ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সাঃ কোন মাসে সিয়াম সাধনা করতেন?
কুরআনে বর্ণনা করে, ‘এখন আমি তোমার প্রতি ওহী করলাম, ‘তুমি একনিষ্ঠ ইবরাহীমের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর … (১৬:১২৩)।
তাহলে ইবরাহীম আঃ এর রমযান মাস পেলেই আমার জন্য যথেষ্ট।
এবার কুরআনে দেখুন, ‘তিনি
ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সাঃ কোন মাসে সিয়াম সাধনা করতেন?
কুরআনে বর্ণনা করে, ‘এখন আমি তোমার প্রতি ওহী করলাম, ‘তুমি একনিষ্ঠ ইবরাহীমের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর … (১৬:১২৩)।
তাহলে ইবরাহীম আঃ এর রমযান মাস পেলেই আমার জন্য যথেষ্ট।
এবার কুরআনে দেখুন, ‘তিনি
রাসুলের কোন সুন্নত(নিয়ম) নেই, সব আল্লাহর সুন্নত…. . আমার রাসূলগণের মধ্যে তোমার পূর্বে যাহাদেরকে পাঠাইয়াছিলাম তাহাদের ক্ষেত্রেও ছিল এইরূপ নিয়ম এবং তুমি আমার নিয়মের কোন পরিবর্তন পাইবে না। سُنَّةَ مَنْ قَدْ اَرْسَلْنَا قَبْلَكَ مِنْ رُّسُلِنَا وَلَا تَجِدُ لِسُنَّتِنَا تَحْوِيْلًا সূরা নম্বরঃ ১৭, আয়াত নম্বরঃ ৭৭ ইহাই আল্লাহ্র বিধান-প্রাচীন কাল হইতে
সন্ধ্যা ও রাত্রী আল্লাহ্ যেভাবে সন্ধ্যার পরিচয় দিয়েছেনঃ 1.মাগরি বা শামস- সুর্যাস্তের স্থান (১৮:৮৬)”অবশেষে যখন সে পৌঁছল সুর্যাস্তের স্থানে। 2. আশ শাফাক সন্ধ্যা লালিমা,লাল আভা- সন্ধ্যকালীন গোধূলি,রক্তজবা. (৮৪:১৬) অত:পর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার। 3.আছাল (সন্ধ্যা) (১৩:১৫) আর আল্লাহ্’র জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের সবকিছু অনুগত ও বাধ্য হয়ে সিজদাহ্
কোন সত্যকেও প্রকাশ করতেও ভাবা উচিৎঃ —————————— স্বর্ণকার নিতাই বাবুর মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেলো। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব। বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো–এটা তোমার কাকার দোকানে নিয়ে যাও সে যেন এটা বেচে কিছু টাকার ব্যবস্থা করে দেয়। ছেলেটা হারটি নিয়ে
১৮২৯ সনে বেঙ্গল সতীদাহ প্রবিধান (রেগুলেশন XVII) ভারতের তৎকালীন গভর্নর-জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সমগ্র ব্রিটিশ ভারতে সতীদাহ প্রথাকে রহিত করে দিয়েছোন।
এ প্রথা অনুযায়ী স্ত্রীর আগে স্বামী মারা গেলে মৃত স্বামীর চিতার সাথে জ্যান্ত স্ত্রীকেও দহন করা হত। অথচ স্ত্রী আগে মারা গেলে তার চিতার সাথে
কেস হিস্টোরীর সংক্ষিপ্ত বিবরনঃ– [[মৌজাঃ খুপিবাড়ী, সিএস খতিঃ ৫০ (ক) সিএস দাগ নং ৩৪৭ জমির পরিমান ৩৭ শতক। বিআরএস দাগ ৭১৩]]
ডিজিটাল রেকর্ডে আমার নামে ২৩৬৬ বুজরাত খতিয়ান খুলে ২৫৬৭ হাল দাগ প্রদান করে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে দখল অনুযায়ী ১২.৮২ শতাংশ ভুমির রেকর্ড দিয়েছে এবং মাঠ পচরা দিয়েছে।
