যারা প্রচলিত ধর্ম পালন করে সন্তুষ্ট যাহারা নিজেরা যাহা করিয়াছে তাহাতে আনন্দ প্রকাশ করে এবং যাহা নিজেরা করে নাই এমন কাজের জন্য প্রশংসিত হইতে ভালবাসে, তাহারা শাস্তি হইতে মুক্তি পাইবে এইরূপ তুমি কখনও মনে করিও না। তাহাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রহিয়াছে। সূরা নম্বরঃ ৩, আয়াত নম্বরঃ ১৮৮ যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে,
Category: Blog
যারা মুখে বলে আনুগত্য করি:
তাহারা বলে, ‘আনুগত্য করি’, অতঃপর যখন তাহারা তোমার নিকট হইতে চলিয়া যায় তখন রাত্রে তাহাদের একদল যাহা বলে তাহার বিপরীত পরামর্শ করে। তাহারা যাহা রাত্রে পরামর্শ করে আল্লাহ্ তাহা লিপিবদ্ধ করিয়া রাখেন। সুতরাং তুমি তাহাদেরকে উপেক্ষা কর এবং আল্লাহ্র প্রতি ভরসা কর; কর্মবিধায়ক হিসাবে
যারা মুখে বলে আনুগত্য করি
তাহারা বলে, ‘আনুগত্য করি’, অতঃপর যখন তাহারা তোমার নিকট হইতে চলিয়া যায় তখন রাত্রে তাহাদের একদল যাহা বলে তাহার বিপরীত পরামর্শ করে। তাহারা যাহা রাত্রে পরামর্শ করে আল্লাহ্ তাহা লিপিবদ্ধ করিয়া রাখেন। সুতরাং তুমি তাহাদেরকে উপেক্ষা কর এবং আল্লাহ্র প্রতি ভরসা কর; কর্ম বিধায়ক হিসাবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। সূরা নিসা, আয়াত
যাকে মুর্খতা ও অজ্ঞতা ঘিরে আছে:
” যাকে মুর্খতা ও অজ্ঞতা ঘিরে আছে। সে অজ্ঞদের মাঝেই চলাফেরা করে। । সে কোরআন ও সুন্নাহকে পরিত্যাগ পুর্বক নিজের ইচ্ছামত বিধি নিষেধ তৈরী করে নেয়। প্রকৃত সে দুষিত পানি দ্বারা তৃষ্ণা নিবারন করে এবং যা অর্জন করে তা অর্থহীন। সাধারন মানুষ তাকে পরহেজগার পন্ডিত মনে করলেও আসলে সে তা
যাকাত কোরআনে
সুদ,ঘুষ, প্রতারণা করে সম্পদের পাহাড় গড়ে, অন্তরের ভয়,পাপ রাশি লুকাবার জন্য সে তখন যাকাত খুজে। যাকাতের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে পাপমুক্ত ভাবে।
যাকাত কি কালো টাকা সাদা করার অফার? যা দিয়ে সে হারাম সম্পদ হালাল করবে?
