Categories
My text

শয়তান প্রকাশ্য শত্রু

কেমন ধুকায় ফেলে রেখেছে  দীর্ঘদিন যাবৎঃ~ সাধারন ভাবে আমাদের জন্মগত ভাবে ধারনা শয়তান এক আলাদা সৃষ্টি কিছু। যে আমাদের রগে রগে মিশে থাকে, সকল পাপ কর্ম করায়নল এবং আমাদের পথভ্রষ্ট করে। তাই শয়তানকে পরাভুত করার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাই। না জানি কেমন দেখতে সেই

``` }
Categories
My text

শয়তান কার নিকট আসে

তোমাদেরকে কি আমি জানাইব কাহার নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? উহারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট। (২৬:১২১)

এক দলকে তিনি সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন এবং অপর দলের পথভ্রান্তি নির্ধারিত হইয়াছে। তাহারা আল্লাহ্‌কে ছাড়িয়া শয়তানকে তাহাদের অভিভাবক করিয়াছিল এবং মনে করিত তাহারাই সৎপথ প্রাপ্ত।(৭:৩০)

Continue reading “শয়তান কার নিকট আসে”

``` }
Categories
My text

শব্দ বিশ্লেষন

يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنَّ كَثِيْرًا مِّنَ الْاَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ لَيَاْكُلُوْنَ اَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ وَيَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ‌ؕ وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِىْ سَبِيْلِ اللّٰهِۙ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ اَلِيْمٍۙ সূরা নম্বরঃ ৯, আয়াত নম্বরঃ ৩৪ يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنَّ( ইয়া আয়ূহাল্লাযিনা) — ওহে মুমিনগণ كَثِيْرًا مِّنَ الْاَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ ( কাছিরাম মানাল

``` }
Categories
My text

লাওহে মাহফুজ, কলম ও ভাগ্যলিপিঃ

লাওহে মাহফুজ, তাতে লিখার কলম ও ভাগ্যলিপিঃ

‘লাওহে মাহফুজ’ আরবি শব্দ। লাওহ অর্থ ফলক। মাহফুজ অর্থ সংরক্ষিত। লাওহে মাহফুজ অর্থ সংরক্ষিত ফলক। ইসলামী পরিভাষায় লাওহে মাহফুজ বলা হয় ঊর্ধ্ব আকাশে সংরক্ষিত ফলক বা ডিস্ক। যার মধ্যে সৃষ্টির শুরু লগ্ন থেকে কেয়ামত পর্যন্ত ঘটমান সব কিছু আল্লাহ

``` }
Categories
My text

রিবা

وَاَحَلَّ اللّٰهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبٰوا‌ ؕ

ওয়া হাল্লা-ল্লাহু বাঈঁয়া ওয়া হাররামা-র-রিবা।

ওয়া হাল্লা-ল্লাহু বাঈঁয়া — এবং আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন। ওয়া হাররামা-র-রিবা–এবং নিষিদ্ধ করেছে রিবা (সুদ)

আমরা হারামের বাংলা শব্দ নিষদ্ধ এবং হালালের বাংলা শব্দ বৈধ এর মর্ম সঠিক

``` }
Categories
My text

সূরা ফালাক

. সূরা ফালাক্ব : গুরুত্ব ও ফজিলত কবিতার ফেরিওয়ালা মুসাফির . সূরা ফালাক্ব: ‘সূরা ফালাক্ব’ কুরআনের ১১৩তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৫টি। সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এটি একটি প্রার্থনামূলক বা দোয়ার সূরা। এই সূরার মাধ্যমে শয়তানের অনিষ্ট থেকে মহান আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়। . নামকরণ: ‘সূরা ফালাক্ব’

