যেনা কি শুধুই দৈহিক মিলন ?
আর যিনার নিকটবর্তী হইও না। ইহা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ। (১৭:৩২) মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জা স্থানের হিফাযত করে। (২৪:৩০) যেনা বলতে আমরা সাধারনত বুঝি নারী – পুরুষের যৌন সম্পর্ক ।
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
যেনা কি শুধুই দৈহিক মিলন ?
আর যিনার নিকটবর্তী হইও না। ইহা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ। (১৭:৩২) মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জা স্থানের হিফাযত করে। (২৪:৩০) যেনা বলতে আমরা সাধারনত বুঝি নারী – পুরুষের যৌন সম্পর্ক ।
আবা ওয়াসতাকবারা ওয়া কানা মিনাল কাফিরিন”أَ بَىٰ وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ ইবলিশের উচ্চতর পরিষদ থেকে বহিস্কৃত হয়ে গিয়ে শয়তান হবার জন্য এই একটি ফ্রেজ বা বাক্যাংশ কোরআনে বার বার ব্যবহৃত হয়েছে। ১। আরবীতে ‘আবা'(أَبَىٰ) শব্দটির অর্থ মানতে অসীকৃতি জানানো। ২। আরবী ‘ইস্তাকবার’ اسْتَكْبَرَ শব্দটির অর্থ অহংকার করা, নিজেকে বড় মনে
কাফের আরবী শব্দ। যার বাংলা অস্বীকার কারী।সর্বপ্রথম কে কি অস্বীকার করেছিল। যার জন্য কাফের শব্দটি আজো বিদ্যমান? ইবলিশ ছিলো আল্লাহর উচ্চতর পরিষদের সদস্য, ফেরেশতারাও তাই ছিলো, এবং সেখানে মানুষের অভিষেক ঘটতে যাচ্ছিলো সুপিরিওর সদস্য হিসেবে। সেসময়ের আল্লাহর একটি মাত্র আদেশ অমান্য করা এবং তার বিপরীতে নিজের বিবেচনায় বুঝতে পারা তথ্যের
মাটিতে মাথা নত করে স্রষ্টার প্রতি ভক্তি করাকে সাধারনভাবে আমরা সিজদা বুঝে থাকি। এটা সিজদার আনুষ্ঠানিকতা রুপ হলেও অনেকে মনে করেন আল্লাহর বিধান মেনে আমল করা কে সিজদা বলে।
কোরানের পরিভাষায় সিজদা অর্থ হচ্ছে সত্যকে স্বীকার করা।
আদম যাহা জানে ইবলিশ সেটা জানে না আল্লাহ
লাশকে দাফন করার পর কবরে ফেরেস্তা এসে সোয়াল জবাব করবেঃ—- ১) মান রাব্বুকা ২) মান দীনুকা ৩) মান নাবিয়ুকা
তিনটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেই পার। এই তিনটা মুখস্ত করলেই তো এনাফ। কি মজার বিষয় না?
আচ্ছা এই সোয়াল গুলির জবাব দিতে হলে লাশের ভিতর আবার রুহ প্রবেশ
১) ইমাম মাহেদীর আগমনঃ
ঈসা আঃ কেই ইমাম মাহেদী বলে দাবী করা হয়।কুরআনের আলোকেঃ কুরআনে সরাসরি “ঈসা আ. আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন” এমনটি স্পষ্ট করে বলা হয়নি। তবে কিছু আয়াত আছে যেগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ঈসা আ. পুনরায় আগমন করবেন। বিশেষ করে: সূরা النساء (৪:১৫৭-১৫৯)
খৃষ্টান সম্প্রদায় প্রশ্ন করে পিতা ছাড়া কোন সন্তান জন্ম নিতে পারে না। যেহেতু ঈশার পিতৃ পরিচয় পাওয়া যায় না তাই ঈশা আল্লাহর পুত্র। আর এ কারনেই তারা শিরককারী এবং কিতাবী হলেও মুসলমান হতে খারিজ। তাদের এ যুক্তির জবাবে আল্লাহ বলেন নিশ্চয় ঈশার দৃষ্টান্ত আদমের ন্যায়। আদমের পিতা কে ছিল? আমি
এমনকি যখন ইয়া‘জূজ ও মা‘জূজকে মুক্তি দেওয়া হইবে এবং উহারা প্রতি উচ্চভূমি হইতে ছুটিয়া আসিবে।(21:96)
কেয়ামতের বড় আলামত ইয়াজুজ মাজুজ। সত্যিই কি তারা বের হয়ে গিয়েছে?
