বোখারী চালাকি করে আপনাকে অর্ধেক খৃষ্ঠান বানিয়ে ফেলেছে কি বলবো কিভাবে? আচ্ছা কয়েকটি বলি , ইমাম মাহাদি আসবে ,কোরআনে নাই বাইবেলে আছে , ঈসা আঃ আসবে কোরআনে নাই বাইবেলে আছে , আজওয়া খেজুর খাওয়া সুন্নত কোরআন নাই বাইবেলে আছে । আদম আঃ স্ত্রীর নাম হাওয়া কোরআন নাই বাইবেলে
Category: My text
শর্ট নোট দাওয়াতের জন্য
বাপ দাদা — ( বাকারা ২:১৭০) অধিকাংশ — (আনআম ৬:১১৬) হুজুরগন — (আরাফ ৭ আয়াত ৩) মুমিনগন সাবধান –(তাওবাহ ৯, আয়াত ৩৪) হাদীসের — (জাসিয়া ৪৫:৬) অসার হাদীস — (লোকমান ৩১:৬) উত্তম হাদীস – (যুমার ৩৯, আয়াত ২৩) মিথ্যে হাদীসে কেন বলে — ( লোকমান ৩১, আয়াত ৬)
শয়তানও শানে নুযুল বর্ণনা করেঃ
কতিপয় হাদীস ও শানে- নুযুল শয়তানের পক্ষ থেকে বর্নিত যা কোরানের তাফসীরেও স্থান করে নিয়েছে। যেমনঃ মদ হারাম হওয়ার বিষয়ে হযরত ওমর, হযরত মায়াজ ও অন্যান্য সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম এর আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন পর্যায়ে মদ হারাম হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে একেবারে নিষিদ্ধ করা হয় নি। নিরুৎসাহিত করা
রিবা বা সুদ কি?
রিবা বা সুদ কি?
আরবী শব্দ রিবার বাংলা “জুলুম/নৈরাজ্য/অরজগতা/অতিরিক্ত” পারসিয়ান অনুবাদ বর্জন করে একবার রিবা সংক্রান্ত আয়াত গুলির বাংলা অনুবাদ করে দেখুন??
রিবা বা সুদ কি? কেউ বলেন আসলের অতিরিক্ত কোন মুনাফা বা পণ্য গ্রহন করাই সুদ। আবার অনেকে মনে করেন বিনিয়োগকৃত মুলধনের অতিরিক্ত কিছু গ্রহন করাই সুদ। এভাবে নয়
সঠিক বাংলা অনুবাদ
১] সালাত ( প্রচলিত অনুবাদ নামাজ) (প্রকৃত বাংলা রবের আদেশের অনুশীলন) ২] সিয়াম ( প্রচলিত অনুবাদ রোজা) ( প্রকৃত বাংলা অনুবাদ সকল বিষয়ে রবের নির্দেশে সংযম) ৩] হজ্জ ( প্রচলিত অনুবাদ হজ্জ) (প্রকৃত বাংলা অনুবাদ মুসলিম মহা সম্মেলন) ৪] যাকাত (প্রচলিত অনুবাদ যাকাত) ( প্রকৃত বাংলা ভোগকৃত সকল
আরবী থেকে বাংলা অনুবাদঃ
সালাত,সিয়াম,হজ্জ,যাকাত,ইবাদত,একিন, রুহ,রিবা,নাফস,উম্মি,লৌহেমাহফুজ,নিয়ামত, সুন্নাত,হাদীস ইত্যাদী আরবী শব্দ গুলির সঠিক বাংলা অনুবাদ না থাকায় পারস্য অনুবাদের উপর ভর করে চলতে হয়। ফলে বাংলা ভাষাভাষির মানুষ কোরানে এ শব্দগুলি সমন্বিত আয়াত গুলির সঠিক মর্ম উপলব্ধিতে ব্যার্থ হয়ে গতানুগতিক অনুবাদ পড়ে আল্লাহর নির্দেশনা সঠিক ভাবে বুঝতে সক্ষম না হয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয়
ঘুম ও মৃত্যুর পার্থক্য কোনটি?