``` }
Categories
My text

সূরা ফাতেহার শেষে আমিন কেনঃ

আমিন অর্থ বিশ্বস্তঃ ১ সূরা আল আরাফ (الأعراف), আয়াত: ৬৮ أبلغكم رسالات ربي وأنا لكم ناصح أمين উচ্চারণঃ উবালিলগুকুম রিছা-লা-তি রাববী ওয়া আনা-লাকুম না-সিহুন আমীন। ২ সূরা ইউসুফ (يوسف), আয়াত: ৫৪ وقال الملك ائتوني به أستخلصه لنفسي فلما كلمه قال إنك اليوم لدينا مكين أمين অর্থঃ আর রাজা বললেন —

``` }
Categories
My text

সূরা ইমরান ৯৯- ১০৪

সুরা ইমরান (99-104)

قُلْ يٰۤـاَهْلَ الْكِتٰبِ لِمَ تَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ مَنْ اٰمَنَ تَبْغُوْنَهَا عِوَجًا وَّاَنْتُمْ شُهَدَآءُ ‌ؕ وَمَا اللّٰهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُوْنَ

ক্বুল আইয়ুহাল কিতাবি _ বল হে কিতাবীগন

লিমা তাসাদ্দুনা – কেন বাধা দিচ্ছ

আন সাবিলিল্লাহে –  আল্লাহর পথে

মান আমানা —

``` }
Categories
My text

সূরা ইমরান ৯৯ -১১০

সুরা ইমরান (99-110) قُلْ يٰۤـاَهْلَ الْكِتٰبِ لِمَ تَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ مَنْ اٰمَنَ تَبْغُوْنَهَا عِوَجًا وَّاَنْتُمْ شُهَدَآءُ ‌ؕ وَمَا اللّٰهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُوْنَ

يٰۤـاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنْ تُطِيْعُوْا فَرِيْقًا مِّنَ الَّذِيْنَ اُوْتُوا الْكِتٰبَ يَرُدُّوْكُمْ بَعْدَ اِيْمَانِكُمْ كٰفِرِيْنَ

وَكَيْفَ تَكْفُرُوْنَ وَاَنْـتُمْ تُتْلٰى عَلَيْكُمْ اٰيٰتُ

``` }
Categories
My text

সুরা নাস এ রবের সিফত

আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির সাথে তাঁর সম্পর্ককে তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করে ‘রব্বুন নাস’ (মানবজাতির প্রতিপালক, প্রভু ও বিধানদাতা), ‘মালিকুন নাস’ (মানবজাতির মালিক, শাসক, অধিপতি) ও ‘ইলাহুন নাস’ (মানবজাতির উপাস্য ও তাদের উপর সার্বভৌম সত্তা) হিসেবে প্রকাশ করেছেন। তিনি রব হিসেবে কিতাব বা বিধান নাযিল করেছেন, মালিক হিসেবে ঐ

``` }
Categories
My text

সুরা কাহাফ ১০৪

উহারাই তাহারা,”পার্থিব জীবনে যাহাদের প্রচেষ্টা পণ্ড হয়, যদিও তাহারা মনে করে যে, তাহারা ভাল আমল করছে,

اَ لَّذِيْنَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِى الْحَيٰوةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُوْنَ اَنَّهُمْ يُحْسِنُوْنَ صُنْعًا (১৮ঃ ১০৪)

আল্লাযিনা দাল্লা ছাইউহুম-যাদের প্রচেষ্টা পন্ডু হয় ফিল হায়াতিত দুনইয়া — পার্থিব্য জীবনের ওয়া হুম

``` }
Categories
My text

সুদ বিষয়ে প্রচলিত ধারনা বনাম কোরআনঃ

কোরানের ভাষায় সুদ কাকে বলেঃ

কোরআনে আল্লাহ الرِّبٰٓوا ‘রিবা’কে হারাম/নির্দ্ধারণ করেছেন, যার অর্থ অতিরিক্ত। কিন্তু অনুবাদ গুলোতে রিবাকে সুদ বলা হয়েছে। রিবা অর্থ অতিরিক্ত, যেটা ব্যবসার ক্ষেত্রে আল্লাহ একটা নীতিমালা দিয়েছেন। লাভ/অতিরিক্ত/রিবা দ্বিগুণের বেশি ভক্ষণ করা যাবে না। (3:130) যেমন আল্লাহ বলেনঃ”হে ঈমানদার গণ

``` }
Categories
My text

সুদ কি?

