সাজাদা/ সিজদা: কী কেন কীভাবে? সাজদা- বহুল আলোচিত একটি শব্দ। আরবি এই শব্দটির বাংলা অর্থ কী? কুর’আন অনুসারী এবং প্রচলিত ধর্মের অনুসারীদের কথা থেকে এ বিষয়ে মৌলিক যে পার্থক্য পাওয়া যায় তা হলো- কুর’আন অনুসারীরা বলেন সাজদা বা সিজদা হলো Submission to Allah মহান আল্লাহর হুকুম আহকামকে নিঃসঙ্কোচে মেনে নেওয়া।
Category: Blog
তুমি আবৃত্তি কর কিতাব হইতে যাহা তোমার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয়। এবং সালাত কায়েম কর। সালাত অবশ্যই বিরত রাখে অশ্লীল ও মন্দ কার্য হইতে। আর আল্লাহ্র স্মরণই তো সর্বশ্রেষ্ঠ। তোমরা যা কর আল্লাহ্ তা জানেন। (২৯ঃ৪৫) @ বিষ পানে মৃত্যু ঘটে। কিন্তু তাহা পান করার পরও যদি মৃত্যু না ঘটে
সালাত মেরাজের আগে থেকেই ছিলঃ
সালাত ও কোরআন; আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর। (২৯ঃ৪৫) অনুবাদটিঃ আপনি সালতে দাড়ায়ে আপনার প্রতি যে ওয়াহী প্রেরণ করা হয়েছে তা তেলওয়াত করুন। নিশ্চয় সলাত অশ্লীল ও
সালাত নিয়ে অনুভুতিঃ
অনুভুতিঃ১২৫ সালাত বা নামাজ এ বিষয়ে বলতে গেলে অনেক সতর্কতার সহিত বলতে হয়। এটা ধর্মের একটা স্পর্শকাতর বিষয়। কথা বললে যদি মনগড়া মন্তব্য হয় তাহলে অনেকের বিরাগভাজন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার কেউ যদি আমার কথা বুঝতে না পারেন, অথবা আমার লেখাতে যদি দুর্বলতা থাকে, তাহলে সমস্যার তো সমাধান হবেই না
সালাত নয় সৎকর্মের জন্য সু্যোগ চাইবে
আর প্রত্যেকের রয়েছে একটি দিক, যেদিকে সে চেহারা ফিরায়। সুতরাং তোমরা কল্যাণকর্মে প্রতিযোগিতা কর। তোমরা যেখানেই থাক না কেন, আল্লাহ তোমাদের সবাইকে নিয়ে আসবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। ২:১৪৮ আল্লাহ বলেন- ১. ‘আমি তোমাদেরকে যে রিযক দিয়েছি তোমরা তা হতে ব্যয় করবে তোমাদের কারও মৃত্যূ আসার পূর্বে।
সালাত কি এবং কিভাবে কায়েমঃ
সালাত বা নামাজ এ বিষয়ে বলতে গেলে অনেক সতর্কতার সহিত বলতে হয়। এটা ধর্মের একটা স্পর্শকাতর বিষয়। কথা বললে যদি মনগড়া মন্তব্য হয় তাহলে অনেকের বিরাগভাজন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার কেউ যদি আমার কথা বুঝতে না পারেন, অথবা আমার লেখাতে যদি দুর্বলতা থাকে, তাহলে সমস্যার তো সমাধান হবেই না বরং
সালাত এবং সিজদাহ কি?
সালাত শুধু মানুষের নয়,প্রতিটি প্রাণীর সালাত রয়েছেঃ أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ يُسَبِّحُ لَهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱلطَّيْرُ صَٰٓفَّٰتٍۖ كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهُۥ وَتَسْبِيحَهُۥۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌۢ بِمَا يَفْعَلُونَ তুমি কি দেখ না যে, আসমানে ও জমিনে যারা আছে এবং সারিবদ্ধ ভাবে উড়ন্ত পাখিরা আল্লাহর (তাসবীহ) গুণগান করছে? প্রত্যেকেই তাঁর সালাত
সলাত VS নামাজঃ
……………..সলাত VS নামাজ
فلا صدق ولا صلي ولكن كذب وتولي
ফালা সদ্দকা ওয়ালা ছল্লা……..
