অভাব কাকে বলে? অর্থনীতি ক্লাসের স্যার ক্লাসে ঢুকেই ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করলেন, “অভাব কাকে বলে..?” ছেলেটি উত্তর দিলোঃ- ‘অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে অভাব বলে।’ (এটা তো বইয়ের ভাষা, সাধারণত অভাব কাকে বলে? ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে রইলো,, কি বলবে ভেবে পাচ্ছিলো না।। স্যার আবার
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
অন্যের পাপের বোঝাও কে বহন করবেঃ
” নিশ্চয় তারা তাদের পাপের বোঁঝা বহন করবে এবং নিজেদের বোঝার সাথে অন্যের বোঝাও। (২৯ঃ১৩) দু’ব্যক্তিকে আল্লাহ অতিশয় ঘৃণা করেন। এদের একজন হল সে — ” যাকে মুর্খতা ও অজ্ঞতা ঘিরে আছে। সে অজ্ঞদের মাঝেই চলাফেরা করে। । সে কোরআন ও সুন্নাহকে পরিত্যাগ পুর্বক নিজের ইচ্ছামত বিধি নিষেধ জারি করে।
অনুসরন ও আনুগত্যঃ
একটা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাহেব কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বললেন- আপনারা এমডি সাহেবকে অনুসরণ করবেন, তার আনুগত্য করবেন, তিনিই আপনাদের আদর্শ। এখন কর্মকর্তাগন কি এমডি সাহেবের কাপড় পরার স্টাইল, নখ কাটার পদ্ধতি, রাস্তায় হাঁটার নিয়ম, পানি পান করার কসরত শিখবে ? না কি এমডিকে বোর্ড যে গাইড লাইন সরবরাহ করেছে তার ভিত্তিতে তাকে
অনুমানকারী অভিশপ্ত
قُتِلَ الْخَـرّٰصُوْنَ
ক্বুতিলাল খাররাছুন
قُتِلَ = ধ্বংস হউক ,
الْخَرَّاصُونَ =অনুমানকারী,
অনুবাদ: ধ্বংস হোক অনুমানকারীরা।
আল কোরআন ৫১:১০
অধিকাংশ মানুষ আর ধর্মীয় অনুভুতিঃ
অধিকাংশ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির জাহেলিয়াতঃ ********** অধিকাংশের খায়েশ, সংস্কৃতি, অন্ধ-বিশ্বাস, কুসংস্কার, নৈতিকতা ইসলামের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আরবের জাহেল অধিকাংশরা যেমন নিজেদের ক্ষমতার স্বার্থ, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামী দ্বারা ইব্রাহিমী একেশ্বরবাদী চেতনাকে গিলে ফেলেছিলো। অথচ তারা মনে করত তারাই ইব্রাহিমী মিল্লাতের অনুসারী। কোন আইডিয়া যখন অধিকাংশ ধারণ করতে শুরু করে তখন
অজ্ঞদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ বলেন
১] আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না, জানতো না সরল পথও। ( সূরা বাকারা আয়াত ১৭০) ২]
ভুল ঈমান অপরাধ সৃষ্টির সহায়ক
অপারাধীরা এমন কথার উপর ভরসা করে পুন পুন অপরাধ করতে থাকে। ফেস্টুনের লিখক নিশ্চয় কোন প্রফেশনাল অপরাধী।
বাড়ীর কাছে আরশি নগর
বাড়ীর কাছে আরশি নগর — তামি জাকারিয়া।
লালন গীতিঃ-
গাইছেন নতুন প্রজন্মের এক অনন্য প্রতিভা — যে সুদুর আমেরিকার নিউ ইয়র্ক প্রবাসী/সিটিজেন হয়েও বাংলার
মাটির গান গুলো হৃদয়ে লালন করে সব সময়। তার প্রতিটি গানেই বাংলার মাটির টান ফুটে উঠে। তামি জাকারিয়া।
সংশয় সদা টলে
কোরআন -কার উপর নাযিল হয়েছে- কোরআন দ্বারা- প্রমাণ করা যাবে কি?
