয়াত করে শুধু সোয়াব প্রাপ্তীর লালসা আর নামাজ একমাত্র মুক্তির সনদ
দীর্ঘ সময়ের মিথ্যে
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে গেলে এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হলে, তবে সেই মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সেই প্রাচীর টপকিয়ে আর বের হয়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার সামনে
দীর্ঘ দিনের লালিত রেওয়াজ
দীর্ঘদিন কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে গেলে এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হলে, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন করা
ফরজ – সুন্নত – নফল
ফরজ – সুন্নত – নফল
আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, একটা প্রজন্ম সালাতকে নষ্ট করবে তাই অনেক নবী সালাতে কায়েম থাকার প্রার্থণা জানিয়েছেন। আমরাই সেই প্রজন্ম যারা সালাতকে রাকাত, সময়, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত বা দিন ভিত্তিক ভাগ করে ফেলেছি। আল্লাহর আদেশ জানার মাধ্যম
প্রার্থণাঃ
মানুষ প্রার্থনা করে আল্লাহ যা নির্ধারন করে রেখেছেন তা নিজের মত করে পরিবর্তন করার জন্য ।
✅ প্রকৃত আল্লাহর কাছে কিছু চাইতে নাই, বরং নিজের সবকিছু লুটাতে হয়।
আল্লাহ কাউকে কিছু দেয়না, বরং আল্লাহ সবকিছু
প্রশাসনিক ব্যক্তিদের আনুগত্য করা ফরজ
দুনিয়াবী ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের আনুগত্য করা ফরজ এখানে উল্লেখ্য যে, আল্লাহ বলেন, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের আনুগত্য কর এবং উলিল আমরগণের আনুগত্য কর (নেসা, ৫৯ আয়াত)। এই আয়াতের মধ্যে দুই ধরনের আনুগত্যের কথা বলা হয়েছে। (১) একটি হচ্ছে দ্বীনের ক্ষেত্রে আনুগত্য করা, (২) অপরটি হচ্ছে দুনিয়াবী
প্রচলিত হাদীস:
প্রচলিত হাদিস, না মানিলে সে কাফের?
এই কথা যাহারা বলিয়া থাকেন এবং কাফের ফতুয়া দিয়ে থাকেন। তাহাদের ফতুয়ানুযায়ী, যাহারাই প্রচলিত হাদীসের কেতাব রচিত করেছেন তাঁহারাই,কাফের ফতুয়া পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই বিষয়েই অতি সংক্ষেপে কিছু কথা। হাদিস কাহাকে বলে? উওরঃ কোরআনের আলোকেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম; সাহাবায়ে কেরামদেরকে
প্রচলিত সালাতে নয়,কোরান বুঝে পড়ায় কল্যানঃ
প্রচলিত সালাত নয়,কোরান বুঝে পড়াঃ ১) যাহারা নিজেদের নিকট কোন দলীল না থাকিলেও আল্লাহ্র নিদর্শন সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়, উহাদের অন্তরে আছে কেবল অহংকার, যাহারা এই ব্যাপারে সফলকাম হইবে না। অতএব আল্লাহ্র শরণাপন্ন হও; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (৪০ঃ৫৬) ২) আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও রহিয়াছে যাহারা বলে, ‘আমরা আল্লাহ্
প্রচলিত যাকাত বনাম আল্লাহর কাংখিত যাকাতঃ
প্রচলিত নামাজ
প্রচলিত সালাত কেন ব্যার্থ হয়?
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন
প্রচলিত ইবাদতে তৃপ্ত নই কেন?
যারা প্রচলিত ইবাদত পালনকরে তৃপ্তিতে আছেঃ যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তাহারা তোমাকে আল্লাহ্র পথ হইতে বিচ্যুত করিবে। তাহারা তো শুধু অনুমানের অনুসরণ করে ; আর তাহারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে।(৬ঃ১১৬) মানুষের মধ্যে কেহ কেহ আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে; তাহাদের না আছে জ্ঞান, না আছে পথনির্দেশ,
