পক্ষে বিপক্ষে যুক্তিঃ
আল-কোর’আনের বেশ কিছু সূরার প্রারম্ভ হয়েছে, কোন শব্দ বা বাক্যের পরিবর্তে হরফ দিয়ে যেমন: ক্বফ, ছোয়াদ; অথবা আরবী কিছু সুনির্দিষ্ট অক্ষরের বিন্যাস দিয়ে, যেমন: আলিফ লাম মীম, হা মীম, ত্বোয়া সীন মীম, ইয়া সীন ইত্যাদি।
এ সকল অক্ষর বা
পক্ষে বিপক্ষে যুক্তিঃ
আল-কোর’আনের বেশ কিছু সূরার প্রারম্ভ হয়েছে, কোন শব্দ বা বাক্যের পরিবর্তে হরফ দিয়ে যেমন: ক্বফ, ছোয়াদ; অথবা আরবী কিছু সুনির্দিষ্ট অক্ষরের বিন্যাস দিয়ে, যেমন: আলিফ লাম মীম, হা মীম, ত্বোয়া সীন মীম, ইয়া সীন ইত্যাদি।
এ সকল অক্ষর বা
মাসজিদুল হারামের কালো পাথর হাজরে আসওয়াদ একজন মুসলিমের জন্য কতটুকু গুরুত্ব বহন করে ইসলামের ১৯ জন নবীদের সাথে মক্কার সম্পর্ক সর্বদা। কালো পাথরের চারিদিকে ৭পাক তাওয়াফ কুরআন মতে রবের মুসলিমদের আমল। পাথরে চুমু খাওয়া নয় এখন থেকে তাওয়াফ স্টার্ট করতে হয়। ১৫/৮৭ হিন্দু ও প্যাগানিজমদের সাথে মাসজিদুল হারামের কোনো সম্পর্ক
ভাই আবু জেহেল বাস্তবে নবীজীকে দেখেছেন, ঘুমের ঘোরে নয়। কি লাভ হয়েছে তার? বলতে পারেন তার ঈমান ছিল না… । আব্দুল্লাহ বিন উবাই তিনি মদীনা বাসী ও প্রথম দিকের ইসলাম গ্রহন কারী এবং নবীর পাশে সব সময় থাকতেন। তাকেও মুনাফেকের লিস্টে পাওয়া যায়। আর আপনি ঘুমের ঘোরে দেখলে
শেষ পর্যন্ত যখন তাদের কারো মৃত্যু এসে হাজির হয় তখন সে বলে : হে আমার প্রতিপালক! আমাকে আবার (দুনিয়াতে) পাঠিয়ে দিন,যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি, যা আমি করিনি। কখনই নয়,নিশ্চয় এ তো তার একটি কথার কথা মাত্র।(২৩ঃ৯৯-১০০)
حَتّٰٓى اِذَا جَآءَ اَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ رَبِّ ارْجِعُوْنِۙ لَعَلِّىْۤ اَعْمَلُ
১৯:৪১ ওয়াযকুর = আর যিকির/ আলোচনা করো। ফিল কিতাবি = এই কিতাবে যা বলা হয়েছে। ইবরাহীমা = ইবরাহীম সম্পর্কে। ইন্নাহু = নিশ্চয় সে। কানা = ছিলো। সিদ্দীক্বান নাবীয়্যান = সিদ্দিক/ সত্যবাদী ও নবী। আর যিকির/ আলোচনা করো এই কিতাবে যা বলা হয়েছে ইবরাহীম সম্পর্কে। নিশ্চয় সে ছিলো সিদ্দিক/ সত্যবাদী ও
নামাজ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসাবে সারা পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য মসজিদ নির্মান করা হয়েছে এবং হচ্ছে। মসজিদ নিমানে দান করা সদগায়ে জারিয়া। যতদিন মানুষ মসজিদে নামাজ পড়বে ততদিন মসজিদ নির্মাতা সোয়ায়াব পাইতে থাকিবে। কিন্তু কোরান কি এ ধারনা নিশ্চিত করে। কোরানে ৮২ বার সালাতের কথা বলা হয়েছে বলে আমরা জানি।
ঈমান আরবী শব্দ। এটি একটি শব্দ মূল। এটি হতে আরবী আমানা, ইয়ু’মিনু, ঈমানান, মু’ মিনুন শব্দাবলী গঠিত। ঈমান অর্থ সত্যায়ন করা, সত্য বলে মেনে নেওয়া, সত্য বলে বিশ্বাস করা। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় তাওহীদ তথা আল্লাহর একত্ববাদের যাবতীয় বিষয়ের উপর অন্তরের দৃঢ় বিশ্বাসই হচ্ছে ঈমান। ঈমান অন্তরের বিষয়। এটি অন্তরে অবস্থান
অভাব কাকে বলে? অর্থনীতি ক্লাসের স্যার ক্লাসে ঢুকেই ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করলেন, “অভাব কাকে বলে..?” ছেলেটি উত্তর দিলোঃ- ‘অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে অভাব বলে।’ (এটা তো বইয়ের ভাষা, সাধারণত অভাব কাকে বলে? ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে রইলো,, কি বলবে ভেবে পাচ্ছিলো না।। স্যার আবার