যুগ যুগ ধরে ইয়াজুজ-মাজুজ নিয়ে সত্য মিথ্যা মিশ্রিত লেখা ও বক্তব্য চলছে। উম্মাহর অনেকে ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কে সঠিক ধারনা পাচ্ছে না।
পেশাব কিভাবে করতে হয়,? পায়খানা করে কিভাবে শৌচ (মুছতে হয়) করতে হয়? (sex) কিভাবে করতে হয়? স্বামীর মন খারাপ থাকলে স্ত্রী কত ঢুক বুকের দুধ খাওয়াবেন? (sex) করার সময় দোয়া না পড়লে (penis) মধ্যে শয়তান ঢুকে যাবে… হাদীসে বর্নিত এ বানী গুলোকে আপনি নবীর বানী বলে মনে
ধর্মান্ধরা সামনে যা দেখে মনে করে এটাই বুঝি ইসলাম……….
জগতে যখন ধর্মের নামে অধর্মের চর্চা হয়,
স্রষ্টাকে মানুষ অধীন করে রাখতে চায়,
যার যা মনে চায়, যে যা করে তাই স্রষ্টার ধর্ম বলে চালায়, অর্থাৎ এক কথায় ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে।।
আর তখনই সমাজ, সমাজের মানুষ অন্ধ বধির
ওহী হচ্ছে মানুষের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত নির্দেশ যা লৌহমাফুজে সংরক্ষিত মূল কিতাবের অংশ বিশেষ। ওহী জিব্রাইল ফিরিস্তার মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অল্প অল্প করে নাযিল করা হয়েছে যাতে মানুষ আল্লাহর নির্দেশ ভাল ভাবে আত্মস্থ করতে পারে।
আর কুরআন আমি নাযিল করেছি কিছু কিছু করে, যেন
পবিত্রতা কি?
পবিত্রতা (আরবি: طهارة, তাহারাত) হল ইসলামের একটি অত্যাবশ্যক অংশ। এটি নাজাসাতের বিপরীত, যা হল ধর্মীয়ভাবে অপবিত্র হওয়ার অবস্থা। আরবী মুল শব্দ তাহারাত যার অর্থ পবিত্রতা। তাহরু মুল শব্দটি। * সাধারন ভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাকে আমরা পবিত্রতা বুঝে থাকি। * ইসলামের ভাষায় পবিত্রতা বলতে ওযু করা বুঝে থাকি।
ইয়াহুদীর দালাল বলে গালি দেয় যারা, তারা নিজেরাও কিন্তু জানেনা ইয়াহুদী কাকে বলে। আকিদার দিক থেকে ইয়াহুদী মুসলমান কাছাকাছি। মৌলিক পার্থক্য টা হলো:- ১) ইয়াহুদীরা একটি মাত্র কিতাব তাওরাতকে বিধান মানে। মুসলমান দুইটি কিতাবের বিধান মানে —— ১) কোরান ২) হাদীস। ২) ইয়াহদীরা একটি কিতাব তাওরাত মানে। মুসলমান দুইজন নবীর
ইসরাইল কেন এত মারমুখী। কেন কোন শক্তির কাছে পিছু হটে না। সূরা মায়েদার ২১ নং আয়াত থেকে জেনে নেই।
‘হে আমার সম্প্রদায়! আল্লাহ্ তোমাদের জন্য যে পবিত্র ভূমি নির্দিষ্ট করিয়াছেন তাহাতে তোমরা প্রবেশ কর এবং পশ্চাদপসরণ করিও না; করিলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইয়া পড়িবে।’[ 5:21]
বনী ইসরাঈল” মানে:
দারুল হরবের দেশে কোন জুম্মার সালাত নেই। এটি সার্বজন স্বীকৃত। তাই দ্বীনি বিশেষজ্ঞগন একমত হয়ে আখেরি জহুর নামে ৪ রাকাত সুন্নত নামাজ যুক্ত করে দিয়েছন, যাতে করে জুমআ আদায় না হলেও যেন জহুরের সালাত আদায় হয়ে যায়। গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত না হয়। এটি ইস্তেহাদের মাধ্যমে সংযোজন করা হলেও
“”টাকা না নিলে হুজুর খাবে কি ?
অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথ প্রাপ্ত।( ইয়াসিন ৩৬ঃ২১)
বল, ‘আমি ইহার জন্য তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না এবং যাহারা মিথ্যা দাবি করে আমি তাহাদের অন্তর্ভুক্ত নই।’ সূরা ছোয়াদ ৩৮, আয়াতঃ
৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী হোসেনের ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হয়। হুসাইন আব্বাস কে পাঠালেন ইবনে সা’দকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে, যাতে তারা বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। ইবনে সা’দ এই অবকাশ দিতে রাজি হলেন।
হুসেন রাঃ তার লোকদের বলেছিলেন যে, তারা সবাই যেন তার পরিবারের