……………….এই ঈদে বাংলা জলসায়
চমৎকার ফর্মুলা, দুই চামচ অহংকারের সাথে,
একমুঠো অবহেলা মিশিয়ে,কিছুক্ষণ হালকা নেড়ে রেখে দিন,ব্যাস তৈরী হয়ে গেলো সম্পর্ক নষ্টের মজাদার চাটনি!
IMRAN
পরিবেশন করুন প্রথম ” ন…..দ.” এর টেবিলে।।
……………….এই ঈদে বাংলা জলসায়
চমৎকার ফর্মুলা, দুই চামচ অহংকারের সাথে,
একমুঠো অবহেলা মিশিয়ে,কিছুক্ষণ হালকা নেড়ে রেখে দিন,ব্যাস তৈরী হয়ে গেলো সম্পর্ক নষ্টের মজাদার চাটনি!
IMRAN
পরিবেশন করুন প্রথম ” ন…..দ.” এর টেবিলে।।
উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা-পরবশ হইল। সুতরাং উহারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, কিন্তু উহারা নহে-যাহারা তওবা করিয়াছে, ঈমান আনিয়াছে ও সৎকর্ম করিয়াছে। উহারা তো জান্নাতে প্রবেশ করিবে। উহাদের প্রতি কোন জুলুম করা হইবে না। (১৯:৫৯-৬০) অতঃপর প্রত্যেক দলের মধ্যে হতে দয়াময়ের
অন্যান্য সকল ভাষার মতো, আরবি ভাষা হল একটি জীবন্ত ভাষা , যা সময়ের সাথে সাথে বিকশিত এবং পরিবর্তিত হয়েছে। যদি কুরআন না থাকত, তাহলে আরবি ভাষাটি সম্ভবত আরামাইক, সিরিয়াক বা ল্যাটিন ভাষার মতো একইভাবে মারা যেত বা অদৃশ্য হয়ে যেত। মিশরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশের আরবি উপ ভাষা
জান্নাত প্রাপ্তির শর্ত ঈমান আনা ও সৎকাজ করাঃ ☑️ সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ২৫** ☑️সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ৬২ সূরা নম্বরঃ ২, আয়াত নম্বরঃ ৮২ সূরা নম্বরঃ ২ নম্বরঃ ২৭৭ ☑️ সূরা নম্বরঃ ৩, আয়াত নম্বরঃ ৫৭ সূরা নম্বরঃ ৪, আয়াত নম্বরঃ ৫৭ সূরা নম্বরঃ ৪, আয়াত নম্বরঃ
খুব কাছাকাছি অর্থ বহন কারী দুটি শব্দ ঈমান (اٰمَنُ) ও ইয়াকিন (یَقِیْنُ۠)। বিশ্বাস ও বিশ্বাস অনুযায়ী কর্ম প্রতিষ্ঠা করন। وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَاْتِيَكَ الْيَـقِيْنُ শব্দার্থ: وَاعْبُدْ = ও ইবাদত করো, رَبَّكَ = তোমার রবের, حَتَّىٰ = যতক্ষণ না, يَأْتِيَكَ = তোমার কাছে আসে, الْيَقِينُ = ইয়াকিন ইবাদত এবং ইয়াকিন শব্দ
কেউ নামজ না পড়লে, রোজা না করলে, হজ্জ না করলে, যাকাত না দিলে, কোরবানী না করলে –সে কি কাফের হয়? না,গুনাগার হয়?
