❤আদমকাবায় সেজদার মাধ্যমে ইবলিসের ঈমান পরীক্ষা করা হবে এবং নবী (সঃ)কে সেজদা দিয়েছে সাহাবীরা তাঁর প্রমাণ স্বরূপ আয়াত কি?❤ আল্লাহর ক্ষেত্রে অতীত বর্তমান ভবিষ্যত সকলই সমান। তিনি ভবিষ্যতের বিষয়টি ও অনুধাবন করতে পারেন। ঈমান পরীক্ষা না করে। ইবলিসকে দোজখে দিলে তাহলে সে এমনটি বলবে আমার ঈমান পরীক্ষা করলে আমি জান্নাতে
Category: My text
ইবলিশ কেমন সিজদা প্রদানে অস্বীকার করেছিল
সিজদাহঃ
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ্কে সিজদা করে যাহা কিছু আছে আকাশমণ্ডলীতে ও পৃথিবীতে, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্রমণ্ডলী, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং সিজদা করে মানুষের মধ্যে অনেকে ? আবার অনেকের প্রতি অবধারিত হইয়াছে শাস্তি। আল্লাহ্ যাহাকে হেয় করেন তাহার সম্মানদাতা কেহই নাই; আল্লাহ্ যাহা ইচ্ছা তাহা করেন। (২২ঃ১৮)
আস সালাতু মিফতাহুল জান্নাহ, — ভুলঃ
আল্লাহ বলেন ঈমান আনায়ন ও সৎকর্ম জান্নাতের চাবীঃ ☑️ ১) যাহারা ঈমান আনয়ন করে ও সৎকর্ম করে তাহাদেরকে শুভ সংবাদ দাও যে, তাহাদের জন্য রহিয়াছে জান্নাত-যাহার নিন্মদেশে নদী প্রবাহিত। যখনই তাহাদেরকে ফলমূল খাইতে দেওয়া হইবে তখনই তাহারা বলিবে, ‘আমাদেরকে পূর্বে জীবিকা রূপে যাহা দেওয়া হইত ইহা তো তাহাই; তাহাদেরকে অনুরূপ
আল্লাহর হাদীস কোরানঃ
সত্যিকার “হাদীস”কি? ✅ ‘রাব্বুল আ-লামীন’ কুরআনকে সর্বোত্তম হাদীসের গ্রন্থ বলেছেন এবং মুশরিকদের কুরআনের সমকক্ষ হাদীস আনতে চ্যালেঞ্জ করেছেন। ➡️ “না তারা বলেঃ এই কুরআন সে নিজে রচনা করেছে? বরং তারা অবিশ্বাসী। যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবেএর অনুরূপ কোন হাদীস (بِحَدِيثٍ) উপস্থিত করুক। – [৫২: ৩৩-৩৪] ✅ আল্লাহ কুরআনকে উত্তম
আল্লাহর নির্দেশের বাহিরে নিজের গড়া ইবাদতঃ
১) যাহারা নিজেদের নিকট কোন দলীল না থাকিলেও আল্লাহ্র নিদর্শন সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়, উহাদের অন্তরে আছে কেবল অহংকার, যাহারা এই ব্যাপারে সফলকাম হইবে না। অতএব আল্লাহ্র শরণাপন্ন হও; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (৪০ঃ৫৬) ২) আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও রহিয়াছে যাহারা বলে, ‘আমরা আল্লাহ্ ও আখিরাতে ঈমান আনিয়াছি’, কিন্তু
আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পনঃ
আত্নসমর্পণ” ‘আমি সকল সৃষ্টির রবের কাছে নিজকে সমর্পণ করলাম’। – (২ঃ১৩১) ‘নিশ্চয় আমার সালাত, আমার ইবাদাত পদ্ধতি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির রব’। – (৬ঃ১৬২) নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। (২ঃ১৫৬) ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম
আল্লাহর দৃষ্টিতে মানুষঃ
হে দয়াময় যদি ভুল করি শুধরে দিও যদি হারিয়ে যাই রাস্তা দেখিও যদি হেরে যাই অন্তরে জোর দিও। কর্মের উপাধী মুক্ত হয়ে জেনো ফিরতে পারি। তুমিই আমাদের নাম দিয়েছোঃ বাশার [الْبَشَر ] নাস [النَّاس ], এবং ইনসান [ الْإِنْسَان ] খলিফা –[-خَليفَةً] ইনসান এমন সৃষ্টির নাম যে, বারে বারে তার
আল্লাহকে সিজদাহ
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ্কে সিজদা করে যাহা কিছু আছে আকাশ মণ্ডলীতে ও পৃথিবীতে, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র মণ্ডলী, পর্বত রাজি, বৃক্ষলতা, জীব জন্তু এবং সিজদা করে মানুষের মধ্যে অনেকে ? আবার অনেকের প্রতি অবধারিত হইয়াছে শাস্তি। আল্লাহ্ যাহাকে হেয় করেন তাহার সম্মানদাতা কেহই নাই; আল্লাহ্
আল্লাহ মানুষকে চারটি জাতীতে ডেকেছেনঃ
কোন কোন জাতি, কি কি কাজের মাধ্যমে জান্নাতে যাবে। সুরা বাকারার ৬২ নং আয়াতে আল্লাহ তা বলে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈন সম্প্রদায়, (এদের মধ্যে) যারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং ভাল কাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট পুরস্কার রয়েছে, তাদের কোন প্রকার ভয়