” নিশ্চয় তারা তাদের পাপের বোঁঝা বহন করবে এবং নিজেদের বোঝার সাথে অন্যের বোঝাও। (২৯ঃ১৩) দু’ব্যক্তিকে আল্লাহ অতিশয় ঘৃণা করেন। এদের একজন হল সে — ” যাকে মুর্খতা ও অজ্ঞতা ঘিরে আছে। সে অজ্ঞদের মাঝেই চলাফেরা করে। । সে কোরআন ও সুন্নাহকে পরিত্যাগ পুর্বক নিজের ইচ্ছামত বিধি নিষেধ জারি করে।
একটা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাহেব কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বললেন- আপনারা এমডি সাহেবকে অনুসরণ করবেন, তার আনুগত্য করবেন, তিনিই আপনাদের আদর্শ। এখন কর্মকর্তাগন কি এমডি সাহেবের কাপড় পরার স্টাইল, নখ কাটার পদ্ধতি, রাস্তায় হাঁটার নিয়ম, পানি পান করার কসরত শিখবে ? না কি এমডিকে বোর্ড যে গাইড লাইন সরবরাহ করেছে তার ভিত্তিতে তাকে
قُتِلَ الْخَـرّٰصُوْنَ
ক্বুতিলাল খাররাছুন
قُتِلَ = ধ্বংস হউক ,
الْخَرَّاصُونَ =অনুমানকারী,
অনুবাদ: ধ্বংস হোক অনুমানকারীরা।
আল কোরআন ৫১:১০
অধিকাংশ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির জাহেলিয়াতঃ ********** অধিকাংশের খায়েশ, সংস্কৃতি, অন্ধ-বিশ্বাস, কুসংস্কার, নৈতিকতা ইসলামের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আরবের জাহেল অধিকাংশরা যেমন নিজেদের ক্ষমতার স্বার্থ, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামী দ্বারা ইব্রাহিমী একেশ্বরবাদী চেতনাকে গিলে ফেলেছিলো। অথচ তারা মনে করত তারাই ইব্রাহিমী মিল্লাতের অনুসারী। কোন আইডিয়া যখন অধিকাংশ ধারণ করতে শুরু করে তখন
১] আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না, জানতো না সরল পথও। ( সূরা বাকারা আয়াত ১৭০) ২]
অপারাধীরা এমন কথার উপর ভরসা করে পুন পুন অপরাধ করতে থাকে। ফেস্টুনের লিখক নিশ্চয় কোন প্রফেশনাল অপরাধী।
কোরআন -কার উপর নাযিল হয়েছে- কোরআন দ্বারা- প্রমাণ করা যাবে কি?
আলোচনার শুরুতেই আসে:-
ঈশ্বরের শাস্তির ভয়ে যারা ভালো মানুষ, তারা সত্যিকারের ভালো মানুষ নয়।
সত্যিকারের ভালো মানুষ তারা, যারা ঈশ্বর নেই জেনেও খারাপ কাজ করে না।
কোরআন বিজ্ঞানময় আর এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনঃ আল্লাহ আল কোরানে মানুষের ইহকালীন এবং পরকালীন কল্যানের কথা যেমন আলোচনা করেছেন তেমনি আলোচনা করেছেন জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং তার সৃষ্টি কুলের নিগূঢ় রহস্যের কথা। আর এই নিগূঢ় রহস্যের কথা একমাত্র তারাই বুঝতে বা অনুধাবন করতে পারেন, যারা জ্ঞানী এবং আল্লাহর সৃষ্টি জগত নিয়ে
হে মু’মিনগণ! যদি কোন ফাসেক তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসে তাহলে তা অনুসন্ধান করে দেখ। এমন যেন না হয় যে, না জেনে শুনেই তোমরা কোন গোষ্ঠীর ক্ষতি করে বসবে এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হবে। (সূরাঃ ৪৯ আয়াতঃ ৬) يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنْ جَآءَكُمْ فَاسِقٌ ۢ بِنَبَاٍ فَتَبَيَّنُوْۤا
ধর্মীয় উপাসনালয়কে চাকচিক্য করে, নীতি নৈতিকতা ভুলে গিয়ে এই কোন ধর্মে পতিত হচ্ছে পৃথিবীর সব হিন্দু, মুসলিম, ইহুদী, খৃষ্টান? ইসলাম প্রচারের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত মসজিদগুলি মানবতার কল্যাণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অনেক জনপদের পুরো চিত্রই পাল্টে দিয়েছিল। মসজিদ কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা, বালাখানা প্রতিষ্ঠা করে, সাধারন মানুষের শিক্ষা গ্রহন থেকে, অসহায় মানুষের
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন করা হোক