১) বল, ‘আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। ২) বল, আমি কি তোমাদের সকলের মত মানুষ?
উপরে উল্লেখিত বাক্য দুটি কখনোই একই মর্ম বা অর্থ প্রকাশ করে না। ২ য় বাক্যে কি প্রশ্নবোধক শব্দ থাকায় অর্য না বোধক দ্বারায়। মানে আমি তোমাদের মত মানুষ
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
১) বল, ‘আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। ২) বল, আমি কি তোমাদের সকলের মত মানুষ?
উপরে উল্লেখিত বাক্য দুটি কখনোই একই মর্ম বা অর্থ প্রকাশ করে না। ২ য় বাক্যে কি প্রশ্নবোধক শব্দ থাকায় অর্য না বোধক দ্বারায়। মানে আমি তোমাদের মত মানুষ
______ সবাইকে জুম্মা মোবারকঃ
জুম্মার নামাজে সানি খোৎবায় ইমাম সাহেব প্রতিদিন বলেনঃ
ওয়াস সুলতানু যিলুল্লাহে ওয়াল আরদ। মান আকরামাহ আকরামাহুল্লাহ, ওয়া মান আহালানাহা আহালানাল্লাহু।
> মনযোগ দিয়ে শুনেন তো? না শুনলে নামাজই হবে না। শুনেন ঠিকই মাগার কি বলে মনে হয় বুঝেন
সালাত মানে কুরআনের নিরবিচ্ছিন্ন অনুসরণ Close Following Quran . তাছাড়া ও সালাতের অনেক অর্থ আছে। যেমন দোয়া, আশীর্বাদ, স্মরণ, ট্রেনিং, কুরআন ইত্যাদি।
তুমি তোমার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব (কুরআন) আবৃত্তি কর এবং নামাজ প্রতিষ্ঠিত কর। নিশ্চয়ই নামাজ বিরত রাখে অশ্লীল ও মন্দ কাজ হতে। (২৯:৪৫)
সিজদা মানে মাটিতে মাথা লাগানো নয়। বরং তার মানে যথাযথ হুকুম বা বিধান মেনে চলে। (22:18)
তুমি কি দেখনা যে, আল্লাহকে সাজদাহ করে যা কিছু আছে আকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে – সূর্য, চাঁদ, নক্ষত্রমন্ডলী, পবর্তরাজি, বৃক্ষলতা, জীব-জন্তু এবং সাজদাহ করে মানুষের মধ্যে অনেকে? (২২:১৮)
কিন্তু আমরা ত
কোরআনকে সংবিধান দাবী
আল-কুরআন ; বিজ্ঞান, কবিতা, সংবিধান বা আইনের কিতাব নয়। এটি একমাত্র হিদায়তের কিতাব। যারা কোরানকে রাষ্ট্রের সংবিধান করার দাবী করে তারা মুলত কোরআনকে নিজ ভাষায় কখনো পড়ে দেখেন নাই। হিদায়াত এতোই গুরুত্বপূর্ণ, পুরো কুরআনটাকেই আল্লাহ হিদায়াতের কিতাব বলছেন।
মানুষ প্রতিদিনই পথভ্রষ্ট
মালতীর হিসেব আজো মিলেনি
স্বৈর শাসন দূরভীত করে নবীনের শপথ বৈষম্য বিহীন রাষ্ট্র উপহার দিবে।। ৩৬ শে জুলাই স্বৈরাচারের প্রাচীর ভেদিয়ে তারা আন্দোলনের বিজয় পতাকা ছিনিয়ে আনে। উল্লাসে সব জনতা মাতে দেশটা আজ নতুন করে স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে বলে। ষড়যন্ত্রকারী সুযোগ বুঝে ঘাড়ে চেপে বসে নবীনের স্বপ্ন ন্যাসাৎ
১) ( ফালা সদ্দাকা ওয়ালা সাল্লু ) فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই।
২) وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ (ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়া তাওয়াল্লু) বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
৩) فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ
কুকুরও নামাজ পড়ে তসবীহ পড়ে।
জমিনে বিচরনকারী সকলে এমন কি কুকুর এবং আকাশে উড্ডিয়মান পক্ষীকুলও নামাজ পড়ে। আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। আসমান ও জমিনে বিচরনকারী সকল প্রানীই নামাজ পড়ে তসবীহ করে। বিশ্বাস হচ্ছে না? দেখে নিন আল্লাহ কি বলেনঃ “তুমি কি দেখনা, আল্লাহর পবিত্রতা
মানুষ কি মনে করে শুধু তারাই সালাত করে। না, বরং কুকুর, বিড়াল, কাক, শকুন অর্থাৎ আসমান ও জমিনে যত প্রাণী আছে সবাই সালাত করে।
“তুমি কি দেখনা, আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করেছে যারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আছে তারা সবাই এবং যে পাখির ডানা বিস্তার করে
আমার যখন মন খারাপ থাকে এই টক শো টি দেখি। ডায়লগ গুলি ছিলঃ
আমার বিচিতে মারবে কেনো ওরা আপনি জানেন? একটা বিচিতে লাথথি মারলে কত ব্যাথা লাগে? * * উত্তেজিত হবেন না!!
