আল ফুরকান-৩০ আর রাসূল বলবে, ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমার কওম এ কুরআনকে পরিত্যাজ্য গণ্য করেছে।
রাসুল সা: এর প্রতিষ্ঠিত ইসলাম আলী রাঃ এর শাহাদত এর পর আমীর মোয়াবিয়া রাঃ এর হাতে বন্দী হয়ে এজিদের নিকট আহত হয়। অতপর ইরান,ইরাক,পারস্য পার হয়ে একটু একটু করে
আল ফুরকান-৩০ আর রাসূল বলবে, ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমার কওম এ কুরআনকে পরিত্যাজ্য গণ্য করেছে।
রাসুল সা: এর প্রতিষ্ঠিত ইসলাম আলী রাঃ এর শাহাদত এর পর আমীর মোয়াবিয়া রাঃ এর হাতে বন্দী হয়ে এজিদের নিকট আহত হয়। অতপর ইরান,ইরাক,পারস্য পার হয়ে একটু একটু করে
হাদীস ছাড়া ইসলামের আচার-অনুষ্ঠানের অস্তিত্ত থাকেনা, দাবী আলেমদের। এবার প্রশ্ন আসে নিন্মোক্ত আয়াতটির সত্যতা নিয়ে..
আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীন পূর্ণাংগ করিলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন মনোনীত করিলাম। (5:3)
দ্বীন পুর্ণাঙ্গ করিলাম এ আয়াত যদি সত্যি হয়
আল্লাহ যাকাত কি বুঝিয়েছেন, আর আমরা কি বুঝি? কোরানে যেখানেই সালাতের কথা বলা হয়েছে তার সাথেই যাকাত শব্দটি এসেছে। তার মানে সালাত যেমন সবার জন্য ফরজ যাকাতও তেমন সবার জন্য ফরজ।
কিন্তু প্রচলিত ধারনা ধনী ব্যক্তি যাকাত দিবে এবং সমাজের গরীব ব্যক্তি যাকাত গ্রহন
বাপ-দাদা, পুর্ব পুরুষের ধর্মনীতি অনুসরন করা থেকে বিরত থেকে কোরানের আলোকে ধর্ম পরিপালনের তাগিদ আল্লাহর।
১] আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে
কোরানের নিন্ম আয়াতগুলি পড়লে বুঝতে পারবেন প্রচলিত ধর্মীয় অনুষ্টান থেকে ইসলাম কতটা ভিন্নঃ
বাপ দাদা — ( বাকারা ২:১৭০) অধিকাংশ — (আনআম ৬:১১৬) হুজুরগন — (আরাফ ৭ আয়াত ৩) মুমিনগন সাবধান –(তাওবাহ ৯, আয়াত ৩৪) হাদীসের — (জাসিয়া ৪৫:৬) অসার হাদীস — (লোকমান ৩১:৬) উত্তম হাদীস – (যুমার
নাস্তিক বলে কোন শব্দ হয় না। নাস্তিক হতে চাইলেও হওয়া যায় না। লাটাইয়ের সুতোয় টান খেয়ে ফিরে আসতে বাধ্য সে। আর সেটাই মৃত্যু। ঘুড়ি নির্দিষ্ট একটা সীমায় গিয়ে আর সুতো টানে না, তার উড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আর সেটাই মৃত্যু, সেটাই ফিরে যাওয়া। যার একটা মালিক আছে
কায়েমী এবং দায়েমী সালাত কায়েম শব্দটি অভিধানিক বাংলা অর্থ হচ্ছে- অবিরত, প্রতিষ্ঠিত, খাড়া, এবং সর্বদা। এবং দায়েম শব্দটি অভিধানিক বাংলা অর্থ হচ্ছে- স্থায়ী, অবিরাম, স্থিতিশীল, সর্বদা, অবিরাম। এই দুইটি শব্দের একই অর্থ বহন করে। এখানে আমাদের আলেম সাহেবগন মাদ্রসার শিশুদের ছোট বেলা থেকে শিক্ষা দিয়ে আসছেন ৫ ওয়াক্ত নামায জামাতের
_______ মুর্খরা অন্ধ এবং অভিশপ্তঃ সমান নয় অন্ধ ও চক্ষুষ্মান (৪০ঃ৫৮) আর যে ব্যক্তি দূনিয়াতে অন্ধ সে আখিরাতেও অন্ধ এবং অধিকতর পথভ্রষ্ট। ( ১৭ঃ৭২) বস্তুত চক্ষু তো অন্ধ নয়, বরং অন্ধ হইতেছে বক্ষস্থিত হৃদয়। (২২ঃ৪৬) কিন্তু যাহারা অবিশ্বাসী কুরআন হইবে ইহাদের জন্য অন্ধত্ব। (৪১ঃ৪৪) তাই আল্লাহ বলেনঃ আ’রদী আনিল জাহেলিন-=
…… “টাকা না নিলে হুজুর খাবে কি?
