গায়েব – ঈমান – আমল – মালাইকা-জান্নাত – জাহান্নাম – সালাত – সিয়াম – হজ – যাকাত ইত্যাদি আরবী শব্দ গুলির অনুবাদ এমন ভাবে আমাদের মাথায় জায়গা করে বসে আছে যে মালাইকা বললেই আমরা বুঝে নেই ফেরেস্তা। আর ফেরেস্তা হল এমন এক অদৃশ্য সত্তা যা বিশাল আকৃতির, আল্লাহর আজ্ঞাবাহী সৈনিক।
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
অজ্ঞতা ঘৃনার জন্ম দেয়
সাবেক মিশরীয় রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাতের হত্যাকারীকে প্রশ্ন করেছিলেন বিচারক প্রেসিডেন্ট সাদাতকে কেনো হত্যা করেছ তুমি ? হত্যাকারী জবাব দিয়েছিলো – “কারণ সে সেক্যুলার ছিলো ।” বিচারক তখনই পরের প্রশ্নটি করলেন – “সেক্যুলার মানে কী ?” হত্যাকারী জানালো – “আমি জানি না ।” প্রয়াত মিশরীয় লেখক নাগিব মাহফুজকে ছুরি মেরে হত্যা
Where is Jahannam or Hell
Where is Hell or Jahannam?
Hell does exist — that’s true. But where is it? In response to this question, you can find out for yourself where Hell is actually located. First, ask yourself this:
Where were Adam (A.S.) and Hawwa (A.S.)?
The
জাহান্নাম কোথায়?
জাহান্মাম কোথায়?
জাহান্নাম আছে সত্য। কিন্তু সেটা কোথায়? এ প্রশ্নের জবাবে আপনি নিজেই খুজে বের করতে পারবেন জাহান্নাম আসলে কোথায় অবস্থিত। প্রথমে নিজেই প্রস্ন করুন ——– আদম আঃ এবং হাওয়া আঃ কোথায় ছিলেন? উত্তর জান্নাতে। হ্যা,এটাই সত্য কথা। প্রশ্নঃ সেখানে উনারা কি করেছিলেন? উত্তরঃ পাপ করেছিলেন।তারপর
“এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।”
দোষী যুবককে টেনে-হিঁচড়ে খলীফার দরবারে নিয়ে এসেছেন দুই ব্যক্তি। তারা তাদের পিতার হত্যার বিচার চান।
.
খলীফা হযরত উমর (রা) সেই যুবককে জিজ্ঞেস করলেন যে তার বিপক্ষে করা অভিযোগ সত্য কিনা। অভিযোগ স্বীকার করল যুবক। দোষী যুবক
আরবী শব্দ রুহু বাংলায় “আল্লাহর অস্তিত্ত্ব”
সালাত,সিয়াম,হজ্জ,যাকাত,ইবাদত,একিন, রুহ,রিবা, নাফস,উম্মি,লৌহেমাহফুজ,নিয়ামত, সুন্নাত,হাদীস ইত্যাদী আরবী শব্দ গুলির সঠিক বাংলা অনুবাদ না থাকায় পারস্য অনুবাদের উপর ভর করে চলতে হয়। ফলে বাংলা ভাষা ভাষির মানুষ কোরানে এ শব্দগুলি সমন্বিলিত আয়াত গুলির সঠিক মর্ম উপলব্ধিতে ব্যার্থ হয়ে গতানুগতিক অনুবাদ
আমল Vs ইবাদত
….. রবের নিকট আমল প্রিয় না ইবাদত ❓ … কোন আচার- অনুষ্টানকে আমল বলে পক্ষান্তরে সার্বক্ষনিক দ্বীনের নীতি-নৈতিকতা মেনে চলাকে ইবাদত বলে। আল্লাহ বলেন: আমরা জিন ও মানুষকে এজন্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা একমাত্র আমারই ইবাদত করবে। {৫১:৫৬} নীতি নৈতিকতা কি ভাবে মেনে চলবে? আল্লাহ বলেনঃ যাহারা তাহাদের সালাতে সর্ক্ষনিক
ইসলামিক স্কলার
ইসলামিক স্কলারগণ ——- জন্মস্থান/দেশ
১) ইমাম বুখারী রহ. — উজবেকিস্তান
২) ইমাম তিরমিজি রহ. — উজবেকিস্তান
৩) ইমাম দারেমী রহ. — উজবেকিস্তান
৪) ইমাম নাসাঈ রহ. — তুর্কমেনিস্তান
৫) ইমাম আবু দাউদ রহ. — সিজিস্তান
৬) ইবনে খুজাইমা রহ. — নিশাপুর
৭) ইমাম মুসলিম রহ.