বছরে একবার যাকাত দিয়ে ভাবে আমি
মেরাজের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় আলোচনাঃ
পবিত্র ও মহিমময় তিনি যিনি তাঁহার বান্দাকে রজনীতে ভ্রমণ করাইয়াছিলেন আল-মসজিদুল হারাম হইতে আল-মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যাহার পরিবেশ আমি করিয়াছিলাম বরকতময়, তাহাকে আমার নিদর্শন দেখাইবার জন্য; তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। ” (১৭ঃ১)
সুরা ওয়াকিয়ার ৭৫ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছেঃ “আমি শপথ করছি সেই স্থানের যেখানে নক্ষত্রগুলি পতিত হয়।” —
মেরাজের বহু পুর্ব হতে সালাত ছিলঃ
- হযরত জাকারিয়া আঃ যখন তিনি কামরার ভেতরে সালাতে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন ফেরেশতারা তাঁকে ডেকে বললেন যে, আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন ইয়াহইয়া সম্পর্কে, যিনি সাক্ষ্য দেবেন আল্লাহর নির্দেশের সত্যতা সম্পর্কে, যিনি নেতা হবেন এবং নারীদের সংস্পর্শে যাবেন না, তিনি অত্যন্ত সতকর্মশীল নবী হবেন।
- ৩ সুরা আল-ইমরান আয়াত ৩৯
হযরত মুসা
মেরাজ রজনী
মিরাজ রজনীঃ ১০ম নবুয়তী বর্ষের শেষ দিকে চাচা আবুতালিব মারা যান। তার পরপরই একমাত্র শান্তনার আশ্রয়স্থল বিবি খাদিজা চির বিদায় নেন। পরপর শক্ত দুটি বিয়োগ ব্যথ্যায় নবী মোহম্মদ সাঃ যখন সংসার জীবনে বিমুঢ় হয়ে পড়েন। তার কিছু পড়েই আল্লাহ ১১ তম নবুয়তী সনে মিরাজ এর সুসংবাদ জানিয়ে দেন ভ্রমনের জন্য।
মেঘলা আকাশ
ঘুরে ঘুরে খালি হাতে ঘরে ফিরি রোজ
জাহাজের গায়ে লেখা-সমুদ্র নিখোঁজ
নিখোঁজ গেছে সারাতে সকালের ভোজ
এদিকে দেখি ধ্যানে বসেছে মনোজ।
নামাজের পাটিতে কাঁদি রোজ রোজ
বিশ্বাসে ছিল ভুল, নেই নি তো খোঁজ।।
Ekramul hoq 12/09/22
আলেমদের চাতুরতা
আলেমদের চাতুরতা – ফারুক হোসেন সহী বুখারি বইটি আদৌ বুখারির লেখা নয় . কোরানের পরেই যে বইটিকে আমাদের সুন্নি আলেম সমাজ সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে সেটা হলো সহী বুখারি। মজার ব্যপার হলো এই বইটি যে বুখারি লিখেছেন তারো কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য আমাদের আলেমরা দিতে পারেন না বা মূল বুখারি বই
মুহাম্মদ আল্লাহর রসুল কোরানের বর্ননাঃ
মুহম্মদ আল্লাহর রাসুল তার প্রমানের আয়াতঃ মুহাম্মদ আল্লাহ্র রাসূল ; তাঁহার সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল, আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাহাদেরকে রুকূ ও সিজদায় অবনত দেখিবে। তাহাদের লক্ষণ তাহাদের মুখমণ্ডলে সিজদার প্রভাবে পরিস্ফুটিত থাকিবে ; তওরাতে তাহাদের বর্ণনা এইরূপ এবং ইঞ্জীলেও তাহাদের বর্ণনা
মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈনঃ
কোন কোন জাতি, কি কি কাজের মাধ্যমে জান্নাতে যাবে।সুরা বাকারার ৬২ নং আয়াতে আল্লাহ তা বলে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈন সম্প্রদায়, (এদের মধ্যে) যারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং ভাল কাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট পুরস্কার রয়েছে, তাদের কোন প্রকার ভয় নেই
মুর্খদের এড়িয়ে চলার নির্দেশ:
আল্লাহ উপদেশ দেন…. মুর্খদের এড়িয়ে চলুন وَاَعْرِضْ عَنِ الْجٰهِلِيْنَ (ওয়া আ’রদী আনিল জাহেলিন) মুর্খদের এড়িয়ে চলুন خُذِ الْعَفْوَ — (খুযিল আফওয়া) = ক্ষমাশীলতা অবলম্বন করুন وَاْمُرْ بِالْعُرْفِ — (ওয়া আ’মর বিল উরফি) সৎকাজের নির্দেশ দিতে থাকুন