সুদ কি? কেউ বলেন আসলের অতিরিক্ত কোন মুনাফা বা অর্থ গ্রহন করাই সুদ। আবার অনেকে মনে করেন বিনিয়োগ কৃত মুলধনের অতিরিক্ত কিছু গ্রহন করাই সুদ।

এভাবে নয় ছয় করে সুদের সঙা দিয়ে থাকেন। অতিরিক্ত শব্দের আরবী হল “জিয়াদ”। তাই সুদের অর্থ যদি অতিরিক্ত গ্রহন করা হয়

``` }
Categories
My text

সিয়াম – সাহেরী – ইফতার

সিয়াম – সাহেরী – ইফতার

আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাত্রির কৃষ্ণরেখা হইতে ঊষার শুভ্র রেখা স্পষ্ট রূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। অতঃপর সিয়াম পূর্ণ কর রাত্রী পর্যন্ত । (২:১৮৭ এ)

উক্ত আয়াতে রোজা, সাহেরী ও ইফতারের বর্ণনা করা

``` }
Categories
My text

সিফফিনের ঘটনা

সিফফিন যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলিম সমাজ দুটি শ্রেণীতে ভাগ হয়ে যায়। একটি পক্ষ চলে যায় হযরত আলীর সাথে এবং অপর পক্ষটি চলে যায় মোনাফেক মোয়াবিয়ার পক্ষে। মক্কা বিজয়ের পর যারা জীবন বাঁচাতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে, তারা সবাই মোয়াবিয়ার পক্ষে চলে যায়। এদের সংখ্যাই অধিক ছিল। এই তথাকথিত সাহাবী সমন্ধে পবিত্র

``` }
Categories
My text

সিজদা: কী কেন কীভাবে?

সাজদা- বহুল আলোচিত একটি শব্দ। আরবি এই শব্দটির বাংলা অর্থ কী? কুর’আন অনুসারী এবং প্রচলিত ধর্মের অনুসারীদের কথা থেকে এ বিষয়ে মৌলিক যে পার্থক্য পাওয়া যায় তা হলো- কুর’আন অনুসারীরা বলেন সাজদা বা সিজদা হলো Submission to Allah মহান আল্লাহর হুকুম আহকামকে নিঃসঙ্কোচে মেনে নেওয়া। এর সঙ্গে শারীরিক অঙ্গভঙ্গীর সম্পর্ক

``` }
Categories
My text

সিজদা কী, কেন এবং কী ভাবে?

সাজাদা/ সিজদা: কী কেন কীভাবে? সাজদা- বহুল আলোচিত একটি শব্দ। আরবি এই শব্দটির বাংলা অর্থ কী? কুর’আন অনুসারী এবং প্রচলিত ধর্মের অনুসারীদের কথা থেকে এ বিষয়ে মৌলিক যে পার্থক্য পাওয়া যায় তা হলো- কুর’আন অনুসারীরা বলেন সাজদা বা সিজদা হলো Submission to Allah মহান আল্লাহর হুকুম আহকামকে নিঃসঙ্কোচে মেনে নেওয়া।

``` }
Categories
My text

সালাতে কোরানের কোন ধরনের আয়াত পাঠ করতে হবেঃ

তুমি আবৃত্তি কর কিতাব হইতে যাহা তোমার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয়। এবং সালাত কায়েম কর। সালাত অবশ্যই বিরত রাখে অশ্লীল ও মন্দ কার্য হইতে। আর আল্লাহ্‌র স্মরণই তো সর্বশ্রেষ্ঠ। তোমরা যা কর আল্লাহ্ তা জানেন। (২৯ঃ৪৫) @ বিষ পানে মৃত্যু ঘটে। কিন্তু তাহা পান করার পরও যদি মৃত্যু না ঘটে

``` }
Categories
My text

সালাত মেরাজের আগে থেকেই ছিলঃ

সালাত ও কোরআন; আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর। (২৯ঃ৪৫) অনুবাদটিঃ আপনি সালতে দাড়ায়ে আপনার প্রতি যে ওয়াহী প্রেরণ করা হয়েছে তা তেলওয়াত করুন। নিশ্চয় সলাত অশ্লীল ও

``` }
Categories
My text

সালাত নিয়ে অনুভুতিঃ

অনুভুতিঃ১২৫ সালাত বা নামাজ এ বিষয়ে বলতে গেলে অনেক সতর্কতার সহিত বলতে হয়। এটা ধর্মের একটা স্পর্শকাতর বিষয়। কথা বললে যদি মনগড়া মন্তব্য হয় তাহলে অনেকের বিরাগভাজন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার কেউ যদি আমার কথা বুঝতে না পারেন, অথবা আমার লেখাতে যদি দুর্বলতা থাকে, তাহলে সমস্যার তো সমাধান হবেই না

``` }