কোরানের চাপা কান্নাঃ
বুখারী নয় — হাদীসের প্রথম সংকলক হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ রহঃ। তিনি একজন তাবেঈ। জন্ম ৫২ হিজরী ৬৭৪ খৃষ্টাব্দ মৃত্যু ১৩১ হিজরী। তিনি আবু হুরায়রা রাঃ এর ছাত্র ছিলেন। তার সংকলিত হাদীস সংখ্যা ১০০ থেকে ১২০ টি। তার
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
কোরানের চাপা কান্নাঃ
বুখারী নয় — হাদীসের প্রথম সংকলক হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ রহঃ। তিনি একজন তাবেঈ। জন্ম ৫২ হিজরী ৬৭৪ খৃষ্টাব্দ মৃত্যু ১৩১ হিজরী। তিনি আবু হুরায়রা রাঃ এর ছাত্র ছিলেন। তার সংকলিত হাদীস সংখ্যা ১০০ থেকে ১২০ টি। তার
পশু কুরবানী, হজ্ব সম্পর্কে, কুরআন থেকেঃ ***************************** আমরা জানি, মানব জাতির জন্য আদিতে যে গৃহটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল উহা বাক্কায় অর্থাৎ মক্কায় অবস্থিত। যখন ইব্রাহিম আঃ বলেছিলেনঃ “হে প্রভু ইহাকে তুমি নিরাপদ শহর করিও এবং ইহার অধিবাসীদের মধ্য হইতে যারা আল্লাহ ও আখেরাতে ঈমান আনে তাদেরকে জীবিকা প্রদান করিও।
“কোরআনে” যার কোন নিয়ম নাই — ‘তা পালন করতে, পূর্বতনদের আচরণ এবং নিয়ম’ই ফলো করি আমরা। সেই নিয়ম না-মানলে যে ‘দোজখে যাবো তা’ কিন্তু নয়। —বিরাশীবার কোরআনে সালাত কায়েমের কথা বলা আছে, কিন্তু নামাজ পড়ার কথা একবারও বলা হয়নি। কোরআনে আছে- রুকুকারী, সিজদাকারী, সালাতকারী, তাওয়াফকারী, এতেকাফকারী। *** আর- এগুলোকে একত্রিত
১) প্রথমে কুরআনের পুরো আয়াতটা তার প্রসঙ্গ সহকারে পড়ুন। বোঝার চেষ্টা করুন আয়াতটি নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠির জন্য নাকি সমগ্র মানব জাতির জন্য , নির্দেশ বা উপদেশ মূলক নাকি শিক্ষামুলক কাহিনি বা বর্ননা ইত্যাদি। ২) অধিকাংশ মুসলমান কুরআনের অর্থ না জেনেই পড়েন। কারণ আজকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান এটা মেনে
কোরআন বিজ্ঞানময় আর এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনঃ
কোরআন যে বিজ্ঞানময় তা প্রমানের জন্য একটি আয়াত তুলে ধরা হলোঃ
আমি শপথ করিতেছি নক্ষত্র সমুহের পতন স্থানের ,(৫৬ঃ৭৫) কিন্তু কেন এ শপথ !
আল্লাহ আল কোরানে মানুষের ইহকালীন এবং পরকালীন কল্যানের কথা যেমন আলোচনা করেছেন তেমনি আলোচনা
اِتَّبِعُوْا مَاۤ اُنْزِلَ اِلَيْكُمْ مِّنْ رَّبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوْا مِنْ دُوْنِهٖۤ اَوْلِيَآءَ ؕ قَلِيْلًا مَّا تَذَكَّرُوْنَ اِتَّبِعُوْا ( ইত্তাবিঊ) তোমরা অনুসরন কর مَاۤ (মা) যা اُنْزِلَ ( ঊনঝিলা) অবতীর্ণ হয়েছে اِلَيْكُمْ (ইলাইকুম) তোমাদের প্রতি مِّنْرَّبِّكُمْ (মির রাব্বিকুম) তোমাদের রবের পক্ষ হতে وَلَا تَتَّبِعُوْا (ওয়া লা তাত্তাবিউ) এবং অনুসরন করো না مِنْ
হিন্দি ফিল্ম দেখে দেখে বাঙালি হিন্দি বলতে ও বুঝতে সক্ষম হলেও…. দীর্ঘ দিন কুরআন পড়ে এবং শুনেও কুরআনের ভাষা রপ্ত করতে বা বুঝতে এতটুকুও সক্ষম হয়নি। তার কারন একটাই …. কোরান পড়ে শুধু সোয়াব প্রাপ্তীর লালসায়। আর তাদের বিশ্বাস নামাজ সকল
কেন শুধু কোরআনকে বিধান মেনে নেব? হাদীসে বিশ্বাস করি যদি তা কোরানে থাকে অথবা কোরানের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়। “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য একমাত্র কোরআন কে করেছেন বিধান । নিশ্চয় নির্ধারিত সময়ে তারই কাছে ফিরে যেতে হবে । এটাই সেই একমাত্র কিতাব যাহাতে কোনই সন্দেহ নাই । যাহারা আল্লাহ কে
মানুষ প্রতিদিনই পথভ্রষ্ট হয়, এমনকী হিদায়াতের মধ্যেও আবার হিদায়াত খুজতে হয়. এজন্য আপনি হেদায়াত পেয়ে গেছেন ধরে নিয়ে কাউকে পথভ্রষ্ট বলতে যাইয়েন না. বরং প্রতিনিয়ত সিরাতল মুস্তাকিমের হেদায়াতটা আল্লাহর কাছে চাইতে থাকেন. আর আপনি প্রতিনিয়ত চানও, সূরা ফাতিহায়, প্রতি ওয়াক্তে নামাজে. আপনি যদি মনে করেন, আপনি পথ পেয়ে গেছেন. আর
