সুদ,ঘুষ, প্রতারণা করে সম্পদের পাহাড় গড়ে, অন্তরের ভয়,পাপ রাশি লুকাবার জন্য সে তখন যাকাত খুজে। যাকাতের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে পাপমুক্ত ভাবে।
যাকাত কি কালো টাকা সাদা করার অফার? যা দিয়ে সে হারাম সম্পদ হালাল করবে?
বছরে একবার যাকাত দিয়ে ভাবে আমি
সুদ,ঘুষ, প্রতারণা করে সম্পদের পাহাড় গড়ে, অন্তরের ভয়,পাপ রাশি লুকাবার জন্য সে তখন যাকাত খুজে। যাকাতের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে পাপমুক্ত ভাবে।
যাকাত কি কালো টাকা সাদা করার অফার? যা দিয়ে সে হারাম সম্পদ হালাল করবে?
বছরে একবার যাকাত দিয়ে ভাবে আমি
পবিত্র ও মহিমময় তিনি যিনি তাঁহার বান্দাকে রজনীতে ভ্রমণ করাইয়াছিলেন আল-মসজিদুল হারাম হইতে আল-মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যাহার পরিবেশ আমি করিয়াছিলাম বরকতময়, তাহাকে আমার নিদর্শন দেখাইবার জন্য; তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। ” (১৭ঃ১)
সুরা ওয়াকিয়ার ৭৫ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছেঃ “আমি শপথ করছি সেই স্থানের যেখানে নক্ষত্রগুলি পতিত হয়।” —
হযরত মুসা
মিরাজ রজনীঃ ১০ম নবুয়তী বর্ষের শেষ দিকে চাচা আবুতালিব মারা যান। তার পরপরই একমাত্র শান্তনার আশ্রয়স্থল বিবি খাদিজা চির বিদায় নেন। পরপর শক্ত দুটি বিয়োগ ব্যথ্যায় নবী মোহম্মদ সাঃ যখন সংসার জীবনে বিমুঢ় হয়ে পড়েন। তার কিছু পড়েই আল্লাহ ১১ তম নবুয়তী সনে মিরাজ এর সুসংবাদ জানিয়ে দেন ভ্রমনের জন্য।
ঘুরে ঘুরে খালি হাতে ঘরে ফিরি রোজ
জাহাজের গায়ে লেখা-সমুদ্র নিখোঁজ
নিখোঁজ গেছে সারাতে সকালের ভোজ
এদিকে দেখি ধ্যানে বসেছে মনোজ।
নামাজের পাটিতে কাঁদি রোজ রোজ
বিশ্বাসে ছিল ভুল, নেই নি তো খোঁজ।।
Ekramul hoq 12/09/22
আলেমদের চাতুরতা – ফারুক হোসেন সহী বুখারি বইটি আদৌ বুখারির লেখা নয় . কোরানের পরেই যে বইটিকে আমাদের সুন্নি আলেম সমাজ সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে সেটা হলো সহী বুখারি। মজার ব্যপার হলো এই বইটি যে বুখারি লিখেছেন তারো কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য আমাদের আলেমরা দিতে পারেন না বা মূল বুখারি বই
মুহম্মদ আল্লাহর রাসুল তার প্রমানের আয়াতঃ মুহাম্মদ আল্লাহ্র রাসূল ; তাঁহার সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল, আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাহাদেরকে রুকূ ও সিজদায় অবনত দেখিবে। তাহাদের লক্ষণ তাহাদের মুখমণ্ডলে সিজদার প্রভাবে পরিস্ফুটিত থাকিবে ; তওরাতে তাহাদের বর্ণনা এইরূপ এবং ইঞ্জীলেও তাহাদের বর্ণনা
কোন কোন জাতি, কি কি কাজের মাধ্যমে জান্নাতে যাবে।সুরা বাকারার ৬২ নং আয়াতে আল্লাহ তা বলে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈন সম্প্রদায়, (এদের মধ্যে) যারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং ভাল কাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট পুরস্কার রয়েছে, তাদের কোন প্রকার ভয় নেই
আল্লাহ উপদেশ দেন…. মুর্খদের এড়িয়ে চলুন وَاَعْرِضْ عَنِ الْجٰهِلِيْنَ (ওয়া আ’রদী আনিল জাহেলিন) মুর্খদের এড়িয়ে চলুন خُذِ الْعَفْوَ — (খুযিল আফওয়া) = ক্ষমাশীলতা অবলম্বন করুন وَاْمُرْ بِالْعُرْفِ — (ওয়া আ’মর বিল উরফি) সৎকাজের নির্দেশ দিতে থাকুন
” রাসুল খোদা নেহি লেকিন খোদাছে জুদা নেহি।” বলার কারন: ১) আমি ও মামুন আজ ঢাকা যাব। ২) আমি মামুন আজ ঢাকা যাব। ১ম বাক্যে দুইজন মানুষকে বুঝায়, ২য় বাক্যে একজন মাত্র ব্যক্তিকে বুঝায়। আরবী গ্রামার অনুযায়ী ১ম বাক্যে আমি মুকতাদা এবং মামুন খবর — দুইজনকে বুঝায়। ২য়
যখন বিজ্ঞানের জয়যাত্রার পথে নতুন নতুন আবিস্কারের স্বপ্ন দেখছে, বিজ্ঞানময় এই কোরান ভিত্তিক ইংরেজী, গণিত বাদ দিয়ে আমাদের এই আলেমরা তখন সাপ,ব্যাঙের বানোয়াট ব্যঙামা ব্যঙামীর কিচ্ছা শিখিয়ে তৈরী করছেন মসজিদের ইমাম আর মাদ্রাসার শিক্ষক। যাদের আয়ের একমাত্র উৎস মানুষের যাকাত, ফিতরা, মিলাত আর কোরবানীর চামড়ার টাকা। আমরা কোরান থেকে বিজ্ঞানকে
হে মু’মিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ্কে ভয় কর তবে আল্লাহ্ তোমাদেরকে ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করিবার শক্তি দিবেন, তোমাদের পাপ মোচন করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন এবং আল্লাহ্ অতিশয় মঙ্গলময়। يٰۤـاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنْ تَتَّقُوا اللّٰهَ يَجْعَلْ لَّـكُمْ فُرْقَانًا وَّيُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّاٰتِكُمْ وَيَغْفِرْ لَـكُمْؕ وَ اللّٰهُ
ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সাঃ কোন মাসে সিয়াম সাধনা করতেন?
কুরআনে বর্ণনা করে, ‘এখন আমি তোমার প্রতি ওহী করলাম, ‘তুমি একনিষ্ঠ ইবরাহীমের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর … (১৬:১২৩)।
তাহলে ইবরাহীম আঃ এর রমযান মাস পেলেই আমার জন্য যথেষ্ট।
এবার কুরআনে দেখুন, ‘তিনি
রাসুলের কোন সুন্নত(নিয়ম) নেই, সব আল্লাহর সুন্নত…. . আমার রাসূলগণের মধ্যে তোমার পূর্বে যাহাদেরকে পাঠাইয়াছিলাম তাহাদের ক্ষেত্রেও ছিল এইরূপ নিয়ম এবং তুমি আমার নিয়মের কোন পরিবর্তন পাইবে না। سُنَّةَ مَنْ قَدْ اَرْسَلْنَا قَبْلَكَ مِنْ رُّسُلِنَا وَلَا تَجِدُ لِسُنَّتِنَا تَحْوِيْلًا সূরা নম্বরঃ ১৭, আয়াত নম্বরঃ ৭৭ ইহাই আল্লাহ্র বিধান-প্রাচীন কাল হইতে
সন্ধ্যা ও রাত্রী আল্লাহ্ যেভাবে সন্ধ্যার পরিচয় দিয়েছেনঃ 1.মাগরি বা শামস- সুর্যাস্তের স্থান (১৮:৮৬)”অবশেষে যখন সে পৌঁছল সুর্যাস্তের স্থানে। 2. আশ শাফাক সন্ধ্যা লালিমা,লাল আভা- সন্ধ্যকালীন গোধূলি,রক্তজবা. (৮৪:১৬) অত:পর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার। 3.আছাল (সন্ধ্যা) (১৩:১৫) আর আল্লাহ্’র জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের সবকিছু অনুগত ও বাধ্য হয়ে সিজদাহ্
কোন সত্যকেও প্রকাশ করতেও ভাবা উচিৎঃ —————————— স্বর্ণকার নিতাই বাবুর মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেলো। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব। বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো–এটা তোমার কাকার দোকানে নিয়ে যাও সে যেন এটা বেচে কিছু টাকার ব্যবস্থা করে দেয়। ছেলেটা হারটি নিয়ে
১৮২৯ সনে বেঙ্গল সতীদাহ প্রবিধান (রেগুলেশন XVII) ভারতের তৎকালীন গভর্নর-জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সমগ্র ব্রিটিশ ভারতে সতীদাহ প্রথাকে রহিত করে দিয়েছোন।
এ প্রথা অনুযায়ী স্ত্রীর আগে স্বামী মারা গেলে মৃত স্বামীর চিতার সাথে জ্যান্ত স্ত্রীকেও দহন করা হত। অথচ স্ত্রী আগে মারা গেলে তার চিতার সাথে
কেস হিস্টোরীর সংক্ষিপ্ত বিবরনঃ– [[মৌজাঃ খুপিবাড়ী, সিএস খতিঃ ৫০ (ক) সিএস দাগ নং ৩৪৭ জমির পরিমান ৩৭ শতক। বিআরএস দাগ ৭১৩]]
ডিজিটাল রেকর্ডে আমার নামে ২৩৬৬ বুজরাত খতিয়ান খুলে ২৫৬৭ হাল দাগ প্রদান করে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে দখল অনুযায়ী ১২.৮২ শতাংশ ভুমির রেকর্ড দিয়েছে এবং মাঠ পচরা দিয়েছে।
এ পৃথিবীতে ধর্মের নামে অধর্মের জন্য শুধু মোল্লা, পুরোহিতরা দায়ী নয় বরং ধার্মিকরা আরো বেশি দায়ী। ধার্মিকেরাই ধর্ম ব্যাবসাকে টিকিয়ে রেখেছে। সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রম করা লাগে কিন্তু ধার্মিকেরা ইহকালে ও পরকালে পরিশ্রম ছাড়াই সাফল্য পেতে চায়, ধর্মগুরুদের উপর নির্ভর করে বা তাদের ভাড়ায় খাটিয়ে নিজেদের
শয়তান এবং ইবলিশ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়: শয়তান আলাদা কোন চরিত্র না, মানুষ মন্দের অনুসরণ করে শয়তান হয়ে উঠে। #কোর’আন শয়তানকে আমাদের প্রকাশ্য শত্রু বলে। এ থেকে আমাদের সিদ্ধান্ত হলো, শয়তান মূলত মানুষের মধ্যে কৃত্রিম ভাবে নিজের মধ্যে নিজেরই সৃষ্ট মিথ্যা অবয়ব বা false image/ego মানুষের নিজের কাছে যা সবচেয়ে বেশি