ওয়ালিকিন কাজ্জাবা ওয়া তাওয়াল্লা।
আমরা সলাতে অর্থ জানি নামাজ। নামাজ মানে কি? সেটা বলতে বললে আমতা আমতা করি। করার কথাই তো, কারণ নামাজ শব্দটা আমাদের বাংলা ভাষার নয়।
এ আয়াতটির
হেদায়েত প্রপ্তীর পর পথভ্রষ্টতাঃ
ইসলামের মুল জীবন ব্যবস্থাকে কিছু আনুষ্ঠানিক এবাদদ কাঠামোতে রুপ দিয়ে পারসিয়ানরা দ্বীন ব্যবস্থাকে গৃহবন্দী করে রেখেছে এবং মোল্লাতন্ত্রকে ইসলামের মডেল বানিয়ে রেখেছে, এতে কোন সন্দেহ নেই। আর তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য কোরান নিজ ভাষায় বুঝে সঠিক উপলব্ধির জন্য অবিরত চেষ্টা করে যাচ্ছেন একদল আল্লাহর মনোনীত বান্দা।
হাদীসের প্রয়োজনীতা কতটা:
…..কোথা হতে এসেছি — আজ সব গেছি ভুলে
“আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীন পূর্ণাংগ করিলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন মনোনীত করিলাম। (৫:৩)
আল্লাহর এ উক্তি কে যারা অস্বীকার করে তারা আল্লাহর সাথে শুধু কুফরী করে না, পাশাপাশি রেসালতের সাথেও কুফরী করে।
হাদীসে কাজ্জাব
كالا كالا مفشل حسين مِنَ فاروق حسين مِنَ حفيظ الرحمن مِنَ خليل الرحمن بنت شمسون نهار – لم يكن هناك نبي أو رسول اسمه محمد. [حديث كجاب]
হাদীস সৃষ্টির পেছনের ইতিহাসঃ
হাদীস সৃষ্টির পেছনের ইতিহাসঃ *-*-*-*-*-*-*-*-*-*-* আল্লাহ ইখতিলাফ নিষিদ্ধ করেছেন। ইখতিলাফের কারণ ঘটলেই থামতে বলেছেন।। তারপর সত্যের প্রতি মনের নমনীয়তা আসার জন্য আল্লাহর অভিমুখী হতে বলেছেন। রাসূলের পরপরই মুসলমানরা সেই ইখতিলাফ চর্চাই করতে থাকে। গোত্র প্রথার বিলুপ্তি হলেও বংশ প্রথার গৌরব আর ব্যক্তি স্বার্থের প্রতিযোগিতা দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়লো। রাষ্ট্র ক্ষমতায়
বুখারীর হাদীস অস্বীকার করি কি করে?