আলোচনার শুরুতেই আসে:-
ভয়টা শাস্তির, রবের না
ঈশ্বরের শাস্তির ভয়ে যারা ভালো মানুষ, তারা সত্যিকারের ভালো মানুষ নয়।
সত্যিকারের ভালো মানুষ তারা, যারা ঈশ্বর নেই জেনেও খারাপ কাজ করে না।
চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন
কোরআন বিজ্ঞানময় আর এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনঃ আল্লাহ আল কোরানে মানুষের ইহকালীন এবং পরকালীন কল্যানের কথা যেমন আলোচনা করেছেন তেমনি আলোচনা করেছেন জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং তার সৃষ্টি কুলের নিগূঢ় রহস্যের কথা। আর এই নিগূঢ় রহস্যের কথা একমাত্র তারাই বুঝতে বা অনুধাবন করতে পারেন, যারা জ্ঞানী এবং আল্লাহর সৃষ্টি জগত নিয়ে
উড়োখবর পরিহার
হে মু’মিনগণ! যদি কোন ফাসেক তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসে তাহলে তা অনুসন্ধান করে দেখ। এমন যেন না হয় যে, না জেনে শুনেই তোমরা কোন গোষ্ঠীর ক্ষতি করে বসবে এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হবে। (সূরাঃ ৪৯ আয়াতঃ ৬) يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنْ جَآءَكُمْ فَاسِقٌ ۢ بِنَبَاٍ فَتَبَيَّنُوْۤا
উপসানালয়-বালাখানা
ধর্মীয় উপাসনালয়কে চাকচিক্য করে, নীতি নৈতিকতা ভুলে গিয়ে এই কোন ধর্মে পতিত হচ্ছে পৃথিবীর সব হিন্দু, মুসলিম, ইহুদী, খৃষ্টান? ইসলাম প্রচারের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত মসজিদগুলি মানবতার কল্যাণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অনেক জনপদের পুরো চিত্রই পাল্টে দিয়েছিল। মসজিদ কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা, বালাখানা প্রতিষ্ঠা করে, সাধারন মানুষের শিক্ষা গ্রহন থেকে, অসহায় মানুষের
আমাদের নামাজ
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন করা হোক
* নামাজ পড়া* বনাম “সালাত কায়েম রাখা” সালাত অবশ্যই আল্লাহর স্মরনে উত্তম জিকির, যা প্রতিটি ঈমানদারের উপর ফরজ। আপনি নামাজ পড়বেন ?, না সালাত কায়েম করবেন? নামাজ হচ্ছে নির্দিষ্ট ফরমেটে বুঝে বা না বুঝে একটা নির্ধারিত সময়ে সালামের মাধ্যমে সমাপ্ত করার নাম। আর সালাত হলো- পঠিত কুরআনের বিধানকে নিজ, পরিবার
দ্বীন প্রচারে বিনিময় গ্রহন
…… “”টাকা না নিলে হুজুর খাবে কি!!? তাবলীহ জামাত একটা বিষয়ে অন্তত দ্বীনের উপর অটুট রয়েছে, আর তা হল তারা দ্বীনের কাজের বিনিময়ে কোন বিনিময় গ্রহন করে না এমন কি সোয়ালের ভানও করে না। আল্লাহ বলেনঃ ‘অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথ প্রাপ্ত।
যাকাত সদাকা ফিতরা
সুদ,ঘুষ, প্রতারণা করে সম্পদের পাহাড় গড়ে, অন্তরের ভয়,পাপ রাশি লুকাবার জন্য সে তখন যাকাত খুজে। যাকাতের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে পাপমুক্ত ভাবে।
যাকাত কি কালো টাকা সাদা করার অফার?
যা দিয়ে সে হারাম সম্পদ হালাল করবে?
মানুষ শ্রমনির্ভর ভাবেই সৃষ্টি
মানুষ দুর্বল ভাবেই সৃষ্টি
لَقَدْ خَلَقْنَا الْاِنْسَانَ فِىْ كَبَدٍؕ *
অনুবাদঃ নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভর রূপে সৃষ্টি করেছি। (সূরা বালাদ)
لَقَدْ = নিশ্চয়ই
خَلَقْنَا = আমরা সৃষ্টি করেছি,
الْإِنْسَانَ = মানুষকে
فِي = মধ্যে
كَبَدٍ = শ্রম নির্ভর করে/কষ্টের
১৯:৪১ ওয়াযকুর = আর যিকির/ আলোচনা করো। ফিল কিতাবি = এই কিতাবে যা বলা হয়েছে। ইবরাহীমা = ইবরাহীম সম্পর্কে। ইন্নাহু = নিশ্চয় সে। কানা = ছিলো। সিদ্দীক্বান নাবীয়্যান = সিদ্দিক/ সত্যবাদী ও নবী।
আর যিকির/ আলোচনা করো এই কিতাবে যা বলা হয়েছে ইবরাহীম সম্পর্কে। নিশ্চয় সে
একজন ইসলামিক স্কলার তার এক পোস্টে লিখেছেন, “কোরান সম্পুর্ন সহজ ও বিস্তারিত” (ক্বামার,আয়াত: ১৭) পোস্টটি পড়ে মর্মাহত হলাম। কারন এভাবে বিকৃত হতে থাকলে কোরাআনকে মাতৃভাষায় বাইবেলের মত করে বসবে একসময়। পাবলিক গিলছেও তা চোখ বুজে। বিষেশ করে কোরআন অনুশীলন কারীগন। অথচ —
আরবী আয়াতটি হল ,وَلَقَدْ
