সূরা আল কদর – এর অসতর্কতা মূলক অর্থ নিয়ে । اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِىۡ لَيۡلَةِ الۡقَدۡرِ. وَمَاۤ اَدۡرٰٮكَ مَا لَيۡلَةُ الۡقَدۡرِؕ. لَيۡلَةُ الۡقَدۡرِ ۙ خَيۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَهۡرٍؕ. ‘কদর’ শব্দটি অপরিবর্তিত রেখেই আয়াত তিনটির সরল অর্থ: তা (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। আর তুমি কি জানো- কদরের রাতটি কি? কদরের রাতটি
Category: My text
-ঃএলো মেলোঃ-
আঁধারে নয় আলোতে ভয়,
দৃশ্য গুলো শব্দ ময়,
শূ্ন্যতার ভীড়ে হারিয়েছে স্তব্ধ সময়!
এরা মনে করে আমরা ঠিক পথেই চলছি
যে ব্যক্তি আল্লাহর স্মরণে (কোরআন) বিমুখ হয় আমি তার উপর এক শয়তান চাপিয়ে দেই, সে তার বন্ধু হয়ে যায়।
এ শয়তান এসব লোকদেরকে সঠিক পথে আসতে বাঁধা দেয়, কিন্তু এরা মনে করে আমরা ঠিক পথেই চলছি। (যুখরফ, আয়াত ৩৬-৩৭)
যাহাদের চক্ষু ছিল অন্ধ আমার নিদর্শনের প্রতি
এক শ্রেনীর মানুষ
মানুষের মধ্যে একটা শ্রেণি আছে, যারা সবসময় নিজেকেই নিজে সত্য মনে করেন। সবসময় নিজের ধ্যান-ধারণা, বিশ্বাস, জ্ঞানকেই একমাত্র সত্য মনে করেন। নিজের বিশ্বাস, জ্ঞানও যে মিথ্যা হতে পারে, নিজের বিশ্বাসের গণ্ডীর বাহিরেও যে অন্যকিছু সত্য হতে পারে; এটা কখনোই তারা মানতে রাজী নয়।
এমনকি তারা ধর্মচর্চার
এই ঈদে বাংলা জলসায়
……………….এই ঈদে বাংলা জলসায়
চমৎকার ফর্মুলা, দুই চামচ অহংকারের সাথে,
একমুঠো অবহেলা মিশিয়ে,কিছুক্ষণ হালকা নেড়ে রেখে দিন,ব্যাস তৈরী হয়ে গেলো সম্পর্ক নষ্টের মজাদার চাটনি!
IMRAN
পরিবেশন করুন প্রথম ” ন…..দ.” এর টেবিলে।।
উহাদের পরে আসিল
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা-পরবশ হইল। সুতরাং উহারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, কিন্তু উহারা নহে-যাহারা তওবা করিয়াছে, ঈমান আনিয়াছে ও সৎকর্ম করিয়াছে। উহারা তো জান্নাতে প্রবেশ করিবে। উহাদের প্রতি কোন জুলুম করা হইবে না। (১৯:৫৯-৬০) অতঃপর প্রত্যেক দলের মধ্যে হতে দয়াময়ের
উমাইয়া বিকৃতি
অন্যান্য সকল ভাষার মতো, আরবি ভাষা হল একটি জীবন্ত ভাষা , যা সময়ের সাথে সাথে বিকশিত এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদি কুরআন না থাকত, তাহলে আরবি ভাষাটি সম্ভবত আরামাইক, সিরিয়াক বা ল্যাটিন ভাষার মতো একইভাবে মারা যেত বা অদৃশ্য হয়ে যেত। মিশরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশের আরবি উপ ভাষা
ঈমান ও সৎকর্ম বিষয়ে আয়াতঃ
জান্নাত প্রাপ্তির শর্ত ঈমান আনা ও সৎকাজ করাঃ ☑️ সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ২৫** ☑️সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ৬২ সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ৮২ সূরা নম্বরঃ ২ নম্বরঃ ২৭৭ ☑️ সূরা নম্বরঃ ৩, আয়াত নম্বরঃ ৫৭ সূরা নম্বরঃ ৪, আয়াত নম্বরঃ ৫৭ সূরা নম্বরঃ ৪, আয়াত নম্বরঃ
ঈমান vs একীন
খুব কাছাকাছি অর্থ বহন কারী দুটি শব্দ ঈমান (اٰمَنُ) ও ইয়াকিন (یَقِیْنُ۠)। বিশ্বাস ও বিশ্বাস অনুযায়ী কর্ম প্রতিষ্ঠা করন। وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَاْتِيَكَ الْيَـقِيْنُ শব্দার্থ: وَاعْبُدْ = ও ইবাদত করো, رَبَّكَ = তোমার রবের, حَتَّىٰ = যতক্ষণ না, يَأْتِيَكَ = তোমার কাছে আসে, الْيَقِينُ = ইয়াকিন ইবাদত এবং ইয়াকিন শব্দ
ঈমান VS আমল
কেউ নামজ না পড়লে, রোজা না করলে, হজ্জ না করলে, যাকাত না দিলে, কোরবানী না করলে –সে কি কাফের হয়? না,গুনাগার হয়?
তাই ঈমানের ও আমলের সম্পর্কে আগে বুঝা জরুরী। ঈমান ঠিক নাই আমল করে বস্তা ভরলেও লাভ নাই? কারন ঈমান যার আছে তার জন্য আমল।
ঈমান যখন আকরিকে অবস্থান
শয়তান একবার হযরত ঈসা (আঃ)-কে বললো ,”তুমি এই পাহাড় থেকে লাফ দাও, যদি তোমার সৃষ্টিকর্তা সত্য হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন”। তখন হযরর ঈসা (আঃ) শয়তানকে বললেন, “আমার প্রভু সবার পরীক্ষা নেন, আমি কখনোই আমার প্রভুর পরীক্ষা নিতে যাবো না”। কিন্তূ আমরা বাঙ্গালীরা উল্টো প্রভুর পরীক্ষা নেই ।
ঈদ উৎসবের যুক্তি
মারইয়াম-তনয় ‘ঈসা বলিল, ‘হে আল্লাহ্ আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান হইতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা প্রেরণ কর; ইহা আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য হইবে আনন্দোৎসবস্ব রূপ এবং তোমার নিকট হইতে নিদর্শন। আর আমাদেরকে জীবিকা দান কর; তুমিই তো শ্রেষ্ঠ জীবিকাদাতা।’ قَالَ عِيْسَى ابْنُ مَرْيَمَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَاۤ اَنْزِلْ عَلَيْنَا مَآٮِٕدَةً
কোরান একসাথে নাযিল হয়েছে কি ?
