সালামুন আলাইকা, মুহতারম তারেক হুমায়ুন পলাশ। বাদ আরজ দ্বীনের জরুরী এবং ফরজ বিষয়ক কিছু আপনার নিকট হতে জানার আগ্রহ, যা দ্বারা নিজেকে ঈমানদার হিসেব শুধরিয়ে নেয়ার প্রয়জোনীয়তা উপলব্ধি করছি। আশা করি উত্তরের মাধ্যমে সহযোগিতা প্রদান করবেন, যার প্রতিদান আল্লাহ দিবেন। আমার সোয়াল সমুহের জবাব ক্রমিক অনুযায়ী ধারাবাহিক ও সংক্ষিপ্ত আকারে
Category: My text
দিন গুলো মোর
” দিন গুলো মোর “...
দিন ছেড়ে দেয় সাঁঝ আটকায় ছোট্ট বিকেল বেলা, মরে যায় মন “দিন গুলো মোর”
ইসলামি শরিয়তে দাড়ি রাখা কি বাধ্যতা মূলক??
দাড়ি রাখা, না রাখা নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক মতো পার্থক্য আছে। কেউ বলছেন দাড়ি রাখা সুন্নাত, কেউ বলছেন ওয়াজিব আবার কেউ বলছেন দাড়ি রাখা একটা ঐচ্ছিক বিষয়। তবে প্রায় ১০০% মাদ্রাসা পড়ুয়া লোকজন মনে করে দাড়ি রাখা ইসলামি শরিয়তের
থাকব না আমি
…… থাকব না শুধু আমি
একটা সময়ে এসে ভাবতে শিখেছি আপন জনের জন্য কিছু করতে না পারলে, কিসের জিন্দেগী!! আমার বলে কিছু নেই, থাকবেও না সব সাময়িক ভাবে আমাকে ভোগ করার সুযোগ দিয়েছে প্রতিপালক। সব কিছু ঠিকঠাক রয়ে যাবে “থাকব না আমি”
তোমার আমার ঈমানের পার্থক্য কি
আমি বিশ্বাস করি কোরআনের সকল নির্দেশনা। পার্থক্য তোমার সাথে এতটকু যে……
তোমার আল্লাহ নির্দিষ্ট একটি ঘরে আসন পেতে শাসন পরিচালনা করে, তুমি সেথায় লাব্বাইক বলে উপস্থিতি জানিয়ে নিবেদন কর —–
আর আমার আল্লাহর আসন গোটা আলমের সর্বত্র নির্দিষ্ট কোন ঘরে নয়।
২ঃ১১৫ দৃষ্টিতে তোমার ঈমানের সাথে আমার ঈমানের পার্থক্য এটুকুই।
“হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ,(৪ঃ৪৩)
يٰأَيُّهَا الَّذينَ ءامَنوا لا تَقرَبُوا الصَّلوٰةَ وَأَنتُم سُكٰرىٰ حَتّىٰ تَعلَموا ما تَقولونَ
ইয়া আইয়ূহাল্লাযিনা আমানু লা তাক্বরাবুউ স সালাওয়াতা
তাহারা মনে করে সৎপথে আছে
যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহ্র স্মরণে বিমুখ হয় আমি তাহার জন্য নিয়োজিত করি এক শয়তান, অতঃপর সে-ই হয় তাহার সহচর। (৪৩:৩৬)
শয়তানেরাই মানুষকে সৎপথ হইতে বিরত রাখে, অথচ মানুষ মনে করে তাহারা সৎপথে পরিচালিত হইতেছে। (৪৩: ৩৭)
তাবলীগ জামাতের দ্বীন প্রচার
অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত। (ইয়াসিনঃ২১)
এর পর সুরা ইমরানে আল্লাহ বলেনঃ আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো
তাফসীর গ্রন্থঃ
তাফসীর গ্রন্থঃ গত হাজার বছরে ইসলামের ইতিহাসের নামে অসংখ্য বই লেখা হয়েছে। ঈমাম তাবারি সর্বপ্রথম এইরকম ইসলামের ইতিহাস লিখেছিলেন উচ্চপ্রশংসিত রসূল ও নবী মুহম্মদের মৃত্যুর ২৮০ বছর পরে জনশ্রুতি এবং গুজবের উপরে ভিত্তি করে। তার পরবর্তী সকল ঐতিহাসিকগণ তাকে অন্ধভাবে অনুসরন ও পুনরাবৃত্তি করেছেন কোনরকম বাছ বিচার ছাড়াই। শিক্ষীত মুসলমানদের
তাওহীদ ও ঈমানঃ
ইসলাম ধর্মকে মোল্লাতন্রের মন্ত্ররে দুই ভাগে ভাগ করেছে। একটা আল্লাহর হুকুম আর একটা রাসুলের হুকুৃম। কিন্তু মোল্লারা তাদের ব্যবসায় উন্নত ও সফলতার জন্য আল্লাহকে বাদ দিয়ে রাসুলকে উপাস্য হিসেবে গ্রহন তার নামে হাদিস বানিয়ে নতুন বিধিবিধান তৈরি করে মুসলমানদের মাঝে সাপ্লাই দিয়েছে। ফলে আল্লাহর বিধান কুরআন চাপা বা ঢাকা পড়ে
তাওরাত ইঞ্জিল কার উপর নাযিল হয়েছিল
” হে কিতাবীগণ! ইব্রাহীম সম্বন্ধে কেন তোমরা তর্ক কর, অথচ তাওরাত ও ইন্জীল তো তাহার পরেই অবতীর্ণ হইয়াছিল ? তোমরা কি বুঝ না ? ( ৩ঃ ৬৫) (আমরা জানি তাওরাত মুসা আঃ এবং ইঞ্জিল ঈসা আঃ এর উপর প্রথম নাযিল হয়েছিল। কিন্তু কোরান স্বাক্ষী দেয় ইতিপুর্বে ইব্রাহীম আঃ এর উপরও
