মানুষ কেন জন্মগতভাবে অন্ধ, আতুর, পঙ্গু হচ্ছে ; কেন অপরিণত বয়সে মৃত্যু হচ্ছে, বজ্রাঘাতে, সর্পাঘাতে, জলোচ্ছ্বাসে, ভূমিকম্পে, টাইফুনে মৃত্যু হচ্ছে নিষ্পাপ মাসুম শিশুটির। নিশ্চয় এর প্রত্যেকটির পিছনে একটি কারণ এবং রহস্য লুকায়িত রয়েছে । তা না হলে বলতে হয় আল্লাহ পক্ষপাতিত্ব করছেন । কাউকে অন্ধ, খোঁড়া বানাচ্ছেন,
Category: Blog
রাসুলের আনুগত্য
শয়তান কুরআনের সরল পথে বসে, মানবরূপী শয়তানদের মাধ্যমে মুমিনদের কে বিভ্রান্ত করার জন্য কুরআনের যে সকল শব্দ সমূহের বিকৃত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘আনুগত্য’ ( يُطِعِ )।
وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ مَعَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِم مِّنَ ٱلنَّبِيِّۦنَ وَٱلصِّدِّيقِينَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَٱلصَّٰلِحِينَۚ وَحَسُنَ
জাহান্নামে অবস্থান
কোরানের ঘোষণা অনুযায়ী মানুষকে জাহান্নামে দেওয়া হবে বলা হয়নি । মানুষ জাহান্নামে আছে বলা হয়েছে ।
ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيْنَ الْيَقِينِ
১) ثُمَّ – অতঃপর
২) لَتَرَوُنَّهَا – অবশ্যই তোমরা একে দেখবে
৩) عَيْنَ الْيَقِينِ –
ধর্মীয় কুসংস্কার
ধর্মীয় কুসংস্কারে ডুবে থাকা মানব জাতীঃ
তোমাদের মূর্খদের কাল্পনিক বিশ্বাস, ফকীহদের আইনের চুলচেরা বিশ্লেষণ, বৈরাগ্যবাদীদের কৃচ্ছ্রসাধনা এবং অমুসলিম জাতিদের তোমাদের ওপর প্রাধান্য ও শাসন প্রতিষ্ঠার কারণে তোমাদের আল্লাহ প্রদত্ত আসল শরীয়াতের ওপর যেসব বিধি বন্ধনের বাড়তি বোঝা আরোপিত হয়েছে, আমি সেগুলো রহিত করবো এবং
আরবী শব্দ رَضَاع ( রদআ ) কি?
রদাআ’ (মহরাম হওয়া) প্রথমে দশ ঢোক দুধপানে মহরাম হতো, পরে তা বাতিল হয়ে পাঁচবার স্পষ্ট দুধ পান দ্বারা মহরাম হওয়া স্থির থাকে। নবী সাঃ ইন্তিকালের সময় এই বিধান কার্যকর ছিল।
সাবেঈন কাহারা
কোরানে বর্নিত সাবেঈন কাদের বলে?
কোরআনে তিন জায়গায় “الصابئين” শব্দটি এসেছে।
কোরআন তাঁদেরকে ইহুদী, নাসারা, মুশরিক এর পাশাপাশি একটি আলাদা ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করে, যাদের সম্পর্কে বলা হয়।
যে-ই হোক—মুমিন, ইহুদী, নাসারা বা সাবিইন যদি ঈমান আনে, সৎকর্ম করে, তবে
তৌহিদী জনতা
তৌহিদি জনতা আসলে নবীর ইন্তেকালের সময় থেকেই সংগ্রামী ভুমিকা পালন করে আসছে। যেমনঃ
১) নবীর ইন্তেকালের সময় তিন দিন ওনারা সংগ্রামে ব্যস্ত ছিলেন। তাই উনার দাফন-কাফন তিন দিন পর হয়েছিলো।
২) খলিফা ওমর এর শাসন কালে এই তৌহিদি জনতা বিদ্রোহ করে এবং নামাজরত অবস্থায়
ফেরাউনের পোষাক
ঐতিহাসিকভাবে “ফেরাউনের পোশাক” কেমন ছিল?
