দুনিয়াবী ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের আনুগত্য করা ফরজ এখানে উল্লেখ্য যে, আল্লাহ বলেন, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের আনুগত্য কর এবং উলিল আমরগণের আনুগত্য কর (নেসা, ৫৯ আয়াত)। এই আয়াতের মধ্যে দুই ধরনের আনুগত্যের কথা বলা হয়েছে। (১) একটি হচ্ছে দ্বীনের ক্ষেত্রে আনুগত্য করা, (২) অপরটি হচ্ছে দুনিয়াবী
Category: My text
প্রচলিত হাদীস:
প্রচলিত হাদিস, না মানিলে সে কাফের?
এই কথা যাহারা বলিয়া থাকেন এবং কাফের ফতুয়া দিয়ে থাকেন। তাহাদের ফতুয়ানুযায়ী, যাহারাই প্রচলিত হাদীসের কেতাব রচিত করেছেন তাঁহারাই,কাফের ফতুয়া পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই বিষয়েই অতি সংক্ষেপে কিছু কথা। হাদিস কাহাকে বলে? উওরঃ কোরআনের আলোকেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম; সাহাবায়ে কেরামদেরকে
প্রচলিত সালাতে নয়,কোরান বুঝে পড়ায় কল্যানঃ
প্রচলিত সালাত নয়,কোরান বুঝে পড়াঃ ১) যাহারা নিজেদের নিকট কোন দলীল না থাকিলেও আল্লাহ্র নিদর্শন সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়, উহাদের অন্তরে আছে কেবল অহংকার, যাহারা এই ব্যাপারে সফলকাম হইবে না। অতএব আল্লাহ্র শরণাপন্ন হও; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (৪০ঃ৫৬) ২) আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও রহিয়াছে যাহারা বলে, ‘আমরা আল্লাহ্
প্রচলিত যাকাত বনাম আল্লাহর কাংখিত যাকাতঃ
প্রচলিত নামাজ
প্রচলিত সালাত কেন ব্যার্থ হয়?
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন
প্রচলিত ইবাদতে তৃপ্ত নই কেন?
যারা প্রচলিত ইবাদত পালনকরে তৃপ্তিতে আছেঃ যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তাহারা তোমাকে আল্লাহ্র পথ হইতে বিচ্যুত করিবে। তাহারা তো শুধু অনুমানের অনুসরণ করে ; আর তাহারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে।(৬ঃ১১৬) মানুষের মধ্যে কেহ কেহ আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে; তাহাদের না আছে জ্ঞান, না আছে পথনির্দেশ,
প্রচলিত সালাত আর আল্লাহর নির্দেশিত
আমাদের প্রচলিত বা পরিচিত নামাজের যে আনুষ্ঠানিকতা তা কখনোই কোরান বিরুদ্ধ নয়। কোরানে সালাত শব্দটি প্রার্থনা অর্থেও ব্যবহৃত হয়েছে। এ ছড়া দয়া, ক্ষমা প্রার্থণা,আল্লাহর দয়া, অনুগ্রহ চাওয়া, আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ত মহিমা বর্ননা করার কথা কোরানে বহুববার বলা হয়েছে।
নামাজের প্রতি রাকাতে আমরা সূরা ফাতিহা পড়ি। সূরা ফাতিহা
প্রকৃত সালাত কি
সালাতের নিয়ম কানুন কোরান থেকে রেফারেন্স সহ জানাতে চেয়ছেন। কোরানে সালাতের মুল বিষয়ে অবশ্যই ইংগিত করেছেন আল্লাহ। তা জানার জন্য কোরানকে গভীর ভাবে অনুশীলন করতে হবে। আমি যতটুকু পেয়েছি উপস্থাপন করছি।
১) সালাতের ওয়াক্ত বিষয়ে আয়াত: নিশ্চয় সালাত মুমিনদের উপর ‘মাওকুতা’ নির্দিষ্ট সময়ে ফরয। (৪ঃ১০৩)
প্রকৃত ইসলামের সাথে কতটা সংযোগ আছেঃ
মুসলমানদের সবচেয়ে হাস্যকর আচরণ হলো, তারা দাবী করে যে তারা বিশ্বাস করে জমিনে কোর’আন-ই একমাত্র ঐশী-কিতাব যা বিশুদ্ধভাবে রক্ষিত আছে, এবং যা সরাসরি আল্লাহ’র পক্ষ থেকে সমগ্র মানবজাতির জন্য পথ নির্দেশনা রূপে এসেছে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে খুব মুসলমান-ই আছে যারা শুধু সূরা ফাতিহার অর্থ বুঝে। যারা পাঁচওয়াক্ত নামাজ মাসজিদে জামাতে পড়ে,
পাখির সালাত
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَ كُنْ مِّنَ السّٰجِدِیْنَۙ (15:98) (ফাছাব্বিহ বিহামদি রাব্বিকা ওয়া কুম মিনাছ সাজিদিনা) অনুবাদ: সুতরাং পবিত্রতার সাথে তোমার রবের মহিমা ও প্রশংসা কর এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও। শব্দার্থ: فَسَبِّحْ = সুতরাং পবিত্রতা ঘোষণা করো, بِحَمْدِ = প্রশংসা সহ, رَبِّكَ = তোমার রবের, وَكُنْ = এবং হও, مِنَ =
