আল্লাহ কি উপাস্য নাকি হুকুম দাতা (ইলাহ)?
আল্লাহ কুরআন এ বলেন আল্লাহ ইলাহ হুকুম দাতা।
মানুষ আল্লাহকে বানাইল উপাস্য।
আল্লাহ কি উপাস্য নাকি হুকুম দাতা (ইলাহ)?
আল্লাহ কুরআন এ বলেন আল্লাহ ইলাহ হুকুম দাতা।
মানুষ আল্লাহকে বানাইল উপাস্য।
ইসলাম বলে কি আর আমরা করি কি?
তারা শেখালো, নামায জান্নাতের চাবি।
আল্লাহ জানালেন, বিশ্বাস ও বিশ্বাসের দাবি বাস্তবায়ন জান্নাতের চাবি।।
ইসলাম কি দ্বীন নাকি ধর্ম এবং শিরকের এর রুপ।
তাদের অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে ও তাঁর সঙ্গে শিরকও করে! {১২:১০৬}
ইসলাম কি ও কেন?
ইসলাম তো আদৌ কোন ধর্ম নয়, বলেন জীবন পদ্ধতি, আল্লাহর দেয়া জীবন পদ্ধতি, যেটা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে, এই আত্ম সমর্পণের সমষ্টিকে ইসলাম বলে, আত্মসমর্পণ এর বিকাশ ঘটে কর্মের মাধ্যমে, কর্মের সমষ্টি হল জীবন পদ্ধতি।
ইতিহাসে জানা যায়, ইয়াকুবের বারো পুত্রের নামে বনী-ইস্রায়েলের বারোটি গোষ্ঠীর জন্ম হয়। যার মধ্যে ইয়াহুদা’র নাম থেকে ইহুদি শব্দটি এসেছে। ইহুদিদের কথা পবিত্র কোরআনের বারবার উল্লেখ করা হয়েছে।
,ঈমাম মাহাদীর আগমনঃ
যারা ভাবছেন ঈসা আঃকে তুলে নেয়া হয়েছে এবং তাঁকে ফ্রিজ-অন করে রাখা হয়েছে চতুর্থ আসমানের, কিয়ামতের পুর্বে সকল অনাচার দুর করার জন্য ইমাম মাহাদী রুপে পৃথিবীর বুকে আবার আসবেন।
স্মরণ কর, যখন আল্লাহ্ নবীদের অঙ্গীকার লইয়া ছিলেন যে, তোমাদেরকে কিতাব ও হিকমত যাহা কিছু দিয়াছি, অতঃপর তোমাদের কাছে যাহা আছে তাহার প্রত্যায়ন কারীরূপে যখন একজন রাসূল আসিবে তখন তোমরা অবশ্যই তাহার প্রতি ঈমান আনিবে এবং তাহাকে সাহায্য করিবে।’
তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদত কর।
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَاْتِيَكَ الْيَـقِيْنُ
সূরা নম্বরঃ ১৫, আয়াত নম্বরঃ ৯৯
❤আদমকাবায় সেজদার মাধ্যমে ইবলিসের ঈমান পরীক্ষা করা হবে এবং নবী (সঃ)কে সেজদা দিয়েছে সাহাবীরা তাঁর প্রমাণ স্বরূপ আয়াত কি?❤ আল্লাহর ক্ষেত্রে অতীত বর্তমান ভবিষ্যত সকলই সমান। তিনি ভবিষ্যতের বিষয়টি ও অনুধাবন করতে পারেন। ঈমান পরীক্ষা না করে। ইবলিসকে দোজখে দিলে তাহলে সে এমনটি বলবে আমার ঈমান পরীক্ষা করলে আমি জান্নাতে
সিজদাহঃ
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ্কে সিজদা করে যাহা কিছু আছে আকাশমণ্ডলীতে ও পৃথিবীতে, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্রমণ্ডলী, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং সিজদা করে মানুষের মধ্যে অনেকে ? আবার অনেকের প্রতি অবধারিত হইয়াছে শাস্তি। আল্লাহ্ যাহাকে হেয় করেন তাহার সম্মানদাতা কেহই নাই; আল্লাহ্ যাহা ইচ্ছা তাহা করেন। (২২ঃ১৮)
আল্লাহ বলেন ঈমান আনায়ন ও সৎকর্ম জান্নাতের চাবীঃ ☑️ ১) যাহারা ঈমান আনয়ন করে ও সৎকর্ম করে তাহাদেরকে শুভ সংবাদ দাও যে, তাহাদের জন্য রহিয়াছে জান্নাত-যাহার নিন্মদেশে নদী প্রবাহিত। যখনই তাহাদেরকে ফলমূল খাইতে দেওয়া হইবে তখনই তাহারা বলিবে, ‘আমাদেরকে পূর্বে জীবিকা রূপে যাহা দেওয়া হইত ইহা তো তাহাই; তাহাদেরকে অনুরূপ
