__ইংরেজী শিক্ষিতদের কোরান চর্চা পর্ব-০২
কোরআনের হা ও না বাচক ১১টি শব্দশিখলে কোরআনের মোট ৭৭৫০০ শব্দ হতে ৫৭০০ শব্দ শিখা হয়ে যাবে।
হা বাচক শব্দকে বলে الاثبات (আল ইসবাত ) এবং নাবাচক শব্দকে বলে النفي ( আল নাফি )
১) লা ( لا )
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
__ইংরেজী শিক্ষিতদের কোরান চর্চা পর্ব-০২
কোরআনের হা ও না বাচক ১১টি শব্দশিখলে কোরআনের মোট ৭৭৫০০ শব্দ হতে ৫৭০০ শব্দ শিখা হয়ে যাবে।
হা বাচক শব্দকে বলে الاثبات (আল ইসবাত ) এবং নাবাচক শব্দকে বলে النفي ( আল নাফি )
১) লা ( لا )
____ কোরান উপলব্ধির সহজ উপায়ঃ
কোরআনে পুনারাবৃত্তি সহ মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ৭৮,০০০ টি। এর মধ্যে ১০ টি অব্যয় পদ সূচক শব্দ জানা হলে ২৩,০০০ শব্দ জানা হয়ে যায় এবং ১১ টি হা/না বাচক শব্দ জানতে পারলে ৫৭০০ টি কোরানের শব্দ আয়ত্ত হয়ে যায়। তার মানে ৫০℅ কোরআনের
সহজ পদ্ধতিতে কোরআন শিখতে চাই পর্ব ০১
সালাত আরবী শব্দের অনুবাদ নামজ নয়। এটি পারস্যদের অনুবাদ। বাংলা অনুবাদ “রবের বিধি নিষেধের মনোনিবেশ “।
হে মু’মিনগণ! জুম‘আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহ্র স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয় – বিক্রয় ত্যাগ কর, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা
এগুলি হল সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত:
কুরআনের আয়াতগুলি একে অপরের উপর আলোকপাত করে এবং ব্যাখ্যা করে: “যারা আমার নাযিলকৃত সুস্পষ্ট বর্ণনা এবং পথনির্দেশ মানুষের জন্য কিতাবে সুস্পষ্ট করার পরও গোপন করে, তাদের উপর আল্লাহর লানত এবং অভিসম্পাত কারীগণের ও অভিসম্পাত।” (২:১৫৯)। কিতাবকে আল্লাহ নিজেই সুস্পষ্ট
সালাত কেন ব্যার্থঃ
فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ (ফালা সাদ্দাকা ওয়া লা সাল্লু)
সে সত্য বলে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই।
وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّ (ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়াতাওয়াল্লু)
বরং সে মিথ্য বলিয়াছিল এবং মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَۙ ( ফাওয়াই
সে বিশ্বাস করে নাই এবং সালাত আদায় করে নাই। (৭৫:৩১) বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল। (৭৫:৩২) সুতরাং দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের,
فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ
( ফালা সাদদাকা ওয়া লা সাল্লু)
وَلٰكِنْ كَذَّبَ وَتَوَلّٰىۙ
(ওয়া লাকিন কাজ্জাবা ওয়া
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। ১৯:৫৯ ১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য? ২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই চলছিল। সে সময় কালটি কখন? ৩) তাদের পরে কাহারা
দ্বীন ও ধর্মের মধ্যে পার্থক্য কি?
