শ্যামপুর মিয়াবাড়ীর জমিদার হামিদুর রহমান মিয়ার নাতনী জেবুননেসা জোসনা। তারই বড় মেয়ে আফরোজা সুলতানা রত্না কি ভাবে চিত্র জগতে এসে হয়ে গেলেন শাবানা ? ( প্রতিবেদন সহায়ক ইভা আক্তার।) ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের দাপটে অভিনেত্রী ছিলেন শাবানা। তিন দশকের ক্যারিয়ারে প্রায় সাড়ে তিনশ’র
Author: Ekramul hoq
I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.
শ্যামপুর মিয়া বাড়ীর ইতিকথা
শ্যামপুর জমিদার বাড়ীর হারানো দিনগুলো।
আমার শিশুবেলা, শ্যাম্পুর মিয়া বাড়ী- ১৯৬৮ খেলাগুলি খেলতে খেলতে বড় হয়ে ঊঠেছিলাম, আজ শুধু কল্পনায় ভাসেঃ সম বয়সী ফুফু চাচা তারাও ছিল খেলার সাথী। 1. বৌ-ছি : কয়েকজন মেয়ে একত্রে মিলে একজনকে বৌ বানায়ে এই খেলা খেলে। বৌ-কে ধরা বা ছোঁয়ার মধ্যে জয় পরাজয় হয়। 2. গোল্লা ছুট : একে
শুধু পুরোহিতরাই দায়ী নয়
এ পৃথিবীতে ধর্মের নামে অধর্মের জন্য শুধু মোল্লা, পুরোহিতরা দায়ী নয় বরং ধার্মিকরা আরো বেশি দায়ী। ধার্মিকেরাই ধর্ম ব্যাবসাকে টিকিয়ে রেখেছে। সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রম করা লাগে কিন্তু ধার্মিকেরা ইহকালে ও পরকালে পরিশ্রম ছাড়াই সাফল্য পেতে চায়, ধর্মগুরুদের উপর নির্ভর করে বা তাদের ভাড়ায় খাটিয়ে নিজেদের
শয়তান এবং ইবলিশ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
শয়তান এবং ইবলিশ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়: শয়তান আলাদা কোন চরিত্র না, মানুষ মন্দের অনুসরণ করে শয়তান হয়ে উঠে। #কোর’আন শয়তানকে আমাদের প্রকাশ্য শত্রু বলে। এ থেকে আমাদের সিদ্ধান্ত হলো, শয়তান মূলত মানুষের মধ্যে কৃত্রিম ভাবে নিজের মধ্যে নিজেরই সৃষ্ট মিথ্যা অবয়ব বা false image/ego মানুষের নিজের কাছে যা সবচেয়ে বেশি
শয়তান প্রকাশ্য শত্রু
কেমন ধুকায় ফেলে রেখেছে দীর্ঘদিন যাবৎঃ~ সাধারন ভাবে আমাদের জন্মগত ভাবে ধারনা শয়তান এক আলাদা সৃষ্টি কিছু। যে আমাদের রগে রগে মিশে থাকে, সকল পাপ কর্ম করায়নল এবং আমাদের পথভ্রষ্ট করে। তাই শয়তানকে পরাভুত করার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাই। না জানি কেমন দেখতে সেই
শয়তান কার নিকট আসে
তোমাদেরকে কি আমি জানাইব কাহার নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? উহারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট। (২৬:১২১)
এক দলকে তিনি সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন এবং অপর দলের পথভ্রান্তি নির্ধারিত হইয়াছে। তাহারা আল্লাহ্কে ছাড়িয়া শয়তানকে তাহাদের অভিভাবক করিয়াছিল এবং মনে করিত তাহারাই সৎপথ প্রাপ্ত।(৭:৩০)
শব্দ বিশ্লেষন
يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنَّ كَثِيْرًا مِّنَ الْاَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ لَيَاْكُلُوْنَ اَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ وَيَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِؕ وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِىْ سَبِيْلِ اللّٰهِۙ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ اَلِيْمٍۙ সূরা নম্বরঃ ৯, আয়াত নম্বরঃ ৩৪ يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنَّ( ইয়া আয়ূহাল্লাযিনা) — ওহে মুমিনগণ كَثِيْرًا مِّنَ الْاَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ ( কাছিরাম মানাল
লাওহে মাহফুজ, কলম ও ভাগ্যলিপিঃ
লাওহে মাহফুজ, তাতে লিখার কলম ও ভাগ্যলিপিঃ
‘লাওহে মাহফুজ’ আরবি শব্দ। লাওহ অর্থ ফলক। মাহফুজ অর্থ সংরক্ষিত। লাওহে মাহফুজ অর্থ সংরক্ষিত ফলক। ইসলামী পরিভাষায় লাওহে মাহফুজ বলা হয় ঊর্ধ্ব আকাশে সংরক্ষিত ফলক বা ডিস্ক। যার মধ্যে সৃষ্টির শুরু লগ্ন থেকে কেয়ামত পর্যন্ত ঘটমান সব কিছু আল্লাহ
وَاَحَلَّ اللّٰهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبٰوا ؕ
ওয়া হাল্লা-ল্লাহু বাঈঁয়া ওয়া হাররামা-র-রিবা।
ওয়া হাল্লা-ল্লাহু বাঈঁয়া — এবং আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন। ওয়া হাররামা-র-রিবা–এবং নিষিদ্ধ করেছে রিবা (সুদ)
আমরা হারামের বাংলা শব্দ নিষদ্ধ এবং হালালের বাংলা শব্দ বৈধ এর মর্ম সঠিক
সূরা ফালাক
. সূরা ফালাক্ব : গুরুত্ব ও ফজিলত কবিতার ফেরিওয়ালা মুসাফির . সূরা ফালাক্ব: ‘সূরা ফালাক্ব’ কুরআনের ১১৩তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৫টি। সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এটি একটি প্রার্থনামূলক বা দোয়ার সূরা। এই সূরার মাধ্যমে শয়তানের অনিষ্ট থেকে মহান আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়। . নামকরণ: ‘সূরা ফালাক্ব’
সূরা ফাতেহার শেষে আমিন কেনঃ
আমিন অর্থ বিশ্বস্তঃ ১ সূরা আল আরাফ (الأعراف), আয়াত: ৬৮ أبلغكم رسالات ربي وأنا لكم ناصح أمين উচ্চারণঃ উবালিলগুকুম রিছা-লা-তি রাববী ওয়া আনা-লাকুম না-সিহুন আমীন। ২ সূরা ইউসুফ (يوسف), আয়াত: ৫৪ وقال الملك ائتوني به أستخلصه لنفسي فلما كلمه قال إنك اليوم لدينا مكين أمين অর্থঃ আর রাজা বললেন —
সূরা ইমরান ৯৯- ১০৪
সুরা ইমরান (99-104)
قُلْ يٰۤـاَهْلَ الْكِتٰبِ لِمَ تَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ مَنْ اٰمَنَ تَبْغُوْنَهَا عِوَجًا وَّاَنْتُمْ شُهَدَآءُ ؕ وَمَا اللّٰهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُوْنَ
ক্বুল আইয়ুহাল কিতাবি _ বল হে কিতাবীগন
লিমা তাসাদ্দুনা – কেন বাধা দিচ্ছ
আন সাবিলিল্লাহে – আল্লাহর পথে
মান আমানা —
সূরা ইমরান ৯৯ -১১০
সুরা ইমরান (99-110) قُلْ يٰۤـاَهْلَ الْكِتٰبِ لِمَ تَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ مَنْ اٰمَنَ تَبْغُوْنَهَا عِوَجًا وَّاَنْتُمْ شُهَدَآءُ ؕ وَمَا اللّٰهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُوْنَ
يٰۤـاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنْ تُطِيْعُوْا فَرِيْقًا مِّنَ الَّذِيْنَ اُوْتُوا الْكِتٰبَ يَرُدُّوْكُمْ بَعْدَ اِيْمَانِكُمْ كٰفِرِيْنَ
وَكَيْفَ تَكْفُرُوْنَ وَاَنْـتُمْ تُتْلٰى عَلَيْكُمْ اٰيٰتُ
সুরা নাস এ রবের সিফত
আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির সাথে তাঁর সম্পর্ককে তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করে ‘রব্বুন নাস’ (মানবজাতির প্রতিপালক, প্রভু ও বিধানদাতা), ‘মালিকুন নাস’ (মানবজাতির মালিক, শাসক, অধিপতি) ও ‘ইলাহুন নাস’ (মানবজাতির উপাস্য ও তাদের উপর সার্বভৌম সত্তা) হিসেবে প্রকাশ করেছেন। তিনি রব হিসেবে কিতাব বা বিধান নাযিল করেছেন, মালিক হিসেবে ঐ
সুরা কাহাফ ১০৪
উহারাই তাহারা,”পার্থিব জীবনে যাহাদের প্রচেষ্টা পণ্ড হয়, যদিও তাহারা মনে করে যে, তাহারা ভাল আমল করছে,
اَ لَّذِيْنَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِى الْحَيٰوةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُوْنَ اَنَّهُمْ يُحْسِنُوْنَ صُنْعًا (১৮ঃ ১০৪)
আল্লাযিনা দাল্লা ছাইউহুম-যাদের প্রচেষ্টা পন্ডু হয় ফিল হায়াতিত দুনইয়া — পার্থিব্য জীবনের ওয়া হুম
সুদ বিষয়ে প্রচলিত ধারনা বনাম কোরআনঃ
কোরানের ভাষায় সুদ কাকে বলেঃ
কোরআনে আল্লাহ الرِّبٰٓوا ‘রিবা’কে হারাম/নির্দ্ধারণ করেছেন, যার অর্থ অতিরিক্ত। কিন্তু অনুবাদ গুলোতে রিবাকে সুদ বলা হয়েছে। রিবা অর্থ অতিরিক্ত, যেটা ব্যবসার ক্ষেত্রে আল্লাহ একটা নীতিমালা দিয়েছেন। লাভ/অতিরিক্ত/রিবা দ্বিগুণের বেশি ভক্ষণ করা যাবে না। (3:130) যেমন আল্লাহ বলেনঃ”হে ঈমানদার গণ
সুদ কি? কেউ বলেন আসলের অতিরিক্ত কোন মুনাফা বা অর্থ গ্রহন করাই সুদ। আবার অনেকে মনে করেন বিনিয়োগ কৃত মুলধনের অতিরিক্ত কিছু গ্রহন করাই সুদ।
এভাবে নয় ছয় করে সুদের সঙা দিয়ে থাকেন। অতিরিক্ত শব্দের আরবী হল “জিয়াদ”। তাই সুদের অর্থ যদি অতিরিক্ত গ্রহন করা হয়
সিয়াম – সাহেরী – ইফতার
সিয়াম – সাহেরী – ইফতার
আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাত্রির কৃষ্ণরেখা হইতে ঊষার শুভ্র রেখা স্পষ্ট রূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। অতঃপর সিয়াম পূর্ণ কর রাত্রী পর্যন্ত । (২:১৮৭ এ)
উক্ত আয়াতে রোজা, সাহেরী ও ইফতারের বর্ণনা করা
সিফফিনের ঘটনা
সিফফিন যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলিম সমাজ দুটি শ্রেণীতে ভাগ হয়ে যায়। একটি পক্ষ চলে যায় হযরত আলীর সাথে এবং অপর পক্ষটি চলে যায় মোনাফেক মোয়াবিয়ার পক্ষে। মক্কা বিজয়ের পর যারা জীবন বাঁচাতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে, তারা সবাই মোয়াবিয়ার পক্ষে চলে যায়। এদের সংখ্যাই অধিক ছিল। এই তথাকথিত সাহাবী সমন্ধে পবিত্র