মুকতাদা- খবর
” রাসুল খোদা নেহি লেকিন খোদাছে জুদা নেহি।” বলার কারন: ১) আমি ও মামুন আজ ঢাকা যাব। ২) আমি মামুন আজ ঢাকা যাব। ১ম বাক্যে দুইজন মানুষকে বুঝায়, ২য় বাক্যে একজন মাত্র ব্যক্তিকে বুঝায়। আরবী গ্রামার অনুযায়ী ১ম বাক্যে আমি মুকতাদা এবং মামুন খবর — দুইজনকে বুঝায়। ২য়
মিরাজের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ
যখন বিজ্ঞানের জয়যাত্রার পথে নতুন নতুন আবিস্কারের স্বপ্ন দেখছে, বিজ্ঞানময় এই কোরান ভিত্তিক ইংরেজী, গণিত বাদ দিয়ে আমাদের এই আলেমরা তখন সাপ,ব্যাঙের বানোয়াট ব্যঙামা ব্যঙামীর কিচ্ছা শিখিয়ে তৈরী করছেন মসজিদের ইমাম আর মাদ্রাসার শিক্ষক। যাদের আয়ের একমাত্র উৎস মানুষের যাকাত, ফিতরা, মিলাত আর কোরবানীর চামড়ার টাকা। আমরা কোরান থেকে বিজ্ঞানকে
রবের উপদেশ পত্র
- যারা ঈমান এনেছে তাদের উদ্দেশেঃ
হে মু’মিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ্কে ভয় কর তবে আল্লাহ্ তোমাদেরকে ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করিবার শক্তি দিবেন, তোমাদের পাপ মোচন করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন এবং আল্লাহ্ অতিশয় মঙ্গলময়। يٰۤـاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِنْ تَتَّقُوا اللّٰهَ يَجْعَلْ لَّـكُمْ فُرْقَانًا وَّيُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّاٰتِكُمْ وَيَغْفِرْ لَـكُمْؕ وَ اللّٰهُ
ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ সাঃ কোন মাসে সিয়াম সাধনা করতেন?
কুরআনে বর্ণনা করে, ‘এখন আমি তোমার প্রতি ওহী করলাম, ‘তুমি একনিষ্ঠ ইবরাহীমের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর … (১৬:১২৩)।
তাহলে ইবরাহীম আঃ এর রমযান মাস পেলেই আমার জন্য যথেষ্ট।
এবার কুরআনে দেখুন, ‘তিনি
রাসুলের কোন সুন্নত(নিয়ম) নেই, সব আল্লাহর সুন্নত…. . আমার রাসূলগণের মধ্যে তোমার পূর্বে যাহাদেরকে পাঠাইয়াছিলাম তাহাদের ক্ষেত্রেও ছিল এইরূপ নিয়ম এবং তুমি আমার নিয়মের কোন পরিবর্তন পাইবে না। سُنَّةَ مَنْ قَدْ اَرْسَلْنَا قَبْلَكَ مِنْ رُّسُلِنَا وَلَا تَجِدُ لِسُنَّتِنَا تَحْوِيْلًا সূরা নম্বরঃ ১৭, আয়াত নম্বরঃ ৭৭ ইহাই আল্লাহ্র বিধান-প্রাচীন কাল হইতে
সন্ধ্যা ও রাত্রীর মধ্যে পার্থক্যঃ
সন্ধ্যা ও রাত্রী আল্লাহ্ যেভাবে সন্ধ্যার পরিচয় দিয়েছেনঃ 1.মাগরি বা শামস- সুর্যাস্তের স্থান (১৮:৮৬)”অবশেষে যখন সে পৌঁছল সুর্যাস্তের স্থানে। 2. আশ শাফাক সন্ধ্যা লালিমা,লাল আভা- সন্ধ্যকালীন গোধূলি,রক্তজবা. (৮৪:১৬) অত:পর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার। 3.আছাল (সন্ধ্যা) (১৩:১৫) আর আল্লাহ্’র জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের সবকিছু অনুগত ও বাধ্য হয়ে সিজদাহ্
সত্যকেও প্রকাশ করতেও হেকমত কেন?
কোন সত্যকেও প্রকাশ করতেও ভাবা উচিৎঃ —————————— স্বর্ণকার নিতাই বাবুর মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেলো। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব। বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো–এটা তোমার কাকার দোকানে নিয়ে যাও সে যেন এটা বেচে কিছু টাকার ব্যবস্থা করে দেয়। ছেলেটা হারটি নিয়ে
