আবেগ আর হুজুগের দেশ…………. ধর্ম আর রাজনীতির জন্য উর্বর ভুমি।
তাই এক দিকে যেমন রাজনীতি অন্য দিকে ধর্ম চাষের জন্য এখানে কাংখিত লক্ষ্য অর্জিত হয়।
“বিবেক যখন জ্ঞানের প্রয়োগ হারিয়ে ফেলে তখন —— এ দুটি ফসল দারুন ফলে।
ভারত-পাকিস্তান – বাংলাদেশ এতে শীর্ষে। তাই এখানে দু-চার জন জ্ঞান প্রাপ্ত হলেও তারা পাশ্চাত্যে পাড়ি জমায়।
কোন জনপদকে চির গোলাম করে রাখতে বর্জুয়ারা ধর্ম আর খেলাধুলাকে এডিকটেড ড্রাগ হিসেবে প্রয়োগ করে থাকে। এ জন্য উন্নত কোন জনপদে ধর্ম আর খেলা নিয়ে মাতামাতি নেই। এ জনপদের অধিবাসী এর দুটোতেই আসক্ত।
আলীর সাথে আয়শার যুদ্ধ মাথায় ঢুকিয়ে নেশা গ্রস্থের মত ঢিলা,কুলুব আবিস্কারে ব্যস্ত।
ল্যাবরেটরী ভেঙ্গে মসজিদ, মাদ্রাসা,খানকা গড়ি। এ কারখানায় প্রতি বছর উৎপাদিত হচ্ছে একমুখী জ্ঞানের আলেম,তারাবী নামাজের হাফেজ।
জীবন সায়হ্নে এসে পেনশনের টাকার একটা অংশ দিয়ে দুনিয়ার বুকে বসেই জান্নাতে ঘড় বানানোর কাজটা সেরে নিতে মরিয়া।
কেন রে বাবা ! আল্লাহ বেহেস্ত প্রবেশ করালে ঘরটা কেন আমার বানাতে হবে ? বিবেক একবারও সাড়া দেয় না ? বিবেক যে মোড়কে আবদ্ধ ! কারন সুদ-ঘুষ,দুর্নীতি-অপরাধের মাধ্যমে জীবন জীবিকা কেটেছে বলে আজ জান্নাত প্রাপ্তীর শর্টকাট রাস্তা ধর্মীয় ডিলারদের কাছ থেকে লুফে নেয়া হচ্ছে। ঐশী কিতাব বর্জিত জীবন জীবিকা— অপরাধ ও দূর্নীতি দিয়ে জীবনকে ল্যাপটে রাখে। ফলে বিবেক প্যারালাইসড হয়ে পড়ছে।
ফলশ্রুতিতে জাল টিকিট ক্রয়ের মাধ্যমে জান্নাতের ডিলারদের কাছে ধন্না দিতে এবং পরকালের সুখ কিনতে জ্ঞান,বিবেক বুদ্ধী আর কোন সাড়া দিচ্ছে না।
ভাবটা এমন গড়ে উঠছে যে, আমরাই হব মাসজিদ মাদ্রাসা- খানকার দিক থেকে পৃথিবীতে সর্ব প্রধান জনপদ এবং জান্নাতের এক চেটিয়া দখলদার।
……. আর দুনিয়ার সকল প্রয়োজন, আবিস্কারের যোগান দিবে ইয়াহুদীরা। কি চমৎকার !!
অথচ আল্লাহ বলেনঃ আমি তোমাদেরকে আমার প্রতিনিধি হিসাবে পৃথিবীতে প্রেরন করেছি এবং সকল সৃষ্টি হতে বাছাই করে নির্বাচন করেছি এজন্য যে, ” তোমরা সৎ কাজের আদেশ করবে এবং অন্যায়কে প্রতিহত করবে।”
আর এটিই ছিল রবের মানব সৃষ্টির একমাত্র মিশন ও ভিষন ।
