আজকের নীরবতা আমাদের বহু দশক কাঁদাবে!
ইন্টেরিমকে টিকিয়ে রেখেছিল ইসলামপন্থী দল ও মানুষরা। কিন্তু এরা তাদের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে।
গণভোট কে হ্যাঁ বলতে বলা হচ্ছে, কিন্তু এর পয়েন্ট গুলো বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না।
হ্যাঁ ভোটের প্রত্যেকটা পয়েন্ট আলাদা করা উচিত। অর্থাৎ প্রত্যেকটা পয়েন্টের জন্য ‘হা’, ‘না’ ভোট থাকা উচিত। হ্যাঁ না গণভোটের ব্যালট পেপারে মাত্র চারটি প্রশ্ন অথচ এর মধ্যে রয়েছে আরও ৮৪ টি শাখা। অনেক গুলো শাখার রয়েছে অনেক উপশাখা। সবগুলো সাধারণ পাবলিক বুঝার ত দূরের কথা অনেক শিক্ষিত মানুষের বুঝতেই হিমশিম খেতে হবে। এত এত প্রস্তাবের মধ্যে আল্লাহর নাম নিতে এনজিওরা ভয় পেলেও নারী নেতৃত্বের বিষয়টি সহজেই মেইন ব্যালটেই কৌশলে নিয়ে আসছে। কাদের খুশি করার জন্য?
মুসলিম রাষ্ট্রে মুসলমানদের পালস না বুঝে কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে লিপ্ত ইন্টেরিম?
আমি কিছু বিষয়ে সহমত আর কিছু বিষয়ে সহমত না। তাহলে আমি কেমনে ভোট দিবো? শুধু হ্যাঁ আর না দিয়ে কি এতগুলো প্রশ্নের উত্তর নেওয়া ঠিক হবে ?
অধিকাংশ প্রস্তাবেই কোন না কোন দলের দ্বিমত আছে। যারা হ্যাঁ’ এর প্রচার করছেন তারা কী বুঝে করতেছেন? আর যারা না’ এর প্রচার করছেন তারাই কী বুঝে?
শুধু দলের লিডারের কথাই এনাফ? আমরা বৃটিশদের থেকে স্বাধীন হলেও গোলামীর জিঞ্জির এখনও আমাদের কাঁধে।
জুলাই সনদ শুভঙ্করের ফাঁকি। এটা সম্রাজ্য বাদীদের কৌশলে তৈরি জুলাই সনদ।
জুলাই সনদে কেবল ফ্যাসিবাদ তৈরির দরজা বন্ধ করা হলেও, সমকামী, টান্সজেন্ডার, নাস্তিক, আর ধর্মদ্রোহী তৈরি হওয়ার অনেক দরজা ই খোলা রাখা হয়েছে। ৯৫% মুসলিম দেশে এটাকে জাতীয় সনদ বলা যায়না।
সামনের দিনগুলো ঈমানদার মুসলিমদের জন্য আরো কঠিন হয়ে যাবে।আমাদের সন্তানদের জন্য আরো চ্যালেঞ্জিং হবে। আল্লাহ আমাদের সকলকে এই ফেতনা থেকে হেফাজত করুন। তার মানে যারা মন্দের ভালো ভেবে ভোট দিবে, তাদের স্বমর্থনও সমকামিতাকে সাপোর্ট করা হয়েছে তাই নয় কি,,,?
হ্যাঁ ভোট একটি সেকুলার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য যা যা দরকার সবই আছে। আসলে এখানে কিছু করার নেই কারণ অনেকে জোর করেই এই সংবিধানে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় গুলো ঢুকানোর চেষ্টা করেছেন এবং বলতে গেলে তারা সফল হয়েছেন। গ্রাম পর্যায়ে এখনো পর্যন্ত সংবিধানে যেগুলো যুক্ত করা হবে এবং কোন ভোট দিলে কি হবে এগুলো সাধারণ মানুষের সামনে পরিস্কার করে কিছু জানানো হয়নি।
রাজনৈতিক দল গুলোর উচিৎ কোন বিষয়কে না লুকিয়ে জনগণের সামনে সকল বিষয়গুলো স্পষ্ট করা। যাতে করে জনগণ ভালো মন্দ বিবেচনা করে ভোট দিতে পারে।
প্রত্যেক শ্রেনীর বইতে সুক্ষ্ম ভাবে এই এলজিবিটি মতবাদ ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে, এর মাধ্যমে তারা এটাকে সমাজে নরমালাইজ করার চেষ্টা করছে।
এসব নিয়ে কথা না বললে দুদিন পর আপনার ছেলে বা মেয়ে আরেক মেয়ে বা ছেলে নিয়ে হাজির হবে আপনি কিছু বললে উল্টো পুলিশ আপনাকে হাজতে দিবে।
এলজিবিটি (LGBT) একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্ণ অর্থ হলো—
L – Lesbian (লেসবিয়ান): যে নারী অন্য নারীর প্রতি মানসিক বা শারীরিক আকর্ষণ অনুভব করেন।
G – Gay (গে): যে পুরুষ অন্য পুরুষের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেন (কখনো নারীদের ক্ষেত্রেও সাধারণ অর্থে ব্যবহার হয়)
B – Bisexual (বাইসেক্সুয়াল): যে ব্যক্তি নারী ও পুরুষ—উভয়ের প্রতিই আকর্ষণ অনুভব করতে পারেন।
T – Transgender (ট্রান্সজেন্ডার): যাদের জন্মের সময় নির্ধারিত লিঙ্গ পরিচয়ের সাথে তাদের নিজের লিঙ্গ পরিচয় মেলে না।
“হ্যা”ভোট জনসম্মুখে আনা উচিত যাতে মানুষ প্রোপার ওয়েতে জানতে পারেম “হ্যা” ভোট এ কি কি রয়েছে। এবং প্রত্যেকটি পয়েন্ট আলাদা করা উচিৎ। আমি কোন দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নই, আমরা ইসলামের পক্ষে, দেশের পক্ষে, মূল্যবোধের পক্ষে এবং সকল প্রকার আধিপত্যবাদের বিপক্ষে। ওরা জুলাই চাটার্ডকে এমনভাবে ডিজাইন করেছে যাতে আমরা কাটার জন্য গিলতে না পারি আর মিষ্টির জন্য ফেলতে না পারি। উভয় সংকট আমাদের।
বিপ্লবী জনগণের সবচেয়ে বড় ভুল বিপ্লব সরকার গঠন না করে সরকার গঠনের দায়িত্ব ওয়াকার গং দের উপর ছেড়ে দেওয়া। এখন এর খেসারত দিচ্ছে সকল শ্রেনীর জনতা।
গণভোটে কী কী প্রস্তাবনা রাখা হয়েছে?? কেউ কি জানেন??