সত্যিকার “হাদীস”কি? ✅ ‘রাব্বুল আ-লামীন’ কুরআনকে সর্বোত্তম হাদীসের গ্রন্থ বলেছেন এবং মুশরিকদের কুরআনের সমকক্ষ হাদীস আনতে চ্যালেঞ্জ করেছেন। ➡️ “না তারা বলেঃ এই কুরআন সে নিজে রচনা করেছে? বরং তারা অবিশ্বাসী। যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবেএর অনুরূপ কোন হাদীস (بِحَدِيثٍ) উপস্থিত করুক। – [৫২: ৩৩-৩৪] ✅ আল্লাহ কুরআনকে উত্তম
১) যাহারা নিজেদের নিকট কোন দলীল না থাকিলেও আল্লাহ্র নিদর্শন সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়, উহাদের অন্তরে আছে কেবল অহংকার, যাহারা এই ব্যাপারে সফলকাম হইবে না। অতএব আল্লাহ্র শরণাপন্ন হও; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (৪০ঃ৫৬) ২) আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও রহিয়াছে যাহারা বলে, ‘আমরা আল্লাহ্ ও আখিরাতে ঈমান আনিয়াছি’, কিন্তু
আত্নসমর্পণ” ‘আমি সকল সৃষ্টির রবের কাছে নিজকে সমর্পণ করলাম’। – (২ঃ১৩১) ‘নিশ্চয় আমার সালাত, আমার ইবাদাত পদ্ধতি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির রব’। – (৬ঃ১৬২) নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। (২ঃ১৫৬) ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম
হে দয়াময় যদি ভুল করি শুধরে দিও যদি হারিয়ে যাই রাস্তা দেখিও যদি হেরে যাই অন্তরে জোর দিও। কর্মের উপাধী মুক্ত হয়ে জেনো ফিরতে পারি। তুমিই আমাদের নাম দিয়েছোঃ বাশার [الْبَشَر ] নাস [النَّاس ], এবং ইনসান [ الْإِنْسَان ] খলিফা –[-خَليفَةً] ইনসান এমন সৃষ্টির নাম যে, বারে বারে তার
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ্কে সিজদা করে যাহা কিছু আছে আকাশ মণ্ডলীতে ও পৃথিবীতে, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র মণ্ডলী, পর্বত রাজি, বৃক্ষলতা, জীব জন্তু এবং সিজদা করে মানুষের মধ্যে অনেকে ? আবার অনেকের প্রতি অবধারিত হইয়াছে শাস্তি। আল্লাহ্ যাহাকে হেয় করেন তাহার সম্মানদাতা কেহই নাই; আল্লাহ্
কোন কোন জাতি, কি কি কাজের মাধ্যমে জান্নাতে যাবে। সুরা বাকারার ৬২ নং আয়াতে আল্লাহ তা বলে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈন সম্প্রদায়, (এদের মধ্যে) যারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং ভাল কাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট পুরস্কার রয়েছে, তাদের কোন প্রকার ভয়
হে দয়াময় যদি ভুল করি শুধরে দিও যদি হারিয়ে যাই রাস্তা দেখিও যদি হেরে যাই অন্তরে জোর দিও। কর্মের উপাধী মুক্ত হয়ে জেনো ফিরতে পারি। তুমিই আমাদের নাম দিয়েছোঃ বাশার [الْبَشَر ] নাস [النَّاس ], এবং ইনসান [ الْإِنْسَان ] খলিফা –[-خَليفَةً] ইনসান এমন সৃষ্টির নাম যে, বারে বারে তার
‘কাফের’ একটি আরবি শব্দ, যা আরবি কুফর ধাতু থেকে আগত, যার শাব্দিক অর্থ হল ঢেকে রাখা, লুকিয়ে রাখা এবং এর ব্যবহারিক অর্থ হল অবাধ্যতা, অস্বীকার করা, অকৃতজ্ঞতা।
এখন কথা হলো সব মানুষই কিছু না কিছু অন্য থেকে লুকিয়ে রাখে, ঢেকে রাখে। তাহলে যে যার সাপেক্ষে ঢেকে
আমার পৃথিবী ০১/০২/২২ মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় নিস্তব্ধ শান্ত পৃথিবী একাকীত্তের দহন যন্ত্রনা উপভোগ করতে শেখায় আসন্ন কোন পথ যাত্রার। বুকটা দূরু দূরু করে এপাশ ওপাশ ফিরে আবার প্রভাত আসে নিয়মের গতিতে কোলহল হয়ে উঠে সব ঘুমভাঙ্গা মেমরী সারাদিন মাথায় ধোয়ার জাল বুনে কোন হিসাব মিলে না আবার সন্ধা