উহাদের পরে আসিল অপদার্থ পরবর্তীরা, তাহারা সালাত নষ্ট করিল ও লালসা – পরবশ হইল। ১৯:৫৯
فَخَلَفَ مِنْۢ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوٰتِ
( ফাখালাফা মিম বাআ’দিহিম খালফুন আ’দাউস সালাতা ওততাবাউ – শ – শাহাওয়াতি।) সুরা মরিয়ম আয়াত ৫৯
১) প্রথম প্রশ্ন এ আয়াতটি কি অতীতের জন্য শুধু ? না কি অতীত – বর্তমান এবং ভবিষ্যত সকল সময়ের জন্য প্রযোজ্য?
২) সালাত আল্লাহর মনোনীত ভাবেই চলছিল। সে সময় কালটি কখন?
৩) তাদের পরে কাহারা স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল? তারা কোন নবীর উম্মত ছিল?
৪) কি ধরনের লালসা বা কুপ্রবৃত্তির অনুসরন করে সালাত কে বিকৃত করলো?
৫) সেই বিকৃত বা নষ্ট করা সালাত পরবর্তিতে কোন নবীর সময় ঠিক করা হয়েছিল?
৬) সেই নষ্ট করা সালাত কি এখনো চলমান? না সংস্কার হয়েছে?
✅১) সালাত যখন বডি ল্যাংগুয়েজে পরিনত করল অর্থাৎ শাররিক কুশরত তখনই সালাত নষ্ট করেছে। وَمَا كَانَ صَلَاتُهُمْ عِندَ الْبَيْتِ إِلَّا مُكَاءً وَتَصْدِيَةً ۚ فَذُوقُوا الْعَذَابَ بِمَا كُنتُمْ تَكْفُرُونَ
(ওয়া মা কানা সালাতুহুম ‘ইন্দাল বাইতি ইল্লা মুকা’আওঁ ওয়া তাসদিয়াহ; ফাযূকুল আযাবা বিমা কুনতুম তাকফুরূন।) সূরা আনফাল আয়াত ৩৫
কাবা এর কাছে তাদের সালাত ছিল শিস দেওয়া এবং হাততালি দেওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। অতএব, তোমরা যে কুফরি করতে, তার কারণে শাস্তি আস্বাদন কর।” (৮:৩৫)
✅ ২) সালাতের বিনিময়ে সামান্য অর্থ গ্রহন হাদিয়া ভাতা নেয়াই হল কু প্রবৃতির অনুসরন করা।
সূরা ইয়াসীন (৩৬):২১ اتَّبِعُوا مَن لَّا يَسْأَلُكُمْ أَجْرًا وَهُم مُّهْتَدُونَ
তোমরা তাদের অনুসরণ কর যারা তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চায় না এবং তারাই সৎপথপ্রাপ্ত। (৩৬:২১)
✅৩) মোহ গ্রস্থ অবস্থায় সালাত আদায় করা। সালাতে কি পড়ছে তার মর্ম বুঝে না। এমন কি কয় রাকাত পড়ছে এটাও মনে থাকে না এতটা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় তারা সালাত করে। يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنتُمْ سُكَارَىٰ حَتَّىٰ تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ..
(ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আমানূ, লা তাকরাবুস্-সালাতা ওয়া আন্তুম সুকারা, হাত্তা তা’লামূ মা তাকূলূন…) ৪:৪৩
বাংলা অনুবাদ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সালাতের কাছে যেও না, যতক্ষণ না বুঝতে পারো তোমরা কী বলছ…” সূরা নেসা আয়াত ৪৩
উল্লেখিত তিনটি আয়াতই বর্তমাম সালাতীদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। তাই আমি মনে করে বিকৃত সেই সালাত আজো চলমান।