ঘুম ও মৃত্যুর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কোনটি? অপশন: ক) ঘুমে রুহ হরন করে আবার ফিরিয়ে দেয়। মৃত্যুতে রুহ আর কখনো ফিরে দেয়া হয় না বিচার দিবসের পুর্বে।
খ) ঘুমে শ্বাস প্রশ্বাস চলে,যেহেতু নফস থাকে, মৃত্যুতে তা বন্ধ থাকে যেহেতু নফস ধংস করে রুহুকে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঈশা নবীর পর নবী প্রেরনে বিরতি
প্রশ্ন- ১) কিয়ামত পর্যন্ত আর নবী প্রেরণ করবেন না কেন?
প্রশ্ন- ২) ঈসা নবীকে প্রেরণের পুর্বে নবী প্রেরণে এত দীর্ঘ বিরতি কেন?
আল্লাহর এ কৌশলের পেছনে কারন কি? কোরান থেকে জানুনঃ —–
২) উত্তরঃ বনী ঈসরাইলের জন্য ঘন ঘন নবী প্রেরন করার
ধর্ম – রাষ্ট্রের জন্য সৃষ্টিঃ
ধর্ম এবং রাজনীতি হলো কোন রাষ্ট্রের প্রধান দু’টি দর্শনগত অবকাঠামো, যার উপর নির্ভর করে কল্যাণ রাষ্ট্র এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রর ভিত্তি তৈরী হয়।
ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত হয় স্রষ্টার ইচ্ছার কাছে
ওহী হচ্ছে মানুষের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত নির্দেশ যা লৌহমাফুজে সংরক্ষিত মূল কিতাবের অংশ বিশেষ।ওহী জিব্রাইল ফিরিস্তার মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনার পরিপেক্ষিতে অল্প অল্প করে নাযিল করা হয়েছে যাতে মানুষ আল্লাহর নির্দেশ ভাল ভাবে আত্মস্থ করতে পারে।
কাফিরেরা বলেঃ সমগ্র কুরআন তার নিকট একবারেই অবতীর্ণ হলনা
ইসলামের বিবর্তেনের পিছনে
যেদিন থেকে ধর্মকে জীবিকা হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে, সেদিন থেকেই ধর্ম লেবাস আর আনুষ্ঠানিক ইবাদতের মধ্যে ডুব দিয়েছে। ইসলামের রাজমুকুটে সকল ধর্মের আচার অনুষৃঠান যুক্ত হয়ে তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে এক বিনোদনের সার্কাসে পরিনত হয়েছে। প্রত্যেকে তাদের স্বস্ব মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল চিত্তে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছে। শয়তান তার এ বিজয়ে মুচকি
সৎকর্ম কি কি?
যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের আপ্যায়নের জন্য আছে ফিরদাওসের উদ্যান,(১৮:১০৭) এবার সৎকর্মের তালিকা কোরান থেকেঃ
০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (০৩ঃ১৫৯) ০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (০৩ঃ১৩৪)। ০৩. অন্যের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। (০৪ঃ ৩৬) ০৪. অহংকার করবেন না। (০৭ঃ ১৩) ০৫. অন্যকে তার ভুলের জন্য ক্ষমা
উহাদের অধিকাংশ অনুমানেরই অনুসরণ করে, সত্যের পরিবর্তে অনুমান কোন কাজে আসে না উহারা যাহা করে নিশ্চয়ই আল্লাহ্ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।(১০ঃ৩৬)
দেখ! তাহারা আল্লাহ্ সম্বন্ধে কিরূপ মিথ্যা উদ্ভাবন করে; এবং প্রকাশ্য পাপ হিসাবে ইহাই যথেষ্ট।(৪ঃ৫০)
আল্লাহ্র পথ হইতে বিচ্যুত করিবার জন্য
বিবর্তন ধারা
