রব ( رب ) শব্দ থেকে রব্বুকা (ربك ) — তোমার রব। পেশ দিয়ে। রব্বাকা (زبك ) – – তোমার রবকে। যবর দিয়ে রব্বিকা (ربك ) – – তোমার রবের।যের দিয়ে। রাব্বুকা ربك এর তারকিব
মুল শব্দ رب রব, ك – তোমার। ربك — তোমার রব। ১। ক্বলা
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
রব ( رب ) শব্দ থেকে রব্বুকা (ربك ) — তোমার রব। পেশ দিয়ে। রব্বাকা (زبك ) – – তোমার রবকে। যবর দিয়ে রব্বিকা (ربك ) – – তোমার রবের।যের দিয়ে। রাব্বুকা ربك এর তারকিব
মুল শব্দ رب রব, ك – তোমার। ربك — তোমার রব। ১। ক্বলা
কাবাকে বায়তুল্লাহ বলা হয়। কাবা যদি আল্লাহর ঘর হয় তবে মহানবী কাবা রেখে জাবালে নুরের হেরা গুহায় কেন ১৫ বছর ধ্যান করলেন ? প্রশ্ন জাগে না কি মনে একবারও।
সূরা মায়েদা আয়াত নং ৬ এর অনুবাদ।
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا قُمْتُمْ اِلَى الصَّلٰوةِ فَاغْسِلُوْا وُجُوْهَكُمْ وَ اَیْدِیَكُمْ اِلَى الْمَرَافِقِ وَ امْسَحُوْا بِرُءُوْسِكُمْ وَ اَرْجُلَكُمْ اِلَى الْكَعْبَیْنِ١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ مَّرْضٰۤى اَوْ عَلٰى سَفَرٍ اَوْ جَآءَ اَحَدٌ مِّنْكُمْ مِّنَ الْغَآئِطِ اَوْ لٰمَسْتُمُ النِّسَآءَ
___সাধারনের জন্য আরবী গ্রামার পর্ব-০৮ সমগ্র কোরাআনে যত শব্দ আছে তা তিনটি শ্রেনীতে বিভক্ত। ১) ইশেম (বিষেশ্য) ২) ফা’আল (ক্রিয়া) এবং ৩) হরফ ( অব্যয়) হরফ এবং ফাল বাদ দিলে বাকি সব ইসিম।
যে শব্দ গুলি দ্বারা কোন কিছুর নাম বুঝায় তাকে এসেম বলে। যে শব্দ গুলি দ্বারা
كُنْتُمْ خَيْرَ اُمَّةٍ اُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَاْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ
(কুনতুম খাইরা উম্মাতিন উখরিজাত লি-ন্নাসি তা’মারুনা বিল
নিশ্চয় তোমরা ধাপে ধাপে আরোহণ করবে। لَتَرْكَبُنَّ طَبَقًا عَنْ طَبَقٍؕ ( লাতারকাবুন্না তাবাকান আন তাবাক।) সূরা ইনশিকাক আয়াত ১৯
শব্দার্থ: لَتَرْكَبُنَّ = তোমরা অবশ্যই আরোহণ করবে, طَبَقًا = ধাপ, عَنْ = থেকে, طَبَقٍ = ধাপে।
লাতাকরাবুন لَتَرْكَبُنَّ এর মুল শব্দ رْكَبُ রাকাব। রাকাব মানে আরোহন করা।
আরবী অনুবাদ গ্রামার পর্ব-০৮
‘অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত। (৩৬:২১)
اتَّبِعُوْا مَنْ لَّا يَسْـــَٔلُكُمْ اَجْرًا وَّهُمْ مُّهْتَدُوْنَ
(ইত্তাবিউ মান লা ইয়াসআলুকুম আজরাওঁ ওয়া হুম মুহতাদুন।)
শব্দার্থ: اتَّبِعُوا
আরবী গ্রামার পর্ব-০৭
নিজে গ্রামার বুঝে ছোট্ট একটি আয়াতের অনুবাদ করি। (সূরা নং ৬৯ আয়াত নং ৪০)
اِنَّهٗ لَقَوْلُ رَسُوْلٍ كَرِیْمٍۚۙ ( ইন্নাহু লা ক্বাউলু রাসুলিন কারিম)
অনুবাদ: অবশ্য অবশ্যই ইহা (কুরআন) একজন সম্মানিত রসূলের বাণী।
শব্দার্থ: إِنَّهُ = নিশ্চয়তা,
কবি অনেক আগেই জন্মচক্র রহস্য অনুধাবন করতে পেরেছিলেন বলেই এ গানটি রচনা করেছিলেন।
প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে না!’( ৩৭:৫৯) ইহা তো মহাসাফল্য। (৩৭:৬০) এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,( ৩৭:৬১)
মানুষ জন্মগত ভাবে কেন অন্ধ, আতুর, পুঙ্গু হয়? কেন অপরিণত বয়সে মৃত্যু হচ্ছে, ভালো মেয়েটির শ্লীলতাহানী হচ্ছে, কেন নিরপরাধ মানুষ জেল খাটছে,?
আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পানঃ
আল্লাহ কি উপাস্য নাকি হুকুম দাতা (ইলাহ)?
