তৌহিদি জনতা আসলে নবীর ইন্তেকালের সময় থেকেই সংগ্রামী ভুমিকা পালন করে আসছে। যেমনঃ
১) নবীর ইন্তেকালের সময় তিন দিন ওনারা সংগ্রামে ব্যস্ত ছিলেন। তাই উনার দাফন-কাফন তিন দিন পর হয়েছিলো।
২) খলিফা ওমর এর শাসন কালে এই তৌহিদি জনতা বিদ্রোহ করে এবং নামাজরত অবস্থায় তাকে হত্যা করে।
৩) তারপর খলিফা ওসমানকে এই তৌহিদি জনতা স্বজন প্রীতির অপবাদ দিয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং হত্যা করে।
৪) তারপর আলীর বিরুদ্ধে এই তৌহিদি জনতা মোয়াবিয়ার প্ররোচনায় বিদ্রোহ করে এবং (ক)সিফফিনের যুদ্ধ (খ) উষ্ঠির যুদ্ধ (গ) জাংগে জামাল যুদ্ধে ৭০ হাজারের অধিক মুসলিম হত্যা করা হয়।
৫) এই তৌহিদী জনতা হযরত আলীকে কুফার মসজিদে নামাজরত অবস্থায় হত্যা করে।
৬) তারপর এই তৌহিদী জনতা ইমাম হাসানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং এক পর্যায়ে ষড়যন্ত্র করে বিষ খাওয়া তাকে হত্যা করে।
৭) তারপর এই তৌহিদী জনতা ইমাম মুসলিম বিন আকিলকে হত্যা করে।
৮)তারপর এই তৌহিদী জনতা ইমাম হোসাইকে ৭০ জন সফর সঙ্গীসহ কারবালার প্রান্তরে হত্যা করে এবং দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে লাশের উপর দিয়ে ঘোড়া দৌঁড়ায়ে দেহ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলার পর তৌহিদী জনতা আসরের নামাজ আদায় করে।
৯) তারপর এই তৌহিদি জনতা হোসাইনের অনুসারী মোক্তার সাকাফিকে ৭০০০ সৈন্যসহ হত্যা করে।
১০) এই তৌহিদী জনতা হোসাইন ইবনে নোমায়ের এর নেতৃত্বে মদিনায় হামলা করে নবীর রওজা ভাংচুর করে এবং মক্কার দিকে এসে পবিত্র কাবা গৃহে আগুন দেয়।
১১) এই তৌহিদী জনতা জান্নাতুল বাকীতে সকল সাহাবাদের মাজার ভেঙ্গে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়।
উপরের সমস্ত ঘটনায় কোন অমুসলিম বা নাস্তিক বা কাফের কেউ ঘটায়নি। সবাই মুসলিম তৌহিদী জনতা ছিলো।