তওবা কবুল হওয়ার শর্তঃ
তওবা কবুল হওয়ার শর্তঃ আল্লাহ্ অবশ্যই সেইসব লোকের তওবা কবূল করিবেন যাহারা ভুল বশত মন্দ কাজ করে এবং সত্বর তওবা করে, ইহারাই তাহারা, যাহাদের তওবা আল্লাহ্ কবূল করেন। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।(সূরা নম্বরঃ ৪,আয়াতঃ ১৭) তওবা তাহাদের জন্য নহে যাহারা আজীবন মন্দ কাজ করে, অবশেষে তাহাদের কাহারও মৃত্যু উপস্থিত
জ্ঞানীর ভাবনা
আমরা মনে করি কোরআনের আয়াত নিয়ে আমাদের আলেম সমাজে তর্ক বিতর্ক। কিন্তু না। নবী মুহাম্মদ জীবিত থাকা কালিন সময়েও তর্ক বিতর্ক হয়েছে এবং সাহাবাদের মধ্যেও বিভিন্য দল তৈরী হয়েছিলো। একেক জনের কাছে একেক ভাবে প্রকাশিত হয়। অনেক পথ, অনেক মত। কোনটা সঠিক একমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভাল জানেন। আমরা
জ্ঞানীদের জন্য চিন্তার খোরাকঃ
১] তোমাদের কিছু লোক নিরক্ষর। তারা মিথ্যা আকাঙ্খা ছাড়া আল্লাহর গ্রন্থের কিছুই জানে না। তাদের কাছে কল্পনা ছাড়া কিছুই নেই। ২ঃ৭৮ ২] তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কার ও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না
জ্ঞানীদের জন্য কোরানের নিদর্শন
তাহাদের মধ্যে এমন কিছু নিরক্ষর লোক আছে যাহাদের মিথ্যা আশা ব্যতীত কিতাব সম্বন্ধে কোন জ্ঞান নাই, তাহারা শুধু অমূলক ধারণা পোষণ করে।(২ঃ৭৮)
এরা বিচার দিবসে বলবে……
আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
فَاَغْوَيْنٰكُمْ اِنَّا كُنَّا غٰوِيْنَ ( ৩৭ঃ৩২)
বরং এ আয়াতটি র
জুম্মা VS সম্মেলন
১) হে মু’মিনগণ! জুমু’আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহ্র স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ কর, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা উপলব্ধি কর।(৬২ঃ৯) يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا نُوْدِىَ لِلصَّلٰوةِ مِنْ يَّوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا اِلٰى ذِكْرِ اللّٰهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ؕ ذٰ لِكُمْ خَيْرٌ
জীবন VS ধর্ম
জীবন যেন এমন একটা বইয়ের মাঝ খানের কয়েকটা পৃষ্ঠা, যে বইয়ের প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠা গুলো হারিয়ে গেছে, আর মানুষ আত্ম চেতনায় উন্নীত হওয়ার পর হতে সেই পৃষ্ঠাগুলোই যেন খুঁজে বেড়াচ্ছে।
জীবন নামক বইয়ের হারিয়ে যাওয়া প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠা
জাহান্নামী হয়ে গেলে আর জান্নাতে যাবে না
কোরানের সাথে সংযোগ না থাকলে বেশীর ভাগ আলেমদের ওয়াজ শুনে মানুষ পথভ্রষ্ট হবে। কারন তারা প্রচার করে জাহান্নীদেরকেও একসময় শাস্তি দেয়ার পর জান্নাতে নিবে। ফলে মানুষ এ আশ্বাস পেয়ে অপরাধ কুফরী করার মত কাজ হতে বিরত থাকছে না। অথচ আল্লাহর ঘোষনা কি? দেখুন, আর হুজুর বলে কি? 1) যাহারা
জমীদারীর অবসানের পেছনের কথা
হামিদুর রহমান বড় মিয়ার—– জমি যেভাবে খাস হলোঃ সংগ্রহে : এ,কে,এম,একরামুল হক যে জমিগুলো সাধারণত সরাসরি সরকারের মালিকানাধীন থাকে সেগুলো খাস জমি হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ যে জমিগুলো কালেক্টরের নামে রেকর্ড থাকে সেগুলোই খাস জমি। জেলা প্রশাসক বা ডিসি যখন
নামাজ vs সলাত
দীর্ঘদিন যদি কোন মিথ্যে শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হয়ে যায় এবং তার বিপরীত কোন সত্য হাজির না হয়, তবে সে মিথ্যেটাও একদিন সত্যে পরিনত হয় এবং তা মানব হৃদয়ে মজবুদ এক ভিত গেড়ে বসে। সে তখন সে ভিত থেকে আর সড়ে আসতে পারে না, যত সত্যই তার কাছে উপস্থাপন