রাসুল সা: এর প্রতিষ্ঠিত ইসলাম আলী রাঃ এর শাহাদত এর পর আমীর মোয়াবিয়া রাঃ এর হাতে বন্দী হয়ে এজিদের নিকট আহত হয়। অতপর ইরান,ইরাক,পারস্য পার হয়ে একটু একটু করে বিকৃত হয়ে এশিয়ায় তথা ভারত উপমহাদেশে এসে পৌছায়। এ উপ-মহাদেশের খৃষ্টান মিশনারীদের দ্বারা পরিচালিত মাদ্রাসা গুলিতে হাদীসের সিলিবাসে সীমাবদ্ধ
অন্ধের আহবান
এক দলকে তিনি সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন এবং অপর দলের পথভ্রান্তি নির্ধারিত হইয়াছে। তাহারা আল্লাহ্কে ছাড়িয়া শয়তানকে তাহাদের অভিভাবক করিয়াছিল এবং মনে করিত তাহারাই সৎপথ প্রাপ্ত।
فَرِيْقً هَدٰى وَ فَرِيْقًا حَقَّ عَلَيْهِمُ الضَّلٰلَةُ ؕ اِنَّهُمُ اتَّخَذُوا الشَّيٰطِيْنَ اَوْلِيَآءَ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ وَيَحْسَبُوْنَ اَنَّهُمْ مُّهْتَدُوْنَ সূরা নম্বর: ৭ আয়াত
উদভ্রান্ত বিশ্বাস
আল্লার ঘর বলছো যাকে সেথায় আল্লাহ থাকে না ওহে কানা মওলানা তুমি বুঝেও কেন, সত্য বল না? যদি কাবায় গেলে খোদা মিলতো রাসুল মিলতো মদীনায়…… হজ্জ করতে গিয়ে তাহলে ফিরে কেউ আর আসতো না। তোমার ব্যবসা তুমি করো ধর্মের ঢাল সামনে ধরো মিথ্যে কথার রোজগারে দিয়ে আগুন ভরছ পেটখানায় সেটা
Follow those who seek no reward
Allah says: ‘Follow those who seek no reward from you and those who are guided.
اتَّبِعُوْا مَنْ لَّا يَسْـــَٔلُكُمْ اَجْرًا وَّهُمْ مُّهْتَدُوْنَ
Ittabiu malla yachalukum anjrao wa hum muhtadun.(Surah Yanus verse 21)
People pray the obligatory prayers behind the imam in the
কোরআন বুঝতেঃ
১) প্রথমে পুরো আয়াতটি পড়ুন।কুরআনের আয়াত তার প্রসঙ্গ সহকারে পড়ুন, প্রসঙ্গ ছাড়া নয়। বোঝার চেষ্টা করুন আয়াতটি নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠির জন্য নাকি সমগ্র মানব জাতির জন্য , নির্দেশ বা উপদেশ মূলক নাকি শিক্ষামুলক কাহিনি বা বর্ননা ইত্যাদি। ২) অধিকাংশ মুসলমান কুরআনের অর্থ না জেনেই পড়েন।
হাদীস না থাকলে ইসলামের অস্তিত্ত থাকে না–
হাদীস না থাকলে নামাজ তো দূরের কথা ইসলামের অস্তিত্ত থাকে না– অথচ এই হাদীস প্রণেতার নামে অকৃতজ্ঞ জাতী দরুদটাও পড়ে না। আব্বাসী
নামাজ আমাদের প্রধান ইবাদত। অথচ নামাজের বিস্তারিত কোন দিক নির্দেশনা কোরানে থেকে পাওয়া যায় না। এর জন্য নির্ভর করতে হয় হাদীসের উপর। হাদীস
কোরআনকে কোরআন দিয়েই বুঝতে হয়ঃ
অন্যান্য সকল ভাষার মতো, আরবি ভাষা হল একটি জীবন্ত ভাষা , যা সময়ের সাথে সাথে বিকশিত এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদি কুরআন না থাকত, তাহলে আরবি ভাষাটি সম্ভবত ল্যাটিন ভাষার মতো একই ভাবে অদৃশ্য হয়ে যেত। মিশরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশের আরবি উপভাষাগুলির সাথে কুরআনের অনন্য আরবির কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে আমরা কুরআনের পরিভাষা বোঝার জন্য বাইরের উৎস ব্যবহার করতে পারি না।