প্রাচীন মিসরের ফেরাউনরা সাধারণত যেসব পোশাক ও অলংকার পরতেন, সেগুলো নিজেই অহংকার ও ক্ষমতার প্রতীক:
১. Nemes Crown (নেমেস মুকুট)
নীল-সোনালি ডোরা-ডোরা মাথার পোশাক। এর সামনে uraeus (উঠে থাকা কোবরার প্রতীক) থাকত যা
মানুষের ভালবাসা
মানুষ কখনোই মানুষকে ভালবাসে না, ভালবাসে তার স্বভাব–ইচ্ছাশক্তিকে বা নফসকে। আর স্বভাবের সাথে যখন মিলে যায় তাকে সে ভালবাসতে শুরু করে।”
কুরআনের আলোকে অত্যন্ত গভীরভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। কুরআন মানুষের ভালবাসা, আকর্ষণ, বন্ধুতা—এসবকে নফস, হাওয়া, শখ এবং অভিরুচি-র সঙ্গে যুক্ত করে ব্যাখ্যা করে। অর্থাৎ মানুষের ভালবাসা
মৃত্যু দন্ড
অপরাধীর আইনজীবির মৃত্যুদন্ড
মৃত্যদন্ড প্রাপ্ত আসামীর অনুপস্থিতে তার আইনজীবিকে মৃত্যদন্ড কার্যকর করার বিধান প্রচলিত আইনে না থাকলেও শরীয়া আইনে আছে। কারন অপরাধ যে করে এবং অপরাধীকে যে প্রশ্রয় দেয় বা তার পক্ষে সাফাই গায় উভয়ের সমান দন্ড।
কোরআনের আলোকে
আল্লাহর ভাষা
আল্লাহর ভাষা — বাণীর অতীন্দ্রিয় উৎস।
ভাষা (اللّغة) হচ্ছে সৃষ্ট জগতে যোগাযোগের মাধ্যম, যা ধ্বনি, অক্ষর ও চিহ্ন দ্বারা গঠিত। অতএব, এটি সৃষ্টি (مخلوق) — যেমন মানুষ, ফেরেশতা বা জিনদের মধ্যকার যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু আল্লাহ সৃষ্ট নন — তিনি সময়, স্থান, রূপ,
ইসলামের মানদন্ড
সত্য অনুসন্ধানের প্রেরণা এবং আত্মসমালোচনাঃ
যেদিন থেকে সালাত আর লেবাসকে ইসলামের মান্দন্ড বানিয়েছে সেদিন থেকে ইসলাম যৌনতা, আর হুর প্রাপ্তীর বিনোদনের প্লাটফর্মে রুপ নিয়েছে। অথচ ইসলাম ছিল ন্যায় প্রর্তিষ্ঠার প্রতিযোগিতার টিকে থাকার লড়াইয়ের এক অনন্য জীবন ব্যবস্থা।
এখন ইসলাম হয়ে গেছে জান্নাত আর হুর প্রাপ্তীর সূচক। আজগুবি গল্প বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন আর জান্নাত প্রাপ্তীর শর্টকাট রাস্তা। ধর্মের সাইন বোর্ডে জীবিকার কর্ম সংস্থান।
যাই কর নামাজ পড়, সর্বক্ষন মাথায় টুপি রাখ।
সালাতের উদেশ্য, লক্ষ্যকে বিকৃত করে নিল। অথচ সালাত শুধু অঙ্গচালনা নয়; বরং এটি অন্তরের বিশুদ্ধতা ও ন্যায়নিষ্ঠ।
আল্লার আইন
আল্লাহর আইন নাকি বুখারীর আইন — কুরআনের আলোকে ইসলামি রাজনীতির মুখোশ।
আজকের পৃথিবীতে অনেক দল ও সংগঠন নিজেদের মুখে ঘোষণা করে — “আমরা আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”
তারা রাজনীতিতে আসে, ক্ষমতার দাবি তোলে, পতাকায় ‘কালেমা’ লিখে, জনতাকে ধর্মীয় আবেগে
আশারা মোবাশ্বরা
