Categories
Blog

যাকাতের পরিমান

কুরআনে বহু জায়গায় الصلاة (সালাত) ও الزكاة (যাকাত) একত্রে এসেছে। যাকাত দেওয়া বাধ্যতামূলক। যাকাতে দরিদ্রদের অধিকার আছে। কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধনীর সম্পদে দরিদ্র ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে। তাদের সম্পদে রয়েছে প্রার্থী ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার। এখানেই স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, ধনী ব্যক্তির সম্পদে দরিদ্রদের জন্য অংশ সংরক্ষিত। (৫১:১৯)

ফসল কাটার দিন তার অধিকার দিয়ে দাও। (6:141) এ থেকে বুঝা যায় যাকাত ধনীর জন্য নির্ধারিত। এটি যাকাতের মূল নীতি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তি। কুরআন এটিকে আত্মশুদ্ধি ও সমাজের ভারসাম্য রক্ষা হিসেবে দেখেছে। যাকাত কাকে দিবে? এ প্রশ্নের জবাবে কোরান বলে, যাকাত হলো —১) ফকির ২) মিসকিন ৩) যাকাত সংগ্রহকারী ৪) ঋণগ্রস্ত ৫) পথিক ৬) নওমুসলিম … ইত্যাদির জন্য। (৯:৬০) যদিও এ আয়াতে যাকাত নয় সাদকা শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে।

কিন্তু কতটুকু দিতে হবে তার পরিমানের কথা আল্লাহ নির্ধারন করে দিলেন না। অন্যত্র বলা হয়েছে অতিরিক্ত থেকে দাও, অপচয় নয়।

এরপরও সাহাবীরা যখন অতি উৎসুক হয়ে জিজ্ঞেস করা শুরু করলেন নবীকে কত পরিমান যাকাত দিতে হবে? তখন আয়াত এসে গেল, وَيَسْأَلُونَكَ مَاذَا يُنْفِقُونَ قُلِ الْعَفْوَ তারা জিজ্ঞেস করে কী ব্যয় করবে। বল — অতিরিক্ত যা আছে তা। (2:219)

অর্থাৎ তোমার নিত্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যয় নির্বাহের পর অতিরিক্ত যা থাকবে সব যাকাত স্বরুপ দিয়ে দিতে হবে।

আহাম্মক উল্লাহ গং মোল্লারা এটাকে ২.৫% নির্ধারন করলেন কোরানের আয়াতকে উপেক্ষা করে।

By Ekramul hoq

I am A.K.M Ekramul hoq MA.LLB. Rtd Bank Manager & PO of Agrani Bank Ltd. I am interested writing and reading. Lives in Bangladesh, District Jamalpur.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

``` }