মানুষের কাছে বর্ননা করার জন্য কুরআনের কোন ঘটনা বা বিষয় ভিত্তিক আয়াত গুলি একসাথে করে বলা যাবে, লিখা যাবে এমন কি বই আকারে প্রকাশ করা যাবে। কিন্তু এর বিনিময়ে কোন প্রতিদান (সুবিধা) নেয়া যাবে না ٱللَّهُ نَزَّلَ أَحْسَنَ ٱلْحَدِيثِ كِتَٰبًا مُّتَشَٰبِهً আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন উত্তম হাদিস সম্বলিত কিতাব যার অংশসমূহ
কোরান অনুযায়ী ঈমানের বিষয়ঃ
পবিত্র কুরআনে বিশ্বাসের দিকনির্দেশনার উপাদান:
৩) কুরআনই একমাত্র হাদিস যা আমাদের বিশ্বাস করা উচিত। আল্লাহ কুরআনকে “হাদিস/حَدِيثٍ” শব্দের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন এবং এটিই একমাত্র এবং সর্বোত্তম “হাদিস” , যা আমাদের অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। কারণ এতে ধর্মের সম্পূর্ণ এবং নিখুঁত সত্য রয়েছে: “বা তারা বলেঃ এই কোরআন সে
কোরআনের সালাত ও প্রচলিত নামাজঃ
প্রচলিত নামাজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি, যদিও নামাজ শব্দটা ফার্সি, তার পরেও আমরা এই ফার্সি নামাজ শব্দ কুরআনের আরবি সালাত অর্থেই ব্যবহার করে থাকি, এছাড়াও আমরা সকলেই জানি নামাজের নিয়ম পদ্ধতি এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে, এখন কথা হচ্ছে যদি প্রচলিত এই নামাজ কুরআনের সালাত নাই হয় তাহলে অজুর
কোরআনের চাপা কান্নাঃ
কোরানের চাপা কান্নাঃ
বুখারী নয় — হাদীসের প্রথম সংকলক হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ রহঃ। তিনি একজন তাবেঈ। জন্ম ৫২ হিজরী ৬৭৪ খৃষ্টাব্দ মৃত্যু ১৩১ হিজরী। তিনি আবু হুরায়রা রাঃ এর ছাত্র ছিলেন। তার সংকলিত হাদীস সংখ্যা ১০০ থেকে ১২০ টি। তার
কোরআনের আলোকে কোরবানী ও হজ্জঃ
পশু কুরবানী, হজ্ব সম্পর্কে, কুরআন থেকেঃ ***************************** আমরা জানি, মানব জাতির জন্য আদিতে যে গৃহটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল উহা বাক্কায় অর্থাৎ মক্কায় অবস্থিত। যখন ইব্রাহিম আঃ বলেছিলেনঃ “হে প্রভু ইহাকে তুমি নিরাপদ শহর করিও এবং ইহার অধিবাসীদের মধ্য হইতে যারা আল্লাহ ও আখেরাতে ঈমান আনে তাদেরকে জীবিকা প্রদান করিও।
কোরআনে” যার কোন নিয়ম নাই —
“কোরআনে” যার কোন নিয়ম নাই — ‘তা পালন করতে, পূর্বতনদের আচরণ এবং নিয়ম’ই ফলো করি আমরা। সেই নিয়ম না-মানলে যে ‘দোজখে যাবো তা’ কিন্তু নয়। —বিরাশীবার কোরআনে সালাত কায়েমের কথা বলা আছে, কিন্তু নামাজ পড়ার কথা একবারও বলা হয়নি। কোরআনে আছে- রুকুকারী, সিজদাকারী, সালাতকারী, তাওয়াফকারী, এতেকাফকারী। *** আর- এগুলোকে একত্রিত
কোরআন বুঝতে হলেঃ
১) প্রথমে কুরআনের পুরো আয়াতটা তার প্রসঙ্গ সহকারে পড়ুন। বোঝার চেষ্টা করুন আয়াতটি নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠির জন্য নাকি সমগ্র মানব জাতির জন্য , নির্দেশ বা উপদেশ মূলক নাকি শিক্ষামুলক কাহিনি বা বর্ননা ইত্যাদি। ২) অধিকাংশ মুসলমান কুরআনের অর্থ না জেনেই পড়েন। কারণ আজকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান এটা মেনে
কোরআন বিজ্ঞানময় শুধু উপদেশের নয়ঃ
কোরআন বিজ্ঞানময় আর এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনঃ
কোরআন যে বিজ্ঞানময় তা প্রমানের জন্য একটি আয়াত তুলে ধরা হলোঃ
আমি শপথ করিতেছি নক্ষত্র সমুহের পতন স্থানের ,(৫৬ঃ৭৫) কিন্তু কেন এ শপথ !
আল্লাহ আল কোরানে মানুষের ইহকালীন এবং পরকালীন কল্যানের কথা যেমন আলোচনা করেছেন তেমনি আলোচনা