আপনে আবার উত্তেজিত হতে না করছেন!! উত্তেজিতের জাগাটাই বন্ধ করে দিছে আমার ** সরি
নিজ জাতির উদ্ধত আচরণে বিরক্ত হয়ে তাদেরকে ত্যাগ করে চলে যাওয়ার কারণে হযরত ইউনুস (আ.) বিপদে পড়ে যান।
যখন পালিয়ে তিনি বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন। অতঃপর লটারী করালে (তাঁর নাম) দোষী সাব্যস্ত হলেন। অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলল, তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন।[
শয়তান কুরআনের সরল পথে বসে, মানবরূপী শয়তানদের মাধ্যমে মুমিনদের কে বিভ্রান্ত করার জন্য কুরআনের যে সকল শব্দ সমূহের বিকৃত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘আনুগত্য’ ( يُطِعِ )।
وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ مَعَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِم مِّنَ ٱلنَّبِيِّۦنَ وَٱلصِّدِّيقِينَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَٱلصَّٰلِحِينَۚ وَحَسُنَ
দরস -০১
আরবী গ্রামার আর কোরানিক গ্রামার এক নয়। কোরান বুঝার জন্য যে গ্রামার জানা প্রয়োজন তা খুব সহজ, আরবী গ্রামারের মত অতটা জটিল নয়। সমগ্র কোরানে পুনারাবৃত্তি সহ মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার। তন্মধ্যে মুল শব্দ মাত্র ১৮ হাজারের মত। ফলে ২০০ /২৫০ শব্দের
রোমান বা ইটালী বাসীর পুর্ব পরিচয়। —————————————– রোমকরা পরাজিত হয়েছে। (সূরা রুম)
রোমকরা ইসহাক নবীর বংশোদ্ভোত, তারকা পুজারী। এরা সাতটি তারকার উপসনা করত। উত্তর দিক হয়ে সালাত পরতো। এদের দ্বারাই দামেস্ক শহরের পত্তন হয়েছিল। ঈসা আঃ এর নবুয়্যতের পর তিনশত বছর পর্যন্ত রোমকরা তাদের পুর্ব মতবাদের
নিশ্চয় তোমরা স্তর থেকে স্তরে আরোহণ করিবে। (৮৪:১৯) لَتَرْكَبُنَّ طَبَقًا عَنْ طَبَقٍؕ লাতারকাবুন্না তাবাক্কান আন তাবাক। অনুবাদঃ নিশ্চয় তোমরা ধাপে ধাপে আরোহণ করবে।
শব্দার্থ: لَتَرْكَبُنَّ = তোমরা অবশ্যই আরোহণ করবে, طَبَقًا = স্তর, عَنْ = থেকে, طَبَقٍ = স্তরে, প্রশ্নঃ মানুষকে ধাপে ধাপে বা একস্তর থেকে আরেক স্তরে
বিশ্বাস ভাঙার আগ পর্যন্ত কঠিন মিথ্যাও সত্য লাগে। আর লালিত বিশ্বাসে স্থির থাকলে সত্যটাও মিথ্যে মনে হয়।
কোরআনকে কেন বিজ্ঞানময় বলেঃ
পৃথিবী স্থির না কি সূর্য স্থির? কোরানের সাথে বিজ্ঞানের সাংঘর্ষিক বক্তব্যের সমালোচনাঃ
★আকাশে ও পৃথিবীতে এমন কোন গোপন ভেদ নেই, যা সুস্পষ্ট কিতাবে না আছে। [২৭:৭৫]
★(১) পৃথিবীর কিছু জায়গা আছে যেখানে বছরে ৬ মাস দিন এবং ৬
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। (১৯:৫৯)
১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য? ২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই চলছিল। সে সময় কালটি কখন? ৩) তাদের
আল্লাহ কেমন সালাতের নির্দেশ দেনঃ
সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই। فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল। وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের, فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ যাহারা তাহাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন, الَّذِيْنَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُوْنَۙ (
হিকমাহ বা প্রজ্ঞাঃ
হিকমাত অর্থাৎ গভীর অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে সত্য উপলব্ধি ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করার জ্ঞান, আল্লাহ্ শুধু যে নবী রাসূলগন কে দিয়ে থাকেন তা নয় বরং তাঁর প্রিয় সাধারণ বান্দাদেরকেও দিয়ে থাকেন।
তিনি যাকে চান হিকমাত (প্রজ্ঞা) দান করেন। আর যাকে হিকমাত (প্রজ্ঞা)