…… “টাকা না নিলে হুজুর খাবে কি?
এ বিষয়ে আল্লাহ কোরআনে কি বলেন, সে আয়াত গুলি এক নজর দেখে নেই।
১) অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।( ইয়াসিন ৩৬ঃ২১)
২) বল, ‘আমি ইহার জন্য তোমাদের নিকট কোন
…… “টাকা না নিলে হুজুর খাবে কি?
এ বিষয়ে আল্লাহ কোরআনে কি বলেন, সে আয়াত গুলি এক নজর দেখে নেই।
১) অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।( ইয়াসিন ৩৬ঃ২১)
২) বল, ‘আমি ইহার জন্য তোমাদের নিকট কোন
ধর্মীয় উপাসনালয়কে চাকচিক্য করে, নীতি নৈতিকতা ভুলে গিয়ে এই কোন ধর্মে পতিত হচ্ছে পৃথিবীর সব হিন্দু, মুসলিম, ইহুদী, খৃষ্টান।
ফরজ নামাজগুলি ইমামের পিছনে দাড়িয়ে পড়ে বাকি সুন্নত নামাজগুলি নিজে নিজে পড়ে।এতে প্রমাণিত হয় প্রত্যেকে নামাজ পড়তে পারে। এখন প্রশ্ন হলো যদি নিজের নামাজ নিজে পড়তে পারে
কোরআন -কার উপর নাযিল হয়েছে-কোরআন দ্বারা- প্রমাণ করা যাবে কি?
আলোচনা পর্যালোচনায় প্রথমেই আসে:—— ১) ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিস্থল আসলে কোথায় মক্কায় না উজবিকিস্থানে? ২) কোরান কি স্বীকার করেছে মুহাম্মদ সাঃ এর জন্ম ও জীবনীর ইতিহাস, ফাতেমা, আবুবকর, উমর,উসমান, আলী, খাদিজা,হাসান,হোসাইন, হোরাইরার কল্পিত গল্প ও ইতিহাস? মুসলমানরা
ইয়াহুদী,খৃষ্টান,সাবেঈ,মুসলিম সবাই আহলে কিতাবী। তাওরাত,যাবুর, ইন্জীল,কোরআন যার যার আলাদা আলাদা কিতাব। আকিদার দিক থেকে ইয়াহুদী মুসলমান কাছাকাছি।
মৌলিক পার্থক্য টা হলো:-
১) ইয়াহুদীরা একটি মাত্র কিতাব তাওরাতকে বিধান মানে।
মুসলমান দুইটি কিতাবের বিধান মানে —— ১) কোরান ২) হাদীস।
২) ইয়াহদীরা শুধু
১] আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না, জানতো না সরল পথও। সূরা বাকারা আয়াত ১৭০
—— প্যারালাল অনুষ্ঠানঃ
১) কোরআনের ব্যাখ্যা হাদীস আর সনাতন ধর্মে ঋগবেদের ব্যাখ্যা মহাভারত।
২) কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। হিন্দু
সনাতন ধর্মে কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। মুসলিম ধর্মে কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন। বেদ মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেছে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য,
জন্ম থেকে মোল্লার জিহ্বায় খাবার খাওয়া অভ্যস্থ মানুষ গুলো এখন আর নিজের জিহ্বায় কোন স্বাদ পায় না। যত ভাল খাদ্যই পরিবেশন করা হোক মোল্লার জিহ্বা খুঁজে।
হাদীস ভিত্তিক মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা এভাবেই আলেমদেরকেও কোরান বিমুখ করে রেখেছে। ঐ যে শুরু থেকেই অভ্যস্থ নয়। ইংরেজরা এমন এক
প্রচলিত আনুষ্ঠানিক নামাজকে কোরানের আলোকে যখন খুঁজে পাওয়া না যায় তখন সূরা জুমুআর ৯ নং আয়াতটি উপস্থাপন করা হলে আতকে উঠে!! সত্যিই তো এ আয়াত প্রচলিত আনুষ্ঠানিক সালাতের স্বীকৃতি দেয়। আলোচনা করা যাক এ নিয়ে। তার আগে জানা দরকার কোরানে সালাত পড়ার কথা বা আদায় করার কথা
আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না,জানতো না সরল পথও।(২ঃ১৭০)
যখন তাদের কাছে আমার
কোরান একটি বিষ্ময়কর মোজেজা যা সর্বযুগের মানুষের জন্য। তার মধ্যে একটি আঙ্গুলের অপ্রভাগের ছাপ।
মানুষ গুরুত্তপুর্ণ কোন চুক্তি করতে তার আঙ্গুলের ছাপ ব্যবহার করে। তার কারন পৃথিবী সৃষ্টির শুরু হতে কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ আসবে এবং গত হয়ে গেছেন তাদের কারো আঙ্গুগুলের ছাপের সাথে কারো কোন
ঈশা নবীর পর রাসুল প্রেরণে এত বিরতি কেন ছিল??