এ বিষয়ে আল্লাহ কোরআনে কি বলেন, সে আয়াত গুলি এক নজর দেখে নেই।
১) অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।( ইয়াসিন ৩৬ঃ২১)
২) বল, ‘আমি ইহার জন্য তোমাদের নিকট কোন
ধর্মীয় উপাসনালয়কে চাকচিক্য করে, নীতি নৈতিকতা ভুলে গিয়ে এই কোন ধর্মে পতিত হচ্ছে পৃথিবীর সব হিন্দু, মুসলিম, ইহুদী, খৃষ্টান।
ফরজ নামাজগুলি ইমামের পিছনে দাড়িয়ে পড়ে বাকি সুন্নত নামাজগুলি নিজে নিজে পড়ে।এতে প্রমাণিত হয় প্রত্যেকে নামাজ পড়তে পারে। এখন প্রশ্ন হলো যদি নিজের নামাজ নিজে পড়তে পারে
কোরআন -কার উপর নাযিল হয়েছে-কোরআন দ্বারা- প্রমাণ করা যাবে কি?
আলোচনা পর্যালোচনায় প্রথমেই আসে:—— ১) ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিস্থল আসলে কোথায় মক্কায় না উজবিকিস্থানে? ২) কোরান কি স্বীকার করেছে মুহাম্মদ সাঃ এর জন্ম ও জীবনীর ইতিহাস, ফাতেমা, আবুবকর, উমর,উসমান, আলী, খাদিজা,হাসান,হোসাইন, হোরাইরার কল্পিত গল্প ও ইতিহাস? মুসলমানরা
ইয়াহুদী,খৃষ্টান,সাবেঈ,মুসলিম সবাই আহলে কিতাবী। তাওরাত,যাবুর, ইন্জীল,কোরআন যার যার আলাদা আলাদা কিতাব। আকিদার দিক থেকে ইয়াহুদী মুসলমান কাছাকাছি।
মৌলিক পার্থক্য টা হলো:-
১) ইয়াহুদীরা একটি মাত্র কিতাব তাওরাতকে বিধান মানে।
মুসলমান দুইটি কিতাবের বিধান মানে —— ১) কোরান ২) হাদীস।
২) ইয়াহদীরা শুধু
১] আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না, জানতো না সরল পথও। সূরা বাকারা আয়াত ১৭০
—— প্যারালাল অনুষ্ঠানঃ
১) কোরআনের ব্যাখ্যা হাদীস আর সনাতন ধর্মে ঋগবেদের ব্যাখ্যা মহাভারত।
২) কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। হিন্দু
সনাতন ধর্মে কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। মুসলিম ধর্মে কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন। বেদ মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেছে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য,
জন্ম থেকে মোল্লার জিহ্বায় খাবার খাওয়া অভ্যস্থ মানুষ গুলো এখন আর নিজের জিহ্বায় কোন স্বাদ পায় না। যত ভাল খাদ্যই পরিবেশন করা হোক মোল্লার জিহ্বা খুঁজে।
হাদীস ভিত্তিক মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা এভাবেই আলেমদেরকেও কোরান বিমুখ করে রেখেছে। ঐ যে শুরু থেকেই অভ্যস্থ নয়। ইংরেজরা এমন এক
প্রচলিত আনুষ্ঠানিক নামাজকে কোরানের আলোকে যখন খুঁজে পাওয়া না যায় তখন সূরা জুমুআর ৯ নং আয়াতটি উপস্থাপন করা হলে আতকে উঠে!! সত্যিই তো এ আয়াত প্রচলিত আনুষ্ঠানিক সালাতের স্বীকৃতি দেয়। আলোচনা করা যাক এ নিয়ে। তার আগে জানা দরকার কোরানে সালাত পড়ার কথা বা আদায় করার কথা
আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না,জানতো না সরল পথও।(২ঃ১৭০)
যখন তাদের কাছে আমার
কোরান একটি বিষ্ময়কর মোজেজা যা সর্বযুগের মানুষের জন্য। তার মধ্যে একটি আঙ্গুলের অপ্রভাগের ছাপ।
মানুষ গুরুত্তপুর্ণ কোন চুক্তি করতে তার আঙ্গুলের ছাপ ব্যবহার করে। তার কারন পৃথিবী সৃষ্টির শুরু হতে কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ আসবে এবং গত হয়ে গেছেন তাদের কারো আঙ্গুগুলের ছাপের সাথে কারো কোন
ঈশা নবীর পর রাসুল প্রেরণে এত বিরতি কেন ছিল??
ঈশা নবীর তিরোধানের পর প্রায় ৬৫০ বছর পর্যন্ত কোন নবী বা রাসুল প্রেরন করেন নাই। এই দীর্ঘ ব্যবধানে মানুষ পথভ্রষ্ট হয়ে জাহেলিয়াতের অতল গর্ভে ডুবে যায়। এর আগে সব নবীই প্রায় ১০০ বছর ব্যবধানেই এসেছেন। দীর্ঘ বিরতির