পবিত্র অপবিত্র
যারা কোরআনকে অনুধাবন করতে পারে তারা পবিত্র। আর যারা পারে না তারাই অপবিত্র। অযু করে বা অঙ্গ – প্রতঙ্গ বা কাপড় পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হয়। পবিত্র নয়। কিন্তু রুহ পরিস্কার হয় পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমে। রুহের পবিত্রতাকে আল্লাহ তাগিদ দিয়েছেন। রুহকে অযু করে পবিত্র করা যায় না।
জন্মগত বিশ্বাস
জন্মগত বিশ্বাস প্রকৃত ঈমান নয়ঃ
কখনও কখনও মানুষ সত্য শুনতে চায় না কারণ তারা তাদের বিভ্রান্তিগুলি ধ্বংস করতে চায় না।” জন্মগত ভাবে দেখে আসা বাপ- দাদা, পূর্ব পুরুষের খেয়াল খুশি মতো জীবন পদ্ধতি, নিজের খেয়াল খুশি মতো জীবন যাপন পদ্ধতি, মোল্লা পুরোহিত,পন্ডিতের খেয়াল খুশির অনুসরন করে সমাজ জীবন
এজিদের পঞ্চ স্তম্ভ
পঞ্চ স্তম্ভে সীমাবদ্ধ রাখা একটি কৌশলঃ
এজিদের স্থাপিত পঞ্চ স্তম্ভ থেকে বের হয়ে না আসতে পারলে তুমি এজিদের মনোনীত ইসলামের আনুগত্য করে চল। ইসলামের আবির্ভাব পঞ্চ স্তম্ভের জন্য ছিল না। বরং জমিনে ন্যায়ের হুকামাত প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছিল। আল্লাহ বলেনঃ কুন্তুম খাইরি উখরিজাতি মিনান নাস, তামারুনা
চার এর মুজেজা
…………………..চার এর মুজেজা
সনাতন ধর্মের গীতা,৪/১৩ মোতাবেক ব্রহ্মা মানব জাতীকে চারটি বর্ণে সৃষ্টি করেছেন।
১) ব্রাহ্মন ২) ক্ষত্রিয় ৩) বৈশ্য ৪) শূদ্র।
ইসলাম ধর্মের কোরআন মানব জাতীকে একটি বর্ণে সৃষ্টি করলেও পরবর্তিতে সুন্নী ইমামগন চারটি মাযহাবে বিন্যস্ত করেছেন।
১) হানাফী
যেনা ও যৌনতা
যেনা কি শুধুই দৈহিক মিলন ?