১) ধর্ম মানব সংযোজিত কিছু আচার অনুষ্ঠান পুজা পার্বন।পক্ষান্তরে দ্বীন আল্লাহর নির্ধারিত মানব জাতীর জীবন পরিচালনার গাইড লাইন, যা কোন কিতাবে সংরক্ষিত থাকে।
২) ধর্ম পরিচালত হয় ধর্ম গুরু মোল্লা,মুন্সি, শায়েখ, হুজুর, পুরোহিত, পাদ্রী, ভিক্ষু ইত্যাদি দ্বারা। পক্ষান্তরে
সুতরাং কোরআনের পরে আর কোন হাদীসে বিশ্বাস স্থাপন করিবে? فَبِاَىِّ حَدِيْثٍۢ بَعْدَهٗ يُؤْمِنُوْنَ
১) فَبِأَيِّ (ফাবেআইয়ে) = সুতরাং আর কোন
২)حَدِيْثٍۢ (হাদীসিন) = হাদীসে
৩) بَعْدَهُ (বাআ’দাহু) = তারপরও (এখানে কোরআন)
৪) يُؤْمِنُونَ (ইউমেনুন) = তারা বিশ্বাস করবে
সরল অনুবাদ: সুতরাং আর
প্রাথমিক আরবী গ্রামার পর্ব-১০
জমির (সর্বনাম)ঃ ইসিম এর পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার হয় তাকেই জমির বলে। জমির তিন প্রকার।
১) মারফু ২) মানছুব ৩) মাজরুর।
১) মারফু (কর্তৃবাচ্য) কর্তার পরিবর্তে যেখানে বসে সেটা মারফু। পেশ থাকলে হয়। মারফুকে
এদেশে জরুথিষ্টগন নিজেকে আকাবির দাবী করতে গর্ববোধ করে। কিন্তু কোরানে আকাবির শব্দটা এসেছে সূরা আনআমের ১২৩ আয়াতে। এখানে অপরাধীদের প্রধানকে আকাবির হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। আমাদের জরুগন প্রকৃতই অপরাধীদের প্রধান বলেই নিজের অজান্তেই এ লকব বেছে নিয়েছে। দেখা যাক আয়াতটি। এইরূপে আমি প্রত্যেক জনপদে সেখানকার অপরাধীদের প্রধানকে(
মানুষের জন্য সর্ব প্রথম যে গৃহ তৈরী হয়েছিল তাহা অবশ্যই বাক্কায়, উহা বরকতময় ও বিশ্বজগতের জন্য পথ-নিদর্শনা । (৩:৯৬)
اِنَّ اَوَّلَ بَیْتٍ وُّضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِیْ بِبَكَّةَ مُبٰرَكًا وَّ هُدًى لِّلْعٰلَمِیْنَۚ
শব্দার্থ: إِنَّ = নিশ্চয়, أَوَّلَ = প্রথম, بَيْتٍ = ঘর, وُضِعَ = তৈরি করা
রব ( رب ) শব্দ থেকে রব্বুকা (ربك ) — তোমার রব। পেশ দিয়ে। রব্বাকা (زبك ) – – তোমার রবকে। যবর দিয়ে রব্বিকা (ربك ) – – তোমার রবের।যের দিয়ে। রাব্বুকা ربك এর তারকিব
মুল শব্দ رب রব, ك – তোমার। ربك — তোমার রব। ১। ক্বলা
কাবাকে বায়তুল্লাহ বলা হয়। কাবা যদি আল্লাহর ঘর হয় তবে মহানবী কাবা রেখে জাবালে নুরের হেরা গুহায় কেন ১৫ বছর ধ্যান করলেন ? প্রশ্ন জাগে না কি মনে একবারও।
সূরা মায়েদা আয়াত নং ৬ এর অনুবাদ।
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا قُمْتُمْ اِلَى الصَّلٰوةِ فَاغْسِلُوْا وُجُوْهَكُمْ وَ اَیْدِیَكُمْ اِلَى الْمَرَافِقِ وَ امْسَحُوْا بِرُءُوْسِكُمْ وَ اَرْجُلَكُمْ اِلَى الْكَعْبَیْنِ١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا١ؕ وَ اِنْ كُنْتُمْ مَّرْضٰۤى اَوْ عَلٰى سَفَرٍ اَوْ جَآءَ اَحَدٌ مِّنْكُمْ مِّنَ الْغَآئِطِ اَوْ لٰمَسْتُمُ النِّسَآءَ
___সাধারনের জন্য আরবী গ্রামার পর্ব-০৮ সমগ্র কোরাআনে যত শব্দ আছে তা তিনটি শ্রেনীতে বিভক্ত। ১) ইশেম (বিষেশ্য) ২) ফা’আল (ক্রিয়া) এবং ৩) হরফ ( অব্যয়) হরফ এবং ফাল বাদ দিলে বাকি সব ইসিম।
যে শব্দ গুলি দ্বারা কোন কিছুর নাম বুঝায় তাকে এসেম বলে। যে শব্দ গুলি দ্বারা
كُنْتُمْ خَيْرَ اُمَّةٍ اُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَاْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ
(কুনতুম খাইরা উম্মাতিন উখরিজাত লি-ন্নাসি তা’মারুনা বিল
নিশ্চয় তোমরা ধাপে ধাপে আরোহণ করবে। لَتَرْكَبُنَّ طَبَقًا عَنْ طَبَقٍؕ ( লাতারকাবুন্না তাবাকান আন তাবাক।) সূরা ইনশিকাক আয়াত ১৯
শব্দার্থ: لَتَرْكَبُنَّ = তোমরা অবশ্যই আরোহণ করবে, طَبَقًا = ধাপ, عَنْ = থেকে, طَبَقٍ = ধাপে।
লাতাকরাবুন لَتَرْكَبُنَّ এর মুল শব্দ رْكَبُ রাকাব। রাকাব মানে আরোহন করা।
আরবী অনুবাদ গ্রামার পর্ব-০৮
‘অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত। (৩৬:২১)
اتَّبِعُوْا مَنْ لَّا يَسْـــَٔلُكُمْ اَجْرًا وَّهُمْ مُّهْتَدُوْنَ
(ইত্তাবিউ মান লা ইয়াসআলুকুম আজরাওঁ ওয়া হুম মুহতাদুন।)
শব্দার্থ: اتَّبِعُوا