ঈশা নবীর তিরোধানের পর প্রায় ৬৫০ বছর পর্যন্ত কোন নবী বা রাসুল প্রেরন করেন নাই। এই দীর্ঘ ব্যবধানে মানুষ পথভ্রষ্ট হয়ে জাহেলিয়াতের অতল গর্ভে ডুবে যায়। এর আগে সব নবীই প্রায় ১০০ বছর ব্যবধানেই এসেছেন। দীর্ঘ বিরতির
বোখারী চালাকি করে আপনাকে অর্ধেক খৃষ্ঠান বানিয়ে ফেলেছে কি বলবো কিভাবে? আচ্ছা কয়েকটি বলি , ইমাম মাহাদি আসবে ,কোরআনে নাই বাইবেলে আছে , ঈসা আঃ আসবে কোরআনে নাই বাইবেলে আছে , আজওয়া খেজুর খাওয়া সুন্নত কোরআন নাই বাইবেলে আছে । আদম আঃ স্ত্রীর নাম হাওয়া কোরআন নাই বাইবেলে
বাপ দাদা — ( বাকারা ২:১৭০) অধিকাংশ — (আনআম ৬:১১৬) হুজুরগন — (আরাফ ৭ আয়াত ৩) মুমিনগন সাবধান –(তাওবাহ ৯, আয়াত ৩৪) হাদীসের — (জাসিয়া ৪৫:৬) অসার হাদীস — (লোকমান ৩১:৬) উত্তম হাদীস – (যুমার ৩৯, আয়াত ২৩) মিথ্যে হাদীসে কেন বলে — ( লোকমান ৩১, আয়াত ৬)
কতিপয় হাদীস ও শানে- নুযুল শয়তানের পক্ষ থেকে বর্নিত যা কোরানের তাফসীরেও স্থান করে নিয়েছে। যেমনঃ মদ হারাম হওয়ার বিষয়ে হযরত ওমর, হযরত মায়াজ ও অন্যান্য সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম এর আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন পর্যায়ে মদ হারাম হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে একেবারে নিষিদ্ধ করা হয় নি। নিরুৎসাহিত করা
রিবা বা সুদ কি?
আরবী শব্দ রিবার বাংলা “জুলুম/নৈরাজ্য/অরজগতা/অতিরিক্ত” পারসিয়ান অনুবাদ বর্জন করে একবার রিবা সংক্রান্ত আয়াত গুলির বাংলা অনুবাদ করে দেখুন??
রিবা বা সুদ কি? কেউ বলেন আসলের অতিরিক্ত কোন মুনাফা বা পণ্য গ্রহন করাই সুদ। আবার অনেকে মনে করেন বিনিয়োগকৃত মুলধনের অতিরিক্ত কিছু গ্রহন করাই সুদ। এভাবে নয়
১] সালাত ( প্রচলিত অনুবাদ নামাজ) (প্রকৃত বাংলা রবের আদেশের অনুশীলন) ২] সিয়াম ( প্রচলিত অনুবাদ রোজা) ( প্রকৃত বাংলা অনুবাদ সকল বিষয়ে রবের নির্দেশে সংযম) ৩] হজ্জ ( প্রচলিত অনুবাদ হজ্জ) (প্রকৃত বাংলা অনুবাদ মুসলিম মহা সম্মেলন) ৪] যাকাত (প্রচলিত অনুবাদ যাকাত) ( প্রকৃত বাংলা ভোগকৃত সকল
সালাত,সিয়াম,হজ্জ,যাকাত,ইবাদত,একিন, রুহ,রিবা,নাফস,উম্মি,লৌহেমাহফুজ,নিয়ামত, সুন্নাত,হাদীস ইত্যাদী আরবী শব্দ গুলির সঠিক বাংলা অনুবাদ না থাকায় পারস্য অনুবাদের উপর ভর করে চলতে হয়। ফলে বাংলা ভাষাভাষির মানুষ কোরানে এ শব্দগুলি সমন্বিত আয়াত গুলির সঠিক মর্ম উপলব্ধিতে ব্যার্থ হয়ে গতানুগতিক অনুবাদ পড়ে আল্লাহর নির্দেশনা সঠিক ভাবে বুঝতে সক্ষম না হয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয়
ঘুম ও মৃত্যুর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কোনটি? অপশন: ক) ঘুমে রুহ হরন করে আবার ফিরিয়ে দেয়। মৃত্যুতে রুহ আর কখনো ফিরে দেয়া হয় না বিচার দিবসের পুর্বে।
খ) ঘুমে শ্বাস প্রশ্বাস চলে,যেহেতু নফস থাকে, মৃত্যুতে তা বন্ধ থাকে যেহেতু নফস ধংস করে রুহুকে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রশ্ন- ১) কিয়ামত পর্যন্ত আর নবী প্রেরণ করবেন না কেন?
প্রশ্ন- ২) ঈসা নবীকে প্রেরণের পুর্বে নবী প্রেরণে এত দীর্ঘ বিরতি কেন?
আল্লাহর এ কৌশলের পেছনে কারন কি? কোরান থেকে জানুনঃ —–
২) উত্তরঃ বনী ঈসরাইলের জন্য ঘন ঘন নবী প্রেরন করার