আশারে মোবাশ্বারার তালিকা একটি চমকপ্রদ আষাঢ়ে গল্প। যেখানে বিল্লাল,খাদিজা,ফাতেমা কারো নাম নাই। ভুয়া মুক্তি যোদ্ধার লিস্টের মত।
ইসলামী ইতিহাস ও হাদীস সূত্র অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ সাঃ এই দশজন সাহাবীকে “আশারায় মোবাসসারার” বা দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত সাহাবী” ঘোষণা করেছিলেন। (সহীহ বুখারী,
সালাতের বিভাজন
ফরজ- সুন্নত- ওয়াজিব-নফল
কুরআনের দৃষ্টিতে সালাত একটিই। এটি আল্লাহর জন্য নির্ধারিত একক ইবাদত; এর ভেতর কোনো প্রকার শ্রেণীবিভাগ— সুন্নত, নফল, ওয়াজিব, ফরজ — কুরআনে নেই। এই শ্রেণীবিভাগ এসেছে পরবর্তী যুগের ফিকহি কাঠামো থেকে, যেখানে মানুষের ব্যাখ্যা ধীরে ধীরে আল্লাহর বিধানের বিকল্প রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আল্লাহর নাম
আল্লাহর ৯৯ নামের তালিকা শয়তানের তৈরী
আল্লাহর ৯৯ নামের তালিকা কোথা থেকে এলো? যেখানে আল্লাহর মুল নাম “رَبّ” (রব) শব্দটি কুরআনে ৯০০ শতবার এসেছে — অথচ এ নামটি নাই তালিকায়। এটি আল্লাহর অন্যতম মূল নাম, যার অর্থ: “প্রভু”, “লালনকারী”, “সংরক্ষক”, “পরিচালক”।
আবার কিছু
হাদীসের কুফল
রবের কুরআনের কথা বললেই হয়ে যাবেন ধর্মের জ্ঞানীদের নিকট অজ্ঞ, মূর্খ,উম্মাদ। ঐ জ্ঞানীরা যে জ্ঞানের কথা বলে তা স্রষ্টার কথার সাথে মিলে না।কবরবাসীকে যেমন কোন কিছু শুনানো যায় না,ঠিক ধর্মের মাদরাসা থেকে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও কুরআনের আয়াত দিয়ে কোন কিছু শুনানো যাবে না।
ধ্যান ও দাওয়াত
আল্লাহ কুরানে একাধিকবার বলেছেন—
আসমান সাতটি।
আমার আরশ ধারণ করে আটজন ফেরেস্তা।
আমার ফেরেস্তাগণ দুই দুই, তিন, চার পাখা বিশিষ্ট।
আমি আসমান-জমিন সৃষ্টি করেছি ছয় দিনে।
পৃথিবী সৃষ্টি করেছি দুই দিনে,
পৃথিবীর গাছপালা, জীব-জন্তু (রিজিক) সৃষ্টি করেছি দুই দিনে।
অতঃপর দুই দিনে আসমানকে
সৃষ্টিতে চিন্তা
কখনো কি মনে প্রশ্ন জাগে না?
আল্লাহ কুরানে একাধিকবার বলেছেন-:
★ আসমান সাতটি।
★ আমার আরশ ধারণ করে আছে আটজন ফেরেস্তা।
★ আমার ফেরেস্তাগণ দুই দুই, তিনি তিন, চার চার পাখা বিশিষ্ট।
★ আমি আসমান জমিন সৃষ্টি করেছি ছয় দিনে।
★ পৃথিবী সৃষ্টি করেছি দুই দিনে,
নবীর সব কিছু অনুসরন করার বৈধিতা নেই।
হে নবী! আমি তোমার জন্য বৈধ করেছি — তোমার সেই স্ত্রীদের, যাদের মহর তুমি প্রদান করেছ; আর (বৈধ করেছি) তোমার ডান হাত যাদের অধিকারী হয়েছে (অর্থাৎ বন্দিনী নারীগণ), যাদের আল্লাহ তোমার জন্য অর্জিত করেছেন; আর তোমার পিতৃকুলের কন্যাগণ, তোমার পিতৃকুলের ফুফুদের