এ পৃথিবীতে ধর্মের নামে অধর্মের জন্য শুধু মোল্লা, পুরোহিতরা দায়ী নয় বরং ধার্মিকরা আরো বেশি দায়ী। ধার্মিকেরাই ধর্ম ব্যাবসাকে টিকিয়ে রেখেছে। সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রম করা লাগে কিন্তু ধার্মিকেরা ইহকালে ও পরকালে পরিশ্রম ছাড়াই সাফল্য পেতে চায়, ধর্মগুরুদের উপর নির্ভর করে বা তাদের ভাড়ায় খাটিয়ে নিজেদের
শয়তান এবং ইবলিশ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়: শয়তান আলাদা কোন চরিত্র না, মানুষ মন্দের অনুসরণ করে শয়তান হয়ে উঠে। #কোর’আন শয়তানকে আমাদের প্রকাশ্য শত্রু বলে। এ থেকে আমাদের সিদ্ধান্ত হলো, শয়তান মূলত মানুষের মধ্যে কৃত্রিম ভাবে নিজের মধ্যে নিজেরই সৃষ্ট মিথ্যা অবয়ব বা false image/ego মানুষের নিজের কাছে যা সবচেয়ে বেশি
কেমন ধুকায় ফেলে রেখেছে দীর্ঘদিন যাবৎঃ~ সাধারন ভাবে আমাদের জন্মগত ভাবে ধারনা শয়তান এক আলাদা সৃষ্টি কিছু। যে আমাদের রগে রগে মিশে থাকে, সকল পাপ কর্ম করায়নল এবং আমাদের পথভ্রষ্ট করে। তাই শয়তানকে পরাভুত করার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাই। না জানি কেমন দেখতে সেই
তোমাদেরকে কি আমি জানাইব কাহার নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? উহারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট। (২৬:১২১)
এক দলকে তিনি সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন এবং অপর দলের পথভ্রান্তি নির্ধারিত হইয়াছে। তাহারা আল্লাহ্কে ছাড়িয়া শয়তানকে তাহাদের অভিভাবক করিয়াছিল এবং মনে করিত তাহারাই সৎপথ প্রাপ্ত।(৭:৩০)
يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنَّ كَثِيْرًا مِّنَ الْاَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ لَيَاْكُلُوْنَ اَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ وَيَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِؕ وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِىْ سَبِيْلِ اللّٰهِۙ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ اَلِيْمٍۙ সূরা নম্বরঃ ৯, আয়াত নম্বরঃ ৩৪ يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنَّ( ইয়া আয়ূহাল্লাযিনা) — ওহে মুমিনগণ كَثِيْرًا مِّنَ الْاَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ ( কাছিরাম মানাল
লাওহে মাহফুজ, তাতে লিখার কলম ও ভাগ্যলিপিঃ
‘লাওহে মাহফুজ’ আরবি শব্দ। লাওহ অর্থ ফলক। মাহফুজ অর্থ সংরক্ষিত। লাওহে মাহফুজ অর্থ সংরক্ষিত ফলক। ইসলামী পরিভাষায় লাওহে মাহফুজ বলা হয় ঊর্ধ্ব আকাশে সংরক্ষিত ফলক বা ডিস্ক। যার মধ্যে সৃষ্টির শুরু লগ্ন থেকে কেয়ামত পর্যন্ত ঘটমান সব কিছু আল্লাহ
وَاَحَلَّ اللّٰهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبٰوا ؕ
ওয়া হাল্লা-ল্লাহু বাঈঁয়া ওয়া হাররামা-র-রিবা।
ওয়া হাল্লা-ল্লাহু বাঈঁয়া — এবং আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন। ওয়া হাররামা-র-রিবা–এবং নিষিদ্ধ করেছে রিবা (সুদ)
আমরা হারামের বাংলা শব্দ নিষদ্ধ এবং হালালের বাংলা শব্দ বৈধ এর মর্ম সঠিক