আল্লাহ মানুষকে কি কি নামে সম্বোধন করেছেনঃ
হে দয়াময় যদি ভুল করি শুধরে দিও যদি হারিয়ে যাই রাস্তা দেখিও যদি হেরে যাই অন্তরে জোর দিও। কর্মের উপাধী মুক্ত হয়ে জেনো ফিরতে পারি। তুমিই আমাদের নাম দিয়েছোঃ বাশার [الْبَشَر ] নাস [النَّاس ], এবং ইনসান [ الْإِنْسَان ] খলিফা –[-خَليفَةً] ইনসান এমন সৃষ্টির নাম যে, বারে বারে তার
‘কাফের’ একটি আরবি শব্দ, যা আরবি কুফর ধাতু থেকে আগত, যার শাব্দিক অর্থ হল ঢেকে রাখা, লুকিয়ে রাখা এবং এর ব্যবহারিক অর্থ হল অবাধ্যতা, অস্বীকার করা, অকৃতজ্ঞতা।
এখন কথা হলো সব মানুষই কিছু না কিছু অন্য থেকে লুকিয়ে রাখে, ঢেকে রাখে। তাহলে যে যার সাপেক্ষে ঢেকে
আমার পৃথিবী ০১/০২/২২ মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় নিস্তব্ধ শান্ত পৃথিবী একাকীত্তের দহন যন্ত্রনা উপভোগ করতে শেখায় আসন্ন কোন পথ যাত্রার। বুকটা দূরু দূরু করে এপাশ ওপাশ ফিরে আবার প্রভাত আসে নিয়মের গতিতে কোলহল হয়ে উঠে সব ঘুমভাঙ্গা মেমরী সারাদিন মাথায় ধোয়ার জাল বুনে কোন হিসাব মিলে না আবার সন্ধা
কদর অনুবাদ বিভ্রাটঃ
সূরা আল কদর – এর অসতর্কতা মূলক অর্থ নিয়ে । اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِىۡ لَيۡلَةِ الۡقَدۡرِ. وَمَاۤ اَدۡرٰٮكَ مَا لَيۡلَةُ الۡقَدۡرِؕ. لَيۡلَةُ الۡقَدۡرِ ۙ خَيۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَهۡرٍؕ. ‘কদর’ শব্দটি অপরিবর্তিত রেখেই আয়াত তিনটির সরল অর্থ: তা (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। আর তুমি কি জানো- কদরের রাতটি কি? কদরের রাতটি
-ঃএলো মেলোঃ-
আঁধারে নয় আলোতে ভয়,
দৃশ্য গুলো শব্দ ময়,
শূ্ন্যতার ভীড়ে হারিয়েছে স্তব্ধ সময়!
এরা মনে করে আমরা ঠিক পথেই চলছি
যে ব্যক্তি আল্লাহর স্মরণে (কোরআন) বিমুখ হয় আমি তার উপর এক শয়তান চাপিয়ে দেই, সে তার বন্ধু হয়ে যায়।
এ শয়তান এসব লোকদেরকে সঠিক পথে আসতে বাঁধা দেয়, কিন্তু এরা মনে করে আমরা ঠিক পথেই চলছি। (যুখরফ, আয়াত ৩৬-৩৭)
যাহাদের চক্ষু ছিল অন্ধ আমার নিদর্শনের প্রতি
এক শ্রেনীর মানুষ
মানুষের মধ্যে একটা শ্রেণি আছে, যারা সবসময় নিজেকেই নিজে সত্য মনে করেন। সবসময় নিজের ধ্যান-ধারণা, বিশ্বাস, জ্ঞানকেই একমাত্র সত্য মনে করেন। নিজের বিশ্বাস, জ্ঞানও যে মিথ্যা হতে পারে, নিজের বিশ্বাসের গণ্ডীর বাহিরেও যে অন্যকিছু সত্য হতে পারে; এটা কখনোই তারা মানতে রাজী নয়।
এমনকি তারা ধর্মচর্চার
এই ঈদে বাংলা জলসায়
……………….এই ঈদে বাংলা জলসায়
চমৎকার ফর্মুলা, দুই চামচ অহংকারের সাথে,
একমুঠো অবহেলা মিশিয়ে,কিছুক্ষণ হালকা নেড়ে রেখে দিন,ব্যাস তৈরী হয়ে গেলো সম্পর্ক নষ্টের মজাদার চাটনি!
IMRAN
পরিবেশন করুন প্রথম ” ন…..দ.” এর টেবিলে।।
উহাদের পরে আসিল
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা-পরবশ হইল। সুতরাং উহারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, কিন্তু উহারা নহে-যাহারা তওবা করিয়াছে, ঈমান আনিয়াছে ও সৎকর্ম করিয়াছে। উহারা তো জান্নাতে প্রবেশ করিবে। উহাদের প্রতি কোন জুলুম করা হইবে না। (১৯:৫৯-৬০) অতঃপর প্রত্যেক দলের মধ্যে হতে দয়াময়ের
উমাইয়া বিকৃতি
অন্যান্য সকল ভাষার মতো, আরবি ভাষা হল একটি জীবন্ত ভাষা , যা সময়ের সাথে সাথে বিকশিত এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদি কুরআন না থাকত, তাহলে আরবি ভাষাটি সম্ভবত আরামাইক, সিরিয়াক বা ল্যাটিন ভাষার মতো একইভাবে মারা যেত বা অদৃশ্য হয়ে যেত। মিশরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশের আরবি উপ ভাষা
ঈমান ও সৎকর্ম বিষয়ে আয়াতঃ
জান্নাত প্রাপ্তির শর্ত ঈমান আনা ও সৎকাজ করাঃ ☑️ সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ২৫** ☑️সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ৬২ সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ৮২ সূরা নম্বরঃ ২ নম্বরঃ ২৭৭ ☑️ সূরা নম্বরঃ ৩, আয়াত নম্বরঃ ৫৭ সূরা নম্বরঃ ৪, আয়াত নম্বরঃ ৫৭ সূরা নম্বরঃ ৪, আয়াত নম্বরঃ
