ইসকন ভার্সাস তৌহিদী জনতাঃ
মূর্খের দেশে ধর্মের আবেগ ছিটিয়ে দাও অজ্ঞ মানুষের হৃদয়ে — তুমি রাতারাতি ধর্মীয় নেতা হয়ে যাবে! এইভাবেই যুগে যুগে জন্ম নেয় তথাকথিত ধর্মীয় গুরুরা।
তাদের কথার মোহে অন্ধ জনতা,তাদের ছোঁয়ায় প্রজ্বলিত হয় দাঙ্গা, মতবাদ আর
ইসকন ভার্সাস তৌহিদী জনতাঃ
মূর্খের দেশে ধর্মের আবেগ ছিটিয়ে দাও অজ্ঞ মানুষের হৃদয়ে — তুমি রাতারাতি ধর্মীয় নেতা হয়ে যাবে! এইভাবেই যুগে যুগে জন্ম নেয় তথাকথিত ধর্মীয় গুরুরা।
তাদের কথার মোহে অন্ধ জনতা,তাদের ছোঁয়ায় প্রজ্বলিত হয় দাঙ্গা, মতবাদ আর
প্রকৃতির বিধানই স্রষ্টার বিধান
প্রকৃতির প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রতিটি স্পন্দন—একটি অদৃশ্য ছন্দে বাঁধা। সেই ছন্দের নামই স্রষ্টার বিধান। আকাশের বিশালতা, বৃষ্টির স্নিগ্ধতা, নদীর প্রবাহ, কিংবা মৌমাছির পরিশ্রম—সব কিছুই এক মহান পরিকল্পনার অংশ। কুরআনের আয়াতগুলো এই সত্যের এক অনবদ্য রূপকাব্য; সেখানে প্রকৃতি হয়ে ওঠে স্রষ্টার কণ্ঠস্বর।
কাবা সকল মানুষের জন্য শুধু মুসলমানের নয়
নিশ্চয়ই যারা অবিশ্বাস করে, আল্লাহর পথে ও পবিত্র মসজিদুল হারামে যেতে মানুষকে বাধা দেয়—যাকে আমি তথায় বসবাসকারী ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্য সমঅধিকার করেছি। আর যে এতে অন্যায়ভাবে বিকৃতি আনার চেষ্টা করে, আমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করাবো।
__ الَّذِينَ جَعَلُوا الْقُرْآنَ عِضِينَ
যারা কুরআনকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছে।
আপনি এ আয়াতে থেকে কি বুঝলেন আর ইবনে কাসির কি বুঝেছেন? আয়াতে কোন জটিল শব্দ আছে কি? যা বুঝতে কাসিরের স্মরনাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন?
১) الَّذِينَ – (আল্লাযীনা) = যাহারা ২) جَعَلُوا – (জা‘লূ)
রবের বাণী থেকে বিচ্যুত মানুষ আজকের দিনে অধিকাংশ মানুষ মোল্লার কথায় অন্ধ বিশ্বাস রাখে,কিন্তু যখন আল্লাহর কালাম তুলে ধরা হয়, তখন মুখ ফিরিয়ে নেয়। চৌদ্দশ বছর ধরে চলছে এই লড়াই— আল্লাহর প্রকৃত রসূলের
_______ মোল্লা বনাম আল্লাহঃ
বর্তমানে অধিকাংশ লোকই মোল্লার কথা বিশ্বাস করে কিন্তু আল্লাহর কালামের কথা বললে বিশ্বাস করে না। আল্লাহর কুরআনের প্রকৃত রসূলের সাথে আরবের প্রতারক রসূলের মোকাবিলা ১৪০০ বছর থেকে চলে আসছে যার ফলে ৩ শ্রেণীর মুসলমানেরা কুরআন ছেড়ে ১০ টি হাদিসের দিকে বেটে গেছে। #রবের কুরআনের কথা বললেই
রুহ ঢুকলে প্রাণের সঞ্চার ঘটে আবার রুহ বের করে নিলে মৃত্যু ঘঠে। রুহ তাহলে কি? কোথায় তাঁর অবস্থান?
এবিষয়ে বলতে চাইলেই (১৭:৮৫) আয়াতের রেফারেন্স দার করিয়ে থামিয়ে দেয়া হয় এ বলে যে, রুহ সম্বন্ধে খুব অল্প জ্ঞান দিয়েছেন। কেন? তাহলে কোরানের ২১ টি আয়াতে
“আদমকে সিজদার আদেশ হল, কিন্তু হাওয়া কে নয়” — এর মধ্যে যে আপাত বৈষম্য দেীখা যায়, তা আসলে সৃষ্টির উদ্দেশ্য, প্রতীকী প্রতিনিধিত্ব (رمزية) এবং কালানুক্রমিক ধারার বিষয়; লিঙ্গ ভিত্তিক মর্যাদার পার্থক্য নয়।
চলুন ধাপে ধাপে কুরআনের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করি —
মহাপ্রলয়
আনাস (রা.) বর্ণনা করেন: এক ব্যক্তি রাসূল সাঃ কে কিয়ামতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন… তারপর নবী সাঃ আনসারদের এক কিশোরের দিকে ইশারা করে বললেন, “যদি এই ছেলেটি বেঁচে থাকে, তবে সে বৃদ্ধ হওয়ার আগেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।” (সহীহ মুসলিম ২৯৫২ এবং বুখারীর
রূহ (ٱلرُّوحُ) আল্লাহ প্রতিদিন নতুন করে সৃষ্টি করেন কি না, নাকি একবারেই সব রূহ সৃষ্টি হয়ে গেছে?
