Categories
Blog

ধর্মের কপি পেস্ট

 

________প্যারালাল অনুষ্ঠানঃ

১) কোরআনের ব্যাখ্যা হাদীস  আর সনাতন ধর্মে ঋগবেদের ব্যাখ্যা মহাভারত।

২) কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন। হিন্দু ধর্ম মতে। অপরদিকে কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন। ইসলাম ধর্ম মতে।

৩) জমজমের পানি আল্লাহর কুদরতে ইসমাইল আঃ এর পায়ের গোড়ালীর পবিত্র উৎস হতে নিঃসৃত বলে উহা বরকতময়  ও পুণ্যময়। সনাতন ধর্মের বিশ্বাস গঙ্গার উৎস ভগবানের নিজ করুনা থেকে বলে গঙ্গা জল পুতঃ পবিত্র।

৪) মৃত্যুর চল্লিশদিনের দিন চল্লিসা অনুঢ্ঠান করা হয় ইসলাম ধর্ম অনুসারীর। সনাতন ধর্মে আত্মার অবমুক্ত করনে চল্লিশ দিন পর চাদ্ধ করতে হয়।

৫) শ্রীকৃষ্ণের বামপার্শ্ব হতে সৃষ্টি “রাধা” , যার সুন্দর নিতম্ব ও পীন-পায়োধর। [ ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ] আদমের বাম পাঁজর থেকে বিবি হাওয়ার সৃষ্টি ইসলাম ধর্মের দাবী।

৬) জন্মাষ্টমি সনাতন ধর্মে শ্রী কৃষ্নের জন্মদিন পালিত করে।  অন্য দিকে ঈদে মিলাদুনবী ইসলাম ধর্মের অনুসারী রা পালন করে।

৪) কাল পাথর একটি জান্নাতী পাথর মুসলমান ধর্মের বিশ্বাস। শিব পাথর একটি স্বর্গীয় পাথর সনাতন ধর্মে বিশ্বাস।

৫)  দেবতার নাম গননার জন্য জপমালার ব্যবহার হিন্দু ধর্ম অনুসারী আল্লাহর পবিত্রতা গননার জন্য তাসবির ব্যবহার করে গাট্টিওয়ালা মুসলিম।

৬) ভগবান বিষ্ণুর শালগ্রাম শিলা বা নারায়ন শিলার উৎপত্তি নোপালের গন্ডকী নদের ইতিহাস থেকে । অপর দিকে মিশরের নীল নদের ইতিহাস মুসা: ফেরাঊনের ইতিহাস থেকে। মিসরের নীল নদ প্রতি বছর শুকিয়ে যেত। তখন উমর রাঃ চিঠি লিখে নদীতে ছেড়ে দিলে নদী পানিতে প্লাবিত হয়ে যায়। ( সহী বুখারী)

৭) আল্লার নাম নেয়ার জন্য আল্লার ঘর মসজিদ নির্মান করে ইসলাম ধর্ম অনুসারী । সনাতন ধর্মের ভগবানের পুজো দেয়ার জন্য মন্দির নির্মান করে হিন্দু ধর্মের অনুসারী।

৮) আল্লার ঘরে আসার জন্য আযানের মাধ্যমে আহ্বান করা হয়। সনাতন ধর্মে মন্দিরে আসার জন্য শাখ শংখ বাঁজিয়ে ডাকা হয়।

৯)  কোরবানীর পশুর গোশত আল্লাহর জন্য নয় শুধু তার নামে কোরবানীই তার সন্তুষ্টি। সনাতন ধর্মে ভগবান পশুর রক্ত মাংশ খান না শুধু তার নামে বলি দিলেই খুশি হন।

১০) হজ্জ ব্রত পালন করে কাল পাথর চুমো খেলে পাপ মুক্ত  মুসলমানের বিশ্বাস। সনাতন ধর্ম মতে গঙ্গা জলে স্নান করলে ধরাধামে পাপ মুক্ত হয়। 

১১)  কোরবানীর আগের তিনদিন নখ,চুল দুপায়া প্রাণী জবেহ নিষিদ্ধ। সনাতন ধর্মে শ্যাম পুজোর আগের তিনদিন নখ,চুল কাটা নিষিদ্ধ।

১২)  মক্কা মদীনার মাটিতে মৃত্যু হলে জান্নাতী বলে বিশ্বাস ইসলাম ধর্ম মতে। সনাতন ধর্মে বিশ্বাস বৃন্দাবন-কাশীতে মৃত্যু হলে স্বর্গবাসী।

১৩) হজ্জের পোষাক সাদা ও সেলাই বিহীন আবশ্যক সনাতন ধর্মে গয়া-কাশিতে পোষাক গেরুয়া ও সেলাই বিহীন।

১৪) তীর্থে গেলে মাথা কামায়, হজে গেলও মাথা কামায়।

১৫) একাদশি / নিশিযাপন, সিয়াম/রোজা ইত্যাদি আরো অনেক অনেক… 

উপসংহারঃ— এমন অনেক কপি পেস্ট ধর্মের মোল্লা, পুরোহিত,পাদ্রীর গেরাকলে পাপি মানুষগুলি  নিজেকে মুক্তির আশায় আশ্রয় নেয়। ফলে সূচনা হয় ধর্মের ব্যবসা। তারা রবের আদেশ মেনে চলার জন্য ইবাদত করে না।  এবাদত করে পাপের শাস্তির ভয়ে, নাজাত পাওয়ার আশায় নানা রকম অছিলার আশ্রয় নিয়ে পাপ মুক্ত হওয়ার জন্য।

তাই আল্লাহ বলেনঃ অনুসরণ কর তাহাদের, যাহারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।(৩৬ঃ২১)

✅ আদমের জুটি সৃষ্টির বিষয়ে কোরান বলেঃ

১. সকল মানুষকে “একটি নফস” থেকে সৃষ্টি

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটি নফস (সত্তা) থেকে, এবং সেই থেকেই তার জোড়া (সঙ্গিনী) সৃষ্টি করেছেন…। আন-নিসা ৪:১

২. একই বক্তব্য পুনরায়

তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটি নফস থেকে, এবং সেখান থেকেই তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে সে তার কাছে প্রশান্তি লাভ করে।” আল-আ‘রাফ ৭:১৮৯

৩. একই বিষয়
“তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটি নফস থেকে, তারপর সেখান থেকেই তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেছেন।  আয-যুমার ৩৯:৬

কুরআন থেকে যা নিশ্চিতভাবে জানা যায়
কুরআনে হাওয়া (আ.)-এর নাম উল্লেখ নেই।
কুরআন বলে, একটি নফস (نفس واحدة) থেকে তার জাওজ (زوج) বা সঙ্গিনী সৃষ্টি করা হয়েছে।
কুরআনে কোথাও বলা হয়নি যে হাওয়া (আ.) আদম (আ.)-এর পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি হয়েছেন।

অতএব, শুধু কুরআনের ভিত্তিতে বলা যায়:
আল্লাহ প্রথমে একটি “নফস” সৃষ্টি করেছেন, তারপর সেই থেকেই তার “জাওজ” (সঙ্গিনী) সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু সেই সৃষ্টি কীভাবে হয়েছে (যেমন পাঁজরের হাড় থেকে)—এ বিষয়ে কুরআন কোনো বিবরণ দেয় না।

By Ekramul hoq

I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

``` }