তাই ঈমানের ও আমলের সম্পর্কে আগে বুঝা জরুরী। ঈমান ঠিক নাই আমল করে বস্তা ভরলেও লাভ নাই? কারন ঈমান যার আছে তার জন্য আমল।
শয়তান একবার হযরত ঈসা (আঃ)-কে বললো ,”তুমি এই পাহাড় থেকে লাফ দাও, যদি তোমার সৃষ্টিকর্তা সত্য হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন”। তখন হযরর ঈসা (আঃ) শয়তানকে বললেন, “আমার প্রভু সবার পরীক্ষা নেন, আমি কখনোই আমার প্রভুর পরীক্ষা নিতে যাবো না”। কিন্তূ আমরা বাঙ্গালীরা উল্টো প্রভুর পরীক্ষা নেই ।
মারইয়াম-তনয় ‘ঈসা বলিল, ‘হে আল্লাহ্ আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান হইতে খাদ্যপূর্ণ খাঞ্চা প্রেরণ কর; ইহা আমাদের ও আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য হইবে আনন্দোৎসবস্ব রূপ এবং তোমার নিকট হইতে নিদর্শন। আর আমাদেরকে জীবিকা দান কর; তুমিই তো শ্রেষ্ঠ জীবিকাদাতা।’ قَالَ عِيْسَى ابْنُ مَرْيَمَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَاۤ اَنْزِلْ عَلَيْنَا مَآٮِٕدَةً
মানুষের কাছে বর্ননা করার জন্য কুরআনের কোন ঘটনা বা বিষয় ভিত্তিক আয়াত গুলি একসাথে করে বলা যাবে, লিখা যাবে এমন কি বই আকারে প্রকাশ করা যাবে। কিন্তু এর বিনিময়ে কোন প্রতিদান (সুবিধা) নেয়া যাবে না ٱللَّهُ نَزَّلَ أَحْسَنَ ٱلْحَدِيثِ كِتَٰبًا مُّتَشَٰبِهً আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন উত্তম হাদিস সম্বলিত কিতাব যার অংশসমূহ
পবিত্র কুরআনে বিশ্বাসের দিকনির্দেশনার উপাদান:
৩) কুরআনই একমাত্র হাদিস যা আমাদের বিশ্বাস করা উচিত। আল্লাহ কুরআনকে “হাদিস/حَدِيثٍ” শব্দের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন এবং এটিই একমাত্র এবং সর্বোত্তম “হাদিস” , যা আমাদের অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। কারণ এতে ধর্মের সম্পূর্ণ এবং নিখুঁত সত্য রয়েছে: “বা তারা বলেঃ এই কোরআন সে
প্রচলিত নামাজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি, যদিও নামাজ শব্দটা ফার্সি, তার পরেও আমরা এই ফার্সি নামাজ শব্দ কুরআনের আরবি সালাত অর্থেই ব্যবহার করে থাকি, এছাড়াও আমরা সকলেই জানি নামাজের নিয়ম পদ্ধতি এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে, এখন কথা হচ্ছে যদি প্রচলিত এই নামাজ কুরআনের সালাত নাই হয় তাহলে অজুর
কোরানের চাপা কান্নাঃ
বুখারী নয় — হাদীসের প্রথম সংকলক হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ রহঃ। তিনি একজন তাবেঈ। জন্ম ৫২ হিজরী ৬৭৪ খৃষ্টাব্দ মৃত্যু ১৩১ হিজরী। তিনি আবু হুরায়রা রাঃ এর ছাত্র ছিলেন। তার সংকলিত হাদীস সংখ্যা ১০০ থেকে ১২০ টি। তার
পশু কুরবানী, হজ্ব সম্পর্কে, কুরআন থেকেঃ ***************************** আমরা জানি, মানব জাতির জন্য আদিতে যে গৃহটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল উহা বাক্কায় অর্থাৎ মক্কায় অবস্থিত। যখন ইব্রাহিম আঃ বলেছিলেনঃ “হে প্রভু ইহাকে তুমি নিরাপদ শহর করিও এবং ইহার অধিবাসীদের মধ্য হইতে যারা আল্লাহ ও আখেরাতে ঈমান আনে তাদেরকে জীবিকা প্রদান করিও।