১. রূহের সৃষ্টির মূলনীতি (একবারে সৃষ্টি)
কুরআনে আল্লাহ বলেন:
وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنۢ بَنِيٓ ءَادَمَ مِن ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ
পাক-পবিত্ররা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না। (৫৬:৭৯)
পূর্বের ৭৭ নং আয়াতের ধারাবাহিকতায় একে বলতে কুরআনকে বোঝানো হয়েছে। এর অর্থ দাড়ায় অপবিত্র কেউ কুরআন স্পর্শ করবে না। কুরআনে কে পবিত্র , তা পরিস্কার বলা না থাকলেও কারা অপবিত্র তা পরিস্কার বলা আছে।
কুরআনে
সংসার জগত সৃষ্টির সুচনা
ব্রাহ্মা (সৃষ্টিকর্তা) শতরূপাকে সৃষ্টি করে তিনি তাঁর নিজ রূপে মুগ্ধ হয়ে প্রেম/যৌনাচারে লিপ্ত হন এবং তদনুযায়ী জগত-সংসার শুরু হয়।
এই কাহিনীতে বিশ্বের উৎপত্তি সংসার জগত সৃষ্টি ও সৃষ্টিকর্তার আত্ম-প্রসারণ বা ‘লীলা’/স্বরূপ-প্রকাশ হিসেবে বর্ণিত হয় সনাতন ধর্ম মতে।
অপর দিকে
“মনুষ্য ও সংসার” সৃষ্টি হল
আল্লাহ প্রথম মানুষ আদম সৃষ্টি করেন; তার জন্য তাকে জুটি (স্ত্রী/সঙ্গী) সৃষ্টি করা হয়।
আদম ও তাঁর সঙ্গীকে জান্নাতে রাখা হয়েছিল; এক বিধি ভঙ্গের ফলে তারা জান্নাত থেকে পৃথিবীতে প্রেরিত হন — পৃথিবীতে সংসার, পরিশ্রম ও পরীক্ষা শুরু
আদমের পোষাকে আবৃত ও লুকায়িত হইয়া আমিই ফেরেস্তাগনের সিজদা গ্রহন করেছি লাম এবং মোহাম্মদ সাঃ এ-র সুরতে আমি নিজেই প্রশংসাকারী ও প্রশংসিত হইয়াছি।
(ইবনুল আরাবি রহঃ)
একই ব্যাক্তি মুহাম্মদ এবং আহাম্মদ কেন?
“মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষদের মধ্যে কাউকে পিতা নন; বরং
শ্যামপুর মিয়া বাড়ির স্মৃতির পাতায় শাবানা
শ্যামপুর মিয়া বাড়ির আঙিনায় যে বাতাস বয়ে যায়, তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অগণিত স্মৃতি, অগণিত গল্প। সেখানেই জন্ম নেয় একদিন এক ফুটফুটে কন্যা, যে রত্না থেকে শাবানা হয়ে ছাপ ফেলেছিল সমগ্র বাংলার হৃদয়ে।
আদমকে ধোকা দিল ইবলিশ আর ইবলিশকে ধোকা দিল কে? তার মানে ইবলিশ উপাধী প্রদানের আগেও শয়তান ছিল।
মুহতারাম। আপনি আলীগর মাদ্রাসার কোরান বিভাগের প্রধান। আমি একরামুল হক বাংলাদেশ থেকে প্রশ্নকারী। আমি আপনার সাথে শয়তানের সৃষ্টির সুচনা নিয়ে আলোচনা করতে চাই। আমি প্রশ্নকারী আপনি উত্তরদাতা
শোকের জুম্মাকে যারা মোবারক বানালো !
১০ অক্টোবর ৬৮০ খৃষ্টাব্দে ইরাকে হোসেইনের তাবুতে জুম্মার আযান হয়েছিল পাশাপাশি ১০ অক্টোবর ৬৮০ খৃষ্টাব্দে এজিদের তাবুতেও জুম্মার আযান হয়েছিল।
সে সময় পাক্কা মুসলমানের দুইটি জামাত দুই তাবুর দেকে জুম্মার জন্য সমবেত হয়েছিল।
অতীত জীবনের গল্প
সংকলক: এ,কে,এম একরামুল হক
১৯৬০ সালের এক সন্ধ্যায়, রংপুরের আকাশের নিচে, দুটি ভাই-বোন—এফতেদা বেগম রুবী ও আতাউর রহমান মিন্টু—এক অদ্ভুত প্রতিজ্ঞায় বাঁধা পড়লেন। পারিবারিক ঘনিষ্ঠতার টানেই তারা ওয়াদা করলেন, “যার আগে ছেলে
আমি এ,কে,এম একরামুল হক রুবেল। জন্ম ৯ই মার্চ, ১৯৬০। আমি একাধারে ইতিহাস প্রেমী, স্মৃতিচারণকারী এবং আমার পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া একটি গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
আমার বংশের শিকড় গেঁথে আছে আরব দেশের ইয়েমেনে। সেই বংশের প্রবাহকে ধরে রাখতে আমি আমার পূর্বপুরুষদের লিপিবদ্ধ করছি।
সরদার বংশের ইতিহাস ও স্মৃতিচারণ

আমি এ,কে,এম একরামুল হক রুবেল। জন্ম ৯ই মার্চ, ১৯৬০। আমি একাধারে ইতিহাস প্রেমী, স্মৃতিচারণকারী এবং আমার পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া একটি গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
আমার বংশের শিকড় গেঁথে আছে আরব দেশের ইয়েমেনে। সেই বংশের প্রবাহকে ধরে রাখতে আমি আমার পূর্বপুরুষদের