আদম আঃ হতে শুরু করে সকল নবীর উপর কোরানের নাযিল শুরু। সর্বশেষ পুর্নাঙ্গ রুপে নবী মুহম্মদ সাঃ এর উপর নাযিল করে সমাপ্তী টানেন। যেমন তাওরত ও ইন্জিল কিতাব পুর্নাঙ্গ ভাবে মুসা ও ঈসা আঃ এর উপর নাযিল হলেও কোরান ৩ঃ৬৫ জানায় তাহা ইব্রাহীম আঃ এর উপরও নাযিল হয়েছিল। ” হে
কুরআনই হাদিস (২৩) তুমি কি মানুষকে দেখ না? যাদেরকে আল কিতাবের অংশ দেয়া হয়েছে-যা তাদেরকে আল্লাহর কেতাবটির দিকে আহ্বান জানাচ্ছে-যেন তাদের মধ্যে মীমাংসা করা যায়। কিন্তু তাদের একদল অমান্য করে সবাই তারা অন্য কেতাবের (মিথ্যা হাদিস ও ফেকাহর) দিকে চলে যায়। (৭৮) মানুষের মধ্যে একদল মানুষ আলকেতাব সম্পর্কে এমনভাবে কথাবলে,
১) প্রথমে পুরো আয়াতটি পড়ুন: কুরআনের আয়াত তার প্রসঙ্গ সহকারে পড়ুন , প্রসঙ্গ ছাড়া নয়। বোঝার চেষ্টা করুন আয়াতটি নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠির জন্য নাকি সমগ্র মানব জাতির জন্য , নির্দেশ বা উপদেশ মূলক নাকি শিক্ষামুলক কাহিনি বা বর্ননা ইত্যাদি। ২) অধিকাংশ মুসলমান কুরআনের অর্থ না জেনেই
আল কুরআন পাঠের পূর্বে কি পাঠ করতে হবে? فَاِذَا قَرَاْتَ الْقُرْاٰنَ فَاسْتَعِذْ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطٰنِ الرَّجِيْمِ তুমি যখনি কুরআন পাঠ করবে তখন অভিশপ্ত শয়ত্বান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে। An-Nahl 16:98 وَقُلْ رَّبِّ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزٰتِ الشَّيٰطِيْنِ ۙ আর বল : ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়ত্বানের কুমন্ত্রণা হতে তোমার
কুরআন অনুযায়ী সালাম প্রদানের রীতিঃ আল্লাহ তাঁর রাসূল মুহাম্মাদকে আদেশ দিয়ে বলেন, وَإِذَا جَاءكَ الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِآيَاتِنَا فَقُلْ سَلاَمٌ عَلَيْكُمْ كَتَبَ رَبُّكُمْ عَلَى نَفْسِهِ الرَّحْمَةَ أَنَّهُ مَن عَمِلَ مِنكُمْ سُوءًا بِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابَ مِن بَعْدِهِ وَأَصْلَحَ فَأَنَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ “আমার আয়াত সমূহে যারা ঈমান আনে তাহারা যখন তোমার নিকট আসে
وَإِذَا جَاءكَ الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِآيَاتِنَا فَقُلْ سَلاَمٌ عَلَيْكُمْ كَتَبَ رَبُّكُمْ عَلَى نَفْسِهِ الرَّحْمَةَ أَنَّهُ مَن عَمِلَ مِنكُمْ سُوءًا بِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابَ مِن بَعْدِهِ وَأَصْلَحَ فَأَنَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ “আমার আয়াত সমূহে যারা ঈমান আনে তাহারা যখন তোমার নিকট আসে তখন তাদের
আমার দাদার ১০০ বিঘা জমি ছিলো। আমার বাবার ১০ বিঘা। এর কারণ এই নয় যে বাবারা ১০ ভাই ছিলেন। কারণ এই যে, বাবা জানতেন দাদা তার জন্য ১০ বিঘা জমি রেখে যাবেন। তাই তিনি ঘুম আর খাওয়া ছাড়া পরিশ্রমের কোনো কাজ করেনি। যে বাবা-মা সন্তানের জন্য নিরাপদ পরিমান সম্পদ রেখে
…………. মজাদার রেসেপি
এক চামচ অহংকারের সাথে, এক মুঠো অবহেলা মিশিয়ে, কিছুক্ষণ হালকা নেড়ে রেখে দিন, ব্যাস তৈরী হয়ে গেলো সম্পর্ক নষ্টের মজাদার চাটনি! Nonodini
গুনাহের এনটেঙ্গেলমেন্ট ও অন্যান্য সত্য বিজ্ঞান এখন মহাজগতের জটিল ও গভীর সব বাস্তবতার কিছু কিছু জানে। তবে এই সামন্যকিছু জানতে পারায় সে বাস্তবতার গভীর গভীরতর সত্য সম্পর্কপ আরো ব্যপকভাবে জানার জন্য বিজ্ঞান এখন অনেক বেশি সিরিয়াস। মজার ব্যপার যে, বিজ্ঞান এসব যা-কিছু পরিস্কারভাবে জানছে তা-সব চলে আসছে কোরআনের পক্ষে। মহাজাগতিক
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন