প্রতিটি মানুষ-ই বিশ্বাস করে, তার নিজের বিশ্বাস-ই একমাত্র সত্য। নিজ সত্যের দাবীর খেসারত দিতে গিয়ে খুন হয় বা খুন করতেও দ্বিধাহীন থাকে। কিন্তু যে সত্যের বিশ্বাসের জন্য আমরা এমন জীবন বাজি রাখছি, সেই সত্যে বিশ্বাস কতটা সত্য, তা-কি আমরা কখনো পরখ করে দেখি? সামান্য স্বর্ণকারও পরখ না করে স্বর্ণের দেয়
Category: My text
মাদার তেরেসার নিয়ে ভাবনা
‘তুমি যদি তাহাদেরকে শাস্তি দাও তবে তাহারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাহাদেরকে ক্ষমা কর তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’
اِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَاِنَّهُمْ عِبَادُكَۚ وَاِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَاِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِيْزُ الْحَكِيْمُ
সূরা নম্বরঃ ৫, আয়াত নম্বরঃ ১১৮
ফির’আওন বলিল, ‘তাহা
Al-Baqarah 2:26 اِنَّ اللّٰهَ لَا يَسْتَحْيٖۤ اَنْ يَّضْرِبَ مَثَلًا مَّا بَعُوْضَةً فَمَا فَوْقَهَا ؕ فَاَمَّا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا فَيَعْلَمُوْنَ اَنَّهُ الْحَقُّ مِنْ رَّبِّهِمْ ۚ وَاَمَّا الَّذِيْنَ كَفَرُوْا فَيَقُوْلُوْنَ مَاذَاۤ اَرَادَ اللّٰهُ بِهٰذَا مَثَلًا ۘ يُضِلُّ بِهٖ كَثِيْرًا ۙ وَّيَهْدِيْ بِهٖ كَثِيْرًا ؕ وَمَا يُضِلُّ بِهٖۤ اِلَّا الْفٰسِقِيْنَ ۙ অবশ্যই
মসজিদ সংক্রান্ত আয়াতঃ
মসজিদ সংক্রান্ত বিষয়ঃ মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর স্বরেনে স্থানঃ তার চাইতে আর অধিক যালেম কে, যে আল্লাহর মাসজিদসমূহে তাঁর নাম স্মরণ করা থেকে বাধা প্রদান করে এবং তা ধ্বংস করতে চেষ্টা করে? (২ঃ১১৪) মসজিদগুলো আল্লাহরই জন্য। কাজেই তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে ডেকো না (৭২ঃ১৮) মসজিদে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা
ধর্মীয় উপাসনালয়কে চাকচিক্য করে, নীতি নৈতিকতা ভুলে গিয়ে এই কোন ধর্মে পতিত হচ্ছে পৃথিবীর সব হিন্দু, মুসলিম, ইহুদী, খৃষ্টান?
ইসলাম প্রচারের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ গুলি মানবতার কল্যাণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অনেক জনপদের পুরো চিত্রই পাল্টে দিয়েছিল। মসজিদ কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা, বালাখানা প্রতিষ্ঠা করে, সাধারন মানুষের
মদীনার রাষ্ট্র ব্যবস্থা হারালো কোথায়? ধর্ম ও রাষ্ট্রঃ ধর্ম এবং রাজনীতি হলো কোন রাষ্ট্রের প্রধান দু’টি দর্শনগত অবকাঠামো, যার উপর নির্ভর করে কল্যাণ রাষ্ট্র এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রর ভিত্তি তৈরী হয়। ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত
মদীনার রাষ্ট্র ব্যবস্থা হারালো কোথায়? ধর্ম ও রাষ্ট্রঃ ধর্ম এবং রাজনীতি হলো কোন রাষ্ট্রের প্রধান দু’টি দর্শনগত অবকাঠামো, যার উপর নির্ভর করে কল্যাণ রাষ্ট্র এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রর ভিত্তি তৈরী হয়। ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত
ভাবনাটা মোর
আকাশের ওপার টাই কি পরকাল?? তাই কি বার বার বলা হয়,সেদিন আকাশ ফেটে চৌচির হয়ে যাবে!! জান্নাত কে কাছে নিয়ে আসা হবে?? আবার, সেদিন আকাশে দরজার মত হবে। যা দিয়ে দৃশ্যমান এর বিলুপ্তি আর গায়েবের আগমন ঘটবে!! তাই কি স্রষ্টা বলেন, আকাশ – পৃথিবীর সৃষ্টি সংঘঠন নিয়ে উঠতে,বসতে সর্বাবস্থায় ভাবতে
ভয় কাতুরে মাহবুবের ভয়ঃ
মানুষ প্রার্থনা করে আল্লাহ যা নির্ধারন করে রেখেছেন তা নিজের মত করে পরিবর্তন করার জন্য । এটাই মানুষের প্রার্থনা। ✅প্রকৃত আল্লাহর কাছে কিছু চাইতে নাই, বরং নিজের সবকিছু লুটাতে হয়। আল্লাহ কাউকে কিছু দেয়না, বরং আল্লাহ সবকিছু ছিনিয়ে নেয়। তাই প্রার্থনা সাহসীদের জন্য, লোভীদের জন্য তা মিথ্যে ” সান্ত্বনা।” যা
বেতনভুক্ত ইমামের পরিনতিঃ
আলেমদের একটি শ্রেণী নিজেদেরকে দোজগের জ্বালানী হিসেবে তৈরী করেছে নিজেদেরঃ =============================== আল্লাহ যেটাকে কোরানে হারাম করেছে—আমরা তার পিছনে দৌড়াচ্ছি। ♦ A) সূরা বাকারা, আয়াত—১৭৪ : إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنزَلَ اللَّهُ مِنَ الْكِتَابِ وَيَشْتَرُونَ بِهِ ثَمَنًا قَلِيلًا أُولَٰئِكَ مَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ إِلَّا النَّارَ وَلَا يُكَلِّمُهُمُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا
অনুভুতিঃ১০২ সালাত নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। তুমি তোমার কিতাব পাঠ কর, আজ তুমি নিজেই তোমার হিসাব-নিকাশের জন্য যথেষ্ট।’ اِقْرَاْ كِتٰبَك َؕ كَفٰى بِنَفْسِكَ الْيَوْمَ عَلَيْكَ حَسِيْبًا ؕ সূরা নম্বরঃ ১৭, আয়াত নম্বরঃ ১৪ ২) ‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’ فَاَغْوَيْنٰكُمْ اِنَّا كُنَّا غٰوِيْنَ সূরা নম্বরঃ ৩৭,
বিগ ব্যাঙ থিওরী বনাম কোরআনঃ
মহা জগতের গৃহ নক্ষত্রের সৃষ্টি হঠাৎ এক প্রচন্ড শব্দের বিস্ফোরনে মাধ্যমে সংঘঠিত হয় বলে বিজ্ঞানের দাবী। আর এটাকেই বিগ ব্যা্ঙ থিওরী বলে।
পক্ষান্তরে কোরান বলে না, মহাজগতের অধিপতি একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তা সুবিন্যস্ত করেন। অতঃপর তাকে বসবাসের উপযোগি করে প্রাণের সৃষ্টি করেছেন।
আমি শপথ করছি এই নগরের, এমন এক নগর যার নাগরিক স্বয়ং তুমি! শপথ করছি জন্মদাতার এবং যা সে জন্ম দেয়।নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রম নির্ভর রূপে সৃষ্টি করেছি।সে কি মনে করে যে তার উপরে কারো ক্ষমতা নেই, বলে কি না অনেক টাকা উড়িয়ে দিলাম, সে কি মনে করে যে
বাংলা অনুবাদ বিভ্রাটঃ
অনুঃ ০১ ; সূরা যুমার,আয়াতঃ২২
“আল্লাহ যার বক্ষকে ইসলামের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার রবের পক্ষ থেকে আলোর মাঝে রয়েছে। যাদের অন্তর আল্লাহর স্মরনের ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্য দূর্ভোগ! তারা সুস্পষ্ট বিভ্রান্তীতে রয়েছে।” (সূরা যুমারঃ২২)
أَفَمَن شَرَحَ اللَّهُ صَدرَهُ لِلإِسلٰمِ
বাপ দাদা পুর্ব পুরষ এর অনুসরনঃ
বাপ দাদা পুর্বপুরষ এমন করে আসছেঃ ১) বরং উহারা বলে, ‘আমরা তো আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পাইয়াছি এক মতাদর্শের অনুসারী এবং আমরা তাহাদেরই পদাংক অনুসরণ করিতেছি।'(৪৩ঃ২২) ২) এইভাবে তোমার পূর্বে কোন জনপদে যখনই আমি কোন সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছি তখন উহার সমৃদ্ধিশালী ব্যক্তিরা বলিত, ‘আমরা তো আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পাইয়াছি এক মতাদর্শের অনুসারী এবং
রেফারেন্সঃ কবরে মানুষ শায়িত থাকবে (ইয়াছিন-৫২,ফাতির-২২) কবরে কোন বিচার নেই, বিচার হবে একদিনই (বাকারা-২৮১) কিয়ামতের দিনই কেবল মানদন্ড স্থাপন হবে ৷ হিসাব তখনই ৷ এর আগে নয় ৷ সূরা আল আম্বিয়া (الأنبياء), আয়াত: ৪৭ আমি কেয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারও প্রতি জুলুম হবে না। যদি কোন আমল
যারা প্রচলিত ধর্ম পালন করে সন্তুষ্টঃ
যারা প্রচলিত ধর্ম পালন করে সন্তুষ্ট যাহারা নিজেরা যাহা করিয়াছে তাহাতে আনন্দ প্রকাশ করে এবং যাহা নিজেরা করে নাই এমন কাজের জন্য প্রশংসিত হইতে ভালবাসে, তাহারা শাস্তি হইতে মুক্তি পাইবে এইরূপ তুমি কখনও মনে করিও না। তাহাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রহিয়াছে। সূরা নম্বরঃ ৩, আয়াত নম্বরঃ ১৮৮ যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে,
যারা মুখে বলে আনুগত্য করি:
তাহারা বলে, ‘আনুগত্য করি’, অতঃপর যখন তাহারা তোমার নিকট হইতে চলিয়া যায় তখন রাত্রে তাহাদের একদল যাহা বলে তাহার বিপরীত পরামর্শ করে। তাহারা যাহা রাত্রে পরামর্শ করে আল্লাহ্ তাহা লিপিবদ্ধ করিয়া রাখেন। সুতরাং তুমি তাহাদেরকে উপেক্ষা কর এবং আল্লাহ্র প্রতি ভরসা কর; কর্মবিধায়ক হিসাবে
যারা মুখে বলে আনুগত্য করি
তাহারা বলে, ‘আনুগত্য করি’, অতঃপর যখন তাহারা তোমার নিকট হইতে চলিয়া যায় তখন রাত্রে তাহাদের একদল যাহা বলে তাহার বিপরীত পরামর্শ করে। তাহারা যাহা রাত্রে পরামর্শ করে আল্লাহ্ তাহা লিপিবদ্ধ করিয়া রাখেন। সুতরাং তুমি তাহাদেরকে উপেক্ষা কর এবং আল্লাহ্র প্রতি ভরসা কর; কর্ম বিধায়ক হিসাবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। সূরা নিসা, আয়াত
যাকে মুর্খতা ও অজ্ঞতা ঘিরে আছে:
” যাকে মুর্খতা ও অজ্ঞতা ঘিরে আছে। সে অজ্ঞদের মাঝেই চলাফেরা করে। । সে কোরআন ও সুন্নাহকে পরিত্যাগ পুর্বক নিজের ইচ্ছামত বিধি নিষেধ তৈরী করে নেয়। প্রকৃত সে দুষিত পানি দ্বারা তৃষ্ণা নিবারন করে এবং যা অর্জন করে তা অর্থহীন। সাধারন মানুষ তাকে পরহেজগার পন্ডিত মনে করলেও আসলে সে তা