আর যিনার নিকটবর্তী হইও না। ইহা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ। (১৭:৩২) মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জা স্থানের হিফাযত করে। (২৪:৩০) যেনা বলতে আমরা সাধারনত বুঝি নারী – পুরুষের যৌন সম্পর্ক ।
ইবলিশ কেন কাফের
আবা ওয়াসতাকবারা ওয়া কানা মিনাল কাফিরিন”أَ بَىٰ وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ ইবলিশের উচ্চতর পরিষদ থেকে বহিস্কৃত হয়ে গিয়ে শয়তান হবার জন্য এই একটি ফ্রেজ বা বাক্যাংশ কোরআনে বার বার ব্যবহৃত হয়েছে। ১। আরবীতে ‘আবা'(أَبَىٰ) শব্দটির অর্থ মানতে অসীকৃতি জানানো। ২। আরবী ‘ইস্তাকবার’ اسْتَكْبَرَ শব্দটির অর্থ অহংকার করা, নিজেকে বড় মনে
কাফের আরবী শব্দ। যার বাংলা অস্বীকার কারী।সর্বপ্রথম কে কি অস্বীকার করেছিল। যার জন্য কাফের শব্দটি আজো বিদ্যমান? ইবলিশ ছিলো আল্লাহর উচ্চতর পরিষদের সদস্য, ফেরেশতারাও তাই ছিলো, এবং সেখানে মানুষের অভিষেক ঘটতে যাচ্ছিলো সুপিরিওর সদস্য হিসেবে। সেসময়ের আল্লাহর একটি মাত্র আদেশ অমান্য করা এবং তার বিপরীতে নিজের বিবেচনায় বুঝতে পারা তথ্যের
মাটিতে মাথা নত করে স্রষ্টার প্রতি ভক্তি করাকে সাধারনভাবে আমরা সিজদা বুঝে থাকি। এটা সিজদার আনুষ্ঠানিকতা রুপ হলেও অনেকে মনে করেন আল্লাহর বিধান মেনে আমল করা কে সিজদা বলে।
কোরানের পরিভাষায় সিজদা অর্থ হচ্ছে সত্যকে স্বীকার করা।
আদম যাহা জানে ইবলিশ সেটা জানে না আল্লাহ
কবরে সোয়াল জবাব
লাশকে দাফন করার পর কবরে ফেরেস্তা এসে সোয়াল জবাব করবেঃ—- ১) মান রাব্বুকা ২) মান দীনুকা ৩) মান নাবিয়ুকা
তিনটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেই পার। এই তিনটা মুখস্ত করলেই তো এনাফ। কি মজার বিষয় না?
আচ্ছা এই সোয়াল গুলির জবাব দিতে হলে লাশের ভিতর আবার রুহ প্রবেশ
মাহেদী-দাজ্জাল-দাব্বাতুল আরদ
১) ইমাম মাহেদীর আগমনঃ
ঈসা আঃ কেই ইমাম মাহেদী বলে দাবী করা হয়।কুরআনের আলোকেঃ কুরআনে সরাসরি “ঈসা আ. আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন” এমনটি স্পষ্ট করে বলা হয়নি। তবে কিছু আয়াত আছে যেগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ঈসা আ. পুনরায় আগমন করবেন। বিশেষ করে: সূরা النساء (৪:১৫৭-১৫৯)
আদম ও ঈশার দৃষ্টান্ত একই
খৃষ্টান সম্প্রদায় প্রশ্ন করে পিতা ছাড়া কোন সন্তান জন্ম নিতে পারে না। যেহেতু ঈশার পিতৃ পরিচয় পাওয়া যায় না তাই ঈশা আল্লাহর পুত্র। আর এ কারনেই তারা শিরককারী এবং কিতাবী হলেও মুসলমান হতে খারিজ। তাদের এ যুক্তির জবাবে আল্লাহ বলেন নিশ্চয় ঈশার দৃষ্টান্ত আদমের ন্যায়। আদমের পিতা কে ছিল? আমি
ইয়াজুজ-মাজুজ
এমনকি যখন ইয়া‘জূজ ও মা‘জূজকে মুক্তি দেওয়া হইবে এবং উহারা প্রতি উচ্চভূমি হইতে ছুটিয়া আসিবে।(21:96)
কেয়ামতের বড় আলামত ইয়াজুজ মাজুজ। সত্যিই কি তারা বের হয়ে গিয়েছে?
যুগ যুগ ধরে ইয়াজুজ-মাজুজ নিয়ে সত্য মিথ্যা মিশ্রিত লেখা ও বক্তব্য চলছে। উম্মাহর অনেকে ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কে সঠিক ধারনা পাচ্ছে না।