পবিত্র কোরআনে যাদের নাম এসেছেঃ
কোরআনে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ, ফেরেশতা ও দেব-দেবীর নাম এসেছে। আল্লাহ ভালো ও মন্দ দৃষ্টান্ত হিসেবে তাদের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে, উল্লিখিত ব্যক্তিদের নাম কোরআনে আসার ব্যাপারে কোনো মতভিন্নতা না থাকলেও তাদের নাম কতবার উল্লেখ করা হয়েছে তা নিয়ে মতভিন্নতা আছে। এখানে বেশির ভাগ তাফসিরবিদের মতামত অনুসরণ করা
নেশা গ্রস্থ
হে মু’মিনগণ! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হইও না, যতক্ষণ না তোমরা যাহা বল তাহা বুঝিতে পার, ( ৪ঃ ৪৩) یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا لَا تَقْرَبُوا الصَّلٰوةَ وَ اَنْتُمْسُكٰرٰى حَتّٰى تَعْلَمُوْا مَا تَقُوْلُوْنَ ইয়া আইয়ুহাল্লাযিনা আমানুলা –হে মুমিন গন তাকরাবুস সালাতা — সালাতের নিকট যেও না ওয়া আনতুম সুকারা — যখন
নিজেদের বোঝার সাথে অন্যের পাপের বোঝাও।
” নিশ্চয় তারা তাদের পাপের বোঁঝা বহন করবে এবং নিজেদের বোঝার সাথে অন্যের বোঝাও। (২৯ঃ১৩) দু’ব্যক্তিকে আল্লাহ অতিশয় ঘৃণা করেন। এদের একজন হল সে — ” যাকে মুর্খতা ও অজ্ঞতা ঘিরে আছে। সে অজ্ঞদের মাঝেই চলাফেরা করে। । সে কোরআন ও সুন্নাহকে পরিত্যাগ পুর্বক নিজের ইচ্ছামত বিধি নিষেধ জারি করে।
নাস্তিক হওয়ার তিন উপায়ঃ
নাস্তিক হওয়ার তিন উপায়: ১। আপনি যে ধর্মের মানুষ সে ধর্মের কুসংস্কার নিয়ে কথা বলবেন। ২। ধর্মীয় মিথ এবং ধর্ম ব্যবসা, উগ্রবাদীতার বিরোধিতা করে সত্য কথা বলবেন। ৩। ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক এবং তাত্ত্বিক বিষয়ে ভালো ধারণা নিয়ে লেখালেখি করবেন। এই তিনটি কাজ করলে জনসাধারণ, অন্ধবিশ্বাসী, উগ্রবাদী, যুক্তিবুদ্ধিহীন লোক গুলো আপনাকে নাস্তিক
নারীর পর্দা কেমন করতে হবেঃ
আল্লাহ নারীকে ঢাকতে বললেন বুক আর বিশেষ দল ঢাকতে বলছে তাদের মুখ।
(“ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে/সতীত্ব বজায় রাখে। তারা যেন, যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া, তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে”। তারা যেন তাদের বুকগুলি তাদের
নামাজ নয় কোরানের হিসাব নিবেনঃ
সালাত নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। তুমি তোমার কিতাব পাঠ কর, আজ তুমি নিজেই তোমার হিসাব-নিকাশের জন্য যথেষ্ট।’ اِقْرَاْ كِتٰبَك َؕ كَفٰى بِنَفْسِكَ الْيَوْمَ عَلَيْكَ حَسِيْبًا ؕ সূরা নম্বরঃ ১৭, আয়াত নম্বরঃ ১৪ ২) ‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’ فَاَغْوَيْنٰكُمْ اِنَّا كُنَّا غٰوِيْنَ সূরা নম্বরঃ ৩৭, আয়াত
মাসালা আল্লাহর
আয়াত দুটি থেকে কি বুঝা যায়:
১) “অবশ্যই আল্লাহ কোন কিছুর মাসালা দিতে লজ্জাবোধ করেন না, তা কোন মশা হোক কিংবা তার চেয়ে অনেক বড় কিছু (অথবা অনেক ছোট কিছু) হোক; এরূপ ক্ষেত্রে যারা বিশ্বাসী তারা জানে যে, এটাই তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে সঠিক;
মাযহাব কিভাবে এল
মাযহাব ছিল ৪, হয়ে গেছে লক্ষ প্রত্যেকের নিজ চিন্তা প্রকাশের স্বাধীনতা যেমন আছে, তেমনি কারো চিন্তা গ্রহণ বা বর্জন করার স্বাধীনতাও আছে, আবার তার চিন্তা ও বিশ্বাসকে কলম দ্বারা প্রতি উত্তর দেয়ার স্বাধীনতাও আছে। কিন্তু একজন মানুষ আমার চিন্তা বা বিশ্বাসের সাথে একমত নয়, বা কারো চিন্তা বা বিশ্বাস আমার
মানুষের বৈশিষ্ট অনুযায়ী আল্লাহ বলেনঃ
1- এরা বানর :২:৬৫, ৭ : ১৬৬. 2- শুকর : ৫ : ৬০. 3- লা’নতপ্রাপ্ত : ২:১৫৯, ৩ : ৮৭. ৪- পৃথীবির সর্ব নিকৃষ্ট জীব : ৯৮ : ৬, ৮:২২,৫৫ 5- আগুনখেকো :২:১৭৪. 6- হাঁপানো কুকুর : ৭:১৭৬. 7- গাধা : ৬২ : ৫ 8- মানুষের মাল অবৈধভাবে ভক্ষনকারী :
