যে রাসুলের হুকুম মান্য করলো সে আল্লাহর হুকুমই মান্য করলো”। সুরা নিসা, আয়াত ৮০
এই আয়াতের প্রকৃত অর্থ বুঝতে আনেকেই ভুল করেন আবার ইচ্ছে করেই অনেকে ভুল বুঝায়, উদ্দেশ্য প্রচলিত হাদিসকে আল্লাহর হুকুকের সমকক্ষ পর্যায়ে দাড় করাতে এবং মানুষকে দিয়ে পরিপালন করাতে।
এই আয়াত দ্বারা প্রকৃত পক্ষে যা বুঝানো হয়েছে তা হলো- রাসুল একমাত্র এবং শুধুমাত্র আল্লাহর আদেশ পালন করেছেন। আর সে কারণেই বলা হয়েছে রাসুলের হুকুম পালন করা অর্থ আল্লাহর হুকুম পালন করা। যদি আল্লাহ একটা হুকুম দেন এবং রাসুল ভিন্ন একটা হুকুম দেন তাহলে কি রাসুলের হুকুম পালন করলে আল্লাহর হুকুম পালন করা হয়? এই আয়াত বুঝতে সবাই যে ভুলটা করে সেটা হলো রসুলকে আলাদা হুকুম দাতা বানানোর প্রচেষ্টা। আর সেটা করা হয় কোরআন বিরোধী কথিত হাদিস বাস্তবায়নের জন্য।
অথচ আল্লাহ বলেন ” লা ইয়াশরিক ফি হুকমিহি আহাদান” অর্থ – আল্লাহ তার হুকুমে কাউকেই শরীক করেন না। যারা কোরআন পরিপন্থী হুকুম বিশ্বাস করে এবং পরিপালন করে তার স্পষ্ট শিরিকে লিপ্ত। আর শিরিকি অবস্থায় যারা মৃত্যু বরণ করবে আল্লাহ কখনো তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না, গুনাহ্ মাফ করবেন না এবং বেহেশতে দাখিল করবেন না। এটা আল্লাহর কঠিন সিদ্ধান্ত।
সুতরাং এই আয়াত বুঝতে ভুল করে কোরআনের বাইরে গিয়ে রাসুলের বিধান মনে করে কোন বিধান মানবেন না। মানলে আখিরাত বরবাদ হয়ে যাবে।সবাইকে সালাম, সালামুন আলা মানিত্তাবায়াল হুদা!