বুখারীর হাদিসেকে যদি প্রশ্নবিদ্ধ করেন, তাহলে পুরো কুরআন মজিদও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। এই কুরআনই যে মুহাম্মদ সঃ এর উপর নাজিল হয়েছিল তার প্রমাণ কি ? কুরআন থেকেই প্রমাণ দিবেন প্লিজ। কোনো হাদিস গ্রহণযোগ্য নয় প্রমাণের ক্ষেত্রে।
আর হাদিসের
হরফ-এ-মুক্বাত্ত্বায়াত
পক্ষে বিপক্ষে যুক্তিঃ
আল-কোর’আনের বেশ কিছু সূরার প্রারম্ভ হয়েছে, কোন শব্দ বা বাক্যের পরিবর্তে হরফ দিয়ে যেমন: ক্বফ, ছোয়াদ; অথবা আরবী কিছু সুনির্দিষ্ট অক্ষরের বিন্যাস দিয়ে, যেমন: আলিফ লাম মীম, হা মীম, ত্বোয়া সীন মীম, ইয়া সীন ইত্যাদি।
এ সকল অক্ষর বা
হযরে আসওয়াত বা কাল পাথরের গুরুত্তঃ
মাসজিদুল হারামের কালো পাথর হাজরে আসওয়াদ একজন মুসলিমের জন্য কতটুকু গুরুত্ব বহন করে ইসলামের ১৯ জন নবীদের সাথে মক্কার সম্পর্ক সর্বদা। কালো পাথরের চারিদিকে ৭পাক তাওয়াফ কুরআন মতে রবের মুসলিমদের আমল। পাথরে চুমু খাওয়া নয় এখন থেকে তাওয়াফ স্টার্ট করতে হয়। ১৫/৮৭ হিন্দু ও প্যাগানিজমদের সাথে মাসজিদুল হারামের কোনো সম্পর্ক
স্বপ্নে নবীকে দেখা
ভাই আবু জেহেল বাস্তবে নবীজীকে দেখেছেন, ঘুমের ঘোরে নয়। কি লাভ হয়েছে তার? বলতে পারেন তার ঈমান ছিল না… । আব্দুল্লাহ বিন উবাই তিনি মদীনা বাসী ও প্রথম দিকের ইসলাম গ্রহন কারী এবং নবীর পাশে সব সময় থাকতেন। তাকেও মুনাফেকের লিস্টে পাওয়া যায়। আর আপনি ঘুমের ঘোরে দেখলে
সে দিন নামাজের জন্য অনুতপ্ত হবে নাঃ
শেষ পর্যন্ত যখন তাদের কারো মৃত্যু এসে হাজির হয় তখন সে বলে : হে আমার প্রতিপালক! আমাকে আবার (দুনিয়াতে) পাঠিয়ে দিন,যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি, যা আমি করিনি। কখনই নয়,নিশ্চয় এ তো তার একটি কথার কথা মাত্র।(২৩ঃ৯৯-১০০)
حَتّٰٓى اِذَا جَآءَ اَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ رَبِّ ارْجِعُوْنِۙ لَعَلِّىْۤ اَعْمَلُ
সূরা মারইয়ম ৪১-৪৭
১৯:৪১ ওয়াযকুর = আর যিকির/ আলোচনা করো। ফিল কিতাবি = এই কিতাবে যা বলা হয়েছে। ইবরাহীমা = ইবরাহীম সম্পর্কে। ইন্নাহু = নিশ্চয় সে। কানা = ছিলো। সিদ্দীক্বান নাবীয়্যান = সিদ্দিক/ সত্যবাদী ও নবী। আর যিকির/ আলোচনা করো এই কিতাবে যা বলা হয়েছে ইবরাহীম সম্পর্কে। নিশ্চয় সে ছিলো সিদ্দিক/ সত্যবাদী ও
আক্বিমুস সলাত
নামাজ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসাবে সারা পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য মসজিদ নির্মান করা হয়েছে এবং হচ্ছে। মসজিদ নিমানে দান করা সদগায়ে জারিয়া। যতদিন মানুষ মসজিদে নামাজ পড়বে ততদিন মসজিদ নির্মাতা সোয়ায়াব পাইতে থাকিবে। কিন্তু কোরান কি এ ধারনা নিশ্চিত করে। কোরানে ৮২ বার সালাতের কথা বলা হয়েছে বলে আমরা জানি।
আকীদা এবং ঈমানঃ
ঈমান আরবী শব্দ। এটি একটি শব্দ মূল। এটি হতে আরবী আমানা, ইয়ু’মিনু, ঈমানান, মু’ মিনুন শব্দাবলী গঠিত। ঈমান অর্থ সত্যায়ন করা, সত্য বলে মেনে নেওয়া, সত্য বলে বিশ্বাস করা। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় তাওহীদ তথা আল্লাহর একত্ববাদের যাবতীয় বিষয়ের উপর অন্তরের দৃঢ় বিশ্বাসই হচ্ছে ঈমান। ঈমান অন্তরের বিষয়। এটি অন্তরে অবস্থান