আল্লাহ কুরআন এ বলেন আল্লাহ ইলাহ হুকুম দাতা। মানুষ আল্লাহকে বানাইল উপাস্য। ইসলাম এ কোন উপাসনা নাই। আছে কর্ম পদ্ধতি।
আল্লাহ সালাত দিল যেন মানুষ নিয়ম করে
কালেমা তাইয়্যাবা কোন বাক্যটি ? ” লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। “
কোরানে বা হাদীসে এভাবে কোন কালেমার অস্তিত্ত পাওয়া যায় না। যদিও সহী বুখারী শরীফে আছে, তা আবার আরবীতে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া আন্না মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। “
কিন্তু বাংলা অনুবাদ করতে গিয়ে অব্যয়
হায়! হায় !!!
আল্লাহ কি উপাস্য নাকি হুকুম দাতা (ইলাহ)?
আল্লাহ কুরআন এ বলেন আল্লাহ ইলাহ হুকুম দাতা। মানুষ আল্লাহকে বানাইল উপাস্য।ইসলাম এ কোন উপাসনা নাই। আছে কর্মপদ্ধতি।
আল্লাহ সালাত দিল যেন মানুষ নিয়ম করে সালাতে কুরআন পাঠ করে, আল্লাহর হুকুমের
কোরাআনের কিছু অনুবাদ বিভ্রাট কোরআনের মুল লক্ষ্য উদ্দেশ্য থেকে মানুষকে বিমুখ করে রেখেছে। যা সংশোধন একান্ত প্রয়োজন।
১) সালাত ( প্রচলিত অনুবাদ নামাজ) (প্রকৃত বাংলা রবের আদেশের অনুশীলন)।
২] সিয়াম ( প্রচলিত অনুবাদ রোজা) ( প্রকৃত বাংলা অনুবাদ সকল বিষয়ে রবের নির্দেশে
জন্ম চক্র রহস্যঃ
তোমাদের অবশ্যি স্তরে স্তরে এক অবস্থা থেকে আর এক অবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ৮৪:১৯ হে মানুষ! তুমি তোমার প্রতিপালকের নিকট পৌঁছা পর্যন্ত কঠোর সাধনা করিতে থাক, পরে তুমি তাঁহার সাক্ষাৎ লাভ করিবে। ( ৮৪ঃ ৬) [video
এক মহয়সী নারীর সাথে অডিও কলে কথা বলে মনে হলোঃ
যারা প্রতিদিনই মনের গহীনে কবিতা লিখে, গল্প লিখে,নিজেই পড়ে আবার নিজেই মুছে ফেলে। তারা বড্ড একা। অথচ তারা গোপনে রবের সাথে কথা বলে নিজের ভুলগুলি শুধরে নেয়।
নিশ্চয়
ধর্ম বলতে নাইরে কিছু
কর্মেই পরে থাক।।
নির্বোধের মরে মরুক
জ্ঞানীরা মুক্তি পাক।।
লেবাসধারী ধর্ম ব্যবসা
যাক সে নিপাত যাক।।
নামাজ হচ্ছে নির্দিষ্ট ফরমেটে বুঝে বা না বুঝে একটা নির্ধারিত সময়ে সালামের মাধ্যমে সমাপ্ত করার নাম। আর সালাত হলো- পঠিত কুরআনের বিধানকে নিজ, পরিবার এবং সমাজ জীবনে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে কুরআনে বর্ননা সুপ্রতিষ্ঠিত পথে (সিরাতুম মুস্তাকিম) অটল থাকার নাম।
পক্ষান্তরে সালাত হল কোরান তেলোয়াতের অনুষ্ঠান। সালাতে
মানুষ কোরআন বুঝে পড়তে চায়। মোল্লারা ব্যকারনের ভয় দেখিয়ে দূরে রাখতে চায়। কারন তাদের জীবিকায় ভাটা পড়বে। আল্লাহ তাই বলেন:
আল্লাহ্ যে কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছেন যাহারা তাহা গোপন রাখে ও বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে তাহারা নিজেদের জঠরে অগ্নি ব্যতীত আর কিছুই পুরে না। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তাহাদের সঙ্গে কথা বলিবেন না এবং তাহাদেরকে পবিত্র করিবেন না। তাহাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রহিয়াছে। (সূরা বাকারা ১৭৪)
আল্লাহ বলেন কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি বুঝার জন্য। আর মোল্লা ভয় ঢুকিয় কোরান থেকে দূরে রাখে এই বলে যে, ব্যাকারন না জেনে কোরান পড়লে অর্থ বিগরে গিয়ে জাহান্নামে যেতে হবে। কতবড় ধোকা এটি শয়তানের। এ ধোকা শয়তান প্রতিষ্ঠিত করে বসে আছে বলেই আজ মানুষ কোরান বিমুখ। অথচ আল্লাহ বলেনঃ
ক) কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি? সূরা নম্বরঃ ক্বামার ৫৪, আয়াত ১৭
খ) কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি? ৫৪:২২
গ) আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?৫৪:৩২
ঘ) আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?৫৪:৪০