“কোরআনে” যার কোন নিয়ম নাই — ‘তা পালন করতে, পূর্বতনদের আচরণ এবং নিয়ম’ই ফলো করি আমরা। সেই নিয়ম না-মানলে যে ‘দোজখে যাবো তা’ কিন্তু নয়। —বিরাশীবার কোরআনে সালাত কায়েমের কথা বলা আছে, কিন্তু নামাজ পড়ার কথা একবারও বলা হয়নি। কোরআনে আছে- রুকুকারী, সিজদাকারী, সালাতকারী, তাওয়াফকারী, এতেকাফকারী। *** আর- এগুলোকে একত্রিত
১) প্রথমে কুরআনের পুরো আয়াতটা তার প্রসঙ্গ সহকারে পড়ুন। বোঝার চেষ্টা করুন আয়াতটি নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠির জন্য নাকি সমগ্র মানব জাতির জন্য , নির্দেশ বা উপদেশ মূলক নাকি শিক্ষামুলক কাহিনি বা বর্ননা ইত্যাদি। ২) অধিকাংশ মুসলমান কুরআনের অর্থ না জেনেই পড়েন। কারণ আজকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান এটা মেনে
কোরআন বিজ্ঞানময় আর এতে রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনঃ
কোরআন যে বিজ্ঞানময় তা প্রমানের জন্য একটি আয়াত তুলে ধরা হলোঃ
আমি শপথ করিতেছি নক্ষত্র সমুহের পতন স্থানের ,(৫৬ঃ৭৫) কিন্তু কেন এ শপথ !
আল্লাহ আল কোরানে মানুষের ইহকালীন এবং পরকালীন কল্যানের কথা যেমন আলোচনা করেছেন তেমনি আলোচনা
اِتَّبِعُوْا مَاۤ اُنْزِلَ اِلَيْكُمْ مِّنْ رَّبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوْا مِنْ دُوْنِهٖۤ اَوْلِيَآءَ ؕ قَلِيْلًا مَّا تَذَكَّرُوْنَ اِتَّبِعُوْا ( ইত্তাবিঊ) তোমরা অনুসরন কর مَاۤ (মা) যা اُنْزِلَ ( ঊনঝিলা) অবতীর্ণ হয়েছে اِلَيْكُمْ (ইলাইকুম) তোমাদের প্রতি مِّنْرَّبِّكُمْ (মির রাব্বিকুম) তোমাদের রবের পক্ষ হতে وَلَا تَتَّبِعُوْا (ওয়া লা তাত্তাবিউ) এবং অনুসরন করো না مِنْ
হিন্দি ফিল্ম দেখে দেখে বাঙালি হিন্দি বলতে ও বুঝতে সক্ষম হলেও…. দীর্ঘ দিন কুরআন পড়ে এবং শুনেও কুরআনের ভাষা রপ্ত করতে বা বুঝতে এতটুকুও সক্ষম হয়নি। তার কারন একটাই …. কোরান পড়ে শুধু সোয়াব প্রাপ্তীর লালসায়। আর তাদের বিশ্বাস নামাজ সকল
কেন শুধু কোরআনকে বিধান মেনে নেব? হাদীসে বিশ্বাস করি যদি তা কোরানে থাকে অথবা কোরানের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়। “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য একমাত্র কোরআন কে করেছেন বিধান । নিশ্চয় নির্ধারিত সময়ে তারই কাছে ফিরে যেতে হবে । এটাই সেই একমাত্র কিতাব যাহাতে কোনই সন্দেহ নাই । যাহারা আল্লাহ কে
মানুষ প্রতিদিনই পথভ্রষ্ট হয়, এমনকী হিদায়াতের মধ্যেও আবার হিদায়াত খুজতে হয়. এজন্য আপনি হেদায়াত পেয়ে গেছেন ধরে নিয়ে কাউকে পথভ্রষ্ট বলতে যাইয়েন না. বরং প্রতিনিয়ত সিরাতল মুস্তাকিমের হেদায়াতটা আল্লাহর কাছে চাইতে থাকেন. আর আপনি প্রতিনিয়ত চানও, সূরা ফাতিহায়, প্রতি ওয়াক্তে নামাজে. আপনি যদি মনে করেন, আপনি পথ পেয়ে গেছেন. আর