. সূরা ফালাক্ব : গুরুত্ব ও ফজিলত কবিতার ফেরিওয়ালা মুসাফির . সূরা ফালাক্ব: ‘সূরা ফালাক্ব’ কুরআনের ১১৩তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৫টি। সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এটি একটি প্রার্থনামূলক বা দোয়ার সূরা। এই সূরার মাধ্যমে শয়তানের অনিষ্ট থেকে মহান আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়। . নামকরণ: ‘সূরা ফালাক্ব’
আমিন অর্থ বিশ্বস্তঃ ১ সূরা আল আরাফ (الأعراف), আয়াত: ৬৮ أبلغكم رسالات ربي وأنا لكم ناصح أمين উচ্চারণঃ উবালিলগুকুম রিছা-লা-তি রাববী ওয়া আনা-লাকুম না-সিহুন আমীন। ২ সূরা ইউসুফ (يوسف), আয়াত: ৫৪ وقال الملك ائتوني به أستخلصه لنفسي فلما كلمه قال إنك اليوم لدينا مكين أمين অর্থঃ আর রাজা বললেন —
সুরা ইমরান (99-104)
قُلْ يٰۤـاَهْلَ الْكِتٰبِ لِمَ تَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ مَنْ اٰمَنَ تَبْغُوْنَهَا عِوَجًا وَّاَنْتُمْ شُهَدَآءُ ؕ وَمَا اللّٰهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُوْنَ
ক্বুল আইয়ুহাল কিতাবি _ বল হে কিতাবীগন
লিমা তাসাদ্দুনা – কেন বাধা দিচ্ছ
আন সাবিলিল্লাহে – আল্লাহর পথে
মান আমানা —
সুরা ইমরান (99-110) قُلْ يٰۤـاَهْلَ الْكِتٰبِ لِمَ تَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ مَنْ اٰمَنَ تَبْغُوْنَهَا عِوَجًا وَّاَنْتُمْ شُهَدَآءُ ؕ وَمَا اللّٰهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُوْنَ
يٰۤـاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنْ تُطِيْعُوْا فَرِيْقًا مِّنَ الَّذِيْنَ اُوْتُوا الْكِتٰبَ يَرُدُّوْكُمْ بَعْدَ اِيْمَانِكُمْ كٰفِرِيْنَ
وَكَيْفَ تَكْفُرُوْنَ وَاَنْـتُمْ تُتْلٰى عَلَيْكُمْ اٰيٰتُ
আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির সাথে তাঁর সম্পর্ককে তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করে ‘রব্বুন নাস’ (মানবজাতির প্রতিপালক, প্রভু ও বিধানদাতা), ‘মালিকুন নাস’ (মানবজাতির মালিক, শাসক, অধিপতি) ও ‘ইলাহুন নাস’ (মানবজাতির উপাস্য ও তাদের উপর সার্বভৌম সত্তা) হিসেবে প্রকাশ করেছেন। তিনি রব হিসেবে কিতাব বা বিধান নাযিল করেছেন, মালিক হিসেবে ঐ
উহারাই তাহারা,”পার্থিব জীবনে যাহাদের প্রচেষ্টা পণ্ড হয়, যদিও তাহারা মনে করে যে, তাহারা ভাল আমল করছে,
اَ لَّذِيْنَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِى الْحَيٰوةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُوْنَ اَنَّهُمْ يُحْسِنُوْنَ صُنْعًا (১৮ঃ ১০৪)
আল্লাযিনা দাল্লা ছাইউহুম-যাদের প্রচেষ্টা পন্ডু হয় ফিল হায়াতিত দুনইয়া — পার্থিব্য জীবনের ওয়া হুম
কোরানের ভাষায় সুদ কাকে বলেঃ
কোরআনে আল্লাহ الرِّبٰٓوا ‘রিবা’কে হারাম/নির্দ্ধারণ করেছেন, যার অর্থ অতিরিক্ত। কিন্তু অনুবাদ গুলোতে রিবাকে সুদ বলা হয়েছে। রিবা অর্থ অতিরিক্ত, যেটা ব্যবসার ক্ষেত্রে আল্লাহ একটা নীতিমালা দিয়েছেন। লাভ/অতিরিক্ত/রিবা দ্বিগুণের বেশি ভক্ষণ করা যাবে না। (3:130) যেমন আল্লাহ বলেনঃ”হে ঈমানদার গণ